আজঃ শুক্রবার ১৭ এপ্রিল, ২০২৬

ফের অনিশ্চয়তায় সিসিসিআই নির্বাচন।

প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার বিশেষ প্রতিনিধি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শীর্ষ ব্যবসায়িক সংগঠন চিটাগং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (সিসিসিআই) নির্বাচন অনিশ্চয়তায় পড়েছে। দুপক্ষের আইনি বিরোধের কারণে উচ্চ আদালতের নির্দেশে নির্ধারিত ৪ এপ্রিলের নির্বাচনও স্থগিত হয়ে গেছে। তবে আদালত আগামী ২৬ এপ্রিলের মধ্যে এফবিসিসিআইয়ের বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি ট্রাইব্যুনালকে বিরোধ নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন।
তথ্যটি নিশ্চিত করে রিটকারী ব্যবসায়ী মোহাম্মদ বেলালের পক্ষে আইনজীবী আশফাকুর রহমান বলেন, আদালত আগামী ২৬ এপ্রিলের মধ্যে এফবিসিসিআইয়ের বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি ট্রাইব্যুনালকে বিরোধ নিষ্পত্তি করে সিদ্ধান্ত দিতে বলেছেন। পাশাপাশি হাইকোর্টের সর্বশেষ আদেশ আমলে না নেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন।

চেম্বার সূত্রে জানা যায়, ৩ মার্চ প্রায় পাঁচ মাস স্থগিত থাকার পর চট্টগ্রাম চেম্বারের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের নতুন তফশিল ঘোষণা করা হয়েছিল। তফশিল অনুযায়ী আগামী ৪ এপ্রিল নগরের আগ্রাবাদ এলাকার ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে ভোট গ্রহণের কথা ছিল। ২৬ ফেব্রুয়ারি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আইনি মতামতের ভিত্তিতে সাধারণ ও সহযোগী গ্রুপের ১৮ জন পরিচালক নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। তবে আদালতের নতুন আদেশে সেই নির্বাচনও স্থগিত হয়ে গেল।

এর আগে, গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপের আটটি সংগঠনকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয় নির্দেশ দেয়। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম গার্মেন্টস অ্যাকসেসরিজ গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ বেলাল হাইকোর্টে রিট করেন এবং এফবিসিসিআইতেও অভিযোগ করেন।
রিটের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২২ অক্টোবর হাইকোর্ট দুই শ্রেণিকে বাদ দিয়ে নির্বাচন পরিচালনার নির্দেশনা দিয়ে রুল জারি করেন এবং মন্ত্রণালয়ের ৪ সেপ্টেম্বরের চিঠির ওপর স্থগিতাদেশ দেন। পরে আপিলের পর ৩০ অক্টোবর আদালত দুই সপ্তাহের জন্য নির্বাচন স্থগিত করেন।

পরবর্তীতে গত ১১ ডিসেম্বর হাইকোর্ট ছয়টি টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপের ছয় প্রতিনিধিকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেন। এ আদেশের বিরুদ্ধেও আপিল করেন রিটকারী মোহাম্মদ বেলাল। সেই আপিলের শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার আদালত এফবিসিসিআইয়ের ট্রাইব্যুনালে বিরোধ নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন এবং মৌখিকভাবে বলেন, ৪ এপ্রিল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ নেই।

প্রসঙ্গত, চট্টগ্রাম চেম্বারের নির্বাচনে সাধারণ শ্রেণি থেকে ১২ জন, সহযোগী শ্রেণি থেকে ৬ জন এবং টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপ শ্রেণি থেকে ৩ জন করে মোট ৬ জন পরিচালক নির্বাচিত হন। এভাবে ২৪ সদস্যের পরিচালনা পর্ষদ গঠিত হয়। পরে নির্বাচিত পরিচালকদের ভোটে একজন সভাপতি ও দুজন সহসভাপতি নির্বাচিত হন।এবার টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপ শ্রেণি থেকে ছয়জন পরিচালক বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার পথে ছিলেন। তবে দুপক্ষের আইনি বিরোধের কারণে নির্ধারিত সময়েও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি এবং নতুন তফশিল ঘোষণার পরও তা আবার স্থগিত হয়ে গেছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কুষ্টিয়ায় রাসেল ভাইপারের কামড়ে কৃষকের মৃত্যু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পদ্মার চরে রাসেল ভাইপার সাপের কামড়ে রবিউল ইসলাম (৩৬) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।বুধবার রাতে পদ্মার চর থেকে তাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। নিহত রবিউল ইসলাম দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের দক্ষিণ মন্ডলপাড়া গ্রামের জামাল মালিথার ছেলে।

নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকাল ১০ টার দিকে রবিউল ইসলাম পদ্মার চরে নিজ ক্ষেতে কাজে যায়।এ সময় একটি বিষাক্ত সাপ তাকে কামড় দিলে ঘটনাস্থলেই কৃষক রবিউল ইসলামের মৃত্যু হয়। দিন শেষে বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।

পরে রাত ৯টার দিকে পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়রা পদ্মার চরের নিজ ক্ষেতে কৃষক রবিউল ইসলামকে পড়ে থাকতে দেখে তাকে উদ্ধার করে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রবিউল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন।নিহতের মুখের লালা ও শরীরের অবস্থা দেখে ধারণা করা হচ্ছিল রাসেল ভাইপার সাপের কামড়েই তার মৃত্যু হয়েছে। তবে সাপটি রাসেল ভাইপার কিনা সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তৌহিদুল ইসলাম তুহিন জানান, বুধবার রাত ৯টার দিকে রবিউল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়।
প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষায় সাপের কামড়ে ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে বলে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে দেরিতে হাসপাতালে আনার কারণে এটি রাসেল ভাইপারের কামড় ছিল কিনা তা নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব হচ্ছে না।

এদিকে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে দক্ষিণ ফিলিপনগর মন্ডলপাড়া নিজ গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে কৃষক রবিউলের দাফন সম্পন্ন করা হয়।

দুবাইয়ে বাংলাদেশি কমিউনিটি নেতা প্রকৌশলী আবু জাফর চৌধুরীর ইন্তেকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


বাংলাদেশ সমিতি আবুধাবির সাবেক সভাপতি, আরব আমিরাতে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ও সমাজসেবক, চট্টগ্রাম বাঁশখালী উপজেলাধীন এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন প্রকৌশলী আবু জাফর চৌধুরী (৭৫) আর নেই। রোববার সন্ধ্যা ৮টার দিকে শারজাহ্ একটি বেসরকারি হাসপাতালে (মেডকেয়ার) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।প্রকৌশলী আবু জাফর চৌধুরী দীর্ঘ প্রায় ৪০ বছর ধরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। তার নেতৃত্বগুণ, আন্তরিকতা ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের জন্য তিনি কমিউনিটির সব স্তরের মানুষের কাছে অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় ও প্রিয় ছিলেন।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও দুই ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার বড় ছেলে যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত এবং ছোট ছেলে শারজাহ্ তে প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। গতকাল ১৫ ০৪ ২০২৬ ইং বুধবার মরহুম প্রকৌশলী ইন্জিনিয়ার আবু জাফর চৌধুরী সি আই পি জায়নাজার নামাজ স্থান সময় বাদে আসর নামাজের পরপরই জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ রোড সংলগ্ন এডনক পেট্রল স্টেশনের পাশের মসজিদ।

তার মৃত্যুতে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিতে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সহকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও কমিউনিটির সদস্যরা শোক প্রকাশ করেছেন এবং মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন।
মরহুমের জন্য দোয়া করা হচ্ছে- মহান আল্লাহ যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই কঠিন সময়ে ধৈর্য ধারণের তাওফিক দান করা জন্য সবাই দোয়া করেন।

আলোচিত খবর

ইস্টার্ন রিফাইনারির পরিশোধন কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) পরিশোধন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে। মঙ্গলবার ১৪ এপ্রিল সকাল থেকে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। সবশেষ গত রোববার ১২ এপ্রিল বিকালে তেল পরিশোধন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

এরপর ক্রুড তেলের সংকটের কারণে মজুত ক্রুড তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।
ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতের প্রভাবে গত প্রায় দুই মাস ধরে ক্রুড তেল আমদানি ব্যাহত হচ্ছে এমনটাই জানা যায়।

পরিশোধনের পরিমাণ কমিয়ে আনা হয় সংকট মোকাবিলায় মার্চ মাস থেকেই। যেখানে দৈনিক গড়ে ৪ হাজার ৫০০ টন ক্রুড তেল পরিশোধন করা হতো, সেখানে তা কমিয়ে ৩ হাজার ৫০০ টনে নামিয়ে আনা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত মজুত শেষ হওয়ায় সম্পূর্ণভাবে কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি।

এদিকে জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, দেশে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। ফলে সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটবে না বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ