বায়েজিদ  চোরাই মোটরসাইকেল  চক্রের -৪ জন সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার, ৫ টি মোটর সাইকেল উদ্ধার

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

*বায়েজিদ  চোরাই মোটরসাইকেল  চক্রের -৪ জন সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার, ৫ টি মোটর সাইকেল উদ্ধার

বায়েজীদ বোস্তামী থানাধীন অক্সিজেন জেলা পরিষদ আবাসিক এলাকার একটি ভবনের নিচতলার পার্কিং থেকে অজ্ঞাতনামা চোর/চোরেরা একটি Pulsar 150 মোটরসাইকেল চুরি করে নিয়ে যায়। উক্ত ঘটনায় বায়েজিদ বোস্তামী থানায় একটি মামলা রুজু হয়।

  • মামলার তদন্তকারী কর্মকতা এসআই মোঃ মনিরুল ইসলাম মামলার প্রাথমিক তদন্তকালে বিশ্বস্ত সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে জানতে পারেন যে, কক্সবাজার জেলার রামু থানা এলাকার একটি সংঘবদ্ধ চোরচক্র  মোটরসাইকেলটি চুরি করেছে এবং চোরাই গাড়িটি ওই এলাকায় আছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে কক্সবাজার জেলার রামু থানাধীন রামু বাইপাস, ফুটবল চত্বর, রেলবিটের পশ্চিম পাশে নুরুল ওয়ারেজ মটরস্ গ্যারেজের সামনে থেকে  মোঃ রিয়াজ উদ্দিন জাহেদ (২০)-কে আটক করেন। আটককৃত ব্যক্তিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যে সে  মোটরসাইকেল চুরির সাথে জড়িত আছে সন্দেহ হওয়ায় তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে থেকে মোঃ জাকির হোসেন ২৬কে কক্সবাজার জেলার রামু থানাধীন রামু বাইপাস এলাকা থেকে   গ্রেফতার করে।  জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, তাদের কাছে চোরাই মোটরসাইকেল আছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে  রিয়াজের গ্যারেজ থেকে ২টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।  উদ্ধারকৃত মোটরসাইকেল দুটির ইঞ্জিন ও চেচিস নম্বর ঘষামাজা থাকায় এবং বর্ণিত মোটরসাইকেলের সাথে মিল না পাওয়ায় উভয়কে পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জিজ্ঞাসাবাদে এক পর্যায়ে তারা জানায় তাদের অপর সহযোগী   মোঃ রহমত উল্লাহ এবং মোঃ রফিকুল ইসলাম প্র. সাগর নিকট  চুরি যাওয়া মোটরসাইকেলসহ আরও চোরাই মোটরসাইকেল আছে। তাদের দেওয়া তথ্যে ও শনাক্তমতে রামু থানাধীন বাইপাস এলাকা থেকে  তাদের  গ্রেফতার করা হয়।জিজ্ঞাসাবাদে তারা  তারা জানায়,  রামু থানাধীন বাইপাস ফুটবল চত্বর এলাকায়  আরও ৩টি চোরাই মোটরসাইকেল তাদের কাছে আছে । উদ্ধারকৃত মোটরসাইকেলগুলো বাদীর চোরাই মোটরসাইকেলের সাথে মিল না পাওয়ায় এবং উদ্ধারকৃত মোটর সাইকেল গুলোর চেচিস এবং ইঞ্জিন নম্বর ঘষামাজা হওয়ায় এবং মোটরসাইকেলগুলো সংক্রান্তে তারা কোনো কাগজপত্র উপস্থাপন করতে না পারায় বিধি মোতাবেক সাক্ষীদের উপস্থিতিতে চোরাই সন্দিগ্ধ আলামত হিসেবে জব্দতালিকামূলে জব্দ করেন।  তারা সঙ্গবদ্ধ চোরচক্রের এবং চোরাই মোটরসাইকেল কেনাবেচা চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা চট্টগ্রাম থেকে চুরি করে পরবর্তীতে কক্সবাজার এলাকায় নিয়ে ইঞ্জিন ও চেচিস নম্বর ঘষামাজা করে পুনরায় বিক্রয় করার জন্য রেখেছিল।

 

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

অস্তিত্বহীন ব্যক্তির নামে জন্মনিবন্ধন সনদ ইস্যু, ইউপি সচিবকে ৩ বছরের কারাদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অস্তিত্বহীন ব্যক্তির নামে জন্মনিবন্ধন সনদ ইস্যুর অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সচিব মোহাম্মদ নূরুল আলমকে ৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন একটি আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত মোহাম্মদ নূরুল আলম (৪৭), কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার মানিকপুর এলাকার মৃত আবু সালামের ছেলে।তিনি পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সচিব।মঙ্গলবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমানের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। একই মামলায় অপর দুই আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

খালাসপ্রাপ্ত দুই আসামি হলেন মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের তৎকালীন চেয়ারম্যান শরাফত উল্লাহ ওয়াসিম এবং পেকুয়া উপজেলার তৎকালীন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) সৌভ্রাত দাশ। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। তাই তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানামূলে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশনায় কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের তৎকালীন সচিব মোহাম্মদ নূরুল আলম ক্ষমতার অপব্যবহার করে চারজন ভুয়া ও অস্তিত্বহীন ব্যক্তির নামে জন্মনিবন্ধন সনদ ইস্যু করেন। তিনি নিজে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে ছৈয়দ আহমদ, মো. ইউনুছ, শামসুন্নাহার ও রহিম উল্লাহ নামে চারজনের জন্মনিবন্ধন তৈরি করেন, যাদের বাস্তবে কোনো অস্তিত্ব ছিল না। এসব জন্মনিবন্ধন ব্যবহার করে প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগ আনা হয়। দুদকের তদন্ত শেষে দণ্ডবিধির ৪২০ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। অভিযোগপত্র গ্রহণের পর আদালত অভিযোগ গঠন করে বিচার কার্যক্রম শুরু করেন।

দুদকের পিপি মোকাররম হোসাইন বলেন, মামলায় ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য-প্রমাণে সাবেক ইউপি সচিব মোহাম্মদ নূরুল আলমের বিরুদ্ধে ভুয়া ও অস্তিত্বহীন ব্যক্তির নামে জন্মনিবন্ধন সনদ ইস্যুর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে ৩ বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

শাহ আমানত সেতুর পাশে ছিনতাইয়ের অভিযোগে যুবককে গণপিটুনি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের বাকলিয়া থানাধীন শাহ আমানত সেতু এলাকায় ছিনতাইয়ের সময় জনতার হাতে ধরা পড়ে গণপিটুনিতে আহত হয়েছেন এক যুবক। তার নাম রনজিত চক্রবর্তী (৩৫)। মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে নতুন ব্রিজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে তাকে উদ্ধার করে রাত পৌনে ৩ টায় দিকে তাকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের (চমেক) জরুরি বিভাগে আনা হয়।

চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশেক বলেন, আনয়নকারীদের কাছ থেকে জানতে পেরেছি, বাকলিয়ার নতুন ব্রিজ এলাকায় ছিনতাইয়ের সময় স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে মারধর করে। পরে আহত অবস্থায় তাকে চমেক হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের ২ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবহিত করা হয়েছে। আহত রনজিত চক্রবর্তী বাকলিয়া থানার খেজুরতলা এলাকার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।তার বাবার নাম গৌরাঙ্গ চক্রবর্তী।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ