আজঃ মঙ্গলবার ১৭ মার্চ, ২০২৬

ডিমলায় ধর্ষন মামলার আসামীকে পুলিশ গ্রেফতার করতে না পারায় ছাত্রী অভিভাবকরা হতাশ।

আনোয়ার হোসেন ডিমলা নিলফামারী:

নিলফামারী:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ডিমলায় ধর্ষন মামলার আসামীকে পুলিশ গ্রে

নীলফামারী ডিমলায় আলোচিত (০৮) বছরের শিশুকন্যা ধর্ষন মামলার এজাহার নামীয় আসামীকে আজো গ্রেফতার করতে পারেনি ডিমলা থানা পুলিশ। শিশুটি পিতা সোহেল রানা মিলন (মামলার বাদী) অভিযোগ করে বলেন, আমার শিশুকন্যা ধর্ষনের বিষয়টি তাৎক্ষনি পুরো উপজেলায় ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু আমি আমার ধর্ষিতা শিশুকন্যাটিকে রক্তাক্ত জখমি অবস্থায় প্রথমে ডিমলা সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করাই। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে গুরুত্বর জখমী অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য নীলফামারী আধুনিক সদর হাসপাতালে রেফার্ড করেন।

তিনি আরও জানান আমার শিশুকন্যার চিকিৎসা কাজে ব্যস্ত থাকা গত (১৯ মে) ডিমলা থানায় ধর্ষন মামলা দায়ের করি। মামলা দায়েরের ৬ দিন অতিবাহিত হয়ে গেলেও থানা পুলিশ মাত্র একদিন আসামীর বাড়ীতে গিয়েছে। আসামী কেন গ্রেফতার করা হচ্ছেনা এ বিষয়ে ডিমলা থানার (ওসি) দেবাশীষ রায় ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোঃ সাজু মিয়া সাংবাদিকদের বলেন, আমরা নির্বাচনের কাজে ব্যস্ত আছি। ব্যস্ততা শেষ হলে বিষয়টি দেখবো।
ডিমলা থানার (ওসি) দেবাশীষ রায় বলেন, আসামীকে গ্রেফতারে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে এবং মামলা হওয়ার পরে আসামীর বাড়ীতে পুলিশ একদিন যাওয়ার কথা তিনি স্বীকার করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (সাবইন্সপেক্টর) মোঃ সাজু মিয়া বলেন, মামলা করতেই বাদী দেরি করেছেন। আসামীকে গ্রেফতারের জন্য তার বাড়ীতে একদিন যাওয়ার কথা তিনিও স্বীকার করে বলেন, (২১ মে) ভোটের ডিউটিতে ছিলাম। (২২মে) থানায় এসেছি আসামী ধরার চেষ্টা চলমান রয়েছে। খোঁজ পেলে আসামীকে গ্রেফতার করা হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধীক অভিভাবক উপজেলা বিভিন্ন এলাকায় এমনকি (থানা এলাকার) মধ্যেও একের পর এক ধর্ষনের ঘটনা ও আসামীদের গ্রেফতার না হওয়ার বিষয়ে তারা তাদের স্কুল/কলেজ পড়ুয়া কন্যা সন্তানদের নিয়ে চরম হতাশায় ভুগছেন এবং এর জন্য ডিমলার সার্বিক আইন শৃঙ্খলার অবনতির কথা বলছেন।

উল্লেখ্য, ডিমলায় ৬ দিনের ব্যবধানে দুটি ধর্ষন হয়েছে (১১ই মে) ডিমলা থানা এলাকা একটি বাড়ীতে ৯ম শ্রেনীর এক স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ কিশোর গ্যাং ধর্ষন করে। অপর দিকে ৬ দিন পরে (উপজেলার টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের দক্ষিন খড়িবাড়ী (মাষ্টারপাড়া) গ্রামে (০৮) বছরের এক শিশুকন্যা ধর্ষনের স্বীকার হলে পুরো উপজেলায় তোলপাড় শুরু হয়।
ডিমলা থানায় পৃথক দুটি মামলা নং-১২, তারিখঃ ১২/০৫/২০২৪ইং এবং মামলা নং- ২০, তারিখঃ১৯/০৫/২০২৪ইং ধর্ষন মামলা রুজু করা হয়। ৯ম শ্রেনীর ছাত্রী ধর্ষন মামলার অন্য দুই আসামীকে ঘটনার দিন গ্রেফতার করলেও ৬ দিনেও (১নং) মূল আসামীকে ডিমলা থানা পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি। তবে মামলার মুল আসামী (শীবমন্দির) পাড়ার শ্রী কৈলাশ দাস মঙ্গুর ছেলে শ্রী প্রমিত দাস (১৭) নিজেই গত (১৬ই মে) ২০২৪ ইং নীলফামারী বিজ্ঞ আদালতে আত্বসমর্পন করে জামিনের আবেদন করলে আদালত আবেদন না মঞ্জুর করে তাকে যশোর জেলার সংশোধনাগারে প্রেরন করার নির্দেশ প্রদান করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ভাড়ার তালিকা প্রদর্শন না করায় জরিমানা গুনল ৪ বাস কাউন্টার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের বাস কাউন্টারগুলোতে অভিযান চালিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। ঈদযাত্রায় ঘরমুখো মানুষের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ঠেকাতে এ অভিযান চালানো হয়। সোমবার মহানগরীর গরিবুল্লাশাহ মাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন তীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রামের উপ-পরিচালক মো. ফয়েজ উল্ল্যাহ। অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আনিছুর রহমান, মাহমুদা আক্তার ও রানা দেবনাথ।

মো. ফয়েজ উল্ল্যাহ বলেন, গরীবুল্লাহশাহ মাজার এলাকায় বাস কাউন্টারগুলোতে অভিযান চালিয়েছি। এসময় ভাড়ার তালিকা প্রদর্শন না করায় সেন্টমার্টিন পরিবহনেকে ৫ হাজার টাকা, রিলাক্স পরিবহনকে ৩ হাজার, দেশ ট্রাভেলস ৩ হাজার ও রয়েল মত্রি সার্ভিসকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ঈদে যাতে কেউ অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করতে না পারে সে লক্ষ্যে আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় বাল্কহেড থেকে সাড়ে ৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ গ্রেফদার-৫।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানার ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা মূল্যের ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৭। বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ১০টা ২০ মিনিটে কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকার মো. ইমরান (২১), আনোয়ারার পূর্ব গহিরা এলাকার মো. আনিস (২৯), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ভাঙ্গারা এলাকার মো. মনির হোসেন (৪৫), আনোয়ারার করুশকুল এলাকার মো. আলী (৪৭) এবং লক্ষীপুরের রামগতি উপজেলার চর কলাকুপা এলাকার মো. রুবেল (২৭)।
র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, গোপন খবরের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে যে কয়েকজন মাদক কারবারি মিয়ানমার থেকে সমুদ্রপথে একটি বাল্কহেডে করে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা চট্টগ্রাম মহানগরীতে নিয়ে আসছে। খবর পেয়ে র‌্যাব-৭ এর একটি আভিযানিক দল বাল্কহেডটির পিছু নেয়।

এক পর্যায়ে বাল্কহেডটি ১৫ নম্বর ঘাটে নোঙর করে কয়েকজন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে র‌্যাব সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে আটক করেন। পরে বাল্কহেডে তল্লাশি চালিয়ে ইঞ্জিন রুমে রাখা দুটি প্লাস্টিকের ড্রাম থেকে ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ