আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

চট্টগ্রামে ভবন মালিককে খুনের পর লাশ গুম, যাবজ্জীবন কেয়ারটেকারের

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে নির্মাণাধীন ভবন মালিককে খুন করে লাশ গুমের মামলায় কর্মচারীকে সাজা দিয়েছেন একটি আদালত। গতকাল রোববার চট্টগ্রামের চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ শরীফুল আলম ভূঁঞা এ রায় দেন। এর মধ্যে খুনের অপরাধে তাকে যাবজ্জীবন এবং লাশ গুমের অপরাধে তাকে আরও পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দণ্ডিত মোহাম্মদ হাসান (৪৫) চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার পূর্ব আজিমপুর আদর্শবাজার এলাকার মৃত আমির হোসেনের ছেলে। ঘটনার সময় নগরীর খুলশী থানার শতাব্দী হাউজিং সোসাইটির রাসেলের কলোনীতে তার বাসা ছিল। খুন হওয়া ব্যক্তির নির্মাণাধীন ভবনে তিনি কেয়ারটেকার (তত্ত্বাবধায়ক) হিসেবে কাজ করতেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী ওমর ফুয়াদ এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি জানান, ২০২২ সালের ২৩ জানুয়ারি ওই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তৎকালীন খুলশী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো.আনোয়ার হোসেন আদালতে হাসানের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। একই বছরের ১৯ জুলাই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। রাষ্ট্রপক্ষে মোট ১৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করে আদালত এ রায় দিয়েছেন। রায়ে খুনের দায়ে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় হাসানকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এছাড়া লাশ গুমের অপরাধে দণ্ডবিধির ২০১ ধারায় হাসানকে পাঁচ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রায় ঘোষণার সময় কারাগারে থাকা হাসানকে আদালতে হাজির করা হয়। রায়ের পর আদালতের নির্দেশে সাজামূলে তাকে আবারও কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে বেঞ্চ সহকারি ওমর ফুয়াদ জানিয়েছেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর নগরীর খুলশী থানার পশ্চিম খুলশীর জালালাবাদ আবাসিক এলাকার জমির হাউজিং সোসাইটিতে নির্মাণাধীন একটি ভবনে ময়লা-আবর্জনার স্তূপ থেকে ওই ভবনের মালিক নিজাম পাশার হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তখন তার বয়স ছিল আনুমানিক ৬৫ বছর। বাড়ি চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার ধুরং ইউনিয়নে। খুনের ঘটনায় খুলশী থানায় মোহাম্মদ হাসানকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন নিজাম পাশার স্ত্রী সেলিনা ইয়াছমিন।
মামলার এজাহারে বাদী অভিযোগ করেন- ২০১৯ সাল থেকে জালালাবাদ জমির হাউজিং সোসাইটিতে একটি সাততলা ভবন নির্মাণ করছিলেন তার স্বামী নিজাম পাশা। ভবনটির নির্মাণ কাজের তদারকির জন্য মোহাম্মদ হাসানকে নিয়োগ দেন তিনি। হাসান বিভিন্ন সময় তার লোকজনকে নির্মাণাধীন ভবনের বিভিন্ন কাজে নিয়োজিত করতে নিজাম পাশাকে বাধ্য করতেন। এ নিয়ে হাসানের সঙ্গে নিজাম পাশার মনোমালিন্য হয়। হাসানকে বিদায়ের পরিকল্পনা নেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে সে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।
মামলায় আরও বলা হয়, ২৬ সেপ্টেম্বর ভোরে নিজ বাড়ি ফটিকছড়ি থেকে নিজাম পাশা শহরে আসেন নির্মাণাধীন ভবনের কাজ দেখতে। কিন্তু রাত ১০টা ৩৯ মিনিটে দারোয়ান হাসান ভবন মালিকের মোবাইল থেকে নিজামের মেয়েকে ফোন করে জানায় তার বাবা ভবনে আসেননি। লোক দিয়ে নির্মাণ সামগ্রী পাঠিয়েছেন। কিন্তু মোবাইল ফোন তার কাছে কেন- সে প্রশ্ন করায় উত্তরে হাসান জানায়, সেটিও লোক মারফত তার কাছে পাঠিয়েছে। এ সময় হাসান তাকে ২০ হাজার টাকা পাঠাতে বলে।
হাছানের অসংলগ্ন কথাবার্তায় সন্দেহ জাগে নিহত নিজামের মেয়ের। এরপর তার স্ত্রী ও স্বজনরা রাতেই ফটিকছড়ি থেকে চট্টগ্রামে রওনা করে রাত ২টার দিকে নির্মাণাধীন ভবনে পৌঁছান। বিভিন্ন দিকে খোঁজাখুঁজির পর নিজামকে না পেয়ে রাত সাড়ে ৩টার দিকে তারা দ্বারস্থ হয় পুলিশের। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে আশেপাশে খোঁজাখুঁজির পর নিজামের নির্মাণাধীন ভবন সংলগ্ন একটি স্থানে আবর্জনার স্তুপের ভেতর থেকে নিজাম পাশার হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার করে।
ঘটনার পর থেকে পলাতক ছিলেন হাসান। হত্যাকাণ্ডের দুইদিন পর ২৮ সেপ্টেম্বর তাকে নগরীর কোতোয়ালী থানার রিয়াজউদ্দিন বাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করে খুলশী থানা পুলিশ। সে সময় পুলিশ জানিয়েছিল, ভবনের রঙের কাজ নিজের লোক দিয়ে করানোর প্রস্তাবে নিজাম পাশা রাজি না হওয়ায় তাকে শ্বাসরোধ করে খুন করেন হাসান। এরপর লাশ টেনেহিঁচড়ে নিজের কক্ষ থেকে বের করে ময়লা-আবর্জনার ভেতর লুকিয়ে রাখে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

যশোরের চাড়াভিটায় কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


যশোরে বাঘারপাড়ার চাড়াভিটা ও তার পার্শ্বতি এলাকায়  হঠাৎ নেমে আসে কালবৈশাখী ঝড়। আকস্মিক ঝড় ও বজ্রপাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বেলা ২টার দিকে হঠাৎ আকাশ মেঘে ডেকে   মেঘা আচ্ছন্ন হয়ে ঝড় বাতাসের সাথে বজ্র বূষ্টি শুরু হয়ে

টানা আড়াই ঘণ্টারও বেশি সময় চলে এই ঝড়।চাড়াভিটা বাজারে পাশেই বজ্রপাতের ঘটনা ঘটলে ও কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি উপ জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ঝড়ের কারণে দুপুরের পর থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।, গত কয়েক দিন ধরে যশোর অঞ্চলে  তাপমাত্রা অসহনীয় পর্যায়ে ছিল। বিশেষ করে খেটেখাওয়া মানুষ গরমে দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন। দুপুরের পর আকাশ কালো মেঘে গুমোট আকার ধারণ করে শুরু হয় প্রচণ্ড ঝড়। সেই সঙ্গে বজ্রপাত।

বাঘারপাড়া  উপজেলার বাসুয়াড়ী ইউনিয়নের চাড়াভিটা বাজার সহ কয়েকটি  এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়ে তীব্র আঘাত হানে। বিভিন্ন স্থানে গাছ উপড়ে পড়ে এবং অনেকের ঘরের চালের টিন উড়িয়ে নিয়ে যায়। বিভিন্ন গাছ ভেঙ্গে আঁচড়ে পড়ে বৈদ্যুতিক খুঁটির উপরে।যে কারণে  বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় কয়েকটি এলাকায় ভূতুড়ে অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

অন্যদিকে কালবৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ে ঘরবাড়ি, গাছপালা ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেক জায়গায় গাছ ভেঙে পড়েছে, বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে গেছে এবং অসংখ্য স্থানে তার ছিঁড়ে পড়েছে। আম ও কাঁঠালেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।  উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন করা সম্ভব হয়নি।এলাকাবাসী জানান, এ ধরনের ঝড় অনেক দিন দেখা যায়নি।। একই সঙ্গে এলাকার কৃষকদের আম ও কাঁঠালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

ভাঙ্গুড়ায় ন্যায্য মূল্যে কৃষকের ধান সংগ্রহের সময় শেষ, সরকারি মূল্য পাওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় চলতি বোরো মৌসুমে সরকারি খাদ্যগুদামের ধান সংগ্রহ কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সরকারের নির্ধারিত মূল্যে ধান বিক্রির সুযোগ পেয়ে উপজেলার কৃষকদের মধ্যে সন্তোষ দেখা দিয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ৭৭৫ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা শতভাগ অর্জন করেছে খাদ্য বিভাগ।
খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি বোরো/২০২৬ মৌসুমে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ৭৭৫ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয় কর্তৃক তালিকাভুক্ত কৃষকদের মধ্য থেকে আগে আসলে আগে বিক্রয় ভিত্তিতে ধান ক্রয় করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, কৃষি বিভাগের নিবন্ধিত কৃষকরা কৃষি কার্ড ও ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে সরকারি খাদ্যগুদামে ধান বিক্রির সুযোগ পান। সংগ্রহ নীতিমালা অনুযায়ী কৃষকদের কাছ থেকে ধান গ্রহণের পর মূল্য সরাসরি তাদের ব্যাংক হিসাবে পরিশোধ করা হয়েছে। এতে মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব কমেছে এবং কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পেয়েছেন।
উপজেলায় প্রায় ৪ হাজার ৭০০ নিবন্ধিত কৃষকের কৃষি কার্ড ও কৃষক হিসাব রয়েছে। ধান বিক্রি করা অনেক কৃষক জানান, বাজারমূল্যের তুলনায় সরকারি মূল্য বেশি হওয়ায় তারা আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন। উৎপাদন খরচ মিটিয়ে অতিরিক্ত আয় করতে পারায় তাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

খাদ্যগুদাম কর্তৃপক্ষ জানায়, ধান সংগ্রহের ক্ষেত্রে সরকারি বিধিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। কৃষকদের পরিচয়, কৃষি কার্ড এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পরই ধান গ্রহণ করা হয়েছে। সব অর্থ সরাসরি কৃষকদের ব্যাংক হিসাবে পরিশোধ করা হয়েছে।ভাঙ্গুড়া খাদ্যগুদামের উপ-পরিদর্শক নিরঞ্জন কুমার ঘোষ বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকেই ধান সংগ্রহ করা হয়েছে। সব ধরনের কাগজপত্র যাচাই করে ধান গ্রহণ করা হয়েছে এবং কৃষকদের নিজস্ব হিসাবেই অর্থ প্রদান করা হয়েছে।

ভাঙ্গুড়া এলএসডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নাজমুল ইসলাম জানান, সরকার চলতি বোরো/২০২৬ মৌসুমে গত ৩ মে থেকে সারাদেশে কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ শুরু করে। ভাঙ্গুড়া উপজেলায় নির্ধারিত ৭৭৫ মেট্রিক টন ধান ইতোমধ্যে সংগ্রহ সম্পন্ন হয়েছে। তিনি বলেন, গত দুই সপ্তাহ ধরে বাজারে ধানের দাম কিছুটা কম থাকায় কৃষকরা প্রতি কেজি ৩৬ টাকা দরে সরকারি গুদামে ধান দিতে আগ্রহী হয়েছেন। ফলে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী নিরবচ্ছিন্নভাবে ধান সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা করে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হয়েছে।
উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা কৃষ্ণপদ বর্ম্মন বলেন, ধান সংগ্রহ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কৃষকদের কৃষি কার্ড ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাইয়ের পরই বিল অনুমোদন করা হয়েছে। সরকারি মূল্য পাওয়ায় কৃষকরা উপকৃত হয়েছেন।
স্থানীয় কৃষকদের আশা, আগামী মৌসুমেও সরকার একইভাবে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ অব্যাহত রাখবে। এতে কৃষকরা উৎপাদনে আরও উৎসাহিত হবেন এবং ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি দেশের খাদ্যশস্য সংগ্রহ ব্যবস্থাও আরও শক্তিশালী হবে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ