চট্টগ্রামে বোয়ালখালীতে চাহিদার চেয়ে ৯ হাজার পশু বেশি

এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে চাহিদার তুলনায় এবার কোরবানি পশুর ঘাটতি রয়েছে। তবে বোয়ালখালী উপজেলার হিসাব করলে চাহিদার তুলনায় ৯ হাজার পশু বেশি রয়েছে। চট্টগ্রামের চাহিদা ৮ লাখ ৮৫ হাজার ৭৬৫টির। তবে কোরবানিযোগ্য পশু রয়েছে ৮ লাখ ৫২ হাজার ৩৫৯টি। কাগজে কলমে ৩৩ হাজার ৪০৬টি পশু ঘাটতি থাকার কথা বলা হলেও, বাস্তবে এই সংখ্যা আরও বেশি। অন্যান্য বছরের মতো বিভিন্ন জেলা থেকে বেপারিদের আনা গরু দিয়ে এই চাহিদা পূরণ করা হবে। চট্টগ্রামে উপজেলা পর্যায়ে সবচেয়ে বেশি কোরবানি পশুর জোগান আসে সন্দ্বীপ থেকে। এ বছর এই উপজেলায় কোরবানিযোগ্য পশুর লালনপালন করা হয়েছে ৮২ হাজার ৮০৭টি। এর মধ্যে গরু হচ্ছে ৩৫ হাজার ৭১২টি। এর মধ্যে ষাঁড় ২২ হাজার ৬৪৪টি, বলদ ১০ হাজার ৪২৫টি, গাভি ২ হাজার ৬৪৩টি। এছাড়া মহিষ রয়েছে ১৫ হাজার ১০৮টি, ছাগল ১৪ হাজার ৯৮৭টি ও ভেড়া ১৭ হাজার। অপরদিকে অভ্যন্তরীণভাবে সবচেয়ে কম কোরবানি পশু লালনপালন করা হয় নগরীর কোতোয়ালি থানায়। এখানে সব মিলিয়ে কোরবানি পশু রয়েছে মাত্র ৪ হাজার ২৫৪টি।
উপজেলা ও থানা গুলোর মধ্যে সন্দ্বীপে চারণ ও তৃণভূমির পরিমাণ বেশি। ফলে উন্মুক্ত পরিসরে প্রাকৃতিকভাবে গবাদিপশু লালন পালনের সুযোগ ও বেশি এ উপজেলায়। এ কারণে লোকজন ঘরে ঘরে কমবেশি গরু, ছাগল, মহিষ, এমনকি ভেড়াও লালনপালন করে থাকেন। ফলে কোরবানিতে এ উপজেলায় গবাদি পশুর তেমন একটা ঘাটতি থাকে না বললেই চলে।চট্টগ্রাম জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের তথ্যমতে, গত বছরের তুলনায় এবার কোরবানিদাতা বাড়ছে প্রায় ৬ হাজার। গত বছর৮ লাখ ৭৯ হাজার ৭১৩টি গবাদিপশু কোরবানি দেওয়া হয়। এবার কোরবানিতে পশুর চাহিদা আছে ৮ লাখ ৮৫ হাজার ৭৬৫টি। এর মধ্যে মজুত রয়েছে ৮ লাখ ৫২ হাজার ৩৫৯টি। এর মধ্যে গরু রয়েছে ৫ লাখ ২৬ হাজার ৪৭৫টি, মহিষ ৭১ হাজার ৩৬৫টি, ছাগল এক লাখ ৯৫ হাজার ৭৮৩টি, ভেড়া ৫৮ হাজার ৬৯২টি এবং অন্যান্য পশু আছে ৪৪টি।
চট্টগ্রাম জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘চট্টগ্রামে প্রতিবছরই কোরবানিতে অভ্যন্তরীণভাবে গবাদি পশু লালনপালনের সংখ্যা বাড়ছে। কৃষকরা ঘরে ঘরে কয়েকটা করে গরু-ছাগল লালনপালন করেন। পাশাপাশি অনেক খামার গড়ে উঠেছে। অনেক উদ্যোক্তা এখন এ খাতে বিনিয়োগ করছেন। এমনকি তরুণরাও এগিয়ে আসছেন। ফলে আমদানিনির্ভরতা কেটে যাচ্ছে। এবার চাহিদার তুলনায় ৩৩ হাজার ৪০৬টি পশুর ঘাটতি থাকলেও কোরবানিতে সংকট হবে না। বিভিন্ন জেলা থেকে আনা গবাদি পশু দিয়ে চাহিদা পূরণ করা হবে।
যে উপজেলায় যত উৎপাদন : চট্টগ্রাম জেলা ও নগরীর মধ্যে সাতকানিয়া উপজেলায় লালনপালন করা হয়েছে ৪৫ হাজার ২৮০ কোরবানি পশু, চন্দনাইশ ৪৪ হাজার ৬০টি, আনোয়ারা ৬৬ হাজার ৩৬৩টি, বোয়ালখালী ৪৭ হাজার ৯৭৯টি, পটিয়ায় ৭১ হাজার ১১২টি, কর্ণফুলীতে ২৯ হাজার ৩৫৫টি, মিরসরাই ৫৭ হাজার ৮৮৩টি, সীতাকুণ্ডে ৫৩ হাজার ৮০৪টি, হাটহাজারীতে ৪৪ হাজার ৯৮১টি, রাঙ্গুনিয়ায় ৫০ হাজার ১২টি, ফটিকছড়িতে ৭৪ হাজার ৫২৯টি, লোহাগাড়ায় ৪৮ হাজার ৮৯৮টি, রাউজানে ৪১ হাজার ২৯টি, বাঁশখালীতে ৬১ হাজার ৮৮৩টি, সন্দ্বীপে ৮২ হাজার ৮০৭টি, ডবলমুরিং থানায় ৯ হাজার ২৩টি, কোতায়ালি থানায় ৪ হাজার ২৫৪টি এবং পাঁচলাইশ থানায় ১৯ হাজার ১১২টি।

উপজেলা ও থানাভিত্তিক চাহিদার চিত্র
জেলার ১৫ উপজেলা এবং নগরীর মধ্যে পশুর চাহিদা আছে। এর মধ্যে সাতকানিয়ায় চাহিদা ৪৩ হাজার ২৮৮টির মধ্যে আছে ৪৫ হাজার ২৮০টি, চন্দনাইশে ৪৮ হাজার ৭৯৯টির মধ্যে আছে ৪৪ হাজার ৬০টি, আনোয়ারায় ৫২ হাজার ৩৩৮টির মধ্যে আছে ৬৬ হাজার ৩৬৩টি, বোয়ালখালীতে ৩৮ হাজার ৮১৫টির মধ্যে আছে ৪৭ হাজার ৯৭৯টি, পটিয়ায় ৬৬ হাজার ৮৩৬টির মধে আছে ৭১ হাজার ১১২টি, কর্ণফুলীতে ২৮ হাজার ১৫৫টির মধ্যে আছে ২৯ হাজার ৩৫৫টি, মীরসরাইয়ে ৬০ হাজার ৮৪৯টির মধ্যে আছে ৫৭ হাজার ৮৮৩টি, সীতাকুণ্ডে ৫৩ হাজার ১৫০টির মধ্যে আছে ৫৩ হাজার ৮০৪টি, হাটহাজারীতে ৫১ হাজার ২৫৬টির মধ্যে আছে ৪৪ হাজার ৯৮১টি, রাঙ্গুনিয়ায় ৫২ হাজার ৫৬০টির মধ্যে আছে ৫০ হাজার ১১টি, ফটিকছড়িতে ৫৫ হাজার ৩৩৮টির মধ্যে আছে ৭৪ হাজার ৫২৯টি, লোহাগাড়ায় ৫০ হাজার ৫৩৮টির মধ্যে আছে ৪৮ হাজার ৮৯৮টি, রাউজানে ৪২ হাজার ৩৬৪টির মধ্যে আছে ৪১ হাজার ২৯টি, বাঁশখালীতে ৪৫ হাজার ৮৮৬টির মধ্যে আছে ৬১ হাজার ৮৮৩টি, সন্দ্বীপে ৭৯ হাজার ৬৩৮টির মধে আছে ৮২ হাজার ৮০৭টি, নগরীর ডবলমুরিংয়ে ৬০ হাজার ৩৮৯টির মধে আছে ৯ হাজার ২৩টি, কোতোয়ালিতে ১৩ হাজার ৬৯৮টির মধ্যে আছে চার হাজার ২৫৪টি এবং পাঁচলাইশে ৪১ হাজার ৮৫৯টির মধ্যে আছে ১৯ হাজার ১১২টি। জেলায় পশুর খামার আছে ১৪ হাজার ২৫৮টি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন : মেয়র ডা. শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন ডেঙ্গু প্রতিরোধে নগরবাসীকে সচেতন ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় নগরের চান্দগাঁও চন্দ্রিমা আবাসিক এলাকায় চসিকের মশক নিধন ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে এমন আহবান জানান। তিনি বলেছেন, শুধু মশক নিধন কার্যক্রম চালালেই ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয় এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের পাশাপাশি নগরবাসীর সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন। মেয়র বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করছে চসিক। পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ ক্রাশ প্রোগ্রাম চালানো হচ্ছে। তবে, শুধু সিটি কর্পোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, এডিস মশা সাধারণত জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রে পানি জমছে কি না, তা নিয়মিত পরীক্ষা করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্রসহ যেসব পরিত্যক্ত সামগ্রীতে পানি জমতে পারে, সেগুলোও দ্রুত অপসারণ করতে হবে।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন এই অভ্যাস আমাদের প্রত্যেককে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। ডেঙ্গু প্রতিরোধ শুধু সিটি কর্পোরেশনের একার দায়িত্ব নয় এটি আমাদের সবার সম্মিলিত দায়িত্ব।
চসিক জানায়, ক্রাশ প্রোগ্রামের আওতায় চন্দ্রিমা আবাসিক এলাকার বিভিন্ন স্থানে মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস ও প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রয়োগ করা হয়। একই সঙ্গে সম্ভাব্য মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত করে ধ্বংস করা এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সচেতন করা হয়।

মেয়র বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে নগরের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।নগরবাসীর সহযোগিতা ও সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব বলেও জানান তিনি।

আগামী ৫ অক্টোবর দিনব্যাপী বন্দর ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারা দিলে দেশের কী লাভ হবে, তা সরকারকে জনগণের কাছে স্পষ্ট করতে হবে। একইভাবে এনসিটি ইজারা দেওয়া হলে দেশের কী ধরনের ক্ষতি হতে পারে, সে বিষয়েও সরকারের সঙ্গে জাতীয় পর্যায়ে সংলাপের প্রয়োজন রয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা কমিটি আহূত আগামী ৫ অক্টোবর দিনব্যাপী বন্দর ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে জাতীয় ফেডারেশন ও বেসিক ইউনিয়নগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। তাঁরা এ বিষয়ে প্রয়োজনে সরকারের পক্ষ থেকে জাতীয় সংলাপ আয়োজনের আহ্বান জানান।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সুলতান আহমদ হলে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বন্দর রক্ষা কমিটি চট্টগ্রামের আহ্বায়ক প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার।সঞ্চালনা করেন কমিটির সদস্যসচিব ফজলুল কবির মিন্টু।সভা থেকে আগামী ৫ অক্টোবর বন্দর ভবনের সামনে দিনব্যাপী অবস্থান কর্মসূচিতে সর্বস্তরের শ্রমিক, জাতীয় ফেডারেশন, বেসিক ইউনিয়ন ও শ্রমিক সংগঠনের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
বক্তারা বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের প্রধান কেন্দ্র। বন্দরের সঙ্গে জাতীয় অর্থনীতি ও বিপুলসংখ্যক শ্রমিকের স্বার্থ জড়িত। তাই বন্দরের ব্যবস্থাপনা ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনায় জাতীয় স্বার্থের পাশাপাশি শ্রমিকদের অধিকার ও স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। বক্তারা ৫ অক্টোবরের অবস্থান কর্মসূচি সফল করতে বিভিন্ন জাতীয় ফেডারেশন, বেসিক ইউনিয়ন ও শ্রমিক সংগঠনের নেতাকর্মীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

বক্তারা বলেন, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে তারা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চান। তবে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি ও আন্দোলনকে সরকার দুর্বলতা হিসেবে বিবেচনা করলে তা ভুল হবে। সে ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে দাবি আদায়ে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে। প্রয়োজনে দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে অবরোধ ও হরতালের মতো কর্মসূচিও ঘোষণার কথা জানান তারা।
সভায় আলোচনায় অংশ নেন টিইউসি চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সভাপতি তপন দত্ত, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও বন্দর সিবিএর সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী শেখ নুরুল্লাহ বাহার, বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি এসকে খোদা তোতন, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক শ ম জামাল উদ্দিন, টিইউসি চট্টগ্রাম জেলা কমিটির যুগ্ম সম্পাদক ইফতেখার কামাল খান, জাতীয়তাবাদী ডক শ্রমিক দলের সভাপতি মো. হারুন ও

সাধারণ সম্পাদক তসলিম হোসেন সেলিম, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল বাতেন, সহ-সম্পাদক ইব্রাহীম ফরাজি, বিএফটিইউসির সভাপতি আনোয়ারুল হক হুনি, বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশন চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবু আহমেদ মিয়া, বন্দর উইঞ্চ ক্রেন অপারেটর সমিতির নেতা ইমাম হোসেন স্বপন, বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুর রহিম, কমিউনিটি সেন্টার শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. পারভেজ, চট্টগ্রাম যুব ট্রেড ইউনিয়ন নেটওয়ার্কের সদস্যসচিব হাসিবুর রহমান বিপ্লব, লুৎফুন্নাহার সোনিয়া, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের নেতা হেলাল উদ্দিন কবির, ইমান আলী জানুসহ বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ