আজঃ শুক্রবার ১ মে, ২০২৬

চট্টগ্রামে বোয়ালখালীতে চাহিদার চেয়ে ৯ হাজার পশু বেশি

এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে চাহিদার তুলনায় এবার কোরবানি পশুর ঘাটতি রয়েছে। তবে বোয়ালখালী উপজেলার হিসাব করলে চাহিদার তুলনায় ৯ হাজার পশু বেশি রয়েছে। চট্টগ্রামের চাহিদা ৮ লাখ ৮৫ হাজার ৭৬৫টির। তবে কোরবানিযোগ্য পশু রয়েছে ৮ লাখ ৫২ হাজার ৩৫৯টি। কাগজে কলমে ৩৩ হাজার ৪০৬টি পশু ঘাটতি থাকার কথা বলা হলেও, বাস্তবে এই সংখ্যা আরও বেশি। অন্যান্য বছরের মতো বিভিন্ন জেলা থেকে বেপারিদের আনা গরু দিয়ে এই চাহিদা পূরণ করা হবে। চট্টগ্রামে উপজেলা পর্যায়ে সবচেয়ে বেশি কোরবানি পশুর জোগান আসে সন্দ্বীপ থেকে। এ বছর এই উপজেলায় কোরবানিযোগ্য পশুর লালনপালন করা হয়েছে ৮২ হাজার ৮০৭টি। এর মধ্যে গরু হচ্ছে ৩৫ হাজার ৭১২টি। এর মধ্যে ষাঁড় ২২ হাজার ৬৪৪টি, বলদ ১০ হাজার ৪২৫টি, গাভি ২ হাজার ৬৪৩টি। এছাড়া মহিষ রয়েছে ১৫ হাজার ১০৮টি, ছাগল ১৪ হাজার ৯৮৭টি ও ভেড়া ১৭ হাজার। অপরদিকে অভ্যন্তরীণভাবে সবচেয়ে কম কোরবানি পশু লালনপালন করা হয় নগরীর কোতোয়ালি থানায়। এখানে সব মিলিয়ে কোরবানি পশু রয়েছে মাত্র ৪ হাজার ২৫৪টি।
উপজেলা ও থানা গুলোর মধ্যে সন্দ্বীপে চারণ ও তৃণভূমির পরিমাণ বেশি। ফলে উন্মুক্ত পরিসরে প্রাকৃতিকভাবে গবাদিপশু লালন পালনের সুযোগ ও বেশি এ উপজেলায়। এ কারণে লোকজন ঘরে ঘরে কমবেশি গরু, ছাগল, মহিষ, এমনকি ভেড়াও লালনপালন করে থাকেন। ফলে কোরবানিতে এ উপজেলায় গবাদি পশুর তেমন একটা ঘাটতি থাকে না বললেই চলে।চট্টগ্রাম জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের তথ্যমতে, গত বছরের তুলনায় এবার কোরবানিদাতা বাড়ছে প্রায় ৬ হাজার। গত বছর৮ লাখ ৭৯ হাজার ৭১৩টি গবাদিপশু কোরবানি দেওয়া হয়। এবার কোরবানিতে পশুর চাহিদা আছে ৮ লাখ ৮৫ হাজার ৭৬৫টি। এর মধ্যে মজুত রয়েছে ৮ লাখ ৫২ হাজার ৩৫৯টি। এর মধ্যে গরু রয়েছে ৫ লাখ ২৬ হাজার ৪৭৫টি, মহিষ ৭১ হাজার ৩৬৫টি, ছাগল এক লাখ ৯৫ হাজার ৭৮৩টি, ভেড়া ৫৮ হাজার ৬৯২টি এবং অন্যান্য পশু আছে ৪৪টি।
চট্টগ্রাম জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘চট্টগ্রামে প্রতিবছরই কোরবানিতে অভ্যন্তরীণভাবে গবাদি পশু লালনপালনের সংখ্যা বাড়ছে। কৃষকরা ঘরে ঘরে কয়েকটা করে গরু-ছাগল লালনপালন করেন। পাশাপাশি অনেক খামার গড়ে উঠেছে। অনেক উদ্যোক্তা এখন এ খাতে বিনিয়োগ করছেন। এমনকি তরুণরাও এগিয়ে আসছেন। ফলে আমদানিনির্ভরতা কেটে যাচ্ছে। এবার চাহিদার তুলনায় ৩৩ হাজার ৪০৬টি পশুর ঘাটতি থাকলেও কোরবানিতে সংকট হবে না। বিভিন্ন জেলা থেকে আনা গবাদি পশু দিয়ে চাহিদা পূরণ করা হবে।
যে উপজেলায় যত উৎপাদন : চট্টগ্রাম জেলা ও নগরীর মধ্যে সাতকানিয়া উপজেলায় লালনপালন করা হয়েছে ৪৫ হাজার ২৮০ কোরবানি পশু, চন্দনাইশ ৪৪ হাজার ৬০টি, আনোয়ারা ৬৬ হাজার ৩৬৩টি, বোয়ালখালী ৪৭ হাজার ৯৭৯টি, পটিয়ায় ৭১ হাজার ১১২টি, কর্ণফুলীতে ২৯ হাজার ৩৫৫টি, মিরসরাই ৫৭ হাজার ৮৮৩টি, সীতাকুণ্ডে ৫৩ হাজার ৮০৪টি, হাটহাজারীতে ৪৪ হাজার ৯৮১টি, রাঙ্গুনিয়ায় ৫০ হাজার ১২টি, ফটিকছড়িতে ৭৪ হাজার ৫২৯টি, লোহাগাড়ায় ৪৮ হাজার ৮৯৮টি, রাউজানে ৪১ হাজার ২৯টি, বাঁশখালীতে ৬১ হাজার ৮৮৩টি, সন্দ্বীপে ৮২ হাজার ৮০৭টি, ডবলমুরিং থানায় ৯ হাজার ২৩টি, কোতায়ালি থানায় ৪ হাজার ২৫৪টি এবং পাঁচলাইশ থানায় ১৯ হাজার ১১২টি।

উপজেলা ও থানাভিত্তিক চাহিদার চিত্র
জেলার ১৫ উপজেলা এবং নগরীর মধ্যে পশুর চাহিদা আছে। এর মধ্যে সাতকানিয়ায় চাহিদা ৪৩ হাজার ২৮৮টির মধ্যে আছে ৪৫ হাজার ২৮০টি, চন্দনাইশে ৪৮ হাজার ৭৯৯টির মধ্যে আছে ৪৪ হাজার ৬০টি, আনোয়ারায় ৫২ হাজার ৩৩৮টির মধ্যে আছে ৬৬ হাজার ৩৬৩টি, বোয়ালখালীতে ৩৮ হাজার ৮১৫টির মধ্যে আছে ৪৭ হাজার ৯৭৯টি, পটিয়ায় ৬৬ হাজার ৮৩৬টির মধে আছে ৭১ হাজার ১১২টি, কর্ণফুলীতে ২৮ হাজার ১৫৫টির মধ্যে আছে ২৯ হাজার ৩৫৫টি, মীরসরাইয়ে ৬০ হাজার ৮৪৯টির মধ্যে আছে ৫৭ হাজার ৮৮৩টি, সীতাকুণ্ডে ৫৩ হাজার ১৫০টির মধ্যে আছে ৫৩ হাজার ৮০৪টি, হাটহাজারীতে ৫১ হাজার ২৫৬টির মধ্যে আছে ৪৪ হাজার ৯৮১টি, রাঙ্গুনিয়ায় ৫২ হাজার ৫৬০টির মধ্যে আছে ৫০ হাজার ১১টি, ফটিকছড়িতে ৫৫ হাজার ৩৩৮টির মধ্যে আছে ৭৪ হাজার ৫২৯টি, লোহাগাড়ায় ৫০ হাজার ৫৩৮টির মধ্যে আছে ৪৮ হাজার ৮৯৮টি, রাউজানে ৪২ হাজার ৩৬৪টির মধ্যে আছে ৪১ হাজার ২৯টি, বাঁশখালীতে ৪৫ হাজার ৮৮৬টির মধ্যে আছে ৬১ হাজার ৮৮৩টি, সন্দ্বীপে ৭৯ হাজার ৬৩৮টির মধে আছে ৮২ হাজার ৮০৭টি, নগরীর ডবলমুরিংয়ে ৬০ হাজার ৩৮৯টির মধে আছে ৯ হাজার ২৩টি, কোতোয়ালিতে ১৩ হাজার ৬৯৮টির মধ্যে আছে চার হাজার ২৫৪টি এবং পাঁচলাইশে ৪১ হাজার ৮৫৯টির মধ্যে আছে ১৯ হাজার ১১২টি। জেলায় পশুর খামার আছে ১৪ হাজার ২৫৮টি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মহান মে দিবসে চসিক জাতীয়তাবাদী শ্রমিক ইউনিয়ন ২১-এর আলোচনা সভা ও বিশাল র‍্যালি অনুষ্ঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মহান মে দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) জাতীয়তাবাদী শ্রমিক ইউনিয়ন ২১-এর উদ্যোগে এক আলোচনা সভা ও বিশাল র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে র‍্যালিটি নাসিমন ভবনে গিয়ে শেষ হয়।সংগঠনের সভাপতি দিদারুল আলম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় শ্রমিকদের অধিকার, ন্যায্য মজুরি এবং কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মোঃ সেলিম ভুইঞা, মোঃ বশির,শাহেদ আলম, মাবুদ, নাছির, শাহ আলম,মোঃজামশেদ, মহিউদ্দিন, মোঃমফজ্জল,হেদায়েত উল্ল্যা মোঃইসমাইলসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত সাইফুল ও সোমনাথ রাজু। এছাড়াও শ্রমিক ইউনিয়নের অসংখ্য নেতাকর্মী ও সমর্থক অংশগ্রহণ করেন।সভায় বক্তারা বলেন, মহান মে দিবস শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের প্রেরণার উৎস। শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি আদায়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।

বোয়ালখালীতে জামায়াতে ইসলামী’র কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী উপজেলা ও পৌরসভা শাখার উদ্যোগে এক কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১ মে) সকাল ৯টায় স্থানীয় একটি কমিউনিটি সেন্টারে কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে জুমার নামাজ শেষে মেজবানের আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বোয়ালখালী উপজেলা শাখার আমীর মুহাম্মদ খোরশেদ আলমের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি ইমাম উদ্দিন ইয়াছিনের সঞ্চালনায় সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতে ইসলামী’র আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতে ইসলামী’র আমীর মুহাম্মদ আনোয়ারুল আলম চৌধুরী, চট্টগ্রাম মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ মোরশেদুল ইসলাম চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা সহকারী সেক্রেটারি মোঃ জাকারিয়া, চট্টগ্রাম ন্যাশনাল হাসপাতালের পরিচালক ও বোয়ালখালী উপজেলা নায়েবে আমীর ডা. আবু নাছের।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন চান্দগাঁও জামায়াতের আমীর মোঃ ইসমাইল হোসেন, সেক্রেটারি জসিম উদ্দিন সরকার, আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক মোঃ ইকবাল, বোয়ালখালী উপজেলা মহিলা জামায়াতের সভাপতি নাহিদ পারভিন, অঞ্চল পরিচালক এলিনা সুলতানা, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মাওলানা মফিজুর রহমান, ওলামা বিভাগের সভাপতি মাওলানা দিদারুল আলম, বোয়ালখালী পৌরসভা ও পোপাদিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দসহ অনেকে। অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন রেনেসা ও দিগন্ত শিল্পী গোষ্ঠী।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ