আ.লীগের কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক উপকমিটির সদস্য হলেন বিধান রক্ষিত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক উপকমিটির সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছেন বীরমুক্তিযোদ্ধার সন্তান বিধান রক্ষিত। গত ৮ জুন শনিবার বিকেলে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এবং তথ্য ও গবেষণা বিষয় সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ এমপি স্বাক্ষরিত আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা উপ-কমিটির সদস্যদের নাম ঘোষণা করেন।
সাংগঠনিক সূত্রে জানা গেছে, এই উপকমিটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে যাবতীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ পূর্বক সেগুলো দলের নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে উপস্থাপন এবং দলের প্রয়োজনে সব প্রাসঙ্গিক বিষয়ে গবেষণা কর্ম পরিচালনা ও তার ফলাফল সময়ে সময়ে সর্বোচ্চ নেতৃত্বকে অবহিত করে থাকে।
এদিকে বিধান রক্ষিতকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক উপ কমিটির সদস্য মনোনীত করায় তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা, সাধারণ সম্পাদক, সড়ক ও সেতু মন্ত্রী জননেতা ওবায়দুল কাদের, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয় সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ এমপি,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া ,চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী এবং সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমানসহ সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।
সদস্য পদ প্রাপ্তির বিষয়ে ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামী লীগ একাধারে তৃণমূল পর্যায় থেকে উঠে আসা বিধান রক্ষিত বলেন, আমার বাবা দেশমাতৃকার জন্য জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে আমৃত্যু কাজ করে গেছেন। কোন লোভ লালসা তাঁকে স্পর্শ করতে পারেনি। চেষ্ঠা করব বাবার আদর্শিক সম্মান-মর্যাদা চির অটুট রাখতে এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনার একজন বিশ্বস্ত কর্মী হয়ে জনমানুষের সেবক হতে। বিধান রক্ষিত বলেন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক উপকমিটির সদস্য পদপ্রাপ্তি আমার জন্য আনন্দের।
জানা গেছে, বীর মুক্তিযোদ্ধা স্বর্গীয় পীযুষ কুমার রক্ষিত ও সন্ধ্যা রানী রক্ষিত সন্তান বিধান রক্ষিত ব্রিটিশ ও পাক ঔপনিবেশিক শাসন বিরোধী আন্দোলনে জড়িত ও চট্টগ্রামের বোয়ালখালী থানার কানুনগোপাড়া গ্রামের এক সমৃদ্ধ রাজনৈতিক ঐতিহ্য সম্পন্ন পরিবারের সন্তান বিধিান রক্ষিত। বিভিন্ন সামাজিক, সেবামুলক সংগঠনের সাথেও জড়িত বিধান রক্ষিত ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামী লীগ একাধারে তৃণমূল পর্যায় থেকে উঠে আসা রাজনৈতিক। কানুনগোপাড়া ডা. বিভূতি ভূষণ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস.এস.সি (বিজ্ঞান), কানুনগোপাড়া স্যার আশুতোষ সরকারী কলেজ থেকে এইচ.এস.সি (বাণিজ্য) ও বি.কম. পাশ (বানিজ্য) এবং চট্টগ্রাম কমার্স কলেজ থেকে মাস্টার্স (ব্যবস্থাপনা) প্রিলি সম্পন্ন করেন।
বিধান রক্ষিতের পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা স্বর্গীয় পীযুষ কুমার রক্ষিত (মুক্তিযোদ্ধা গেজেট নং-৩৮৬৪) ছিলেন তিনি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। বীর মুক্তিযোদ্ধ স্বর্গীয় পীযূষ রক্ষিত স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতীর জনক “বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের” পৈশাচিক হত্যাকান্ড এবং পরবর্তীতে কারান্তরালে ঘাতকদের হাতে নিহত জাতীয় চার নেতা হত্যাকান্ডের প্রতিবাদ করতে গিয়ে “৭৫” উত্তর সামরিক শাসকদের রোষানলে পড়েন। ১৯৭৫ এর ৪ জুন তৎকালীন রাষ্ট্রীয় বাহিনী তাঁকে চট্টগ্রামের ষড়যন্ত্র মামলায় গ্রেফতার করে। মিথ্যা সাজানো সেই মামলায় ১নং অভিযুক্ত হিসেবে দেখিয়ে একতরফা প্রহসনের বিচারের মাধ্যমে তৎকালীন সাময়িক শাসক ৪নং বিশেষ সাময়িক আদালতে ১৭ এম.এল.আর ধারায় একতরফা বিচার করে তাকে ফাঁসিতে ঝুলানোর নির্দেশ দেন। বিভিন্ন পেশার জনগণের তীব্র গণআন্দোলনের কারণে সাময়িক আদালত ফাঁসির রায় পরিবর্তন করে তার বিরুদ্ধে ১৯৭৭ সালের ২০ জানুয়ারী ৭ বৎসর সশ্রম কারাদন্ডের রায় ঘোষণা করে। সেই মিথ্যা মামলায় বীর মুক্তিযোদ্ধা স্বর্গীয় পীযুষ কুমার রক্ষিতকে কোনরূপ আত্মরক্ষার সুযোগ এমনকি রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চতর আদালতে আপিলেরও সুযোগ দেয়া হয়নি। দীর্ঘ প্রহসনের সেই মামলায় ৫ বছর কারাগারে থাকার পর ১৯৮০ সালের ৭ নভেম্বর তাঁকে মুক্তি দেয়া হয়। উল্লেখ্য সেই মামলার ২নং আসামী ছিলেন চট্টগ্রামের সাবেক জনপ্রিয় মেয়র, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি, চট্টলবীর জননেতা মরহুম আলহাজ্ব এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরী। তাঁর অনুপস্থিতিতে উক্ত মামলায় ১৯৭৭ সালের ২০ জানুয়ারী তাঁকেও ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয়েছিল। এছাড়া বিধান রক্ষিতে ঠাকুর দাদা ছিলেন ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের মাস্টার দা সূর্য সেনের সহযোদ্ধা কবিরাজ হরেন্দ্র লাল রক্ষিত ও যতীন্দ্র মোহন রক্ষিত। বিধান রক্ষিতের কাকা প্রয়াত আবৃত্তিশিল্পী রণজিৎ কুমার রক্ষিত বোধন আবৃত্তি স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ ছিলেন। চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলাএকাডেমির পরিচালনা কমিটির সহ-সভাপতি এবং বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ছিলেন।
অন্যদিকে বিধান রক্ষিত বাংলদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি-২০১৮ সালের প্রচার উপ-কমিটি সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ ৬ষ্ঠ জাতীয় কংগ্রেস ২০১২ শৃঙ্খলা উপ-কমিটির দাযিত্বে, ২০১৬ সালের বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনে প্রচার উপ-কমিটির সদস্য, বোয়াখালী থানা আওয়ামী লীগের সাবেক এডহক কমিটির সদস্য, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার আহ্বায়ক কমিটির সদস্য, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ বোয়াখালী থানা শাখার সাবেক দপ্তর সম্পাাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ স্যার আশুতোষ সরকারী কলেজ শাখার সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ৯ নং আমূচিয়া ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি, কানুনগোপাড় দিপায়ন খেলার আসরের সাবেক সহ-সভাপতি, বোধন আবৃত্তি পরিষদের সবেক সদস্য, শিশুদের পাঠশালার সাবেক যগ্ম-মহাসচিব, স্পপ্নযাত্রী (তারুণ্যে স্বপ্নে সুন্দর বুনন)সাবেক সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ চট্টগ্রাম কেন্দ্রিয় কমিটির সমাজ কল্যাণ সম্পাদক, চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় পূজার উদযাপন পরিষদের সহ অর্থ সম্পাদক, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা হিন্দু,বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের গণসংযোগ সম্পাদক, চট্টগ্রাম মহানগর লোকনাথ বাবা সেবক সংঘের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ ভোক্তা অধিকার বাস্তবায়ন পরিষদ, চট্টগ্রামের উপদেষ্টা, পটিয়া প্রীতিলতা ট্রাষ্টের আজীবন সদস্য, চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স এর অর্ডিনারী মেম্বার হিসেবে দায়িত্বে রয়েছে। এছাড়া ২০০৮ সালে ২৯ শে ডিসেম্বর অনুষ্টিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাবেক চট্টগ্রাম-৮ আসনে মহাজোট প্রার্থী জাসদের কার্যকরী সভাপতি মরহুম মঈনউদ্দিন খান বাদল (এমপি) এর নির্বাচনী প্রচারণা সেলের দায়িত্বে ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মার্গের সামনে নিহত ছাত্রী মাইশার মায়ের আহাজারি : ‘আমার মাইশা’ কই

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মার্গের সামনে মাইশার মা সালমা বেগম কেবল চিৎকার করে বারবার ডাকছিলেন মেয়েকে। ‘আমার মাইশা, আমার ঝি। কখনো আহাজারি, কেন এমন হলো!’ মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে চমেক হাসপাতালে শুধু সালমা বেগম নয়, মাইশার সহপাঠী শিক্ষার্থীরাও কান্নায় ভেঙে পড়েন। তারা কোনোভাবেই মাইশার এমন মৃত্যু মেনে নিতে পারছিলেন না।

মাইশা আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্য বিভাগের দ্বিতীয় সেমিস্টারের ছাত্রী। বাড়ি মিরসরাইয়ের বড়তাকিয়া এলাকায়। সেখান থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া আসা করতেন। সকালে সীতাকুণ্ডের কুমিরায় ক্যাম্পাসের সামনে বাসচাপায় মারা যান। মাইশার সঙ্গে কিছুক্ষণ আগেও সহপাঠীদের কথা হয়েছিল।

বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিএ কো-অর্ডিনেটর জাহেদ হোসেন ভূঁইয়া জানিয়েছেন, ক্লাস বাতিল হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে ফিরে যাচ্ছিলেন মাইশা ও তার এক বান্ধবী। বাসের জন্য দাঁড়িয়েছিলেন তারা। তাদের তোলার জন্য একটি বাস দাঁড়ায়। ওই মুহূর্তে পাশ থেকে একটি লরি বাসটিকে ধাক্কা দেয়। এতে বাসটি উল্টে দুই শিক্ষার্থীর গায়ের ওপর পড়ে। হাসপাতালে মাইশাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

মাইশার বান্ধবী রাজিয়া বেগম সামান্য চোট পেয়েছেন। তার বাড়িও মিরসরাইয়ে। কিন্তু এমন ঘটনায় রাজিয়া হতভম্ব। তাকে ফেনীর বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে মিরসরাই থেকে হাসপাতালে ছুটে আসেন মা সালমা বেগম। তিনি এসে দেখেন সব শেষ। এরপর আহাজারি করতে থাকেন সালমা বেগম।

কয়েক বছর আগে মাইশার বাবা মারা যান। দুই ভাইবোনের মধ্যে মাইশা বড়। নিজেকে যোগ্য করে গড়ে তোলার চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন। পড়ালেখা শেষ করে মা ও একমাত্র ভাইয়ের দায়িত্ব নেওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। সেই স্বপ্ন মুহূর্তেই ধূলিসাৎ হয়ে গেল একটি সড়ক দুর্ঘটনায়। মাইশার মা কীভাবে নিজেকে সান্ত্বনা দেবেন।

এদিকে, এই ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে শিক্ষার্থীদের অবরোধ চলছে। দুপুর দেড়টায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অবরোধ চলছিল। শিক্ষার্থীরা পাঁচ দফা দাবি দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়য়ের ছাত্রী দূর্ঘটনায় মৃত্যু, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সড়ক দুর্ঘটনায় আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিরা এলাকা অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা।আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাস্তা পারাপারের সময় বিশ্ববিদ্যালয় ফটকের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় মাইশা মুশফিরাত (২১) নামে এক শিক্ষার্থী মারা যান। আহত হন তার দুই সহপাঠী।নিহত মাইশা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের দ্বিতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী ছিলেন। আহত দুজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর।
স্থানীয়দের বরাতে বারআউলিয়া হাইওয়ে থানার সার্জেন্ট শফিউল আলম জানান, সকালে দুটি লরি পরস্পরকে ওভারটেক করতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায়। একটি লরি ৮ নম্বর রুটের একটি লোকাল বাসকে ধাক্কা দিলে বাসটি উল্টে গিয়ে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা তিন শিক্ষার্থীকে চাপা দেয়। এতে তারা গুরুতর আহত হন। তাদেরকে চমেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে মাইশাকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান ইভা জানান, দুর্ঘটনার শিকার তিন শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য সকালে ক্যাম্পাসে আসছিলেন।সার্জেন্ট শফিউল জানিয়েছেন, এ ঘটনায় জড়িত দুটি লরি এবং বাস জব্দ করা হয়েছে।
চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আলাউদ্দিন তালুকদার জানান, আহত অবস্থায় হাসপাতালে আনার পর চিকিৎসক ওই শিক্ষার্থীকে মৃত ঘোষণা করেন।এদিকে দুর্ঘটনার খবর জানার পর প্রতিবাদে মহাসড়কের দুই পাশ অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। ফলে দুই পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে। এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে অবরোধের কারণে উভয়পাশে কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়েছে।

এ সময় পাঁচদফা দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। সেগুলো হলো ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চালককে গ্রেপ্তার, তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া, ডিপোর অবৈধ পার্কিং বন্ধ করা, ক্যাম্পাস ফটকে ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ এবং ক্ষতিপূরণ দেওয়া।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ