আজঃ মঙ্গলবার ১৭ মার্চ, ২০২৬

ময়মনসিংহ:

ঈদে চাহিদা বেড়েছে কাঠের গুড়া খাইটার

তৌহিদুল ইসলাম সরকার স্টাফ রিপোর্টার :

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ময়মনসিংহের নান্দাইলে ঈদুল আযহা অর্থাৎ কোরবানির ঈদ কে সামনে রেখে কোরবানি কেনার পাশাপাশি মাংস কাটার খাইটা বিক্রিও শুরু হয়েছে। তবে অনন্য বছর পিস হিসাবে বিক্রি হলেও এবার তা ভিন্ন, বিক্রি হচ্ছে ২৫-৩০ টাকা কেজিতে এমনকি পিস হিসাবেও বিক্রি হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা যায় নান্দাইল উপজেলার পৌর সদরসহ বিভিন্ন হাট বাজারে এমনকি রাস্তার বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে বিক্রি হচ্ছে এসব খাইটা। ছোট বড় নানা সাইজের এসব কাইটা কিনছেন কোরবানি দাতারা।

উপজেলার জাহাঙ্গিরপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ জাহাঙ্গীরপুর বাজারে কিশোরগঞ্জ দেওয়ানগঞ্জ রোডের বায়তুল মামুদ জামে মসজিদ সংলগ্ন কাঠ ও খাইটা বিক্রেতা বাদল বেপারী জানান, এবছর ২৫/৩০ টাকা কেজি দরে ওজন করে তারা কাইটা বিক্রি করেছেন। ওই খাইটা ৫ কেজি থেকে শুরু করে ১৫-২০ কেজি পর্যন্ত ওজনের রয়েছে।

জাহাঙ্গীরপুর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোস্তাক জানান তিনি একটি বড় কাইটা কিনেছেন। ওজন হিসেবে ওই খাটার দাম পরল ১০০০ হাজার টাকা। জাহাঙ্গীরপুর ইউনিয়নের ধলাপাতা গ্রামের ইব্রাহিম জানান, গত বছর একটা খাইটা কিনেছিলাম ১০০ টাকায়। অথচ এবারে ওই একই মাপের খাইটাগুলো ওজন করে দোকানী যাচ্ছেন-২৫০ টাকায়। দাম বেশি হওয়ায় তিনি না কিনেই চলে যাচ্ছেন।

দোকানী বাদল মিয়া, কাইয়ূম,বারিক বেপারীসহ খাইটা বিক্রেতা জানান, ওই খাইটাগুলো তেঁতুল গাছ, জাম্বুরা গাছ, নিম গাছ, বনোয়া গাছ, কেটে তৈরি করা হয়। অন্য জিনিসের মতো গাছের দামও বেড়েছে। এছাড়া খাইটা উপযোগী তেতুল গাছ ও নিম গাছ ১৫-২০ বছরের পুরনো হওয়ায় দাম পরে অনেক বেশি। তাই কেজি দরে তারা খাইটা বিক্রি করেছেন।

তারা আরো জানান গত ৮-১০ বছর থেকেই কোরবানির ঈদের আগে খাইটা বেঁচেন। গত বছরও প্রায় ৩০০-৪০০ পিস খাইটা বিক্রি করেছিলেন। এবারও ৫০০-৬০০ খাইটা বিক্রি করার সম্ভাবনা রয়েছে এবং ভালো লাভের আশা করছেন তিনি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আবদুল্লাহ আল নোমান ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতির এক উজ্জ্বল নক্ষত্র : চসিক মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আবদুল্লাহ আল নোমান ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতির এক উজ্জ্বল নক্ষত্র বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। শুক্রবার বাদে জুমা জমিয়তুল ফালাহ মসজিদে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল্লাহ আল নোমানের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ কমপ্লেক্স উন্নয়ন ও মুসল্লি পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এমন মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, চট্টগ্রামের উন্নয়নে সাবেক মন্ত্রী মরহুম আবদুল্লাহ আল নোমানের অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। আবদুল্লাহ আল নোমান ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতির এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। বিএনপির রাজনীতিতে তিনি ছিলেন একজন কিংবদন্তি রাজনীতিবিদ।

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে তিনি ছিলেন এক অবিচল যোদ্ধা। মুক্তিযুদ্ধে তার সাহসী ভূমিকা অবিস্মরণীয়। চট্টগ্রামের উন্নয়নে আবদুল্লাহ আল নোমানের অবদান চিরস্মরণীয়। চট্টগ্রামের ব্যবসা বাণিজ্য, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং শিক্ষাক্ষেত্রে তাঁর প্রচেষ্টা ছিল প্রশংসনীয়।তিনি চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড, ইস্ট ডেল্টা ইউনির্ভাসিটি, স্বৈরাচার বিরোধী ৯০ গণ আন্দোলনে শহীদের স্মৃতি রক্ষায় প্রতিষ্ঠা করেন এন এম জে মহাবিদ্যালয়। জনগণের কল্যাণে তাঁর নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ আজও চট্টগ্রামের মানুষ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে।

দোয়া মাহফিলে মরহুম আবদুল্লাহ আল নোমানের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়। এছাড়া শহীদ রাস্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ জিয়া পরিবারের সদস্যদের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে মোনাজাত করা হয়।মোনাজাত পরিচালনা করেন মসজিদের খতিব মাওলানা আবু তালেব মোহাম্মদ আলাউদ্দীন।

এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান এবং চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর। মুসল্লি পরিষদের সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বৃহত্তর চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলতে মরহুম আব্দুল্লাহ আল নোমানের অবদান চট্টগ্রামবাসী আজীবন মনে রাখবে। তিনি এ অঞ্চলের অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

বিশেষ করে বিভিন্ন শিক্ষা ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো গড়ে তোলা এবং উন্নয়নে তাঁর উদ্যোগ আজও স্মরণীয়।চট্টগ্রামসহ সারাদেশের বিভিন্ন স্থাপনায় তাঁর স্মৃতি জড়িয়ে আছে। বিশেষ করে জমিয়তুল ফালাহ জামে মসজিদ কমপ্লেক্সের আধুনিকায়ন ও উন্নয়নে আবদুল্লাহ আল নোমানের অবদান অনস্বীকার্য। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এই মসজিদটিকে ঘিরে যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, আবদুল্লাহ আল নোমান সেই স্বপ্নের সার্থক রূপ দিয়েছেন।

বিশেষ অতিথি আবু সুফিয়ান বলেন, আবদুল্লাহ আল নোমান ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী অনন্য এক নেতা। তিনি কেবল চট্টগ্রাম নয়, বাংলাদেশের রাজনীতির অঙ্গনে এক কিংবদন্তি পুরুষ। তিনি শুধু নেতা ছিলেন না, তিনি ছিলেন একটি প্রতিষ্ঠান। তিনি ছিলেন নেতাদের নেতা, আমাদের সবার অভিভাবক। চট্টগ্রামে ৮০’র দশকে যখন শহীদ জিয়াউর রহমান মারা যাওয়ার পরে বিএনপি অনেকটা দূর্বল হয়ে গিয়েছিল। তখন বিএনপিকে পুনর্জাগরণ করেছিলেন আবদুল্লাহ আল নোমান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আবুল হাশেম বক্কর বলেন, আবদুল্লাহ আল নোমান ছিলেন মহান মুক্তিযুদ্ধের একজন সম্মুখ সারির যোদ্ধা। দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে তাঁর অবদান জাতি চিরদিন স্মরণ রাখবে। নোমান ভাই শুধু একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন না, তিনি ছিলেন গণমানুষের নেতা। তাঁর সাহস, সততা এবং দেশপ্রেম আমাদের সবার জন্য অনুকরণীয়।

দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী বেলাল উদ্দিন, হারুন জামান, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জাহাঙ্গীর আলম দুলাল, মো. মহসিন, মো. কামরুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন লিপু, মুসল্লি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক খোরশেদুর রহমান, বিএনপি নেতা মন্জুর রহমান চৌধুরী, জাকির হোসেন, নুর হোসাইন প্রমুখ।

কলমাকান্দা নির্বাচনী মঞ্চে ‘খুদে খালেদা জিয়া’: ভোট চাইলো ‘ধানের শিষে’

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদলে সেজে এক ছোট্ট শিশুকে একটি নির্বাচনী সভায় বক্তব্য দিতে দেখা যাচ্ছে। শিশুটি বেগম জিয়ার সিগনেচার লুকে- সাদা ও বেগুনি শাড়ি, বড় কালো চশমা এবং তার কথা বলার ঢং হুবহু নকল করে উপস্থিত জনতাকে মাতিয়েছেন।

নেত্রকোনা-১ (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) আসনে ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী ও বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামালের একটি নির্বাচনী সভায় এমন দৃশ্য দেখা গেছে।

শিশুটি মাইক হাতে নিয়ে বলছে, “আমি বেগম খালেদা জিয়া। ধানের শীষে ভোট দিবেন। আমি আমার ছেলে কায়সার কামালকে আপনাদের হাতে দিয়ে গেলাম।”

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরের দিকে দুর্গাপুরের বড়বাট্টা এলাকায় মহিলা সমাবেশে শিশুটির সাবলীল অভিনয় এবং উপস্থিত নেতাদের সাথে একই মঞ্চে দাঁড়িয়ে প্রচারণায় অংশ নেওয়ার বিষয়টি নেটিজেনদের বেশ আকৃষ্ট করেছে।

কেউ কেউ শিশুটির অভিনয় দক্ষতার প্রশংসা করেছেন, আবার কেউ রাজনৈতিক কর্মসূচিতে শিশুদের এভাবে ব্যবহারের সমালোচনাও করছেন। তবে সাধারণ দর্শকদের অনেকেই শিশুটির দৃঢ় কণ্ঠের বক্তব্যকে বেশ ইতিবাচকভাবেই দেখছেন।

শিশুটির সাজসজ্জায় বেগম খালেদা জিয়ার চশমা এবং শাড়ি পরার স্টাইলটি বেশ নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রীর কথা বলার স্টাইল এবং ধীর স্থির ভঙ্গি শিশুটির মাঝে প্রতিফলিত

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ