আজঃ শনিবার ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

আবদুল্লাহ আল নোমান ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতির এক উজ্জ্বল নক্ষত্র : চসিক মেয়র

ডেস্ক নিউজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আবদুল্লাহ আল নোমান ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতির এক উজ্জ্বল নক্ষত্র বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। শুক্রবার বাদে জুমা জমিয়তুল ফালাহ মসজিদে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল্লাহ আল নোমানের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ কমপ্লেক্স উন্নয়ন ও মুসল্লি পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এমন মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, চট্টগ্রামের উন্নয়নে সাবেক মন্ত্রী মরহুম আবদুল্লাহ আল নোমানের অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। আবদুল্লাহ আল নোমান ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতির এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। বিএনপির রাজনীতিতে তিনি ছিলেন একজন কিংবদন্তি রাজনীতিবিদ।

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে তিনি ছিলেন এক অবিচল যোদ্ধা। মুক্তিযুদ্ধে তার সাহসী ভূমিকা অবিস্মরণীয়। চট্টগ্রামের উন্নয়নে আবদুল্লাহ আল নোমানের অবদান চিরস্মরণীয়। চট্টগ্রামের ব্যবসা বাণিজ্য, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং শিক্ষাক্ষেত্রে তাঁর প্রচেষ্টা ছিল প্রশংসনীয়।তিনি চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড, ইস্ট ডেল্টা ইউনির্ভাসিটি, স্বৈরাচার বিরোধী ৯০ গণ আন্দোলনে শহীদের স্মৃতি রক্ষায় প্রতিষ্ঠা করেন এন এম জে মহাবিদ্যালয়। জনগণের কল্যাণে তাঁর নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ আজও চট্টগ্রামের মানুষ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে।

দোয়া মাহফিলে মরহুম আবদুল্লাহ আল নোমানের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়। এছাড়া শহীদ রাস্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ জিয়া পরিবারের সদস্যদের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে মোনাজাত করা হয়।মোনাজাত পরিচালনা করেন মসজিদের খতিব মাওলানা আবু তালেব মোহাম্মদ আলাউদ্দীন।

এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান এবং চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর। মুসল্লি পরিষদের সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বৃহত্তর চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলতে মরহুম আব্দুল্লাহ আল নোমানের অবদান চট্টগ্রামবাসী আজীবন মনে রাখবে। তিনি এ অঞ্চলের অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

বিশেষ করে বিভিন্ন শিক্ষা ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো গড়ে তোলা এবং উন্নয়নে তাঁর উদ্যোগ আজও স্মরণীয়।চট্টগ্রামসহ সারাদেশের বিভিন্ন স্থাপনায় তাঁর স্মৃতি জড়িয়ে আছে। বিশেষ করে জমিয়তুল ফালাহ জামে মসজিদ কমপ্লেক্সের আধুনিকায়ন ও উন্নয়নে আবদুল্লাহ আল নোমানের অবদান অনস্বীকার্য। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এই মসজিদটিকে ঘিরে যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, আবদুল্লাহ আল নোমান সেই স্বপ্নের সার্থক রূপ দিয়েছেন।

বিশেষ অতিথি আবু সুফিয়ান বলেন, আবদুল্লাহ আল নোমান ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী অনন্য এক নেতা। তিনি কেবল চট্টগ্রাম নয়, বাংলাদেশের রাজনীতির অঙ্গনে এক কিংবদন্তি পুরুষ। তিনি শুধু নেতা ছিলেন না, তিনি ছিলেন একটি প্রতিষ্ঠান। তিনি ছিলেন নেতাদের নেতা, আমাদের সবার অভিভাবক। চট্টগ্রামে ৮০’র দশকে যখন শহীদ জিয়াউর রহমান মারা যাওয়ার পরে বিএনপি অনেকটা দূর্বল হয়ে গিয়েছিল। তখন বিএনপিকে পুনর্জাগরণ করেছিলেন আবদুল্লাহ আল নোমান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আবুল হাশেম বক্কর বলেন, আবদুল্লাহ আল নোমান ছিলেন মহান মুক্তিযুদ্ধের একজন সম্মুখ সারির যোদ্ধা। দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে তাঁর অবদান জাতি চিরদিন স্মরণ রাখবে। নোমান ভাই শুধু একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন না, তিনি ছিলেন গণমানুষের নেতা। তাঁর সাহস, সততা এবং দেশপ্রেম আমাদের সবার জন্য অনুকরণীয়।

দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী বেলাল উদ্দিন, হারুন জামান, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জাহাঙ্গীর আলম দুলাল, মো. মহসিন, মো. কামরুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন লিপু, মুসল্লি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক খোরশেদুর রহমান, বিএনপি নেতা মন্জুর রহমান চৌধুরী, জাকির হোসেন, নুর হোসাইন প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পতেঙ্গায় হাসপাতালের জন্য অধিকৃত জায়গা পরিদর্শণে অর্থমন্ত্রী।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা থানাধীন জেলে পাড়া এলাকায় প্রস্তাবিত সরকারি হাসপাতাল নির্মাণের লক্ষ্যে নির্ধারিত জমি পরিদর্শন করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। শুক্রবার ২৭ জানুয়ারি নৌবাহিনীর কর্মকর্তাদের নিয়ে মন্ত্রী সেখানে উপস্থিত হয়ে প্রস্তাবিত প্রকল্প এলাকার সার্বিক অবস্থা পর্যালোচনা করেন।

চট্টগ্রামে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা চার প্রতিষ্ঠানকে ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের বাকলিয়া থানা এলাকায় ভেজালবিরোধী অভিযান চালিয়েছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য অধিদপ্তরের সমন্বয়ে র‌্যাব-৭ বিশেষ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে। এসময় চারটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৩ লাখ ৬৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

স্পট ব্রিফিং করে র‌্যাব-৭ চট্টগ্রামের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান বলেন, গোপন খবরের ভিত্তিতে জানা যায়, বাকলিয়া এলাকায় কয়েকটি প্রতিষ্ঠান অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে খাদ্যপণ্য উৎপাদন করছে। পাশাপাশি ক্ষতিকর রাসায়নিক মিশিয়ে এবং বিএসটিআইয়ের অনুমোদন ছাড়া পণ্য বাজারজাত করা হচ্ছে।

এতে ভোক্তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছিল। পাশাপাশি রাজস্ব ফাকি দেয়া হচ্ছিল। ভেজাল খাদ্য উৎপাদন করে বাজারে ছড়িয়ে দিচ্ছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে দেলোয়ার ফুড প্রোডাক্টসহ মোট চারটি প্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন অপরাধে ৩ লাখ ৬৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।

র‌্যাব-৭ চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন জানান, রমজান মাসে নিত্যপণ্যের মূল্য সহনীয় রাখা এবং ভেজাল নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আলোচিত খবর

বাংলাদেশিদের জন্য শিগগিরই চালু হচ্ছে ভারতীয় ভিসা- পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশিদের জন্য শিগগিরই চালু হচ্ছে ভারতীয় ভিসা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ