আজঃ রবিবার ১৪ জুন, ২০২৬

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী পালিত

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে শনিবার দুপুরে প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে, শহীদ জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) এর ব্যুরো প্রধান মো. শাহনওয়াজ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. শাহনওয়াজ বলেন, সমাজে চাটুকারিতার প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় অনেক সময় প্রকৃত মূল্যায়ন আড়ালে পড়ে যায়। ইতিহাসে যার যে অবস্থান, তাকে সে অনুযায়ী মূল্যায়ন করা উচিত। তিনি বলেন, কোনো ব্যক্তি বা দল ক্ষমতায় থাকলে তাদের নিয়ে কর্মসূচি আয়োজন করা হয়, কিন্তু ইতিহাসচর্চা কখনো একমুখী হওয়া উচিত নয়।

মো. শাহনওয়াজ বলেন, জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের রাজনীতির একটি উজ্জ্বল অধ্যায়ের নাম। জাতি গঠন ও পুনর্গঠনের যে উদ্যোগ তিনি নিয়েছিলেন, তা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অবদান হিসেবে বিবেচিত হবে। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ধারণাকে রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তিনি। তাঁকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা করলে ইতিহাসই সেই প্রচেষ্টাকে প্রত্যাখ্যান করবে।

তিনি আরও বলেন, অবিভক্ত পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা হয়েও পরবর্তীতে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন জিয়াউর রহমান। স্বাধীনতার পর সেনানিবাসে ফিরে গেলেও পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেন তিনি। তাঁর শাসনামলে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামাজিক ন্যায়বিচার ও বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে জাহিদুল করিম কচি বলেন, জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী শুধু তাঁকে স্মরণের দিন নয়, এটি তাঁর আদর্শ, সততা, দেশপ্রেম ও জনগণকেন্দ্রিক রাজনৈতিক দর্শন নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। তিনি বলেন, ১৯৭৫ এর পরবর্তী সংকটময় সময়ে দেশের পুনর্গঠন ও বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় জিয়াউর রহমানের অবদান জাতি আজীবন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের গ্রন্থাগার সম্পাদক মো. শহীদুল ইসলাম, ক্রীড়া সম্পাদক মো. রুবেল খান, একাত্তর টেলিভিশনের ব্যুরো প্রধান ও কার্যকরী সদস্য সাইফুল ইসলাম শিল্পী, দৈনিক ইনকিলাবের ডেপুটি ব্যুরো প্রধান ও কার্যকরী সদস্য রফিকুল ইসলাম সেলিম, গ্রিন টিভির সিইও ও কার্যকরী সদস্য ওয়াহিদ জামান, প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সদস্য মো. আলী বাদশা, ভোরের ডাকের ব্যুরো প্রধান কিরণ শর্মা
ডেইলি ক্যাম্পাসের চট্টগ্রাম করেসপন্ডেন্ট মুহাম্মদ আজাদ, দৈনিক সাঙ্গুর স্টাফ রিপোর্টার মো. নজরুল ইসলাম, দৈনিক আমার দেশের স্টাফ রিপোর্টার এম কে মনির, এবং দৈনিক রূপালীর ব্যুরো প্রধান মো. গিয়াস উদ্দিন প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ভাঙ্গুড়ায় ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়ন বৃদ্ধির লক্ষ্যে পাবনার ভাঙ্গুড়ায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি’র আওতায় বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

শনিবার ১৩ জুন ২০২৬ ভাঙ্গুড়া পৌর এলাকায় এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা পৌর প্রশাসক, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমান।এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ভাঙ্গুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাকিউল আজম সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

বৃক্ষরোপণ শেষে বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা, প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে বেশি বেশি করে গাছ লাগানোর কোন বিকল্প নেই। সরকারের এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সবাই কে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়।কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিভিন্ন স্থানে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়। এ উদ্যোগ ভাঙ্গুড়ার পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্টরা।

বোয়ালখালীতে ট্রেনে কাটা পড়া অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে কক্সবাজারগামী প্রবাল এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার পূর্ব কালুরঘাট ১২ নম্বর ব্রিজ পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের বড়ুয়া পাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তির পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তার পরনে লুঙ্গি ও নীল রঙের গেঞ্জি ছিল। বয়স আনুমানিক ৪০ থেকে ৪৫ বছর বলে ধারণা করা হচ্ছে।
খবর পেয়ে বোয়ালখালী ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

বোয়ালখালী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ইনচার্জ অলক চাকমা বলেন, “ট্রেনে কাটা পড়ে লোকটির দেহ কোমর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। তার বয়স আনুমানিক ৪০ থেকে ৪৫ বছর হবে। ঘটনাটি রেলওয়ে থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে। আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মরদেহ তাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

গোমদণ্ডী রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার কাঞ্চন ভট্টাচার্য বলেন, “চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা কক্সবাজারগামী প্রবাল এক্সপ্রেস ট্রেন কালুরঘাট সেতু পার হয়ে আসার পথে এক ব্যক্তি কাটা পড়ে নিহত হয়েছেন। ট্রেনটি বিকেল ৪টা ৩৮ মিনিটে গোমদণ্ডী স্টেশন ত্যাগ করে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ