চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী পালিত

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে শনিবার দুপুরে প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে, শহীদ জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) এর ব্যুরো প্রধান মো. শাহনওয়াজ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. শাহনওয়াজ বলেন, সমাজে চাটুকারিতার প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় অনেক সময় প্রকৃত মূল্যায়ন আড়ালে পড়ে যায়। ইতিহাসে যার যে অবস্থান, তাকে সে অনুযায়ী মূল্যায়ন করা উচিত। তিনি বলেন, কোনো ব্যক্তি বা দল ক্ষমতায় থাকলে তাদের নিয়ে কর্মসূচি আয়োজন করা হয়, কিন্তু ইতিহাসচর্চা কখনো একমুখী হওয়া উচিত নয়।

মো. শাহনওয়াজ বলেন, জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের রাজনীতির একটি উজ্জ্বল অধ্যায়ের নাম। জাতি গঠন ও পুনর্গঠনের যে উদ্যোগ তিনি নিয়েছিলেন, তা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অবদান হিসেবে বিবেচিত হবে। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ধারণাকে রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তিনি। তাঁকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা করলে ইতিহাসই সেই প্রচেষ্টাকে প্রত্যাখ্যান করবে।

তিনি আরও বলেন, অবিভক্ত পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা হয়েও পরবর্তীতে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন জিয়াউর রহমান। স্বাধীনতার পর সেনানিবাসে ফিরে গেলেও পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেন তিনি। তাঁর শাসনামলে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামাজিক ন্যায়বিচার ও বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে জাহিদুল করিম কচি বলেন, জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী শুধু তাঁকে স্মরণের দিন নয়, এটি তাঁর আদর্শ, সততা, দেশপ্রেম ও জনগণকেন্দ্রিক রাজনৈতিক দর্শন নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। তিনি বলেন, ১৯৭৫ এর পরবর্তী সংকটময় সময়ে দেশের পুনর্গঠন ও বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় জিয়াউর রহমানের অবদান জাতি আজীবন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের গ্রন্থাগার সম্পাদক মো. শহীদুল ইসলাম, ক্রীড়া সম্পাদক মো. রুবেল খান, একাত্তর টেলিভিশনের ব্যুরো প্রধান ও কার্যকরী সদস্য সাইফুল ইসলাম শিল্পী, দৈনিক ইনকিলাবের ডেপুটি ব্যুরো প্রধান ও কার্যকরী সদস্য রফিকুল ইসলাম সেলিম, গ্রিন টিভির সিইও ও কার্যকরী সদস্য ওয়াহিদ জামান, প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সদস্য মো. আলী বাদশা, ভোরের ডাকের ব্যুরো প্রধান কিরণ শর্মা
ডেইলি ক্যাম্পাসের চট্টগ্রাম করেসপন্ডেন্ট মুহাম্মদ আজাদ, দৈনিক সাঙ্গুর স্টাফ রিপোর্টার মো. নজরুল ইসলাম, দৈনিক আমার দেশের স্টাফ রিপোর্টার এম কে মনির, এবং দৈনিক রূপালীর ব্যুরো প্রধান মো. গিয়াস উদ্দিন প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়ার নেতৃত্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে একটি জাতীয় সংসদ ১২ সদস্যের বিশেষ কমিটি গঠন করেছে। গঠিত এ কমিটি প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রণয়ন ও সংশোধনী প্রক্রিয়ায় কাজ করবে।বিরোধী দলকে সদস্য মনোনয়নের আহ্বান জানানো হলেও তারা কোনো নাম দেয়নি।


সোমবার ১৩ জুলাই রাতে সংসদে এ কমিটি গঠন করা হয়।সংসদ নেতা তারেক রহমানের পক্ষে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম ১২ সদস্যের বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেন। এ কমিটি ১৭ সদস্যের হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু বিরোধী দলকে ৫ জনের নাম দেয়ার অনুরোধ করা হলেও তারা কারও নাম দেয়নি। একারনে ১২ সদস্যের সংবিধান সংশোধন কমিটি গঠন করা হয়।

কমিটির অপর সদস্যরা হলেন- বিএনপির সংসদ চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, বিএনপির সংসদ সদস্য জয়নাল আবেদিন, মীর হেলাল উদ্দিন, ফারজানা শারমিন, শাকিলা ফারজানা, মাহমুদুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের সংসদ সদস্য জুনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) সংসদ সদস্য আন্দালিব রহমান পার্থ, গণঅধিকার পরিষদের সংসদ সদস্য নুরুল হক নুর এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সংসদ সদস্য মো. অলিউল্লাহ।

চট্টগ্রাম বন্দরে গত দুই বছরে নিয়োগ ২০৮, পদোন্নতি ১ হাজার ৪৬৪ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়োগ ও পদোন্নতির সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত দুই বছরে ২০৮ জনকে সরাসরি নিয়োগ এবং ১ হাজার ৪৬৪ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, দক্ষ ও যোগ্য জনবল একটি আধুনিক বন্দরের প্রধান শক্তি। স্বচ্ছ ও মেধাভিত্তিক নিয়োগ এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে পদোন্নতির মাধ্যমে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মোদ্যম বৃদ্ধি, সেবার মানোন্নয়ন এবং বন্দরের কার্যক্রমে আরও গতিশীলতা এসেছে। ভবিষ্যতেও সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও মেধাভিত্তিক মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনার ধারা অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে সংস্থাটি।

কর্তৃপক্ষ আরো জানায়, রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর বন্দরের কার্যক্রমে গতিশীলতা আনা, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মনোবল বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং কল্যাণ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর অংশ হিসেবে নিয়োগ ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং মেধাভিত্তিক মূল্যায়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বন্দর কর্তৃপক্ষের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের জুলাই পর্যন্ত সাড়ে তিন বছরে সরাসরি নিয়োগ পেয়েছিলেন ১৪৪ জন এবং পদোন্নতি পেয়েছিলেন ৭৯৯ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী।
অন্যদিকে, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত মাত্র দুই বছরেই ২০৮ জনকে সরাসরি নিয়োগ এবং ১ হাজার ৪৬৪ জনকে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত মোট সরাসরি নিয়োগের প্রায় ৫৯ শতাংশ এবং মোট পদোন্নতির প্রায় ৬৫ শতাংশই সম্পন্ন হয়েছে জুলাই আন্দোলন-পরবর্তী দুই বছরে।

আলোচিত খবর

সাবেক অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ও স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার আর নেই

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপি’র জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক স্পিকার, সাবেক অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ও প্রবীণ রাজনীতিবিদ ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার
ইন্তেকাল করেছেন।ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।l

আজ রোববার ১২ জুলাই ফজরের সময় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল প্রায় ৯৫ বছর। তিনি দীর্ঘ রাজনৈতিক ও আইনজীবী জীবনে দেশের সংসদীয় গণতন্ত্র, আইন অঙ্গন এবং জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন।

ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্বও পালন করেন। বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের অন্যতম জ্যেষ্ঠ নেতা হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন।

তাঁর মৃত্যুতে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। শোকবার্তায় মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাঁর জানাজা ও দাফনের সময়সূচি পরে জানিয়ে দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ