আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

রাজশাহী:

রাজশাহীর বাগমারায় অবৈধ ভাবে কৃষি জমিতে পুকুর খনন থামছেই না

সাইফুল ইসলাম বাগমারা রাজশাহী:

বাগমারা:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজশাহীর বাগমারায় অবৈধ ভাবে কৃষি জমিতে পুকুর খনন থামছেই না। সম্প্রতি প্রভাবশালী একটি চক্র কয়েকটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কৃষকদের ফসলি জমিতে পুকুর খনন করছেন। প্রভাবশালী ওই চক্রের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অভিযোগ দিয়েও প্রতিকার মিলছেনা।

কৃষি জমির প্রকৃতি পরিবর্তন করে পুকুর খনন করায় আবাদি জমির পরিমান কমে যাচ্ছে এবং চাষাবাদ হুমকীর মুখে পড়ছে। কৃষি জমিতে অবৈধ পুকুর খনন না করার মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ থাকলেও তা কার্যকর হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।
এছাড়া পুকুর খননের মাটি নিয়ে যত্রতত্র ট্রাক্টরযোগে বিভিন্ন ইটভাটায় সরবরাহ করায় সড়কের বেহাল দশা দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ স্থানীয় প্রশাসনের সামনে দিয়ে অবৈধ জমিচাষের ট্রাক্টর মাটি বহন করলেও তারা যেন দেখেও না দেখার ভান করে চলেছে। সবার এমন উদাসীনতায় সরকারের কোটি কোটি টাকার রাস্তা বছর না পেরোতেই ভেঙ্গেচুরে একাকার হয়ে যাচ্ছে।
বিভিন্ন যানবাহনের চালক ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, বাগমারায় বিভিন্ন এলাকায় গত কয়েক বছর ধরে পুকুর খনন চলছিল। সম্প্রতি উপজেলা সহকারী কমিশনার মাহমুদু হাসান ফসলি জমিতে পুকুর খনন বন্ধের বেশ ভূমিকা পালন করেন। উপজেলা সম্প্রতি তিনি বদলি হয়ে রংপুর সদরে যান।
এ সুযোগে শুষ্ক মৌসুমে এখন পুকুর খননের হিড়িক পড়ে যাচ্ছে। পুকুর ও দীর্ঘি কাটার চক্রের হোতারা ভেকু (মাটিকাটা মেশিন) ভাড়া করে এনে পুকুর খননে আগ্রহী ব্যক্তিদের সাথে চুক্তি করা শুরু করছে। তারা উপজেলা প্রশাসন, থানা পুলিশ ও দলীয় কিছু নেতার নাম ভাঙ্গিয়ে পুকুর খননে নেমে পড়েছে।
উপজেলার আউচপাড়া ইউনিয়নের,হাটগাঙ্গোপাড়া, শুভডাঙ্গা ইউনিয়নের বাড়ীগ্রাম, নিমাই বিলে মাড়িয়া ও গোয়ালকান্দি ইউনিয়নে এর মধ্যেই দীর্ঘি ও পুকুর খনন শুরু হয়েছে। গোয়ালকান্দি ইউনিয়ন কনোপাড়া ও ভবানীগঞ্জ-হামিরকুৎসা রাস্তার পাশে তিন ফসলী জমিতে দিনরাত চলছে অবৈধ পুকুর খনন।
স্থানীয়রা জানান, এসব অবৈধ পুকুর খননের মাটি নামমাত্র মূল্যে কিনে নিচ্ছে ভাটা মালিকরা। আর এসব মাটি ট্রাকে করে ভাটায় নিয়ে যাওয়ার ফলে ট্রাক থেকে মাটি পড়ে রাস্তা একাকার হয়ে যাচ্ছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সম্প্রতি শুভডাঙ্গা ইউনিয়নের নিমাই বিলে ৮০-৯০ বিঘা, ধানী জমিতে বানাইপুর তলহারী গ্রামের জয়নাল নামে এক প্রভাবশালী, বাড়িগ্রামের সরকারি রাস্তার ধারে,আউচপাড়া ইউনিয়নের মজোপাড়া বিলে, গোয়াকান্দি এলাকার কনোপাড়ার খামার পাড়া এলাকার ৪০ বিঘার তিন ফসলি জমিতে দিনরাত পুকুর খনন করছে সোহেল নামে কয়েকজন দালাল।
তারা ক্ষমতার জোর ও বাগমারার মাননীয় সংসদ সদস্যের নাম ভাঙ্গীয়ে দাপট দেখিয়ে ওইসব এলাকায় একের পর এক পুকুর খননের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এসব মাটিও তিনি আশেপাশের ভাটায় বিক্রি করে দিচ্ছেন।
এ ব্যাপারে সোহেলের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি উল্টে এই প্রতিবেদকের সাথে সাক্ষাতে কথা বলবেন বলে ফোন কেটে দেন।
ভবানীগঞ্জ বাজারের একাধিক ভ্যানচালক ও পথচারী এই প্রতিবেদককে জানান, বুধবার সকাল থেকে উপজেলার প্রধান সড়ক বাজারের মধ্যে ডজনখানিক ট্রাক্টর মাটি নিয়ে চলাচল করে। যত্রতত্র ট্রাক্টর চলাচলে রাস্তায় তীব্র যানজট ও অহরহ ঘটেছে দূর্ঘটনা। সড়কের উপর পড়ছে কাদামাটি। আর এসব ট্রাকের গতিও থাকছে বেপরোয়া। চরম আতংঙ্ক সৃষ্টি করে তারা রাস্তা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে।
গত ৪/৫ দিন ধরে হাটগাঙ্গোপাড়া বাজারে ও ভবানীগঞ্জ বাজারে এমন বেপরোয়া ট্রাক্টরের আনাগোনা লক্ষ্য করা গেছে। বাজারের ব্যবসায়ী ও পথচারীরা জানান, এসব মাটি আউচপাড়া, শুভডাঙ্গা, গোবিন্দপাড়া গোয়ালকান্দি ইউনিয়নের কনোপাড়ার খামারপাড়া অবৈধ পুকুর খননের মাটি। মাটি গুলো মাড়িয়া, দ্বীপপুর, বাসুপাড়া ও বাইগাছা, গোবিন্দপাড়া, বিগোপাড়া এলাকার কয়েকটি ইটভাটায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
এভাবে ট্রাক ভর্তি করে মাটি নিয়ে যাওয়ার ফলে আউচপাড়া, হাটগাঙ্গোপাড়া, শুভডাঙ্গা বাড়ি গ্রাম, গোবিন্দপাড়ার,মাড়িয়া ও জিল্লুর মোড়, ভবানীগঞ্জ- হামিরকুৎসা, ভবানীগঞ্জ-দ্বীপপুর ও ভবানীগঞ্জ-হাটগাঙ্গোপাড়া রাস্তায় ট্রাক্টর গুলো চলায় অন্যান্য যানবাহনের চলাচল কঠিন হয়ে পড়েছে। ওভারলোড মাটির ট্রাক্টর চলাচল করায় এবং ট্রাক্টর থেকে মাটি পড়ে এরি মধ্যে রাস্তার বেহাল অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।
সিএনজি চালক রেজাউল করিম এই প্রতিবেদককে বলেন, যেভাবে মাটি ভর্তি ট্রাক্টর রাস্তা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। তাতে সিএনজি নিয়ে চলাচলা কঠিন হয়ে পড়েছে। কৃষি কাজে ব্যবহৃত এসব ট্রাকের না কোন রোড পারমিট না আছে কোন বৈধ কাগজপত্র। তারা পুলিশ সহ পৌরসভার অবৈধ টোল আদায়কারীদের টাকা দিয়ে রাস্তায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে চলেছে।

উপজেলা প্রকৌশলী খলিলুর রহমান এই প্রতিবেদককে জানান, গত মিটিংয়ে আমি এই বিষয়ে তুলে ধরেছি। কোন ভাবেই যেন মাটি পরিবহনের ট্রাক্টররের কারণে রাস্তার ক্ষতি না হয় আমরা সে বিষয় লক্ষ্য রাখছি। থানার ওসি রবিউল ইসলাম জানান, এভাবে ট্রাক্টর করে মাটি পরিবহনে সাধারণ পথচারীদের দূর্ভোগ বাড়ছে রাস্তারও ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। বিষয়টি আমরা খেয়াল রাখবে।
এ বিষয়ে সদ্যই যোগদানকারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাহবুবুল ইসলাম এই প্রতিবেদককে জানান, উপজেলা সমন্ময় কমিটির সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হবে। অচিরেই সেগুলো বাস্তবায়ন করা হবে। এছাড়া বিষয়টি আমলে নিয়ে তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।

মোঃ সাইফুল ইসলাম
বাগমারা রাজশাহী

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নেত্রকোনায় এলএসটিডি প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের মাঝে ধান চাষের উপকরণ বিতরন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এলএসটিডি প্রকল্পের অর্থায়নে এবং বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি)-এর বাস্তবায়নে নেত্রকোনার ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয়ের আওতায় কৃষক পর্যায়ে ধান চাষের উপকরণ বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর( ৯ জানুয়ারী২০২৬) বাদেবিন্না গ্রামে স্হানীয় চল্লিশ জন কৃষকের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়।

নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলার বাদেবিন্না গ্রামে স্থানভিত্তিক ধানের জাত ও আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে নতুন ছয়টি আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপনের মাধ্যমে এলএসটিডি প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে মাঠ পর্যায়ে প্রায়োগিক পরীক্ষণ ও মূল্যায়নের জন্য নির্বাচিত কৃষকদের মাঝে উন্নতমানের ধানের বীজসহ প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এলএসটিডি প্রকল্পের পরিচালক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয়, নেত্রকোনার প্রধান ও সায়েন্টিফিক অফিসার মোঃ খালিদ হাসান তারেক।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বিতরণকৃত এসব উপকরণ ব্যবহার করে কৃষকরা নিজ নিজ জমিতে নতুন জাতের ধান ও আধুনিক প্রযুক্তির কার্যকারিতা পরীক্ষা করবেন। এর মাধ্যমে স্থানীয় পরিবেশ উপযোগী ধানের জাত নির্বাচন সহজ হবে এবং ধান উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।

কৃষকরা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, গবেষণাভিত্তিক এই সহায়তা ধান চাষে তাদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে। এলএসটিডি প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষি গবেষণা ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার মাঠপর্যায়ে আরও বিস্তৃত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বোয়ালখালীতে তীব্র শীতে ব্যস্ত কৃষক বোরো ধান রোপনে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পৌষ মাসের শেষের দিকে দেশজুড়ে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ চলছে। ঘন কুয়াশা ও কনকনে শীতে জনজীবন স্থবির হলে বোয়ালখালী উপজেলায় বোরো ধান চারা রোপণে ব্যস্ত কৃষকরা।

উপজেলার অধিকাংশ ফসলের মাঠে দেখা গেছে, কেউ বীজতলা প্রস্তুত করছেন, কেউ চারা সংগ্রহ করে জমিতে লাগাচ্ছেন, আবার কেউ সেচ পাম্প ও পাওয়ারট্রলির মাধ্যমে জমি সেচ ও প্রস্তুত করছেন। বিশেষ করে আমুচিয়া ইউনিয়নের বগাচড়া বিল এলাকায় ধান রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষিরা।

কৃষক মো. আবদুল জলিল জানান, তিনি ৫০ কানি জমিতে বোরো ধান আবাদ করবেন। ‘চারা প্রস্তুত হলে ও প্রচন্ড ঠান্ডা ও ঘন কুয়াশার কারণে ধানের চারা হলুদ হয়ে নষ্ট হতে পারে, তাই কিছুদিন পর ধান লাগানোর পরিকল্পনা করেছি,’ বলেন তিনি।

চলতি মৌসুমে ৩ কানি জমিতে বোরো চাষ করবেন একই এলাকার কৃষক রবিউল হোসাইন। তিনি জানান, এবার ব্রি ধান ৪৯, ৯২, ১০০ এবং স্থানীয় হাইব্রিড জাতের ধান বেশি হবে।

ধান রোপণের শ্রমিকরা জানান, ভোরে কুয়াশার মধ্যে চারা সংগ্রহ করে মাথায় করে জমিতে নিয়ে গিয়ে ধান লাগানো হয়। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তাদের দৈনিক আয় প্রায় ৮০০ টাকা। ‘শীতের মধ্যে এই কাজ করতে করতে অভ্যাস হয়ে গেছে বলেন তারা।

বোয়ালখালী কৃষি অফিস সুত্রে জানায় চলতি বোরো মৌসুমে বোয়ালখালীতে আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১,৮০০ হেক্টর জমিতে। ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক পর্যায়ের ২০০ জন কৃষককে উপসী বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার দেওয়া হয়েছে।

‘উপজেলায় ইতিমধ্যেই কিছু জায়গায় ধান রোপণ শুরু হয়েছে। অনেকেই ধান লাগানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন। শতভাগ পুরোন হবে বলে আশা করছি। শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে বীজতলা রক্ষার জন্য কৃষকদের প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহায়তা দেওয়া হচ্ছে,।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ