শিপিং সেক্টরে নতুন বাজার সৃষ্টিতে নাবিকগণ দূত হিসেবে কাজ করবে – নৌপরিবহন মন্ত্রী

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এমপি নতুন নাবিকদের দেশের সম্পদ হিসেবে উল্লেখ করে শিপিং সেক্টরে নতুন বাজার সৃষ্টিতে তাদের আরো সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে সমুদ্রগামী জাহাজে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার পাশাপাশি অর্থনীতিতে রেমিটেন্সের যোগান দিতে তারা দেশের দূত হিসেবে কাজ করবেন। শনিবার চট্টগ্রামে ন্যাশনাল মেরিটাইম ইনস্টিটিউট(এনএমআই)’র ২৮তম প্রি-সী রেটিংসদের শিক্ষা সমাপনী পাসিং আউটে প্রধান অতিথি বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
নৌ পরিবহন মন্ত্রী বলেন,শিক্ষা শুধু পূঁথিগত বিদ্যা নয় বরং জ্ঞান অর্জন এবং শারীরিক ও মানসিক বিকাশ সাধনের একটি পরিপূর্ণ স্তর হচ্ছে শিক্ষা। এ প্রতিষ্ঠান থেকে হাতে কলমে অর্জিত জ্ঞান দ্বারা নাবিকগণ সমুদ্রগামী জাহাজ চলাচল, জাহাজ ব্যবস্থাপনা ও পণ্য পরিবহনের আধুনিক পথিকৃত হিসেবে নিজেকে তুলে ধরবেন। তাদের আন্তরিক দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক সমুদ্র পরিবহনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ উন্নত বিশ^কে চ্যালেঞ্জ জানানোর পাশাপাশি উত্তরোত্তর সামনে এগিয়ে যাবে।

মন্ত্রী এনএমআই’র প্রশিক্ষণের গুণগত মানের প্রশংসা করে বলেন, প্রশিক্ষণ চলাকালীন শৃংখলা, কঠোর নিয়ম কানুন ও অনুশীলন, হাতে কলমে প্রদত্ত জ্ঞানের কারনে এটি আন্তর্জাতিক নৌ-সংস্থা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের মেরিটাইম সেফটি এজেন্সী কর্তৃক স্বীকৃতি প্রাপ্ত। এখানকার ক্যাডেটরা তাই পরিবার, দেশ ও জাতির সম্পদ।
নৌ মন্ত্রী বলেন, মেরিটাইম সেক্টরে দেশের মানসম্মত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ১৯৯২ সালে বেগম খালেদা জিয়ার সরকার একনেকে ‘ডেভেলপমেন্ট অব সীম্যান্স ট্রেনিং স্কুল’ প্রকল্প পাস করেন। প্রকল্পটি ১৯৯৩-৯৫ সময়কালে বাস্তবায়নের কারনে আজকে এখানে এতবড় আন্তর্জাতিক মানের প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। তিনি বলেন, প্রশিক্ষণ শুরুর পর থেকে আজ পর্যন্ত এ প্রতিষ্ঠান থেকে সাড়ে চার হাজার নাবিক সফলভাবে প্রশিক্ষণ সমাপ্ত করেছে। তাদের মধ্যে চার হাজার নাবিক দেশি-বিদেশি জাহাজে কর্মরত রয়েছে। তারা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার মেরিটাইম খাতসহ সম্ভাবনাময় সকল ক্ষেত্রে কর্মসং¯’ান সৃষ্টির উপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করছে। এজন্য যেখানে যা প্রয়োজন সরকার সকল সহযোগিতা প্রদানে বদ্ধ পরিকর।

অনুষ্ঠানের শুরুতে মন্ত্রী কূচকাওয়াজ পরিবদর্শন করেন। প্রশিক্ষণের বিভিন্ন ট্রেডে ভাল ফলাফল করায় তিনি কয়েকজন নতুন নাবিককে ক্রেস্ট ও সনদ প্রদান করেন। এদের মধ্যে ইঞ্জিন বিভাগের রাব্বি ইসলাম কানন অলরাউন্ড নৈপুন্য প্রদর্শন করায় গোল্ড মেডেল অর্জন করেন। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় সেশনে মন্ত্রী বিভিন্ন শিপিং কোম্পানী ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান প্রদত্ত পুরস্কার শ্রেষ্ঠ নাবিকদের হাতে তুলে দেন।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব জাকারিয়া, নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শফিউল বারী, ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ ক্যাপ্টেন আতাউর রহমান অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। এ সময় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যনা রিয়াল এডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের এমডি কমডোর মাহমুদুল মালেকসহ সামরিক ও বেসামরিক ব্যক্তিবর্গ, দেশি-বিদেশি জাহাজ মালিক, প্রতিনিধি, শিপিং এজেন্ট ও নতুন নাবিকদের পরিবারের সদস্যরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাড়তি দাম, চাপে সাধারণ ক্রেতারা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় সব পণ্যের বাড়তি দামে চাপে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। বিশেষ করে নির্দিষ্ট আয়ের মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোকে প্রয়োজনের তুলনায় কম পণ্য কিনেই বাড়ি ফিরতে হচ্ছে। আয় না বাড়লেও বাজার খরচ বাড়ায় সংসারের খাবারের তালিকাতেও কাটছাঁট করতে হচ্ছে অনেককে। ব্যবসায়ীদের দাবি, পরিবহন ও জ্বালানি ব্যয়, উৎপাদন খরচ, শ্রমিকের মজুরি, আমদানি ব্যয় ও সরবরাহের জটিলতায় বেড়েছে পণ্যের দাম।

শনিবার ৯২ (অক্টোবর) নগরের রেয়াজউদ্দিন, বকশিরহাট ও কাজীর দেউড়ি বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারভেদে দামের পার্থক্য থাকলেও অধিকাংশ পণ্যের দামই ক্রেতাদের নাগালের বাইরে।

রেয়াজউদ্দিন বাজারের ব্যবসায়ী মো. আলী সওদাগর বলেন, পাইকারি ক্রয়মূল্য, পরিবহন ও দোকান পরিচালনার ব্যয় বাড়ায় খুচরা দামেও প্রভাব পড়ছে।
কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) ভাইস প্রেসিডেন্ট নাজের হোসাইন বলেন, পাইকারি ও খুচরা দামের ব্যবধান নিয়মিত যাচাই এবং বাজার তদারকিতে জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. ফয়েজ উল্যাহ বলেন, মূল্যতালিকা প্রদর্শন, ক্রয়-বিক্রয়ের রসিদ সংরক্ষণ ও নিয়ম মানা হচ্ছে কি না, তা তদারকি করা হচ্ছে। প্রমাণসহ অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

মাছের বাজারে সরেজমিনে দেখা গেছে, পাঙ্গাস ২৫০-৩০০, নাইলোটিকা ২৮০-৩২০, লইট্টা ২৮০-৩০০, রুই ৪৫০-৫৫০, কাতলা ৫০০-৬০০ এবং ইলিশ ১ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। এ ছাড়া পোয়া ৫০০, কোরাল ১ হাজার, পাবদা ৫০০-৫৫০, পুঁটি ৩০০, দেশি কই ১ হাজার ৬০০, শিং ৮০০-১ হাজার, শোল ৮০০-১ হাজার, লাক্ষা ১ হাজার ২০০, ছুরি ৩৫০, মাইট্টা ৫০০-৬০০ ও মলা ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।

রেয়াজউদ্দিন বাজারের মাছ ব্যবসায়ী রুপেন দাস বলেন, সমুদ্রে মাছ ধরা বন্ধ থাকায় সরবরাহ কমেছে। পরিবহন ও বরফের খরচও বেড়েছে। আগে দিনে দুই মণ মাছ বিক্রি হলেও এখন বিক্রি হচ্ছে প্রায় ২০ কেজি।
এদিকে মুরগির মধ্যে ব্রয়লার ১৮০, সোনালি ৩৫০, পাকিস্তানি কক ৪০০, দেশি সোনালি ৪৫০, লেয়ার ৩৫০, দেশি মুরগি ৬০০-৮০০, হাঁস ৮৫০ ও বেলজিয়াম হাঁস ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। গরুর হাড়যুক্ত মাংস ৭৫০, হাড়হীন ৯৫০, খাসি ১ হাজার ২০০, ছাগল ১ হাজার ১৫০ এবং ভেড়ার মাংস ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি। ফার্মের লাল ডিমের ডজন ১৫৫, সাদা ডিম ১৪৫, দেশি ডিম ২০০ ও হাঁসের ডিম ২৪০ টাকা।

সবজির বাজারগুলোতে দেখা যায়, আলু, মিষ্টিকুমড়া ও পেঁপের মতো কিছু সবজি তুলনামূলক কম দামে পাওয়া গেলেও বরবটি, বেগুন, ঝিঙে, ঢেঁড়স ও পটল বিক্রি হয়েছে কেজিপ্রতি ১০০-১৪০ টাকায়। টমেটোর দাম বেড়ে হয়েছে ১৮০-২৬০ টাকা, শিম ২৪০-২৬০ টাকা। ধনেপাতা ২০০-২৫০, পুদিনাপাতা ৩৫০-৪০০, গাজর ১২০-১৬০ এবং কাঁচা মরিচ ১৪০-২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।

বকশিরহাটে বাজার করতে আসা এক শিক্ষিকা বলেন, একই টাকায় এখন আর পরিবারের প্রয়োজনীয় সবজি কেনা যাচ্ছে না। বাসাভাড়া, বিদ্যুৎ বিল, যাতায়াত ও সন্তানদের পড়াশোনার খরচের পাশাপাশি বাজারের বাড়তি ব্যয় সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছে।
ব্যবসায়ী মো. রুবেল বলেন, পাইকারি দাম, পরিবহন ও শ্রমিকের খরচ বেড়েছে। সরবরাহ কম থাকায় কিছু সবজির দাম বেশি। এতে ক্রেতারা কম কিনছেন, বিক্রিও কমেছে।
অন্যদিকে সরু চাল ৭৫-৯৫, মাঝারি চাল ৬৩-৭৫ এবং মোটা চাল ৫০-৫৬ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। চিনিগুঁড়া খোলা চাল ১৫০-১৭০ এবং প্যাকেটজাত চাল ২২০-২৩০ টাকা। সপ্তাহের ব্যবধানে চালের দাম কেজিতে ২-৩ টাকা বেড়েছে।

খোলা আটা ৪৮-৫০, প্যাকেটজাত আটা ৬৮-৭০, খোলা ময়দা ৬২-৬৫ ও প্যাকেটজাত ময়দা ৮০-৮৫ টাকা কেজি। আমদানিকৃত মসুর ডাল ৮৫-৯০, দেশি আস্ত মসুর ১৬০-১৬৫, দেশি ছোট মুগ ১৬৫-১৭০, আমদানিকৃত মুগ ১৪৫-১৫০, ছোলা ১১৫-১২০, খেসারি ৭৫-৮৫ এবং কলাই ডাল ১৫০-১৫২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। বেসনের দাম ৮০-১৬০ টাকা।
খোলা সয়াবিন তেল ১৮৯-১৯০, পাম তেল ১৬৫-১৬৮ এবং দেশি সরিষার তেল ২৩০-২৬০ টাকা। আমদানিকৃত চিনি ১০৫-১১০, লাল চিনি ১৩০, প্যাকেটজাত লবণ ৩৬-৪২ ও খোলা লবণ ২২-২৪ টাকা কেজি। দেশি পেঁয়াজ ৫০-৫৫, আমদানিকৃত রসুন ১৪০-১৬০, আদা ১৪০-১৫০, দেশি হলুদ ২২০-২৪০ এবং শুকনা মরিচ ২৫০-৪২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।

ফলের দোকানগুলোতে দেখা যায়, মাল্টায় ৪০ টাকা ছাড়ে দাম ৫০৫ টাকা, লাল আঙুরে ৫০ টাকা ছাড়ে ৫০৯ টাকা এবং অস্ট্রেলিয়ান গালা আপেলে ৪০ টাকা ছাড়ে ৪২৯ টাকা। কাঁচা মরিচে ১০ টাকা ছাড়ে ১২০ টাকা, গাজরে ১৫ টাকা ছাড়ে ১৪০ টাকা এবং চীনা রসুনে ১০ টাকা ছাড়ে ১৬০ টাকা।

এছাড়া হলুদ ও ধনিয়ার গুঁড়ায় ৪০ টাকা করে ছাড়ে দাম যথাক্রমে ৩৪০ ও ৩১০ টাকা। খেসারির ডালে ২১ টাকা ছাড়ে ৯৯ টাকা। পাঁচ লিটার স্টারশিপ ফোর্টিফায়েড সয়াবিন তেলে ২০ টাকা ছাড়ে দাম ৯৮০ টাকা। প্রাণ মিনিকেট চালের পাঁচ কেজির প্যাকে ২০ টাকা, পুষ্টি চিনিগুঁড়া চালে প্রতি কেজিতে ১৫ টাকা, প্রাণ ন্যাচারাল ফাইবার আটা ও পুষ্টি সাধারণ আটায় প্রতি কেজিতে ১০ টাকা এবং পুষ্টি মসুর ডালে ১৫ টাকা ছাড় রয়েছে। অন্যদিকে মার্কস ফুল ক্রিম গুঁড়া দুধে ৩০ টাকা, হ্যাপি কাউ ইনস্ট্যান্ট দুধে ২০ টাকা এবং ফার্মল্যান্ড ফুল ক্রিম দুধে ২৫ টাকা ছাড় দেওয়া হচ্ছে। সিলন ফ্যামিলি ব্লেন্ড অ্যারোমা ব্ল্যাক টির ৫০০, ৪০০ ও ২০০ গ্রামের প্যাকে যথাক্রমে ৫০, ৪০ ও ২০ টাকা ছাড় রয়েছে।

শুন ফ্যাট ক্রিম ক্র্যাকার্স স্পেশাল বিস্কুটের ৪০০ গ্রামে ১৪০ টাকা ও ২৮০ গ্রামে ১০০ টাকা ছাড়। কান্ট্রি ন্যাচারাল স্পাইসি চিকেন নাগেটসের ২৫০ গ্রামে ২৪ টাকা এবং ডুডলস ৩ এক্স স্পাইসি কোরিয়ান রামেন নুডলসের আট প্যাকে ৩০ টাকা ছাড় রয়েছে। রাজা দেশি ক্লাসিক পরোটার ১,৩০০ গ্রামের ২০ পিসে ৫০ টাকা, রোজা বাটারফ্লাই চিংড়ির ১০–১২ পিসে ২৫ টাকা এবং সাফোলা মধুর ২৫০ ও ৫০০ গ্রামের প্যাকে ৩৫ টাকা করে ছাড় দেওয়া হচ্ছে।

সাইক্লিং শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখতে ভূমিকা রাখে: অর্থমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সাইক্লিং পরিবেশবান্ধব এবং শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর সড়কের (ভিআইপি রোড) উন্নয়ন ও দেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, নাগরিকদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে নিরাপদ সাইকেল ট্র্যাক, হাঁটার পথ ও উন্মুক্ত পরিসর তৈরি করা সরকারের দায়িত্বের অংশ। বিশ্বের অনেক দেশে মানুষ সাইকেলে করে কর্মস্থলে যাতায়াত করেন।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রাম নগরীতে সাইকেল চালানো ও হাঁটার সুযোগ বাড়াতে সিটি করপোরেশনের মেয়র যে উদ্যোগ নিয়েছেন, তা প্রশংসনীয়। বিমানবন্দর সড়কের সাইকেল ট্র্যাকটি কেবল শুরু। পর্যায়ক্রমে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় আরও সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, নাগরিকদের জন্য হাঁটার জায়গা, সাইকেল চালানোর পথ ও উন্মুক্ত পরিসর তৈরি করা কোনো বিলাসিতা নয়; বরং এগুলো দৈনন্দিন জীবনের মৌলিক চাহিদার অংশ। মানুষকে ঘরের মধ্যে বন্দি রেখে সুস্থ ও সুন্দর জীবন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। তাই নগরীর খালের দুই পাড়সহ উপযুক্ত জায়গায় হাঁটার পথ নির্মাণের উদ্যোগ নিতে হবে। এ ধরনের নাগরিক সুবিধা সম্প্রসারণে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যদেরও নিজ নিজ এলাকায় উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান এবং চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম ওয়াসার চেয়ারম্যান ইদ্রিস মিয়া, ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মোহাম্মদ জানে আলম, চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন শামীম মোহাম্মদ খান, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী আশিকুল ইসলাম, সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা, সাইক্লিস্ট ও রাজনৈতিক নেতারা।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ