বাংলাদেশকে একটি স্বচ্ছল,শান্তিময়, সংঘাতহীন,মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের বুকে কবুল করে নেওয়ার প্রার্থনা করেছেন হযরত সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভান্ডারী (মাঃ)—

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র জুমাবার বাদ জুমা মাইজভান্ডার শরীফ গাউসিয়া হক মনজিল এর কেন্দ্রীয় মিলাদ কিয়াম শেষে বাংলাদেশকে একটি স্বচ্ছল,শান্তিময়, সংঘাতহীন,মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের বুকে কবুল করে নেওয়ার জন্য আল্লাহ সুবহানাহুতাআলার দরবারে ফরিয়াদ জানান গাউসুল আজম হযরত সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভান্ডারী (কঃ)-র প্র-প্রপৌত্র, গাউসিয়া হক মনজিল এর সম্মানিত সাজ্জাদানশীন রাহবারে আলম হযরত সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভান্ডারী (মাঃ)।

তিনি বিশ্বের সমস্ত মজলুমের মুক্তি ও শান্তি কামনা করেন।
তিনি তাঁর মুনাজাতে বলেন, হুজুর গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারী (কঃ)-র ত্বরীকার আদর্শ, শিক্ষা দর্শন, শান,আজমত এবং বিশ্বজনীন-সার্বজনীন যে ইসলাম, সনাতন যে ইসলাম, মৌলিক যে ইসলাম, যে ইসলাম বিশ্বের কল্যাণের জন্য এসেছে, বিশ্বের শান্তি স্থাপনের জন্য এসেছে, ন্যায়বিচার স্থাপনের জন্য এসেছে, বিশ্বের প্রতিটি মানব সন্তানের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য এসেছে-যেই শিক্ষা আমরা গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারী (কঃ)-র ত্বরীকার মধ্যে পেয়েছি। সেই শিক্ষা যাতে আমরা দিকে দিকে পৌঁছে দিতে পারি,সেই তৌফিক কামনা করে মহান আল্লাহ্-র দরবারে ফরিয়াদ করেন

তিনি মাইজভান্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ-এর সকল খেদমতকে কবুল করার জন্য, গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারী (কঃ)-র ত্বরীকতের দাওয়াত যাতে দিকে দিকে পৌঁছে দিতে পারে সেই রুহানী কুরবত মাইজভান্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি-বাংলাদেশ এর সকল সদস্য-কে দান করার জন্য আল্লাহ সুবহানাহুতাআলার দরবারে ফরিয়াদ জানান।

তিনি বাংলাদেশের উপর রহমত বর্ষণ করার আকুল আবেদন জানান। তিনি বাংলাদেশের উন্নয়নের সুযোগে এক শ্রেণির সুযোগ সন্ধানী যে বেপরোয়া দুনীতি তে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে তাদেরকে হেদায়েত দান করার জন্য এবং এই অবস্থা থেকে বাংলাদেশ কে পরিত্রাণ দান করার জন্য এবং এই অবস্থা মোকাবেলা করার জন্য, দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চেষ্টাকে কবুল করার জন্য,দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার তাঁর চেষ্টা কে কামিয়াবী দান করার জন্য আল্লাহ সুবহানাহুতাআলার দরবারে ফরিয়াদ জানান।

তিনি সাধারণ মানুষের কষ্টের অর্থ যে কিছু মানুষ লুঠ করে নিয়ে অপচয় করছে, এ-ই ধরনের অবস্থা হতে বাংলাদেশকে হেফাজত করার জন্য, বাংলাদেশকে একটি স্বচ্ছল,শান্তিময়, সংঘাতহীন,মর্যাদাপূর্ণ একটি রাষ্ট্র হিসেবে এই বিশ্বের বুকে কবুল করার জন্য এবং এর পথে যে বাধাগুলো রয়েছে, সেই বাধাগুলো দূরীভূত করে দেয়ার জন্য আল্লাহ সুবহানাহুতাআলার দরবারে
ফরিয়াদ জানান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বাংলাদেশ গীতা শিক্ষা কমিটি (বাগীশিক) ভূজপুর ইউনিয়ন সংসদের অভিষেক সম্পন্ন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সত্যনিষ্ঠ আদর্শ মানব জীবন গঠনে গীতা শিক্ষার বিকল্প নেই। আদর্শ সমাজ বিনির্মাণে বাংলাদেশ গীতা শিক্ষা কমিটি (বাগীশিক)’র গীতা ও নৈতিক শিক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি আর্তমানবতার সেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। মন্দির ভিত্তিক বিবাহ, ধর্মান্তরন রোধ, বাল্য বিবাহ, অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের মোবাইল ব্যবহার ও অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পরছে কিনা সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে সকল অভিভাবকের দ্বায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন।

গত ৩১ জুলাই ২০২৬খ্রি. শুক্রবার ভূজপুর কেন্দ্রীয় সার্বজনীন শ্রীশ্রী হরি, দূর্গা, কালী ও গীতা মন্দিরে বাগীশিক ভূজপুর ইউনিয়ন সংসদের অভিষেক অনুষ্ঠানে আগত অতিথিবৃন্দ বক্তব্যে উপরোক্ত কথা গুলো বলেন।
সংগঠনের সভাপতি অসিম মহাজন’র সভাপতিত্বে, সাধারণ সম্পাদক রাজিব বনিক’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুভ উদ্ভোধন করেন শ্রী রনজিৎ পাল। মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে আশীর্বাণী প্রদান করেন শ্রীমৎ সিদ্ধ রসিক ব্রহ্মচারী ও শ্রীমৎ উজ্জ্বল ব্রহ্মচারী। প্রধান অতিথি ছিলেন বাগীশিক চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সংসদের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক রাজীব বিশ্বাস। প্রধান বক্তা ছিলেন বাগীশিক চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সংসদের সাধারণ সম্পাদক লায়ন বাসু চৌধুরী। মহান অতিথি ছিলেন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এইচ এম শাহজাহান চৌধুরী (শিপন) ৪নং ভূজপুর ইউনিয়ন পরিষদ। আলোকিত অতিথি ছিলেন এড. উত্তম কুমার মহাজন, আয়কর উপদেষ্টা টিটু কুমার দে, লিংকন চক্রবর্তী, রাসকিন চৌধুরী, প্রিয়াশীষ চক্রবর্তী।

শপথ বাক্য পাঠ করেন বাগীশিক ফটিকছড়ি উপজেলা সংসদের সভাপতি মাষ্টার মানস চক্রবর্তী। বিশেষ অতিথি ছিলেন মাষ্টার সন্তোষ কুমার শীল, রনজিৎ কুমার শীল, এড. জনি কান্তি দে, আদিত্য দাশ সৈকত, রাসেল দে, আকাশ চৌধুরী নান্টু, বিজয় মজুমদার, সুভাষ দেব, মাষ্টার দেবাশীষ দেব। বক্তব্য রাখেন টিটু মহাজন, প্রবীর আচার্য্য, সুজন কান্তি দে, ছোটন শীল, রুপসী বনিক অন্তরা, মুন্নী দেবী প্রমূখ। এতে আরো বক্তব্য রাখেন সংগঠনের উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন সংসদ, ভূজপুর পূজা উদযাপন পরিষদ, জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ’র নেতৃবৃন্দ।

মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পর্ষদ ঘোষিত ফটিকছড়ি খ জোনের সাংগঠনিক সংলাপ অনুষ্ঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দীয় পর্ষদ ঘোষিত সাংগঠনিক সংলাপের অংশ হিসাবে ফটিকছড়ি উপজেলা (খ) জোনের আওতাধীন শাখা কমিটি সমূহের সাথে বারৈয়ারহাটস্থ একটি কমিউনিটি সেন্টারে গত ৩১ জুলাই ২০২৬খ্রি. শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয়। (খ) জোনের সাংগঠনিক সমন্বয়কারী মাহাবুবুল আলম সওদাগর এর সভাপতিত্বে মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ’র পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দীয় পর্ষদ এর সভাপতি রেজাউল আলী জসিম চৌধুরী।

এতে উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি সৈয়দ ফরিদ উদ্দীন, সাধারন সম্পাদক দিদারুল আলম, কেন্দীয় সদস্য শেখ মজিবুর রহমান, শাহেদ আলী চৌধুরী, সামসুল আলম, কাজী নেজামুল ইসলাম, এস,এম,মোরশেদুল আমিন, জয়নাল আবেদীন জুলু, কাজী হারেছ, আবুল হাসেম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন (খ) জোনের সমন্বয়কারী আহমদ হোসেন। আরো উপস্থিত ছিলেন মাস্টার নাসির উদ্দীন, আখতারুজ্জামান বাবর, মাস্টার আজিম উদ্দীন, আলমগীর আলম, মাস্টার দিদারুল আলম, আলাউদ্দিন, নুরুল হুদা প্রমূখ।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ