বহিবিশ্ব:

বিশ্বকাপ ফাইনাল নিয়ে যা কিছু জানা থাকা প্রয়োজন

স্পোর্টস নিউজ ডেস্ক:

জাতীয়:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিশ্বকাপ ফাইনাল নিয়ে যা কিছু জানা থাকা প্রয়োজন

নতুন চ্যাম্পিয়ন পাবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নাকি ফিরে আসবে প্রথম আসরের চ্যাম্পিয়নরা? আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরই এই প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবে ক্রিকেটবিশ্ব। প্রথম বিশ্বকাপ শিরোপার সুবাস নিয়ে মাঠে নামবে দক্ষিণ আফ্রিকা, ১৭ বছরের খরা ঘোচানোর স্বপ্নে লড়াইয়ে সামবে ভারত। বারবাডোজের এই মহারণ ঘিরে যা কিছু প্রশ্ন কিংবা কৌতূহল জাগতে পারে আপনার, সেসবের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করা হয়েছে এখানে।

ফাইনালের মঞ্চে প্রথমবার

ওয়ানডে আর টি-টোয়েন্টি মিলিয়েই প্রথমবার বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। তাই বলার অপেক্ষা রাখে না, ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে প্রথমবার।

সেমি-ফাইনালে এই দুই দলের লড়াই হয়েছিল একবারই। ২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেই ম্যাচে মিরপুরে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৬ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছিল ভারত।

সেরা দুই দলই কি ফাইনালে

কোনো টুর্নামেন্টের ফাইনালে ওঠা দুই দলকে সেরা দুটি দল বলতেই হয়। এবার ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার ক্ষেত্রে তা আরও বেশি সত্যি। দুই দলই গ্রুপের সেরা হয়েছে, সুপার এইটের সেরা হয়েছে এবং অপরাজিত থেকে ফাইনালে উঠেছে। টানা আট জয়ে শিরোপার মঞ্চে এসেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ভারতের জয় একটি কম, কারণ কানাডার সঙ্গে তাদের ম্যাচটি ভেস্তে গিয়েছিল বৃষ্টিতে।

ফাইনালে যে দলই জিতবে, ইতিহাস গড়া হবেই। এই প্রথম অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন দেখবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ।

দক্ষিণ আফ্রিকার ঐতিহাসিক মুহূর্ত

দক্ষিণ আফ্রিকার সুদীর্ঘ ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ম্যাচ সম্ভবত এটিই। প্রথমবার তারা বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলবে। ১৯৯৮ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে চ্যাম্পিয়ন হওয়া ছাড়া আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আর কোনো আইসিসি আসরের ফাইনালে তারা উঠতে পারেনি।

ওয়ানডে বিশ্বকাপে তারা পাঁচবার সেমি-ফাইনালে খেলেছে (১৯৯২, ১৯৯৯, ২০০৭, ২০১৫, ২০২৩), টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এবারের আগে খেলেছে দুই দফায় (২০০৯, ২০১৪)। কিন্তু প্রথমবার শিরোপার এতটা কাছে তারা যেতে পেরেছে এবার।

ভারত যে কারণে মরিয়া

প্রথমবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পর এই শিরোপা বারবারই হাতছানি দিয়ে মিলিয়ে গেছে ভারতের সামনে থেকে। দেশের মাঠ ২০১১ ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ের পর দুই সংস্করণের কোনো বিশ্বকাপ শিরোপার স্বাদ আর পায়নি তারা। এমনকি ইংল্যান্ডে ২০১৩ আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ের পর সিনিয়র ক্রিকেটে আর কোনো আইসিসি ট্রফিই তারা জিততে পারেনি।

অথচ বৈশ্বিক আসরগুলোয় বরাবরই দারুণ ধারাবাহিক তারা। ট্রফি খরার এই ১১ বছরে ২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলেছে তারা, এই সংস্করণের সেমি-ফাইনালে খেলেছে ২০১৬ ও ২০২২ আসরেও। ২০১৫ ও ২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনাল পর্যন্ত গিয়েছে তারা। গত বছর দেশের মাঠে ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালে হৃদয়ভাঙা হারের যন্ত্রণা তাদের সইতে হয়েছে। আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দুই আসরে দুবারই ফাইনালে উঠে তারা হেরে গেছে, ২০২১ সালে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে, গত বছর অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে।

তাদের জন্য এবার আরেকটি সুযোগ, দীর্ঘ এই ট্রফি খরা ঘুচিয়ে যন্ত্রণা উপশম করার।

ক্যারিবিয়ায় আগের ফাইনাল

ওয়েস্ট ইন্ডিজে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিশ্বকাপের ফাইনাল। আগেরবার ২০১০ আসরের ফাইনালও হয়েছিল বারবাডোজের কেনসিংটন ওভালে। অস্ট্রেলিয়াকে ৭ উইকেটে হারিয়ে প্রথমবার বৈশ্বিক শিরোপার স্বাদ পেয়েছিল ইংল্যান্ড।

মাঠ, পিচ আর কন্ডিশন

এবারের আসরে এই মাঠে এটি হবে নবম ম্যাচ। প্রথম ম্যাচে নামিবিয়া ও ওমানের লড়াই গড়িয়েছিল সুপার ওভারে, পরের ম্যাচটি ভেসে যায় বৃষ্টিতে। বাকি ছয় ম্যাচের কোনোটিতে সেভাবে লড়াই জমেনি।

প্রথম চারটি পূর্ণ ম্যাচের তিনটিতেই আগে ব্যাট করা দল জিতে যায়। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে স্কটল্যান্ড ১০ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৯০ করার পর ম্যাচ ভেসে যায় বৃষ্টিতে। সবশেষ দুই ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রকে অল্প রানে আটকে সহজেই জিতে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ইংল্যান্ড।

এবারের আসরে এখানে খেলার সুযোগ পায়নি দক্ষিণ আফ্রিকা। ভারত একটি ম্যাচ খেলেছে সুপার এইটে। আফগানিস্তানকে তারা ৪৭ রানে হারায় সেই ম্যাচে।

ক্যারিবিয়ার অনেক মাঠে বাতাস বড় ভূমিকা রাখে। তবে এখানে বাতাসের প্রভাব ততটা তীব্র থাকবে না।

আবহাওয়ার পূর্বাভাস

ভারত-ইংল্যান্ডের সেমি-ফাইনালে বৃষ্টি হানা দিয়েছিল দুই দফায়। ফাইনালেও কিছুটা শঙ্কা আছে বৃষ্টির। স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হবে ফাইনাল। এ দিন ভোর চারটা থেকে সকাল ৯টার মধ্যে ৫০ শতাংশ শঙ্কা আছে বৃষ্টির। টসের সময়টায় (১০টা) সেই শঙ্কার হার ৩০ শতাংশ। দুপুর একটা নাগাদ আবার তা বেড়ে হয়ে যাচ্ছে ৫০ শতাংশ।

এ দিনই ম্যাচ শেষ করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে। এজন্য বাড়তি ১৯০ মিনিট সময় বরাদ্দ করা আছে। যদিও টি-টোয়েন্টি ম্যাচ জয়-পরাজয় নির্ধারণ করতে ৫ ওভার করে খেলা হতে হয়। তবে আইসিসি টুর্নামেন্টের সেমি-ফাইনাল ও ফাইনালের ক্ষেত্রে খেলা হতে হয় অন্তত ১০ ওভার করে।

রিজার্ভ ডে

ফাইনালের জন্য রিভার্জ ডে আছে। শনিবার ১০ ওভার করে খেলা শেষ করা না গেলে ম্যাচ গড়াবে পরের দিনে। টস বা ম্যাচ নতুন করে হবে না। যেখানে খেলা থেমেছিল, নতুন দিনে শুরু হবে সেখান থেকেই।

প্রথম দিনের মতো পরের দিনও খেলা শুরুর সময় সকাল সাড়ে ১০টা।

দুই দিনেও যদি খেলা শেষ না হয়

রিজার্ভ ডে মিলিয়েও যদি খেলা শেষ করা সম্ভব না হয়, তাহলে দুই দলকেই যৌথভাবে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ক্রিকেট সিক্সেস টুর্নামেন্ট ১৫ রানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন চিটাগাং ক্লাব ব্লু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে প্রথমবারের মতো আয়োজিত আন্তঃক্লাব ক্রিকেট সিক্সেস টুর্নামেন্টে শিরোপা জিতেছে চিটাগাং ক্লাবের ব্লু দল। ফাইনালে বালিসেরা ভ্যালি ক্লাবকে ১৫ রানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় দলটি।চিটাগাং ক্লাব লিমিটেডের (সিসিএল) আয়োজনে দুই দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।গত শুক্রবার রাতে চিটাগাং ক্লাব অডিটরিয়ামে টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণ করা হয়। ক্লাবের চেয়ারম্যান শোভন এম শাহাবুদ্দিন রাজ বিজয়ী দলের হাতে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি তুলে দেন।অনুষ্ঠানে ক্লাবের কার্যকরী কমিটির সদস্য ও ক্রিকেট বিভাগের মেম্বার ইনচার্জ ডা. ফাহিম হাসান রেজা স্বাগত বক্তব্য দেন। টুর্নামেন্ট সাবকমিটির পক্ষে বক্তব্য দেন মঞ্জুরুল হক মঞ্জু ও চৌধুরী এম মাহতাবউদ্দিন হুমায়ুন।
চ্যাম্পিয়ন দলের নেতৃত্ব দেন ফয়সাল দস্তগীর। দলের অন্য খেলোয়াড়েরা হলেন, ইবনুল হায়দার রিপন, রিয়াদ মোহাম্মদ মোস্তাফা, মো. কায়সার পারভেজ চৌধুরী, শাহেদ শাকিল, জাবেদ ইউসুফ, ওয়ালী আফনান, রিয়াদ আশরাফ, ওমর খলিল ও আহসানুল আবেদীন চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে ক্লাবের ভাইস চেয়ারম্যান মো. সৈয়দুল আনোয়ার ফরহাদ, জেনারেল কমিটির সদস্য জাবেদ হাশেম নান্নু, দিলদার আহমেদ দিলু, মোহাম্মদ সরওয়ার হাসান টিটু, মোহাম্মদ কামরুজ্জামান লিটন, মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম ও শেখ হাছান জামানসহ এবং ইন্টার ক্লাব ক্রিকেট টুর্নামেন্ট সাব কমিটির মঞ্জুরুল হক মঞ্জু, মো. শাহ একরাম, রিয়াদ মাহমুদ চৌধুরী, আহসানুল আবেদীন চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার ফজলে রাব্বি খান সাজ্জাদ, ফজলে আহসান খান, ফজলে বারী খান, ইবুনল হায়দার রিপন, আবুল হাশেম রাজা প্রমুখ কর্মকর্তাবৃন্দ সহ অংশগ্রহণকারী ক্লাব ও টিম সমূহের খেলোয়াড়বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নতুন দায়িত্বে দুবাই কনস্যুলেটের আশফাক হোসেইন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

*পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নতুন দায়িত্বে দুবাই কনস্যুলেটের আশফাক হোসেইন সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে নিযুক্ত বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের সাবেক সফল কাউন্সেলর মুহাম্মদ আশফাক হোসেইন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে যোগদান করেছেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সাম্প্রতিক অফিস আদেশে তাকে ‘পরিচালক (পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দপ্তর)’ পদে পদায়ন করা হয়েছে। পাশাপাশি তিনি ‘পরিচালক (অভিবাসন ও অনিবাসী বাংলাদেশি বিষয়ক অনুবিভাগ)’ এবং ‘পরিচালক (আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিষয়ক অনুবিভাগ)’ হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করবেন।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) নিজের কর্মকালীন মেয়াদে প্রবাসীদের কল্যাণ এবং কনস্যুলার সেবার মান উন্নয়নে মুহাম্মদ আশফাক হোসেইন অত্যন্ত প্রশংসনীয় ও দূরদর্শী ভূমিকা পালন করেছেন।

দুবাইয়ে দায়িত্ব পালনকালে তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের সার্বিক সহায়তায় সর্বদা তৎপর ছিলেন। কনস্যুলেটের সার্বিক অবকাঠামোগত উন্নয়ন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা এবং সেবা প্রদান প্রক্রিয়ায় একটি আধুনিক ও সুশৃঙ্খল সিস্টেম গড়ে তুলতে তিনি নিরলস চেষ্টা চালিয়েছেন। তার এই সংস্কারমুখী উদ্যোগের ফলে প্রবাসীরা অত্যন্ত সহজে ও দ্রুততম সময়ে সেবা পেতে শুরু করেন, যা কনস্যুলেটের সার্বিক ভাবমূর্তি অনেকাংশে উজ্জ্বল করেছে।

দুবাই কনস্যুলেটে তার সফল মেয়াদ শেষ করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একাধারে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পদে যোগদানে সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রবাসী বাংলাদেশি সম্প্রদায়, ব্যবসায়ী নেতা ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে তাকে আন্তরিক অভিনন্দন ও উষ্ণ শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।

প্রবাসীরা আশা প্রকাশ করেন, দুবাইয়ে অর্জিত তার অভিজ্ঞতা এবং পেশাদারিত্ব পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নতুন এই দায়িত্ব বাস্তবায়নে বড় ভূমিকা রাখবে। অভিবাসন, আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা এবং প্রবাসীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে তার দূরদর্শী নেতৃত্ব দেশের কূটনৈতিক ও প্রবাসীবান্ধব পদক্ষেপে নতুন গতি সঞ্চার করবে।

মুহাম্মদ আশফাক হোসেইনের এই নতুন সাফল্য ও উত্তরোত্তর উন্নতি কামনা করছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ