আজঃ শনিবার ২১ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রাম জেলা:

ফটিকছড়ি বখতপুরের ক্যান্সার আক্রান্ত এক শিক্ষকের মেয়ের বাঁচার আকুতি

মাসুদুল ইসলাম মাসুদ ফটিকছড়ি প্রতিনিধি:

ফটিকছড়ি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ছোট্ট ইনায়াতের জন্য বাঁচতে চান ক্যানসারে আক্রান্ত মা নুসরাত জাহান। ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীর নাম নুসরাত জাহান, বয়স ৩১,  পিতা : মরহুম আবুল কামাল (মাস্টার), মাতা : মরহুম খুরশিদা বেগম। বখতপুর ,শান্তিরহাট, ওয়ার্ড নং : ০৩, থানা : ফটিকছড়ি,চট্টগ্রাম পিতা ছিলেন একজন শিক্ষক। কালাম মাস্টার নামে পরিচিত। নুসরাত জাহান তারই মেয়ে। নুসরাতের কোল জুড়ে আছে একটি ফুটফুটে সন্তান। ২২ মাস বয়সী সন্তানের নাম ইনায়েত হাসান। বাবা মা সখ করে বাবার নামের সাথে মিল রেখে নাম রেখেছে ইনায়েত হাসান। ইনায়েতের বাবার নাম রাকিব হাসান। বাবা রাকিব হাসান আজ বড়ই অসহায়। জীবনের অর্ধাঙ্গিনী চোখের সামনে আস্তে আস্তে চলে যাচ্ছে এক গভীর অনিশ্চয়তার দিকে। চোখে মুখে অন্ধকার দেখতেছেন নুসরাতের স্বামী রাকিব। গভীর ভালবাসার মানুষ আস্তে আস্তে জীবনের বাঁধন করে ফেলতেছে একটু একটু আলগা। চোখের সামনে এক পা করে করে চলে যাচ্ছে তাকে একা করার পথে। নুসরাতের স্বামী রাকিব হাসান জানান, ১১ মাস আগে ডেঙ্গু জ্বর সন্দেহে রক্ত পরীক্ষা করান নুসরাত জাহানকে। সে সময় অন্যান্য পরীক্ষায় তাঁর শরীরে ধরা পরে ব্লাড ক্যানসার। এর পর থেকেই তাঁর চিকিৎসায় সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করেছেন স্বামী মোহাম্মদ রকিব হাসান। তিনি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন। পরিবার নিয়ে থাকেন চট্টগ্রাম শহরে। রকিব হাসান বলেন, এখন পর্যন্ত সবটুকু সম্বল দিয়ে স্ত্রীর চিকিৎসা চালিয়েছেন তিনি। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, নুসরাত কে  সুস্থ হতে বোনম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্টেশন (বিএমটি) বা স্টেম সেল প্রতিস্থাপন করতে হবে, যার আনুমানিক খরচ ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকা। এই চিকিৎসা ব্যয় বহন করা তাঁদের পক্ষে সম্ভব নয়। এ অবস্থায় স্ত্রীকে সুস্থ করার জন্য সবার কাছে সাহায্যের জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

এদিকে, ক্যান্সার আক্রান্ত নুসরাত বলেন আমার বাপের বাড়ি ফটিকছড়ি। আমার জন্ম ফটিকছড়ি। আমি জানি আমার ফটিকছড়ির  মানুষ খুব মানবিক। মানবিক কাজ করে ফটিকছড়ির অনেক অসুস্থ মানুষ সুস্থতার পথে ফিরে এনেছেন আল্লাহর দয়ায়। আমি আমার ফটিকছড়ির সকল স্তররের মানবিক সংগঠন, মানবিক টিম, মানবিক হৃদয়ের মানুষ সকলের কাছে সাহায্যের আবেদন করছি। আমি আমার জন্য না, আমি বাঁচতে চাই আমার কলিজার টুকরা ইনায়াত এর জন্য তার বাবার জন্য।  আমি তাদের অনেক ভালবাসি। দয়া করে আমার স্বামী সন্তানের কাছে থাকতে দেন।

আমার সন্তানের জন্য আমাকে বাঁচান।  নুসরাতের এই আকুতি শুনে হৃদয় টা ভেঙ্গে চুরমার হয়ে গিয়েছিল। আসলেই পৃথিবীর বড়ই নিষ্ঠুরতম। তা নাহলে কেন বাই এমন হয় নুসরাতদের সাথে।
মাকে দেখলেই চোখে-মুখে উচ্ছ্বাস ভেসে ওঠে ২২ মাস বয়সী শিশু ইনায়াত হাসানের। মা দেখলেই বাবার কোল  থেকে ঝাঁপ দিয়ে পড়তে চায় মায়ের কোলে কিন্তু শারীরিক অসুস্থতার কারণে ছেলেকে খুব বেশি কাছে পাওয়া হয় না নুসরাতের। প্রায় সময় পরে থাকতে হয় হাসপাতালের বিছানায়। মা কেন হাসপাতালের শয্যায়, সেটি বোঝারও বয়স  এখনো হয়নি ইনায়াতের।
ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত গৃহবধূ নুসরাত জাহান (৩১)। এর মধ্যে সন্তানের চেহারা দেখেই কিছুটা ভালো থাকার চেষ্টা করলেও যখন মনে পরে তার চিকিৎসার জন্য তো অনেক টাকার প্রয়োজন তখন বাঁচার স্বপ্ন হারিয়ে পেলে। এই ছোট্ট ইনায়াতের জন্য বাঁচতে চান নুসরাত। আসুননা আমরা সবাই আমাদের এক দিনের নাস্তার খরচটা নুসরাতের চিকিৎসার জন্য তার স্বামীর হাতে তুলে দি। তার স্বামী বলেন, মাসুদ ভাই আজ আমি অসহায়। ভাই আমার স্ত্রীর জন্য একটু সাহায্যের বাড়াতে বলেন সবাইকে।  আমি দুনিয়ার কিছু চাইনা শুধু আমার স্ত্রী কে চাই। কেন আমি তাকে এত ভালবাসলাম, কেন এত কাছে টেনে নিলাম। কেনই বা আমাকে ছেড়ে চলে যেতে চাচ্ছে। আমার স্ত্রীর জন্য আপনারা এগিয়ে আসুন। আমি আপনাদের একজন অসহায় ভাই , এক অসহায় বোনের জন্য সাহায্য চাচ্ছি। নুসরাত কে সাহায্যের জন্য বা যোগাযোগের জন্য
*যোগাযোগের ঠিকানা :*
নাম : মোহাম্মদ রকিব হাসান
ঠিকানা : গরিব উল্লাহ হাউসিং সোসাইটি, চট্টগ্রাম
বিকাশ/নগদ : *+8801911952486*
[email protected]
Bank Name: Dutch Bangla bank Limited
Branch: 129-O. R. Nizam Road Branch, Chattogram, Bangladesh
Account Name: Mohammad Rokib Hasan
Account No: 1291510002627
Routing No: 090151480
সাহায্য পাঠানোর জন্য যোগাযোগ করা যাবে রকিব হাসানের মুঠোফোন (০১৯১১৯৫২৪৮৬) নম্বরে। একই নম্বরে বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে পাঠানো যাবে সাহায্য। এ ছাড়া ডাচ্‌–বাংলা ব্যাংক ও আর নিজাম রোড শাখার হিসাব (১২৯১৫১০০০২৬২৭) নম্বরেও পাঠানো যাবে আর্থিক সহায়তা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কুতুবদিয়ায় ঈদ উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কক্সবাজারের কুতুবদিয়া দ্বীপে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন করেন স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ। ২০ মার্চ, বিকালে জনসাধারণ নিয়ে উদ্বোধন করেন। এ উদ্যোগে স্থানীয় পর্যটন শিল্পে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সমুদ্র উপকূলে পর্যটকদের জন্য নতুন এই বিনোদন সুবিধা চালুর প্রশংসা করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউপি সদস্য মো: ফোরকান, কুতুবদিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাসান কুতুবী, সাংবাদিক ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপির চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, এই উদ্যোগের ফলে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়বে এবং কুতুবদিয়ার পর্যটন খাত আরও সমৃদ্ধ হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর কুতুবদিয়ার বাতিঘর সী-বীচ ইতোমধ্যে পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। নতুন এই বোট সার্ভিস চালুর মাধ্যমে এলাকাটির আকর্ষণ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উদ্বোধনের পরপরই পর্যটকরা প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটে চড়ে সাগরের মনোরম পরিবেশ উপভোগ করেন। আয়োজকরা জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
পরে ইফতার ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্তি হয়।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ