বাংলা চলচ্চিত্র:

চরিত্র থেকে বের হতে থেরাপি নিয়েছিলেন শ্বেতা

বিনোদন ডেস্ক:

বাংলা সিনেমা:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বলিউডি ওয়েব সিরিজ ‘মির্জাপুর’ এর কল্যাণে গোলু গুপ্তা’র নাম এখন সবার ঘরে ঘরে পৌঁছে গেছে। অ্যামাজন প্রাইম ভিডিওর জনপ্রিয় এই সিরিজের তৃতীয় মৌসুমের পর গোলু’র জনপ্রিয়তা যেনো আরও তুঙ্গে।

‘মির্জাপুর ২’ সিরিজে অভিনয় করে দর্শকের হৃদয়ে পাকাপাকি জায়গা করে নিয়েছেন শ্বেতা ত্রিপাঠি শর্মা। তবে বাস্তব জীবনেও এই চরিত্রের মতো হয়ে উঠেছিলেন বলে জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী। মির্জাপুর এর তিন কিস্তিতে অভিনয় শ্বেতার জন্য ছিল এক লম্বা ভ্রমণ। গোলু’র মতো জটিল এক চরিত্রে অভিনয় করা দারুণ চ্যালেঞ্জিং ছিল বলে জানিয়েছেন তিনি।

তার কথায়, মির্জাপুর ২ থেকে আমি পুরোপুরি চরিত্রটির মধ্যে বাস করতে শুরু করেছিলাম। ওই দুনিয়া থেকে আমি কোনোভাবেই যেনো বের হতে পারছিলাম না। বুঝে উঠতে পারছিলাম না যে আমার সঙ্গে কী ঘটছে! আমার কিছুই যেনো ভালো লাগতো না। আমিও পর্দার চরিত্রের মতো জামাকাপড় পরা শুরু করেছিলাম। সাজগোজ করতে ভুলে গিয়েছিলাম। এই প্রসঙ্গে শ্বেতা তার সহশিল্পী দিব্যেন্দু শর্মার প্রসঙ্গ টেনে আনেন। সিরিজটিতে দিব্যেন্দু মুন্না ত্রিপাঠি’র ভূমিকায় অভিনয় করে দারুণ জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন।

এই অভিনেতার প্রসঙ্গে শ্বেতা বলেন, আমার মতো অবস্থা দিব্যেন্দু’রও হয়েছিল। দিব্যেন্দু আমাকে জানিয়েছিল, বাস্তবে তিনিও মুন্না’র মতো ব্যবহার করছেন। তখন বুঝতে পারি, আমিও আসলে গোলু’র মতোই জীবন যাপন করছি। জীবনে সবকিছু ঠিকঠাক থাকা সত্ত্বেও আমার কিছুই যেনো ভালো লাগতো না। সমস্যাটা এতটাই গভীরে পৌঁছেছিল, এর থেকে বের হতে আমাকে থেরাপি নিতে হয়েছিল। থেরাপিস্টের সাহায্যে আমি আবার শ্বেতা হয়ে উঠেছিলাম। তৃতীয় মৌসুমের শুটিংয়ে সে সমস্যা হয়নি। তত দিনে আমি চরিত্র থেকে বের হওয়া শিখে গিয়েছি।

মির্জাপুর সিরিজের দুই সহশিল্পী আলী ফজল ও বিজয় ভার্মার প্রসঙ্গে শ্বেতা বলেছেন, সিরিজটিতে আমার অধিকাংশ দৃশ্য আলী ও বিজয়ের সঙ্গে।তাদের দু’জনের সঙ্গে বেশি সময় কাটিয়েছি। দু’জনের সঙ্গেই ভালো বোঝাপড়া তৈরি হয়েছিল। আলীকে আমি ১৩ বছর ধরে চিনি। তাকে ক্রমে উন্নতি করতে দেখেছি।

মির্জাপুর ছাড়াও বিজয়ের সঙ্গে আমি আরও কিছু প্রকল্পে কাজ করেছি। বিজয় মানুষ হিসেবে খুবই ভালো। ইচ্ছা আছে আগামী দিনে বিজয়ের সঙ্গে আরও কাজ করার। গুরমিত সিং পরিচালিত ‘মির্জাপুর ৩’ এ আরও অভিনয় করেছেন পংকজ ত্রিপাঠি, রাজেশ তৈলাংগ, শীবা চাড্ডা, রসিকা দুগল, ঈশা তলওয়ার প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার : কণ্ঠশিল্পী জুলির বিবৃতি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর র‌্যালিতে বিতর্কিত ঈদ রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতাযুক্ত শিল্পীকে দিয়ে গান পরিবেশন করানোর অভিযোগ তুলে একটি কুচক্রী মহল ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী জুলেখা আক্তার জুলি। এসব অপপ্রচার সর্বতোভাবে ‘মিথ্যা’ দাবি করে তিনি বিবৃতি দিয়েছেন। সম্প্রতি এ বিষয়ে নিজের ফেসবুক আইডিতে একটি প্রতিবাদলিপি প্রকাশ করেন এই শিল্পী।


বিবৃতিতে কণ্ঠশিল্পী জুলেখা আক্তার জুলি বলেন, একজন পেশাদার শিল্পী হিসেবে বিভিন্ন রাজনৈতিক বা সামাজিক সংগঠনের অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করা তাঁর পেশাগত দায়িত্বের অংশ, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক রূপ দিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার চালানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এতে তাঁর সম্মান ক্ষুন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, গণমাধ্যম এবং সামাজিকমাধ্যমে আমার ব্যাপারে ছড়নো বিভ্রান্তমূলক ও মিথ্যা তথ্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। কিছু ব্যক্তি আমার সফলতায় ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মিথ্যা, ভিত্তিহীন, মানহানীর সংবাদসহ নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে। তার বিরুদ্ধে প্রকাশিত অভিযোগ ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং মানহানিকর। একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে আমার সম্মান ক্ষুন্ন করার চেষ্টা করছে। আমি উক্ত অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সংবাদমাধ্যমের কাছে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে শিল্পী জুলেখা আক্তার জুলি বলেন, সংবেদনশীল কোনো সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্য যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য নেওয়া সাংবাদিকতার মৌলিক দায়িত্ব। কিন্তু এ ক্ষেত্রে তা অনুসরণ করা হয়নি।

তিনি বলেন, আমি কখনোই কোনো রাজনৈতিক দলের দলীয় পদ-পদবীতে ছিলাম না এবং এখনো নেই। ১৭ বছর ধরে পেশাদার শিল্পী হিসেবে বিভিন্ন আয়োজনে গান গেয়ে আসছি। কিন্তু অতীতে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার সময় ধারণ করা ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করে একটি কুচক্রী মহল আমাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হেনস্তা করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এ ধরনের মানহানিকর মিথ্যাচার থেকে সকলকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে এই শিল্পী হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে মানহানি ও অপপ্রচারের ঘটনায় প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করেন তিনি।

ইতালির ভেনিস শহরে অভিনেত্রী বাঁধনকে হেনস্তায় প্রতিক্রিয়া জানান মডেল পিয়া

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ইতালির ভেনিস শহরে অভিনেত্রী বাঁধনকে হেনস্তা ও হামলার ঘটনা ঘটেছে।বিনোদন অঙ্গনে এনিয়ে প্রতিবাদ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশের বাইরে ঘটে যাওয়া এ ধরনের ঘটনা এবং নারী ও শিল্পীদের প্রতি মানুষের ক্রমবর্ধমান নিষ্ঠুরতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মডেল, অভিনেত্রী ও আইনজীবী পিয়া জান্নাতুল।

মঙ্গলবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে নিজের উদ্বেগ ও হতাশার কথা জানান তিনি। সরাসরি বাঁধনের নাম উল্লেখ না করে পিয়া জান্নাতুল লেখেন, ‘মানুষ দিন দিন এতটা নিষ্ঠুর আর সংবেদনহীন হয়ে যাচ্ছে, বিশেষ করে নারী আর শিল্পীদের প্রতি, যেটা সত্যিই ভাবায়।

তিনি আরো লেখেন, ‘দেশের বাইরে থাকলেই যে মানুষের চিন্তাভাবনা বদলে যায় বা মনটা আরও খোলামেলা হয়ে যায়, আসলে তা নয়। আমার কাছে আসল উন্নতি বোঝা যায় একজন মানুষ অন্যকে কতটা সম্মান করে, কতটা বুঝতে পারে আর কতটা মানবিক থাকতে পারে, সেখানেই। দুঃখের বিষয়, এই জায়গাগুলোতেই আমরা যেন ধীরে ধীরে পিছিয়ে যাচ্ছি।

গত সোমবার রাতে ভেনিসের মেস্ত্রে এলাকায় আজমেরী হক বাঁধনকে‘জুলাই জঙ্গি’ আখ্যা দিয়ে
হামলা করেন।এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন ভাই ও শিশু সন্তান। পরে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন ব্যক্তি নিজেদের ‘ভেনিস ছাত্রলীগ’ ও ‘বঙ্গবন্ধুর সৈনিক’ পরিচয় দিয়ে অভিনেত্রীকে এরপর তাকে গালিগালাজ ও হেনস্তা করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।

ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরাসরি এসে বাঁধন জানান, পার্কের মধ্যে তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। তার গায়ে কোমল পানীয় ও পানি ছুড়ে মারা হয় এবং মারধরের সময় তার মুঠোফোন ফেলে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। ঘটনার প্রতিবাদ জানান অভিনেত্রী। পরে এ ঘটনায় স্থানীয় ভেনিস থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন বলেও জানা গেছে।২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিলেন আজমেরী হক বাঁধন

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ