আজঃ মঙ্গলবার ১৭ মার্চ, ২০২৬

বাংলা চলচ্চিত্র:

চরিত্র থেকে বের হতে থেরাপি নিয়েছিলেন শ্বেতা

বিনোদন ডেস্ক:

বাংলা সিনেমা:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বলিউডি ওয়েব সিরিজ ‘মির্জাপুর’ এর কল্যাণে গোলু গুপ্তা’র নাম এখন সবার ঘরে ঘরে পৌঁছে গেছে। অ্যামাজন প্রাইম ভিডিওর জনপ্রিয় এই সিরিজের তৃতীয় মৌসুমের পর গোলু’র জনপ্রিয়তা যেনো আরও তুঙ্গে।

‘মির্জাপুর ২’ সিরিজে অভিনয় করে দর্শকের হৃদয়ে পাকাপাকি জায়গা করে নিয়েছেন শ্বেতা ত্রিপাঠি শর্মা। তবে বাস্তব জীবনেও এই চরিত্রের মতো হয়ে উঠেছিলেন বলে জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী। মির্জাপুর এর তিন কিস্তিতে অভিনয় শ্বেতার জন্য ছিল এক লম্বা ভ্রমণ। গোলু’র মতো জটিল এক চরিত্রে অভিনয় করা দারুণ চ্যালেঞ্জিং ছিল বলে জানিয়েছেন তিনি।

তার কথায়, মির্জাপুর ২ থেকে আমি পুরোপুরি চরিত্রটির মধ্যে বাস করতে শুরু করেছিলাম। ওই দুনিয়া থেকে আমি কোনোভাবেই যেনো বের হতে পারছিলাম না। বুঝে উঠতে পারছিলাম না যে আমার সঙ্গে কী ঘটছে! আমার কিছুই যেনো ভালো লাগতো না। আমিও পর্দার চরিত্রের মতো জামাকাপড় পরা শুরু করেছিলাম। সাজগোজ করতে ভুলে গিয়েছিলাম। এই প্রসঙ্গে শ্বেতা তার সহশিল্পী দিব্যেন্দু শর্মার প্রসঙ্গ টেনে আনেন। সিরিজটিতে দিব্যেন্দু মুন্না ত্রিপাঠি’র ভূমিকায় অভিনয় করে দারুণ জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন।

এই অভিনেতার প্রসঙ্গে শ্বেতা বলেন, আমার মতো অবস্থা দিব্যেন্দু’রও হয়েছিল। দিব্যেন্দু আমাকে জানিয়েছিল, বাস্তবে তিনিও মুন্না’র মতো ব্যবহার করছেন। তখন বুঝতে পারি, আমিও আসলে গোলু’র মতোই জীবন যাপন করছি। জীবনে সবকিছু ঠিকঠাক থাকা সত্ত্বেও আমার কিছুই যেনো ভালো লাগতো না। সমস্যাটা এতটাই গভীরে পৌঁছেছিল, এর থেকে বের হতে আমাকে থেরাপি নিতে হয়েছিল। থেরাপিস্টের সাহায্যে আমি আবার শ্বেতা হয়ে উঠেছিলাম। তৃতীয় মৌসুমের শুটিংয়ে সে সমস্যা হয়নি। তত দিনে আমি চরিত্র থেকে বের হওয়া শিখে গিয়েছি।

মির্জাপুর সিরিজের দুই সহশিল্পী আলী ফজল ও বিজয় ভার্মার প্রসঙ্গে শ্বেতা বলেছেন, সিরিজটিতে আমার অধিকাংশ দৃশ্য আলী ও বিজয়ের সঙ্গে।তাদের দু’জনের সঙ্গে বেশি সময় কাটিয়েছি। দু’জনের সঙ্গেই ভালো বোঝাপড়া তৈরি হয়েছিল। আলীকে আমি ১৩ বছর ধরে চিনি। তাকে ক্রমে উন্নতি করতে দেখেছি।

মির্জাপুর ছাড়াও বিজয়ের সঙ্গে আমি আরও কিছু প্রকল্পে কাজ করেছি। বিজয় মানুষ হিসেবে খুবই ভালো। ইচ্ছা আছে আগামী দিনে বিজয়ের সঙ্গে আরও কাজ করার। গুরমিত সিং পরিচালিত ‘মির্জাপুর ৩’ এ আরও অভিনয় করেছেন পংকজ ত্রিপাঠি, রাজেশ তৈলাংগ, শীবা চাড্ডা, রসিকা দুগল, ঈশা তলওয়ার প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের একুশের বিশেষ নাটক ‘রক্ত-হলুদ সন্ধ্যা’

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

২১শে ফেব্রুয়ারি ছিল রফিকের বিয়ের দিন। বিয়ে বাড়িতে কনে সেজে অপেক্ষায় ছিল তার প্রিয় মানুষ। কিন্তু রফিক গিয়েছিলেন মায়ের ভাষার মর্যাদা রক্ষা করতে। ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিলে নামেন তিনি। পুলিশের গুলিতে শহীদ হন রফিক। তার বুকের রক্তে রঞ্জিত হলো বাংলার রাজপথ। অন্যদিকে, বিয়ে বাড়িতে ফুলে ফুলে সাজানো আসরে কনে তখনও পথ চেয়ে বসে। সে জানে না—তার বর আর ফিরবে না। ফিরবে শুধু রক্তে ভেজা এক শহীদের নিথর দেহ। জীবন দিয়ে রফিক প্রমাণ করে গেলেন— মাতৃভাষার জন্য জীবন দেওয়াই সবচেয়ে বড় ভালোবাসা।

অমর একুশে উপলক্ষে ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) নির্মাণ করেছে বিশেষ নাটক ‘রক্ত-হলুদ সন্ধ্যা’। নাটকে ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ রফিকউদ্দিন আহমেদের মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় আত্মদানের ইতিহাস আবেগঘনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। নাটকটি বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রে সম্প্রচার করা হবে ২১ ফেব্রুয়ারি।

টানা তিনদিন চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পদুয়া এলাকার মনোরম লোকেশনে নাটকের দৃশ্য ধারণ করা হয়েছে। মো. ইমাম হোসাইনের কাহিনী ইকবাল খন্দকারের চিত্রনাট্যে নির্মিত রক্ত-হলুদ সন্ধ্যা নাটকটি প্রযোজনা করেছেন উম্মে হাবিবা দিনা। মহসিন চৌধুরীর পরিচালনায় নাটকটিতে অভিনয় করেছেন সরোজ আহমেদ, সোহেলী, দেবাশীষ চৌধুরী, মীর জুবেদ, রমিতা ভৌমিক, মো. সেলিম, আফরোজা ইমা, সীমান্ত বড়ুয়া, ধীমান, অসিত নন্দী, সৌভিক দাশ প্রমুখ।

বাংলাদেশের সিনেমা ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড, আবারও তহবিল পেল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের সিনেমা ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড, আবারও তহবিল পেল। ইতালির ফ্যাশন হাউস প্রাডার সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ফন্ডাজিওনে প্রাডা থেকে এই তহবিল পেল সিনেমাটি। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটির ঘোষিত তালিকায় দেখা যায়, এ বছর বাংলাদেশের সিনেমাটিসহ ১৪টি দেশের সিনেমার প্রকল্প এই অনুদান পাচ্ছে।সব কটি সিনেমা ১ কোটি ৭০ লাখ ডলার সহায়তা পাবে। এই তালিকায়
ইতালির ফ্যাশন হাউস প্রাডার সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ফন্ডাজিওনে প্রাডা থেকে দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড পাবে ১ কোটি ১৬ লাখ টাকার তহবিল (৮০ হাজার ইউরো)। ইতিপূর্বে একক ভাবে দেশের কোনো সিনেমা এত বড় অঙ্কের সহায়তা কোনো সিনেমা পায়নি।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ