আজঃ মঙ্গলবার ১৭ মার্চ, ২০২৬

বাংলাদেশের সিনেমা ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড, আবারও তহবিল পেল।

বিনোদন প্রতিবেদক:

এত বড় অঙ্কের সহায়তা কোনো সিনেমা পায়নি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের সিনেমা ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড, আবারও তহবিল পেল। ইতালির ফ্যাশন হাউস প্রাডার সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ফন্ডাজিওনে প্রাডা থেকে এই তহবিল পেল সিনেমাটি। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটির ঘোষিত তালিকায় দেখা যায়, এ বছর বাংলাদেশের সিনেমাটিসহ ১৪টি দেশের সিনেমার প্রকল্প এই অনুদান পাচ্ছে।সব কটি সিনেমা ১ কোটি ৭০ লাখ ডলার সহায়তা পাবে। এই তালিকায়
ইতালির ফ্যাশন হাউস প্রাডার সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ফন্ডাজিওনে প্রাডা থেকে দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড পাবে ১ কোটি ১৬ লাখ টাকার তহবিল (৮০ হাজার ইউরো)। ইতিপূর্বে একক ভাবে দেশের কোনো সিনেমা এত বড় অঙ্কের সহায়তা কোনো সিনেমা পায়নি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের একুশের বিশেষ নাটক ‘রক্ত-হলুদ সন্ধ্যা’

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

২১শে ফেব্রুয়ারি ছিল রফিকের বিয়ের দিন। বিয়ে বাড়িতে কনে সেজে অপেক্ষায় ছিল তার প্রিয় মানুষ। কিন্তু রফিক গিয়েছিলেন মায়ের ভাষার মর্যাদা রক্ষা করতে। ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিলে নামেন তিনি। পুলিশের গুলিতে শহীদ হন রফিক। তার বুকের রক্তে রঞ্জিত হলো বাংলার রাজপথ। অন্যদিকে, বিয়ে বাড়িতে ফুলে ফুলে সাজানো আসরে কনে তখনও পথ চেয়ে বসে। সে জানে না—তার বর আর ফিরবে না। ফিরবে শুধু রক্তে ভেজা এক শহীদের নিথর দেহ। জীবন দিয়ে রফিক প্রমাণ করে গেলেন— মাতৃভাষার জন্য জীবন দেওয়াই সবচেয়ে বড় ভালোবাসা।

অমর একুশে উপলক্ষে ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) নির্মাণ করেছে বিশেষ নাটক ‘রক্ত-হলুদ সন্ধ্যা’। নাটকে ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ রফিকউদ্দিন আহমেদের মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় আত্মদানের ইতিহাস আবেগঘনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। নাটকটি বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রে সম্প্রচার করা হবে ২১ ফেব্রুয়ারি।

টানা তিনদিন চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পদুয়া এলাকার মনোরম লোকেশনে নাটকের দৃশ্য ধারণ করা হয়েছে। মো. ইমাম হোসাইনের কাহিনী ইকবাল খন্দকারের চিত্রনাট্যে নির্মিত রক্ত-হলুদ সন্ধ্যা নাটকটি প্রযোজনা করেছেন উম্মে হাবিবা দিনা। মহসিন চৌধুরীর পরিচালনায় নাটকটিতে অভিনয় করেছেন সরোজ আহমেদ, সোহেলী, দেবাশীষ চৌধুরী, মীর জুবেদ, রমিতা ভৌমিক, মো. সেলিম, আফরোজা ইমা, সীমান্ত বড়ুয়া, ধীমান, অসিত নন্দী, সৌভিক দাশ প্রমুখ।

চট্টগ্রামের শিল্পকলায় বোধনের বসন্ত উৎসব।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরীর জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ‘বোধন বসন্ত উৎসব ১৪৩২’ আয়োজন করে দেশের ঐতিহ্যবাহী আবৃত্তি সংগঠন বোধন আবৃত্তি পরিষদ চট্টগ্রাম। ‘নিবিড় অন্তরতর বসন্ত এলো প্রাণে’ শিরোনামে রোববার সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত বোধনের এই বর্ণিল আয়োজন সাজানো হয় উচ্চাঙ্গসংগীত, দলীয় সংগীত, একক-দ্বৈত সংগীত, দলীয় নৃত্য, একক ও বৃন্দ আবৃত্তি এবং কথামালায়। প্রতি বছরই নব বসন্তের আগমনকে স্বাগত জানিয়ে বর্ণাঢ্য এই উৎসবের আয়োজন করে আসছে বোধন। তারই ধারাবাহিকতায় এটি বোধনের ২১তম আয়োজন।আবৃত্তিশিল্পী শিমুল নন্দীর উদ্বোধনী আবৃত্তি দিয়ে শুরু হয় প্রভাতী আয়োজন। এরপর উচ্চাঙ্গ সংগীত রাগ বাসন্তী পরিবেশন করেন সঙ্গীতশিল্পী গৌরি নন্দী। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন জেলা কালচারাল অফিসার সংস্কৃতিজন
সৈয়দ আয়াজ মাবুদ।

তিনি বলেন, শীত শেষে বসন্তের আগমন প্রকৃতি ও আমাদের উদ্বেলিত করে। বোধন প্রতিবছর বসন্ত উৎসব উদযাপনের মাধ্যমে আমাদের সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করছে। আমরা একটি সংস্কৃতিবান্ধব রাষ্ট্র গঠন করতে চাই। অনুষ্ঠানে দলীয় সংগীত পরিবেশন করে আর. কে মিউজিক একাডেমি। একক সংগীত পরিবেশন করেন সঙ্গীতশিল্পী লাবন্য সরকার, শর্মিষ্ঠা দেব, স্বপ্নীল বড়ুয়া ডানা, এলিন দাশ।

দ্বৈত সংগীত পরিবেশন করে অনুপম দেবনাথ পাভেল ও বৈশাখী নাথ। দলীয় নৃৎেযে অংশ নেয় দি একাডেমী অফ ক্লাসিক্যাল এন্ড ফোক ডান্স, ওড়িশী অ্যান্ড টেগোর ডান্স মুভমেন্ট সেন্টার, আলোড়ন ডান্স একাডেমি, ঘুঙুর নৃত্যকলা একাডেমী, সঞ্চারী নৃত্যকলা একাডেমী, বিবেকানন্দ সঙ্গীত নিকেতন। একক আবৃত্তি পরিবেশন করেন আবৃত্তিশিল্পী সুছন্দা ঘোষ চৌধুরী, রীমা দাশ, তৈয়বা জহির আরশি, লাভলী আক্তার নিশাত, অর্পিতা দাশ, পৃথুলা চৌধুরী। সন্দীপন সেন একার গ্রন্থনা ও নির্দেশনায় বৃন্দ আবৃত্তি ‘শিশুর ভাবনায় পৃথিবী’ পরিবেশন করে বোধনের শিশু বিভাগের শিক্ষার্থীরা। মহড়া পরিচালনায় ছিলেন অরিত্র রোদ্দুর ধর ও প্রিয়ন্তী বড়ুয়া ।অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন সন্দীপন সেন একা, সুতপা মজুমদার, পাতা দে বৃষ্টি, ঋতুপর্ণা চৌধুরী শ্রাবণ, যারীন সুবাহ্। মিঠুন ঢাকীর পরিচালনায় দলীয় ঢোল বাদনের মাধ্যমে উৎসবের সমাপন হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আবৃত্তিশিল্পী অঞ্চল চৌধুরী, সাবেক সভাপতি আবদুল হালিম দোভাষ, সুজিত রায়, ছড়াকার উৎপল কান্তি বড়ুয়া, কবি জিন্নাহ চৌধুরী, শিশু সাহিত্যিক লিটন চৌধুরী, সহ-সভাপতি আবৃত্তিশিল্পী জাভেদ হোসেন, আবৃত্তিশিল্পী প্রণব চৌধুরী, আবৃত্তিশিল্পী ফারুক তাহের, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল আজম চৌধুরী, সহ-সাধারণ সম্পাদক কাজী মামুন, অনুষ্ঠান সম্পাদক মোহিনী সংগীতা সিংহ, অর্থ সম্পাদক অনিমেষ পালিত, জাহিদুল ইসলাম, দেবলীনা চৌধুরী, হোসনে আরা নাজু, অর্পিতা চৌধুরী, স্মরণ ধর, শ্লোক, মাহাদী, বর্ণ, অভিজিৎ, মোহাম্মদ তাহসিন, ঋতু দে, অপু মজুমদার, অনির্বাণ বনিক প্রমুখ।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ