আজঃ শুক্রবার ৩ এপ্রিল, ২০২৬

চট্টগ্রামের শিল্পকলায় বোধনের বসন্ত উৎসব।

বিনোদন প্রতিবেদক:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরীর জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ‘বোধন বসন্ত উৎসব ১৪৩২’ আয়োজন করে দেশের ঐতিহ্যবাহী আবৃত্তি সংগঠন বোধন আবৃত্তি পরিষদ চট্টগ্রাম। ‘নিবিড় অন্তরতর বসন্ত এলো প্রাণে’ শিরোনামে রোববার সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত বোধনের এই বর্ণিল আয়োজন সাজানো হয় উচ্চাঙ্গসংগীত, দলীয় সংগীত, একক-দ্বৈত সংগীত, দলীয় নৃত্য, একক ও বৃন্দ আবৃত্তি এবং কথামালায়। প্রতি বছরই নব বসন্তের আগমনকে স্বাগত জানিয়ে বর্ণাঢ্য এই উৎসবের আয়োজন করে আসছে বোধন। তারই ধারাবাহিকতায় এটি বোধনের ২১তম আয়োজন।আবৃত্তিশিল্পী শিমুল নন্দীর উদ্বোধনী আবৃত্তি দিয়ে শুরু হয় প্রভাতী আয়োজন। এরপর উচ্চাঙ্গ সংগীত রাগ বাসন্তী পরিবেশন করেন সঙ্গীতশিল্পী গৌরি নন্দী। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন জেলা কালচারাল অফিসার সংস্কৃতিজন
সৈয়দ আয়াজ মাবুদ।

তিনি বলেন, শীত শেষে বসন্তের আগমন প্রকৃতি ও আমাদের উদ্বেলিত করে। বোধন প্রতিবছর বসন্ত উৎসব উদযাপনের মাধ্যমে আমাদের সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করছে। আমরা একটি সংস্কৃতিবান্ধব রাষ্ট্র গঠন করতে চাই। অনুষ্ঠানে দলীয় সংগীত পরিবেশন করে আর. কে মিউজিক একাডেমি। একক সংগীত পরিবেশন করেন সঙ্গীতশিল্পী লাবন্য সরকার, শর্মিষ্ঠা দেব, স্বপ্নীল বড়ুয়া ডানা, এলিন দাশ।

দ্বৈত সংগীত পরিবেশন করে অনুপম দেবনাথ পাভেল ও বৈশাখী নাথ। দলীয় নৃৎেযে অংশ নেয় দি একাডেমী অফ ক্লাসিক্যাল এন্ড ফোক ডান্স, ওড়িশী অ্যান্ড টেগোর ডান্স মুভমেন্ট সেন্টার, আলোড়ন ডান্স একাডেমি, ঘুঙুর নৃত্যকলা একাডেমী, সঞ্চারী নৃত্যকলা একাডেমী, বিবেকানন্দ সঙ্গীত নিকেতন। একক আবৃত্তি পরিবেশন করেন আবৃত্তিশিল্পী সুছন্দা ঘোষ চৌধুরী, রীমা দাশ, তৈয়বা জহির আরশি, লাভলী আক্তার নিশাত, অর্পিতা দাশ, পৃথুলা চৌধুরী। সন্দীপন সেন একার গ্রন্থনা ও নির্দেশনায় বৃন্দ আবৃত্তি ‘শিশুর ভাবনায় পৃথিবী’ পরিবেশন করে বোধনের শিশু বিভাগের শিক্ষার্থীরা। মহড়া পরিচালনায় ছিলেন অরিত্র রোদ্দুর ধর ও প্রিয়ন্তী বড়ুয়া ।অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন সন্দীপন সেন একা, সুতপা মজুমদার, পাতা দে বৃষ্টি, ঋতুপর্ণা চৌধুরী শ্রাবণ, যারীন সুবাহ্। মিঠুন ঢাকীর পরিচালনায় দলীয় ঢোল বাদনের মাধ্যমে উৎসবের সমাপন হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আবৃত্তিশিল্পী অঞ্চল চৌধুরী, সাবেক সভাপতি আবদুল হালিম দোভাষ, সুজিত রায়, ছড়াকার উৎপল কান্তি বড়ুয়া, কবি জিন্নাহ চৌধুরী, শিশু সাহিত্যিক লিটন চৌধুরী, সহ-সভাপতি আবৃত্তিশিল্পী জাভেদ হোসেন, আবৃত্তিশিল্পী প্রণব চৌধুরী, আবৃত্তিশিল্পী ফারুক তাহের, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল আজম চৌধুরী, সহ-সাধারণ সম্পাদক কাজী মামুন, অনুষ্ঠান সম্পাদক মোহিনী সংগীতা সিংহ, অর্থ সম্পাদক অনিমেষ পালিত, জাহিদুল ইসলাম, দেবলীনা চৌধুরী, হোসনে আরা নাজু, অর্পিতা চৌধুরী, স্মরণ ধর, শ্লোক, মাহাদী, বর্ণ, অভিজিৎ, মোহাম্মদ তাহসিন, ঋতু দে, অপু মজুমদার, অনির্বাণ বনিক প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটিতে বিল্ডিং ভেঙ্গে দিল সিডিএ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নগরীর নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটিতে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটিতে বিল্ডিং ভেঙ্গে দিল সিডিএ । জানা যায় রাষ্টীয় মর্যাদায় শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের অনুকূলে বরাদ্দ প্রাপ্ত পরিত্যক্ত বাড়ী নং ১৮/বি-১, ( বর্তমান ৬) রোড নং ৪, নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটি, চট্টগ্রাম। বাড়ির নাম “সাফ জাফর ভিলা”। বাড়িটি সিডিএ ও ৩৪ বিগ্রেড কর্তৃক মহামান্য হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে ভাংচুর করছে।


সাফ জাফর ভিলা বিল্ডিংটি ” সাফ হোল্ডিং লিঃ ডেভেলপার কর্তৃক ২০২২ সালে নির্মিত করা হয়েছে। এই বিল্ডিং এর পিছনে একটি খাল রয়েছে এই খালটি বিএস সিটে পশ্চিম পাশে ৫২ ফুট প্রস্ত ও পূর্ব পাশে ৪৯ ফুট প্রস্ত। কিন্তু সিডিএ ও সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোর এর ৩৪ বিগ্রেড খালের পশ্চিম পাশে ৫৮ ফুট ও পূর্ব পাশে ৫৪ ফুট দাবী করে সম্পুর্ণ বিনা নোটিশে মহামান্য হাইকোর্টের রায় অমান্য করে ৪৪ পরিবারের বসবাসরত ১২ তলা বিশিষ্ট বিল্ডিংটি ভাংচুর করছে যা সম্পুর্ন অমানবিক, অন্যায় ও মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের প্রতি অশ্রদ্ধা।বরাদ্দ প্রাপ্ত শহীদ পরিবারের নাম ক. বেগম সামশুন্নাহার স্বামী-বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হাবিলদার রহিম বক্স (বি ডি আর), গ্রাম-এওচিয়া,উপজেলা-সাতকানিয়া,জেলা-চট্রগ্রাম।

খ. বেগম আলমাছ খাতুন, শহীদ মাতা, পুত্র- শহীদ এ,টি,এম,জাফর আলম,সি এস পি,গ্রাম-রত্ন পালং, উপজেলা-ওখিয়া, জেলা-কক্সবাজার । চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের কনসালটেন্ট (এ সি এল)-এর মেজর (অব.) সরদার জিয়াউর রহমান, উনার বড় ভাইয়ের মাধ্যমে ২ কোটি টাকা উৎকোচ দাবী করেছিলেন এবং একই প্রজেক্টের চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সি ডি এ)-এর পি ডি ইঞ্জিনিয়ার আহমদ মঈনুদ্দিন এই কর্মকান্ডের সাথে জড়িত।বলাবাহুল্য যে, তারা দুই জনেই বিগত আওয়ামী ফ্যাসিষ্ট সরকারের নিয়োগ প্রাপ্ত এবং সুবিধাভোগী।


শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের দাবি এই দুই জন চক্রান্ত করে তাদের দাবি করা টাকা না পাওয়ার তথ্য গোপন করে সেনাবাহিনীর উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে ভুল বুঝিয়ে এই কর্মযজ্ঞ চালাচ্ছেন। শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের দাবি সেনাপ্রধানের কাছে মহামান্য আদালতের রায়কে অনুসরণ করে যেন সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোর এর ৩৪ বিগ্রেড উক্ত বিল্ডিং এর ভাংচুর বন্ধ করে দেয়। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য মহামান্য হাইকোর্টের আদেশের সার্টিফাইড কপি পেতে কিছু দিন সময় লাগবে যেহেতু কোর্ট এই মুহূর্তে বন্ধ।

এই সুযোগে ইনটেনশনালি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের বরাদ্দ পাওয়া এই প্লটে নির্মিত বিল্ডিং টা ইচ্ছাকৃতভাবে ভেঙে ফেলছে। হাইকোর্টের আদেশ মেনে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে আকুল আবেদন জানিয়েছেন সাফ জাফর ভিলার মালিকগণ।

কিশোর গ্যাং দমনে বিশেষ অভিযান চালানো হবে : সিএমপি কমিশনার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) নতুন কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী ঘোষণা দিয়েছেন, চট্টগ্রাম মহানগরে মাদক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হবে। তিনি বলেন, চুরি, ছিনতাই ও সন্ত্রাস দমনে এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ কর্মসূচি ও অভিযান পরিচালনা করা হবে। সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে জোরালো পদক্ষেপ নেওয়া হবে। নগরীকে অপরাধমুক্ত রাখতে পুলিশের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।বৃহস্পতিবার সিএমপি কার্যালয়ে আয়োজিত ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, নগরীতে মাদক, চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে থাকবে পুলিশ।

নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে কমিশনার বলেন, মানুষ যাতে নিরাপত্তার অনুভূতি নিয়ে চলাফেরা করতে পারে, সে পরিবেশ আমরা নিশ্চিত করতে চাই। এ সময় কিশোর গ্যাং দমনে বিশেষ অভিযান চালানোর কথাও জানান তিনি। একই সঙ্গে যানজট নিরসনে কার্যক্রম জোরদার করার কথা উল্লেখ করে বলেন,

নগরবাসীকে একটি স্বস্তির ও সুন্দর নগরজীবন উপহার দিতে কাজ করছে পুলিশ। চট্টগ্রামকে একটি ‘সেইফ সিটি’ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করে কমিশনার বলেন, এ ধরনের অপরাধে জড়িত কাউকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। একইভাবে মাদক ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধেও ধারাবাহিক অভিযান চলবে।
তিনি আরও জানান, নগরীর বিভিন্ন এলাকায় মাদক ও ছিনতাইয়ের হটস্পট চিহ্নিত করা হয়েছে এবং শিগগিরই সেখানে বিশেষ অভিযান শুরু হবে।

পুলিশের ভেতরে অনিয়ম-অপরাধের বিষয়ে তিনি বলেন, কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে চাঁদা বা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ পাওয়া গেলে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির আওতায় কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।কমিশনার আরও বলেন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে ও সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে জোরালো অভিযান পরিচালনা করা হবে এবং কিশোর গ্যাং নির্মূলে বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।তিনি আশা প্রকাশ করেন, কঠোর নজরদারি ও ধারাবাহিক অভিযানের মাধ্যমে চট্টগ্রাম মহানগরকে একটি নিরাপদ নগরীতে পরিণত করা সম্ভব হবে। এ লক্ষ্যে নগরবাসীর সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।

আলোচিত খবর

সরকারি- বেসরকারি অফিসের নতুন সময়সূচি নির্ধারণ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সরকারি-বেসরকারি সব অফিসের জন্য দেশে চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করেছে সরকার। ৫ এপ্রিল থেকে নতুন এই সময়সূচি কার্যকর হবে। এতে অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অফিস সময় এক ঘণ্টা কমিয়ে মোট ৭ ঘণ্টা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া, শপিংমল ও দোকানপাট সন্ধ্যা ৬টার পর রাখা এবং বিয়ের অনুষ্ঠানে আলোকসজ্জা বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। একই সাথে দেশের সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্যও আলাদা সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ