চট্টগ্রামে জামানত ফেরত পাবেন না ৭১ প্রার্থী।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে জামানত হারিয়েছেন চট্টগ্রামের ৭১ প্রার্থী। চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনে ১১৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এরমধ্যে চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড ও চসিক আংশিক) আসনে ফলাফল বিশ্লেষণ করা সম্ভব হয়নি। এ আসনে ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এদের মধ্যে ৭১ জন জামানত খুইয়েছেন। অর্থাৎ প্রার্থীদের ৬৭ শতাংশ জামানত হারিয়েছেন।

চট্টগ্রাম সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. বশির আহমেদ বলেন, নির্বাচন কমিশনের আইন মতে, প্রদত্ত ভোটের (কাস্টিং ভোট) ৮ ভাগের এক ভাগ ভোট না পেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। মনোনয়নপত্রের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া ৫০ হাজার টাকার জামানত ফেরত পাবেন না তারা।
জানা গেছে,

চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী, চান্দগাঁও, পাঁচলাইশ) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আলোচিত প্রার্থী মো. জোবাইরুল হাসান আরিফ জামানত হারিয়েছেন। তিনি ছিলেন জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের চট্টগ্রামের একক প্রার্থী। তবে ওই আসনে জামায়াত প্রার্থী ডা. আবু নাছেরও মাঠে ছিলেন। জোটের এই দুই প্রার্থীকে ঘিরে ছিল নানা টানাপোড়েন। শেষতক জোটের দুই প্রার্থীই মাঠে ছিলেন।শুধু জোবাইরুল আরিফ নন, এ জোটের প্রার্থীদের মধ্যে পটিয়া আসনের জামায়াত প্রার্থী ডা. ফরিদুল আলম ও এলডিপির এম এয়াকুব আলীও জামানত হারিয়েছেন। সুপ্রিম পার্টির চেয়ারম্যান শাহজাদা সৈয়দ সাইফুদ্দিন আহমদ জামানত হারিয়েছেন গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া চট্টগ্রামের ১৫টি আসনের প্রার্থীদের ভোটের ফলাফল বিশ্লেষণ করে এই তথ্য পাওয়া যায়। চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী, চান্দগাঁও, পাঁচলাইশ) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আলোচিত প্রার্থী মো. জোবাইরুল হাসান আরিফ জামানত হারিয়েছেন। তিনি ছিলেন জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের চট্টগ্রামের একক প্রার্থী। তবে ওই আসনে জামায়াত প্রার্থী ডা. আবু নাছেরও মাঠে ছিলেন। জোটের এই দুই প্রার্থীকে ঘিরে ছিল নানা টানাপোড়েন। শেষতক জোটের দুই প্রার্থীই মাঠে ছিলেন।শুধু জোবাইরুল আরিফ নন, এ জোটের প্রার্থীদের মধ্যে পটিয়া আসনের জামায়াত প্রার্থী ডা. ফরিদুল আলম ও এলডিপির এম এয়াকুব আলীও জামানত হারিয়েছেন। সুপ্রিম পার্টির চেয়ারম্যান শাহজাদা সৈয়দ সাইফুদ্দিন আহমদ জামানত হারিয়েছেন গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া চট্টগ্রামের ১৫টি আসনের প্রার্থীদের ভোটের ফলাফল বিশ্লেষণ করে এই তথ্য পাওয়া যায়। জামানত হারালেন যারা:
চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) সংসদীয় আসনে ভোট পড়েছে দুই লাখ ২৪ হাজার ১২০ ভোট। বিধিমতে, জামানত রক্ষা করার জন্য প্রার্থীকে ২৮ হাজার ভোট পেতে হবে। সেই হিসাবে এই আসনের ৫ জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন, জেএসডির এ কে এম আবু ইউছুপ, ইসলামী আন্দোলনের ফেরদৌস আহমদ চৌধুরী, ইনসানিয়াত বিপ্লবের রেজাউল করিম, মুসলিম লীগের শেখ জুলফিখার বুলবুল চৌধুরী, জাপার সৈয়দ শাহাদাৎ হোসেন। আর জামানত রক্ষা করেছেন বিএনপি প্রার্থী আসলাম চৌধুরী ও জামায়াতের মোহাম্মদ ছাইফুর রহমান।

চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে পড়েছে দুই লাখ ২৩ হাজার ৫১৩ ভোট। ৭ প্রার্থীর মধ্যে বিএনপির সরোয়ার আলমগীর ও জামায়াতের নুরুল আমিন ছাড়া জামানত হারিয়েছেন ৫ জন। স্বতন্ত্র প্রার্থী আহমদ কবির, জিন্নাত আকতার, জনতার দলের মোহাম্মদ গোলাম নওশের আলী, ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ জুলফিকার আলী মান্নান, গণঅধিকার পরিষদের রবিউল হাসান ও সুপ্রিম পার্টির শাহজাদা সৈয়দ সাইফুদ্দিন আহমদ জামানত হারিয়েছেন।

চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনে পড়েছে এক লাখ ২০ হাজার ৯৫০ ভোট। চার প্রার্থীর মধ্যে বিএনপির বিজয়ী প্রার্থী মোস্তফা কামাল পাশা ও বিজিত প্রার্থী জামায়াতের মুহাম্মদ আলা উদ্দিন ছাড়া অন্য দুই প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। ইসলাম আন্দোলনের আমজাদ হোসেন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মোয়াহেদুল মাওলা জামানত হারিয়েছেন।

চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী ও চসিক আংশিক) আসনে পড়েছে দুই লাখ ১৮ হাজার ৬১৬ ভোট। ৬ প্রার্থীর মধ্যে বিএনপির মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন ও খেলাফত মজলিমের মো. নাছির উদ্দিন ছাড়া চার প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন, ইসলামী আন্দোলনের মতিউল্লাহ নূরী, ইসলামিক ফ্রন্টের মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ ইমাম উদ্দিন রিয়াদ, লেবার পার্টির মো. আলা উদ্দিন।

চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে পড়েছে এক লাখ ৬৪ হাজার ১০৫ ভোট। চার প্রার্থীর মধ্যে শুধু জামানত হারিয়েছেন গণসংহতি আন্দোলনের নাছির উদ্দিন তালুকদার। বিজয়ী প্রার্থী বিএনপির গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী ছাড়া জামানত রক্ষা করেছেন জামায়াতের মো. শাহাজাহান মঞ্জু ও ইসলামী ফ্রন্টের মোহাম্মদ ইলিয়াস নূরী।

চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনে পড়েছে এক লাখ ৫৩ হাজার ৩৭৬ ভোট। আট প্রার্থীর মধ্যে ৫ জন জামানত খুইয়েছেন। তারা হলেন, ইসলামী আন্দোলনের আবদুল্লাহ আল হারুন, কমিউনিস্ট পার্টির প্রমোদ বরণ বড়ুয়া, এবি পার্টির মো. আবদুর রহমান, গণঅধিকার পরিষদের মো. বেলাল উদ্দিন, জাপার মো. মেহেদী রাসেদ। জামানত রক্ষা করেছেন বিজয়ী প্রার্থী বিএনপির হুমাম কাদের চৌধুরী, বিজিত প্রার্থী জামায়াতের ডা. এ টি এম রেজাউল করিম ও ইসলামী ফ্রন্টের মুহাম্মদ ইকবাল হাসান।

চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও, পাঁচলাইশ বায়েজিদ আংশিক) আসনে পড়েছে দুই লাখ ৬০ হাজার ৯৫৮ ভোট। বিজয়ী প্রার্থী বিএনপির এরশাদ উল্লাহ, জামায়াতের ডা. মো. আবু নাছের ও ইসলামী ফ্রন্টের সৈয়্যদ মুহাম্মদ হাসান ছাড়া অন্য তিন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন, এনসিপির মো. জোবাইরুল হাসান আরিফ, ইনসানিয়াত বিপ্লবের মোহাম্মদ এমদাদুল হক, ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ নুরুল আলম।

চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী-বাকলিয়া) আসনে পড়েছে এক লাখ ৭৪ হাজার ৯৪৪ ভোট। পরাজিত প্রার্থী জামায়াতের ডা. এ কে এম ফজলুল হক ছাড়া আট প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন, জেএসডির আবদুল মোমেন চৌধুরী, ইসলামী আন্দোলনের আবদুস শুক্কুর, ইসলামিক ফ্রন্টের মুহাম্মদ ওয়াহেদ মুরাদ, ইনসানিয়াত বিপ্লবের মোহাম্মদ নঈদ উদ্দিন, নাগরিক ঐক্যের মো. নুরুল আবছার মজুমদার, সমাজতান্ত্রিক দলের মো. শফি উদ্দিন কবির, জনতার দলের মো. হায়দার আলী চৌধুরী ও গণসংহতি আন্দোলনের সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মারূপ।

চট্টগ্রাম-১০ (খুলশী-পাহাড়তলী- হালিশহর) আসনে পড়েছে দুই লাখ ১৪ হাজার ১৫৪ ভোট। বিজয়ী প্রার্থী বিএনপির সাঈদ আল নোমান ও জামায়াতের সামশুজ্জামান হেলালী ছাড়া ৭ প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন, সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) আসমা আকতার, ইসলামিক ফ্রন্টের মো. লিয়াকত আলী, ইসলামী আন্দোলনের মুহাম্মদ জান্নাতুল ইসলাম, ইনসানিয়াত বিপ্লবের সাবিনা খাতুন, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আরমান আলী, জাতীয় পার্টির মুহাম্মদ এমদাদ হোসাইন চৌধুরী ও লেবার পার্টির মো. ওসমান গণি।

চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা-ডবলমুরিং) আসনে পড়েছে দুই লাখ ২ হাজার ৫৩৬ ভোট। বিজয়ী প্রার্থী বিএনপির আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিজিত প্রার্থী জামায়াতের শফিউল আলম ছাড়া অন্য নয় প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন, জাতীয় পার্টির আবু তাহের, সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) দীপা মজুমদার, গণফোরামের উজ্জ্বল ভৌমিক, ইসলামিক ফ্রন্টের মুহাম্মদ আবু তাহের, সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) মো. নিজামুল হক আল কাদেরী, ইনসানিয়াত বিপ্লবের মো. আজিজ মিয়া, ইসলামী আন্দোলনের মো. নুর উদ্দিন, গণঅধিকার পরিষদের মুহাম্মদ নেজাম উদ্দিন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর ভূঁইয়া।

চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে পড়েছে এক লাখ ৯৪ হাজার ৪৯৩ ভোট। বিজয়ী প্রার্থী বিএনপির এনামুল হক ও বিজিত প্রাথী ইসলামী ফ্রন্টের সৈয়দ এয়ার মুহাম্মদ পেয়ারু ছাড়া অন্যরা জামানত হারিয়েছেন। এ আসনে জামায়াতের মোহাম্মদ ফরিদুল আলম জামানত হারিয়েছেন। অন্যরা হলেন, ইসলামী আন্দোলনের এসএম বেলাল নূর, জাতীয় পার্টির ফরিদ আহমদ চৌধুরী, ইনসানিয়াত বিপ্লবের মোহাম্মদ আবু তালেব হেলালী, স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ শাখাওয়াত হোসাইন, এলডিপির এম এয়াকুব আলী।

চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনে পড়েছে দুই লাখ ২১ হাজার ৩৫ ভোট। বিজয়ী বিএনপির সরওয়ার জামাল নিজাম এবং জামায়াতে ইসলামীর মাহমুদুল হাসান, ইসলামী ফ্রন্টের এসএম শাহজাহান জামানত রক্ষা করেছেন। অন্য চার প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের (এনডিএম) মোহাম্মদ এমরান, ইনসানিয়াত বিপ্লবের মু. রেজাউল মোস্তফা, জাতীয় পার্টির আবদুর রব চৌধুরী, গণধিকার পরিষদের মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী।

চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) আসনে পড়েছে এক লাখ ৮৬ হাজার ২৯০ ভোট। বিজয়ী প্রার্থী জসীম উদ্দিন আহমেদ ও এলডিপির ওমর ফারুক ছাড়া অন্য ছয় প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন, ইসলামী ফ্রন্টের মৌ. মো. সোলাইমান, জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ বাদশা মিয়া, ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ আবদুল হামিদ, স্বতন্ত্র শফিকুল ইসলাম রাহী, মোহাম্মদ মিজানুল হক চৌধুরী, ইনসানিয়াত বিপ্লবের এইচএম ইলিয়াছ।

চট্টগ্রাম-১৫ (লোহাগাড়া-সাতকানিয়া আংশিক) আসনে বিজয়ী তিন প্রার্থীদের মধ্যে বিজয়ী জামায়াত ইসলামীর শাহজাহান চৌধুরী, বিএনপির নাজমুল মোস্তফা আমীন ছাড়া ইসলামী আন্দোলনের শরীফুল আলম চৌধুরী জামানত হারিয়েছেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ছাত্র ইউনিয়ন থেকে মেঘমল্লার পদত্যাগ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মেঘমল্লার বসু বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে পদত্যাগ করেছেন।ছাত্র ইউনিয়ন থেকে পদত্যাগ করার পর নতুন রাজনৈতিক সংগঠন নেটওয়ার্ক ফর পিপল অ্যাকশন (এনপিএ)-এ যোগ দিয়েছে মেঘমল্লার।

শনিবার ২৫ জুলাই ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শিমুল কুম্ভকারের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মেঘমল্লার বসুর পদত্যাগের নিশ্চিত করা হয়েছে। এ সময় সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাঈন আহমেদের পদত্যাগের বিষয়টিও জানানো হয়েছে। মেঘমল্লার বসু ও মাঈন আহমেদের জমা দেওয়া পদত্যাগপত্র কেন্দ্রীয় সংসদে গৃহীত হয়েছে।

সাভারে এনসিপির সমাবেশে হাতবোমা বিস্ফোরণের মামলায় দুজন রিমান্ডে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সাভারে এনসিপি সমাবেশে হাতব ঘটনায় করা মামলায় গ্রেপ্তার নুরুল ইসলাম ও মো. সজিবকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি পেয়েছে পুলিশ।
ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাজুল ইসলাম সোহাগ ৭ জুলাই ২০২৬ মঙ্গলবার তাদের দুই দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন।প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মো.বাহাজ উদ্দীন বলেন, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাভার মডেল থানার এসআই শাখাওয়াত ইমতিয়াজ সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেছেন। আসামিদের পক্ষের আইনজীবী এমএম আশ্রাফ আলী অয়ন রিমান্ড আবেদন বাতিল করে জামিনের প্রার্থনা করেন।বিচারক দুই দিনের রিমান্ড মন্জুর করেন।

সাভারের তারাপুর ঈদগাহ মাঠে এনসিপির ‘জুলাই পদযাত্রা’ পরবর্তী সমাবেশে হাতবোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তাতে তিনজন আহত হন।ওই ঘটনায় রাতেই এনসিপির পক্ষ থেকে একটি মামলা করেন দলের ঢাকা জেলা উত্তরের সদস্য সচিব সালামত উল্লাহ রনি।মামলায় বলা হয়-অজ্ঞাতনামা আসামিরা এনসিপি নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ শ্রোতাদের হত্যার উদ্দেশ্যে এই বিস্ফোরণ ঘটনায়।হামলার সময় এনসিপি আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, এনসিপি সদস্যসচিব সংসদ সদস্য আখতার হোসেন, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ