আজঃ শনিবার ২৭ জুন, ২০২৬

চট্টগ্রাম মহানগরের ৫ স্থানে হচ্ছে ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার: চসিক মেয়র

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরীতে মোট ৫টি ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার স্থাপন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। মা ও শিশুবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার স্থাপন করা হবে বলে তিনি জানান। মঙ্গলবার নতুন ব্রিজ পুলিশ বক্স এলাকায় ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।

মেয়র বলেন, একজন কর্মজীবী বা বাইরে অবস্থানরত মায়ের জন্য শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সেই বাস্তবতা বিবেচনায় নগরের গুরুত্বপূর্ণ ও জনসমাগমপূর্ণ স্থানে ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।এর মাধ্যমে মায়েরা স্বাচ্ছন্দ্যে এবং মর্যাদার সঙ্গে তাদের শিশুদের প্রয়োজনীয় যত্ন নিশ্চিত করতে পারবেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি সদস্য আব্দুল করিম ভুট্টো, মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সালাহউদ্দিন শাহেদ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক এন. মোহাম্মদ রিমন, হালিশহর বিএনপি সিনিয়র সহ সভাপতি শেখ মেহেদী, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য নোমান সিকদার সোহাগ। এসময় ডাকবাক্স ফাউন্ডেশন ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার প্রকল্পের প্রধান সমন্বয়কারী সাফরাশ নুরী সিজ্জি প্রকল্পের কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বর্ণনা দেন।

ডাকবাক্স ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান, অভিনেতা জিয়াউল হক পলাশ এর নেতৃত্বে বাস্তবায়নাধীন এই পাইলট প্রকল্পের আওতায় নগরের নতুন ব্রিজ, পতেঙ্গা, কদমতলী কারখানা এলাকা, আগ্রাবাদ এবং রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় মোট ৫টি ব্রেস্ট ফিডিং ফিডিং সেন্টার স্থাপন করা হবে। প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৬ লাখ টাকা, যা যৌথভাবে অর্থায়ন করছে ডাকবাক্স ফাউন্ডেশন ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন।
চসিক মেয়র আরও বলেন, শিশুর সুস্বাস্থ্য ও মায়ের মর্যাদা রক্ষায় ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার একটি যুগোপযোগী উদ্যোগ।এটি শুধু একটি সামাজিক দায়িত্ব নয়, বরং মানবিক নগর গঠনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পাইলট প্রকল্পটি সফল হলে ভবিষ্যতে চট্টগ্রামের আরও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এ ধরনের কেন্দ্র স্থাপন করা হবে।

চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমের প্রসঙ্গ টেনে মেয়র বলেন, চট্টগ্রামকে একটি স্বাস্থ্যবান্ধব, মানবিক ও আধুনিক নগর হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা জলাবদ্ধতা নিরসন, খাল পুনরুদ্ধার, আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, স্কুল হেলথ প্রোগ্রাম, খেলাধুলার মাঠ আধুনিকায়ন এবং নাগরিক স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণসহ একাধিক জনকল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন করছি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নালা-খাল দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না : সিডিএ চেয়ারম্যান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নালা-খাল দখল করে কোনো অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না বলে জানালেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ(সিডিএ)’র চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন। বৃহস্পতিবার তিনি চট্টগ্রাম মহানগরের নয়ারহাট খাল ও ইপিজেড-সল্টগোলা ক্রসিং সংলগ্ন এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করে এলকাবাসীর উদ্দেশ্যে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, আমি আপনাদের জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে নয়ারহাট খালে স্লুইসগেট নির্মাণ করে দেব। তবে আপনাদেরও একটি প্রতিশ্রুতি দিতে হবে যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলা যাবে না, নালা-খাল দখল করে কোনো অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না। একটি পরিচ্ছন্ন, নান্দনিক ও সৌন্দর্যমণ্ডিত চট্টগ্রাম গড়ে তুলতে সরকারের পাশাপাশি নাগরিকদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

চট্টগ্রামের ইপিজেড-সল্টগোলা ক্রসিং এলাকায় দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে নয়ারহাট খালে স্লুইসগেট নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। এ লক্ষ্যে সম্ভাব্য নির্মাণস্থল পরিদর্শন করেছেন সিডিএর নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন। বৃহস্পতিবার সরেজমিনে পরিদর্শন করে স্লুইসগেট নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
পরিদর্শনকালে সিডিএ চেয়ারম্যান বলেন, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সংসদীয় এলাকার জনগণের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করতে প্রকল্পটিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

স্লুইসগেট নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় ভূমি অধিগ্রহণ ও ব্যবহারসংক্রান্ত বিষয়গুলোতে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত অগ্রসর হওয়ার কথাও জানান তিনি। তিনি সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের দ্রুত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রণয়ন করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন সিডিএ চেয়ারম্যান। এলাকাবাসী দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার দুর্ভোগের কথা তুলে ধরলে তিনি দ্রুত সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দেন।

সিডিএ সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম মহানগরের জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের আওতায় নয়ারহাট খালের সংস্কারকাজ আগেই সম্পন্ন করা হয়েছিল। তবে খালের মুখে স্লুইসগেট না থাকায় জোয়ারের সময় সমুদ্রের পানি খালে প্রবেশ করে এবং বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশনে বাধা সৃষ্টি হয়। ফলে হালিশহর, ইপিজেড ও আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতা সমস্যা অব্যাহত রয়েছে। এর আগে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড এ এলাকায় স্লুইসগেট নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করলেও বিভিন্ন জটিলতার কারণে তা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি।

অসহায় প্রবাসী পরিবারের পাশে ইউএই হাটহাজারী সমিতি, অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে সালাউদ্দীন আলী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) হাটহাজারী সমিতির উদ্যোগে দুই প্রবাসী মরহুমের পরিবারের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। মানবিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে মোট ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার অনুদান তুলে দেওয়া হয় শোকসন্তপ্ত দুই পরিবারের হাতে।২৫ জুন (বৃহস্পতিবার) হাটহাজারীর একটি স্থানীয় হোটেলে অনুষ্ঠিত এ মানবিক সহায়তা অনুষ্ঠানে সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন তালুকদার, সিআইপি সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গভর্নিং বডির সদস্য ও সংযুক্ত আরব আমিরাত হাটহাজারী সমিতির অন্যতম সদস্য লায়ন সালাউদ্দীন আলী। প্রধান বক্তা ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শ্রমিক দলের যুগ্ম সম্পাদক নাসির উদ্দিন চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক পূর্বকোণের হাটহাজারী প্রতিনিধি খোরশেদ উল আলম শিমুল, সমিতির অন্যতম সহ-সভাপতি এনামুল হক ফোরকান, মোহাম্মদ মাহাবুবুল আলম, মোহাম্মদ দিদারুল আলম, মাওলানা নাছির উদ্দিন, দিদার আলম দিদার, মাহাবুব আলম মাহাবুব, মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন খোকন, নিজাম উদ্দিন, তৌহিদুল আলম, মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, মোহাম্মদ রেজাউল আমিন, বাদশা মিয়া, মাওলানা শোয়াইব, মাওলানা হাফেজ মাসুদ, মোহাম্মদ জালাল, মোহাম্মদ আনিছসহ সমিতির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে গুমানমর্দন এলাকার মরহুম হোসেনের পরিবারের হাতে ১ লাখ টাকা এবং মেখল ইউনিয়নের মরহুম খোরশেদ আলমের পরিবারের হাতে ৫০ হাজার টাকা আর্থিক অনুদান তুলে দেওয়া হয়। এ সময় পরিবারের সদস্যরা সমিতির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে লায়ন সালাউদ্দীন আলী বলেন, দেশের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জীবিকার সন্ধানে বিদেশে অবস্থানরত অনেক প্রবাসী নানা প্রতিকূলতা ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে জীবনযাপন করেন। তাদের কেউ মৃত্যুবরণ করলে পরিবারগুলো প্রায়ই কঠিন আর্থিক ও সামাজিক সংকটে পড়ে। সেই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে ইউএই হাটহাজারী সমিতি দীর্ঘদিন ধরে অসহায় ও ক্ষতিগ্রস্ত প্রবাসী পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে আসছে।

তিনি বলেন, “মানবসেবাই আমাদের মূল লক্ষ্য। সমাজের যেসব প্রবাসী পরিবার আর্থিকভাবে দুর্বল ও সংকটাপন্ন অবস্থায় রয়েছে, তাদের সহযোগিতায় আমরা সর্বদা সচেষ্ট থাকব। প্রবাসীদের কষ্টার্জিত রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করছে। তাই তাদের পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা ও সহযোগিতা প্রদর্শন করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।সালাউদ্দীন আলী আরও বলেন, “মানুষ মানুষের জন্য। সমাজের বিত্তবান ও সচেতন মানুষদের উচিত অসহায় ও শোকাহত পরিবারের পাশে দাঁড়ানো। পারস্পরিক সহযোগিতা, মানবিকতা ও সামাজিক সম্প্রীতির মাধ্যমে একটি কল্যাণমুখী সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।”

সভায় বক্তারা প্রবাসী মরহুমদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। তারা প্রবাসী কল্যাণে সামাজিক সংগঠনগুলোর ভূমিকার প্রশংসা করে এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে মরহুমদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। এতে উপস্থিত অতিথি, সমিতির নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন। মানবিক সহায়তার এ উদ্যোগকে এলাকাবাসী প্রশংসার সঙ্গে গ্রহণ করেছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ