আজঃ মঙ্গলবার ১২ মে, ২০২৬

দেশে এখন ভোট উৎসবের পরিবেশ তৈরি হয়েছে : আমির খসরু

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দেশে এখন ভোট উৎসবের পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম-১১ আসনে বিএনপির প্রার্থী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ৪২টি দল মিলে ঘোষিত ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নে তাঁরা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ।

তারেক রহমানের রাজনৈতিক পরিকল্পনার সঙ্গে যারা সংহতি প্রকাশ করবে, তাদের সঙ্গে আলোচনা হতে পারে। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দলীয়ভাবে নেওয়া হবে। সোমবার সকালে চট্টগ্রাম মহানগরের মেহেদিবাগের বাসভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি বিএনপি যদি প্রয়োজন মনে করে তাহলে ঐকমত্যের সরকার গঠনের কথা ভাববে বলে জানান। আমীর খসরু বলেন, দেশে এখন ভোট উৎসবের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। দীর্ঘ সময় পর নতুন প্রজন্ম ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছে। তিনি নির্বাচিত হলে চট্টগ্রাম-১১ আসনে ১১টি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেন।

চট্টগ্রাম বন্দরের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একটি দেশের উন্নয়নে বন্দরের কার্যকারিতা গুরুত্বপূর্ণ। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বন্দরের টার্ন অ্যারাউন্ড টাইম, ডেলিভারি টাইম ও পরিচালন দক্ষতা বিবেচনায় নেন। এসব সূচকে উন্নতি এনে চট্টগ্রামকে বৈশ্বিক মানে উন্নীত করা হবে। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে চট্টগ্রামকে ‘লজিস্টিক্যাল হাব’ হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
ভোটের দিন শঙ্কা প্রসঙ্গে আমীর খসরু বলেন, সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের গুজব ছড়ানো হচ্ছে। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানাই। নির্বাচনী প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ করার যেকোনো প্রচেষ্টা প্রতিহত করার আহ্বানও জানান তিনি।

ঐকমত্যের সরকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকার গঠনের ক্ষেত্রে দর্শনগত মিল ও ভবিষ্যৎ কর্মসূচিতে একমত হওয়া প্রয়োজন। ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা হতে পারে।হ্যাঁ-না ভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার সুযোগ দেওয়া হবে না। দেশের মানুষ তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করতে চায়।

শেখ হাসিনার বিচার প্রসঙ্গ নিয়ে নির্বাচনী সময়ে আলোচনা না হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন মূলত ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা উপস্থাপনের বিষয়। অতীতের মতো এবারও জনগণ বিএনপির ওপর আস্থা রাখবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় আসার চেষ্টা করলে বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ তাদের প্রত্যাখ্রান করবে এবং ব্যালটের মাধ্যমে জনগণ তাদের জবাব দেবে।

ভোট কারচুপির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, পত্র পত্রিকা ও সামাজিক মাধ্যমে নানা বিষয় উঠে আসছে। তারা ব্যালট ছাপাচ্ছে, বোরকা বানাচ্ছে, এনআইডি কার্ড নিয়ে যাচ্ছে, বিকাশে টাকা পাঠানোর জন্য মোবাইল নাম্বার নিচ্ছে। এসব করে তারা যে কিছু করতে পারবে না, কারণ জনগণ এসবে বিভ্রান্ত হবে না।
এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য ইসরাফিল খসরু প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

দক্ষিণ এশিয়ায় সংখ্যালঘুদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ স্থান হবে বাংলাদেশ: নাহিদ ইসলাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দক্ষিণ এশিয়ায় সংখ্যালঘুদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ স্থান বাংলাদেশ হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং সব ধর্ম-বর্ণের মানুষের নিরাপত্তা ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গে একটা নির্বাচন হয়েছে।বাংলাদেশের পার্শ্ববর্তী এলাকা হিসেবে পশ্চিমবঙ্গ আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই নির্বাচন তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়, কিন্তু নির্বাচন নিয়ে আমরা এজন্য কোনো কথা বলতে চাই না।

বৃহস্পতিবার বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি হলে এনসিপিতে যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, তবে আমরা দেখেছি নির্বাচনের আগে কয়েক লাখ ভোটারের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হয়েছে, তাদের ভোটদান থেকে বিরত রাখা হয়েছিল। তাদের অধিকাংশ ছিল মুসলমান এবং মতুয়া সম্প্রদায়ের।তিনি বলেন, আমি সংসদেও এটা বলেছি, সেখানে (পশ্চিমবঙ্গে) মুসলমানদের নির্যাতন করা হচ্ছে, তাদের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে, এটার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়বে।

নির্বাচনের পরেও সেখানে মুসলিম নির্যাতন হচ্ছে, মতুয়া, দলিত ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন করা হচ্ছে।
নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা একটা কথা সুস্পষ্টভাবে বলতে চাই- পশ্চিমবঙ্গের এই নির্বাচনের ফলাফলের পরে বাংলাদেশের দায়িত্ব অনেক বেড়ে গিয়েছে। বাংলাদেশকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। এদেশের হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সকলের নিরাপত্তা এবং নাগরিক অধিকার নিশ্চিতের দায়িত্ব আমাদের নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের শত্রুপক্ষ যারা বাংলাদেশবিরোধী, বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী, তারা নানা উসকানি দিবে, সাম্প্রদায়িকতা ছড়ানোর চেষ্টা করবে, নানা প্রোপাগান্ডা করবে। আমাদের এ বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে। আমরা এটা দেখিয়ে দেব, দক্ষিণ এশিয়ায় সংখ্যালঘুদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ স্থান হবে এই বাংলাদেশ। বাংলাদেশকে বাংলার মুসলমান, দলিত, মতুয়া সম্প্রদায়সহ সকলের দায়িত্ব নিতে হবে এবং তাদের অধিকারের পক্ষে কথা বলতে হবে।

এনসিপি আহ্বায়ক বলেন, আজ যারা নতুন করে যোগদান দিচ্ছেন এবং যারা আগে থেকেই আছেন, সবাইকে একটাই প্রতিজ্ঞা করতে হবে- আমরা নিজেদের মধ্যে কোনো দ্বন্দ্ব রাখব না। যে যেখান থেকেই আসুন না কেন, এনসিপির পতাকাতলে সবাই যোগ্যতা অনুসারে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব। কারণ ঐক্যই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। বাংলাদেশে আবার সংকট তৈরি হয়েছে।

এ সংকট মোকাবিলা করতে হবে।বাংলাদেশে জুলাই গণহত্যা ও সংস্কার বাস্তবায়ন করতে হবে। এটি এনসিপিকে বাস্তবায়ন করতে হবে। সেটি সংসদ এবং রাজপথে। আন্দোলনে আমাদের অনেক বোন রাজপথে থেকে আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন। তাদের অধিকার রক্ষায় আমাদের কাজ করতে হবে।নাহিদ ইসলাম বলেন, বাংলাদেশে হামের প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা দেখতে চায় না আর একটি শিশুও হামের কারণে মৃত্যুবরণ করুক। সরকারকে বলবো, আপনারা পর্যাপ্ত চিকিৎসা সেবা বৃদ্ধি করুন।এনসিপি ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক ইসহাক সরকার বলেছেন, ঢাকা বিজয় হয়েছে। আজকে চট্টগ্রাম বিজয়ের যাত্রা শুরু হয়েছে। যারা জুলাইয়ের সঙ্গে বেইমানি করেছে তাদের সঙ্গে জনগণের কোন সম্পর্ক নেই।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার জুলাইয়ের সঙ্গে গাদ্দারি করছে। সনদ বাস্তবায়নে বিভিন্ন তালবাহানা শুরু করেছে।সরকার যদি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে, তাহলে আমরা রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে দাবি আদায় করে নিবো । জুলাইয়ে আমার ভাই হত্যার বদলা আমরা নিবোই। বিএনপি ক্ষমতায় এসে আজকে আমাদের সঙ্গে বেইমানি করছে। ইসহাক সরকার বলেন, হাসিনা ভারতে আশ্রয় পেয়েছে, আপনারা কোথায় যাবেন? জুলাইয়ে সঙ্গে বেইমানি করবেন না। জুলাইয়ে সঙ্গে বেইমানি করলে ছাড় দেওয়া হবে না। চট্টগ্রাম আন্দোলন সংগ্রামের শহর। চট্টগ্রাম থেকেই আন্দোলনের সূচনা হবে।

সরকারকে হুশিয়ারি করে বলতে চাই আপনারা জুলাইয়ের আকাঙ্খা বাস্তবায়ন করুন। জুলাইয়ের সঙ্গে গাদ্দারি করবেন না। শত শহীদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করবেন না। ক্ষমতায় গিয়ে রক্তস্নাত জুলাইকে ভুলে যাবেন না। যদি ভুলে যান তাহলে রাজপথ থেকে কঠোন ভাবে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হবে।এলডিপি, সোস্যাল এক্টিভিস্ট, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরা এনসিটিতে যোগদান করেন।

বোয়ালখালীতে জামায়াতে ইসলামী’র কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী উপজেলা ও পৌরসভা শাখার উদ্যোগে এক কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১ মে) সকাল ৯টায় স্থানীয় একটি কমিউনিটি সেন্টারে কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে জুমার নামাজ শেষে মেজবানের আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বোয়ালখালী উপজেলা শাখার আমীর মুহাম্মদ খোরশেদ আলমের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি ইমাম উদ্দিন ইয়াছিনের সঞ্চালনায় সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতে ইসলামী’র আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতে ইসলামী’র আমীর মুহাম্মদ আনোয়ারুল আলম চৌধুরী, চট্টগ্রাম মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ মোরশেদুল ইসলাম চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা সহকারী সেক্রেটারি মোঃ জাকারিয়া, চট্টগ্রাম ন্যাশনাল হাসপাতালের পরিচালক ও বোয়ালখালী উপজেলা নায়েবে আমীর ডা. আবু নাছের।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন চান্দগাঁও জামায়াতের আমীর মোঃ ইসমাইল হোসেন, সেক্রেটারি জসিম উদ্দিন সরকার, আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক মোঃ ইকবাল, বোয়ালখালী উপজেলা মহিলা জামায়াতের সভাপতি নাহিদ পারভিন, অঞ্চল পরিচালক এলিনা সুলতানা, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মাওলানা মফিজুর রহমান, ওলামা বিভাগের সভাপতি মাওলানা দিদারুল আলম, বোয়ালখালী পৌরসভা ও পোপাদিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দসহ অনেকে। অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন রেনেসা ও দিগন্ত শিল্পী গোষ্ঠী।

আলোচিত খবর

চট্টগ্রাম কাস্টমসে নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেয়া ২২০ কন্টেইনার পণ্য বিক্রি হবে নিলামে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া ২২০ টি কন্টেইনার নিলামে তোলার পদক্ষেপ নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘদিনের জট নিরসনে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। সর্বমোট ১৩৭টি লটে ২২০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে। বিশেষ করে আমদানির পর নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া এসব কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে।এই নিলাম প্রক্রিয়া অনলাইনে (ই-অকশন) সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, পুরো মে মাস জুড়ে দরদাতাদের জন্য সরেজমিনে পণ্য পরিদর্শনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে সর্বোচ্চ দরদাতাদের পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪ এর শর্তাবলী মেনে চলতে হবে বলে জানিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্দরকে কন্টেইনার জটমুক্ত করতে এবং ভৌত ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের নিলাম কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

কাস্টমস সূত্র জানায়, আমদানিকৃত এসব পণ্য মাসের পর মাস বন্দরে পড়ে থাকায় একদিকে যেমন বন্দরের জায়গা দখল হয়ে আছে, অন্যদিকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আটকে রয়েছে। এতে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও সক্ষমতা কমছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে মে মাসে দুই ধাপে এই ই-অকশন অনুষ্ঠিত হবে।

জানা গেছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিশেষ আদেশ অনুসারে ‘ই-অকশন-৪/২০২৬’-এর আওতায় ১২০টি লটে ১৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে।
এই তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন ধরণের কেমিক্যাল, মেশিনারিজ, কাগজ, কাপড় (ফেব্রিক্স), গৃহস্থালির সামগ্রী এবং এসি পার্টস। বিশেষ বিষয় হলো, এই পণ্যগুলোর নিলামে কোনো সংরক্ষিত মূল্য থাকছে না। এই ধাপের দরপত্র আগামী ৯ জুন সকাল ১১টায় খোলা হবে। অন্যদিকে, স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী ‘ই-অকশন-৫/২০২৬’-এর আওতায় ১৭টি লটে আরও ৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হবে।

এর মধ্যে রয়েছে ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, প্যাসেঞ্জার এলিভেটর, স্টিল স্ক্র্যাপ, গাড়ি এবং লবণ। এই ধাপের দরপত্র আগামী ১৪ মে দুপুর ৩টায় উন্মুক্ত করা হবে। নিলাম প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে কার্যক্রমটি পরিচালিত হচ্ছে। আগ্রহী ক্রেতারা ঘরে বসেই বাংলাদেশ কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টালে নিবন্ধন করে দরপত্র দাখিল করতে পারবে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ