আজঃ মঙ্গলবার ১২ মে, ২০২৬

এমপি নয়, কর্মী হয়ে মানুষের পাশে থাকব-সাঈদ আল নোমান

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-১০ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাঈদ আল নোমান বলেছেন, তিনি এমপি হয়ে ক্ষমতার অংশ হতে চান না; বরং একজন কর্মী হিসেবে সব সময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকতে চান। জনগণ যদি তাকে সেবা করার সুযোগ দেন, তাহলে মানুষের সুখ-দুঃখ, সমস্যা ও সংগ্রামে নিজেকে নিয়োজিত রাখবেন।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) নিজ নির্বাচনী এলাকায় প্রচারণার শেষ দিনে গণসংযোগ ও পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।এদিন তিনি চট্টগ্রাম নগরীর ৮ নম্বর ওয়ার্ড ও ১২ নম্বর ওয়ার্ডে ব্যাপক গণসংযোগ করেন। গণসংযোগকালে তিনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং ভোটারদের কাছে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন।

সাঈদ আল নোমান বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দোলন, ত্যাগ ও সংগ্রামের ফয়সালা হবে আগামী ১২ তারিখের ভোটের মাধ্যমে। ধানের শীষের বিজয়ের মধ্য দিয়েই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হবে এবং তারেক রহমান আগামীর প্রধানমন্ত্রী হবেন—এই বিশ্বাস নিয়েই বিএনপি জনগণের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, বিগত বছরগুলোতে দেশের মানুষ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। মত প্রকাশের স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্রকে পরিকল্পিতভাবে সংকুচিত করা হয়েছে। আগামী নির্বাচন সেই হারিয়ে যাওয়া অধিকার পুনরুদ্ধারের একটি ঐতিহাসিক সুযোগ।

তিনি আরও বলেন, ইনশাআল্লাহ চট্টগ্রাম-১০ আসনের মানুষ যদি আমাকে সুযোগ দেন, তাহলে আমি একজন এমপি নয়—একজন কর্মীর মতো জনগণের পাশে থাকব। চট্টগ্রামকে একটি প্রকৃত বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করব, যেমনটি আমাদের দলীয় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্দেশনা দিয়েছেন।

বিএনপি ক্ষমতায় এলে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, তরুণদের জন্য কাজের সুযোগ তৈরি এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের অনুকূল পরিবেশ ফিরিয়ে আনা হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে ইনশাআল্লাহ ফ্যামিলি কার্ডসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেন।

গণসংযোগে সাঈদ আল নোমান বলেন, চট্টগ্রাম-১০ আসনের মানুষ পরিবর্তনের অপেক্ষায় আছেন। যেভাবে অতীতে তারা তার বাবা, সাবেক মন্ত্রী আব্দুল্লাহ আল নোমানকে বিপুল ভোটে জয়ী করেছিলেন, সেই ভালোবাসা ও আস্থা এবারও পাবেন বলে তিনি বিশ্বাস করেন। জনগণ যদি তাকে ও তার দলকে সেবা করার সুযোগ দেন, তাহলে সেই আস্থার মর্যাদা রক্ষা করাই হবে তার প্রধান দায়িত্ব।

তিনি ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, আগামী ১২ তারিখ ভয়ভীতি উপেক্ষা করে কেন্দ্রে গিয়ে ধানের শীষে ভোট দিয়ে গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও দেশের ভবিষ্যৎ রক্ষার আহ্বান জানাচ্ছি।গণসংযোগ ও পথসভায় বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বোয়ালখালী হারগাজী খাল ভাঙন রোধে তীর সংরক্ষণ ও রাস্তার উন্নয়নের কাজ দ্রুত এগোচ্ছে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উন্নয়ন ভাবনা ও জনকল্যাণমুখী কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। চট্টগ্রামের বোয়ালখালী আহলা (ধলঘাট) গ্রামে অবস্থিত হারগাজী খাল পানির স্রোতে বিলীন হয়ে যাওয়া ভাঙন রোধে তীর সংরক্ষণ জিও ব্যাগ ও রাস্তার উন্নয়নের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। দীর্ঘদিনের খাল ভাঙনের আতঙ্কে থাকা স্থানীয়রা এখন আশার আলো দেখতে শুরু করেছেন। চট্টগ্রাম-৮ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের বরাদ্দের কাজ আহলা গ্রামে ৯নং ওয়ার্ডে অবস্থিত আহলা শ্রী শ্রী জয়কালী বিগ্রহ মন্দির থেকে লোকনাথ মন্দির পর্যন্ত প্রায় হাফ কিলো. ১০ ফুট পাকা রাস্তা ও ২১০ মিটার খাল ভাঙ্গন রোধে তীর সংরক্ষণের কাজ এখন শেষের পথে।

১০ নং আহলা করলডেঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান হামিদুল হক মান্নান ও ইউপি সদস্য হারুনুর রশীদ চৌধুরী কাজের গুণগত মান ও সময়সীমা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি করছে। হামিদুল হক মান্নান এর সার্বিক সহযোগিতায় রাস্তার উন্নয়নের কাজ এখন দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে। জানা গেছে, হারগাজী খাল ভাঙ্গন তীরের বিভিন্ন স্থানে ভাঙন প্রতিরোধে তীর সংরক্ষণ জিও ব্যাগ এর কাজ শেষ হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, কয়েক বছর ধরে খাল ভাঙনে ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও রাস্তা বিলীন হয়ে যাচ্ছিল। এবার তীর সংরক্ষণ ও রাস্তার উন্নয়ন কাজের ফলে এলাকার মানুষ ভাঙনের ভয় কাটিয়ে স্বত্বি ফিরে পেয়েছে। এতে এলাকাবাসী চেয়ারম্যান মহোদয়কে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। প্রকল্পটি সম্পন্ন হলে তিন ইউনিয়নের ৮ গ্রামের লাখো মানুষ যাতায়াত করতে গিয়ে দুর্ভোগ পোহাতে হবে না। বোয়ালখালী ও আশপাশের কয়েকটি ইউনিয়নের ভাঙন ঝুঁকি স্থায়ীভাবে কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাজ শুরু হয়েছে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে এবং ২০২৬ সালের জুন মাসে সমাপ্তির পরিকল্পনা রয়েছে।

সরেজমিন দেখা যায়, হারগেজী খালের ভাঙনে জিও ব্যাগ ও ইট বিছানোর গ্রামীণ সড়কটি প্রায়ই শেষের পথে। ১০নং আহলা করলডেঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হামিদুল হক মন্নান বলেন, হারগেজী খালের ভাঙ্গন ও রাস্তার কাজ সম্পন্ন হলে ৯নং ওয়ার্ড ও ১ লাখ বাসিন্দা এখন সুফল পাবে। এখন আর কোন কাঁদা মাটি থাকবে ন, যাতায়ত ব্যবস্থা ও ভালো হবে। বতর্মান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে রাস্তা উন্নয়ন এবং খাল রক্ষার জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ও প্রকল্প গ্রহণ করেছে তারই ধারাবাহিকতায় আজ দেশ এগিয়ে যাচ্ছে।

চট্টগ্রামে ব্যাংকের টাকা আত্মসাৎ, সাবেক কর্মকর্তার ৮ বছরের কারাদণ্ড।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে ব্যাংকের ১৩ লাখ ৪৫ হাজার ১৬৫ টাকা আত্মসাতের মামলায় এক সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তাকে ৮ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই ঘটনায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তিনজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমানের আদালত এ রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মো. ফজলে আজিম খাগড়াছড়ি জেলার রামগড় থানার মাস্টারপাড়া এলাকার এ. কে. এম. শাহ আলমের ছেলে। তিনি অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেডের বহদ্দারহাট বিটি শাখার সাবেক কর্মকর্তা (সাময়িক বরখাস্তকৃত)। খালাসপ্রাপ্তরা হলেন মোহাম্মদ রেজাত হোসেন, হামদে রাব্বি মুন্না ও রিপায়ন বড়ুয়া।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১১ সালে বহদ্দারহাট বিটি শাখায় বৈদেশিক রেমিট্যান্স প্রদানের দায়িত্বে থাকা অবস্থায় ফজলে আজিম বিভিন্ন ভুয়া রেমিট্যান্স রেফারেন্স নম্বর তৈরি করেন। পরে জাল কম্পিউটার জেনারেটেড রিসিট ও ট্রান্সফার ভাউচার ব্যবহার করে ব্যাংকের এফডিডি (আল রাজী) খাত থেকে টাকা উত্তোলন ও স্থানান্তরের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেন।এ ঘটনায় দুদকের সহকারী পরিচালক জাফর আহমেদ ২০১৯ সালের ২০ মার্চ চান্দগাঁও থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিলে ২০২২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়।

দুদকের পিপি এড. রেজাউল করিম রনি জানান, সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্য-প্রমাণে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সাময়িক বরখাস্তকৃত ব্যাংক কর্মকর্তা ফজলে আজিমকে দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায় সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া, আত্মসাৎ করা ১৩ লাখ ৪৫ হাজার ১৬৫ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সব সাজা একসঙ্গে কার্যকর হবে। আসামি ফজলে আজিম পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা মূলে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

চট্টগ্রাম কাস্টমসে নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেয়া ২২০ কন্টেইনার পণ্য বিক্রি হবে নিলামে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া ২২০ টি কন্টেইনার নিলামে তোলার পদক্ষেপ নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘদিনের জট নিরসনে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। সর্বমোট ১৩৭টি লটে ২২০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে। বিশেষ করে আমদানির পর নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া এসব কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে।এই নিলাম প্রক্রিয়া অনলাইনে (ই-অকশন) সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, পুরো মে মাস জুড়ে দরদাতাদের জন্য সরেজমিনে পণ্য পরিদর্শনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে সর্বোচ্চ দরদাতাদের পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪ এর শর্তাবলী মেনে চলতে হবে বলে জানিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্দরকে কন্টেইনার জটমুক্ত করতে এবং ভৌত ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের নিলাম কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

কাস্টমস সূত্র জানায়, আমদানিকৃত এসব পণ্য মাসের পর মাস বন্দরে পড়ে থাকায় একদিকে যেমন বন্দরের জায়গা দখল হয়ে আছে, অন্যদিকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আটকে রয়েছে। এতে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও সক্ষমতা কমছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে মে মাসে দুই ধাপে এই ই-অকশন অনুষ্ঠিত হবে।

জানা গেছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিশেষ আদেশ অনুসারে ‘ই-অকশন-৪/২০২৬’-এর আওতায় ১২০টি লটে ১৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে।
এই তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন ধরণের কেমিক্যাল, মেশিনারিজ, কাগজ, কাপড় (ফেব্রিক্স), গৃহস্থালির সামগ্রী এবং এসি পার্টস। বিশেষ বিষয় হলো, এই পণ্যগুলোর নিলামে কোনো সংরক্ষিত মূল্য থাকছে না। এই ধাপের দরপত্র আগামী ৯ জুন সকাল ১১টায় খোলা হবে। অন্যদিকে, স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী ‘ই-অকশন-৫/২০২৬’-এর আওতায় ১৭টি লটে আরও ৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হবে।

এর মধ্যে রয়েছে ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, প্যাসেঞ্জার এলিভেটর, স্টিল স্ক্র্যাপ, গাড়ি এবং লবণ। এই ধাপের দরপত্র আগামী ১৪ মে দুপুর ৩টায় উন্মুক্ত করা হবে। নিলাম প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে কার্যক্রমটি পরিচালিত হচ্ছে। আগ্রহী ক্রেতারা ঘরে বসেই বাংলাদেশ কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টালে নিবন্ধন করে দরপত্র দাখিল করতে পারবে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ