আজঃ বৃহস্পতিবার ১২ মার্চ, ২০২৬

এমপি নয়, কর্মী হয়ে মানুষের পাশে থাকব-সাঈদ আল নোমান

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-১০ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাঈদ আল নোমান বলেছেন, তিনি এমপি হয়ে ক্ষমতার অংশ হতে চান না; বরং একজন কর্মী হিসেবে সব সময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকতে চান। জনগণ যদি তাকে সেবা করার সুযোগ দেন, তাহলে মানুষের সুখ-দুঃখ, সমস্যা ও সংগ্রামে নিজেকে নিয়োজিত রাখবেন।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) নিজ নির্বাচনী এলাকায় প্রচারণার শেষ দিনে গণসংযোগ ও পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।এদিন তিনি চট্টগ্রাম নগরীর ৮ নম্বর ওয়ার্ড ও ১২ নম্বর ওয়ার্ডে ব্যাপক গণসংযোগ করেন। গণসংযোগকালে তিনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং ভোটারদের কাছে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন।

সাঈদ আল নোমান বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দোলন, ত্যাগ ও সংগ্রামের ফয়সালা হবে আগামী ১২ তারিখের ভোটের মাধ্যমে। ধানের শীষের বিজয়ের মধ্য দিয়েই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হবে এবং তারেক রহমান আগামীর প্রধানমন্ত্রী হবেন—এই বিশ্বাস নিয়েই বিএনপি জনগণের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, বিগত বছরগুলোতে দেশের মানুষ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। মত প্রকাশের স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্রকে পরিকল্পিতভাবে সংকুচিত করা হয়েছে। আগামী নির্বাচন সেই হারিয়ে যাওয়া অধিকার পুনরুদ্ধারের একটি ঐতিহাসিক সুযোগ।

তিনি আরও বলেন, ইনশাআল্লাহ চট্টগ্রাম-১০ আসনের মানুষ যদি আমাকে সুযোগ দেন, তাহলে আমি একজন এমপি নয়—একজন কর্মীর মতো জনগণের পাশে থাকব। চট্টগ্রামকে একটি প্রকৃত বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করব, যেমনটি আমাদের দলীয় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্দেশনা দিয়েছেন।

বিএনপি ক্ষমতায় এলে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, তরুণদের জন্য কাজের সুযোগ তৈরি এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের অনুকূল পরিবেশ ফিরিয়ে আনা হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে ইনশাআল্লাহ ফ্যামিলি কার্ডসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেন।

গণসংযোগে সাঈদ আল নোমান বলেন, চট্টগ্রাম-১০ আসনের মানুষ পরিবর্তনের অপেক্ষায় আছেন। যেভাবে অতীতে তারা তার বাবা, সাবেক মন্ত্রী আব্দুল্লাহ আল নোমানকে বিপুল ভোটে জয়ী করেছিলেন, সেই ভালোবাসা ও আস্থা এবারও পাবেন বলে তিনি বিশ্বাস করেন। জনগণ যদি তাকে ও তার দলকে সেবা করার সুযোগ দেন, তাহলে সেই আস্থার মর্যাদা রক্ষা করাই হবে তার প্রধান দায়িত্ব।

তিনি ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, আগামী ১২ তারিখ ভয়ভীতি উপেক্ষা করে কেন্দ্রে গিয়ে ধানের শীষে ভোট দিয়ে গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও দেশের ভবিষ্যৎ রক্ষার আহ্বান জানাচ্ছি।গণসংযোগ ও পথসভায় বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

গাউসিয়া হক ভাণ্ডারী খানকাহ্ শরিফের ব্যবস্থাপনায় আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

১১ মার্চ, বুধবার গাউসিয়া হক ভাণ্ডারী খানকাহ্ শরিফের ব্যবস্থাপনায় প্রতি বছরের ন্যায় এই বছরও হযরত শেরে খোদা মওলা আলী (র.), খাতুনে জান্নাত মা ফাতেমা (রহ.) উরশ মোবারক ও শহীদ বদর দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, মিলাদ শরিফ ও ইফতার মাহফিল খানকাহ্ শরিফ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা কাজী হাবিবুল হোসাইন, মাওলানা মোঃ মুজিবুল হক, হাফেজ মাওলানা মোখতার হোসাইন, মাওলানা হাফেজ হারুণ রশীদ, মাওলানা একরামুল হক, কেন্দ্রীয় পর্ষদ সদস্য মোহাম্মদ আলী, ফজলুল হক, মকসেদুর রহমান হাসনু, মীর শফিউল আলম নিজাম, মহানগর সমন্বয়কারী মেজবাহ উদ্দীন, শফিকুল ইসলাম, সাজ্জাদ হোসাইন, ওমর ফারুক, শামসুল আলম, খানকাহ্ সভাপতি মুহাম্মদ শওকত হোসাইন রুবেল, সাধরাণ সম্পাদক খুরশিদ আলম। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন জুয়েল, রাজা, রিপন, ওসমান, পারভেজ, ইকবাল, রানা, বিজয়, নূর মিয়া, হাকিম প্রমুখ।

নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন নিশ্চিত করতে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন: চসিক মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নগরবাসীর জন্য নিরাপদ পানি ও কার্যকর পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সংস্থা এবং কমিউনিটির সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।চট্টগ্রামে আয়োজিত “ওয়াশ ফর আরবান পুওর” প্রকল্পের দ্বিতীয় ধাপের ফেইজ আউট ওয়ার্কশপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গত মঙ্গলবার তিনি এ কথা বলেন। ওয়াটারএইড বাংলাদেশের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় এবং দুঃস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্র (ডিএসকে)-এর বাস্তবায়নে পরিচালিত এ প্রকল্পটি ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে শুরু হয়ে চলতি বছরের মার্চ মাসে সমাপ্ত হচ্ছে।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, নগরের জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় স্যানিটেশন ও নিরাপদ পানির বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনিয়ন্ত্রিত পরিবেশ ও স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করার কারণে নানা রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। তিনি বলেন, “স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য আমাদের একটি সমন্বিত সিস্টেম গড়ে তুলতে হবে, যেখানে সিটি কর্পোরেশন, প্রশাসন, উন্নয়ন সংস্থা ও সাধারণ জনগণ সবাই একসাথে কাজ করবে।
তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, নগরের স্টেডিয়াম এলাকায় এবং পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত এলাকায় নাগরিকদের জন্য টয়লেট নির্মিত হওয়ায় জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা সম্ভব হচ্ছে।

এভাবে জনবহুল এলাকাগুলোতে টয়লেট নির্মাণ করা হলে মানুষ উপকৃত হবে এবং পরিবেশ উন্নত হবে।
মেয়র বলেন, নগরের জনসাধারণের সুবিধার্থে সিটি কর্পোরেশন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে জনস্বাস্থ্যবান্ধব অবকাঠামো গড়ে তুলছে। ইতোমধ্যে নগরের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ব্রেস্টফিডিং কর্নার স্থাপন করা হয়েছে, যাতে মায়েরা নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় পরিবেশে শিশুদের দুধ পান করাতে পারেন। কর্ণফুলী সেতুর পাশসহ আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, নগরের জনকল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নে জনগণের অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উন্নয়ন সংস্থা ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো একসঙ্গে কাজ করলে নগরবাসীর কাছে স্বাস্থ্যসেবা ও স্যানিটেশন সুবিধা আরও কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।

তিনি আরও বলেন, নগরীর এখনও অনেক এলাকায় নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন জরুরি। এ ক্ষেত্রে কমিউনিটিকে সচেতন হয়ে নিজেদের দাবিদাওয়া তুলে ধরতে হবে এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে কাজ করতে হবে। এমন গুরুত্বপূর্ণ কর্মশালা আয়োজনের জন্য তিনি ওয়াটারএইড বাংলাদেশ ও ডিএসকে কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান।কর্মশালায় ওয়াটারএইড বাংলাদেশের প্রোগ্রাম লিড বাবুল বালা প্রকল্পের অর্জন ও কার্যক্রম নিয়ে একটি উপস্থাপনা প্রদান করেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সচিব আশরাফুল আমিন বলেন, ডিএসকে ও ওয়াটারএইডের কাজের গুণগত মান ও নান্দনিকতা দেখে বোঝা যায় প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে। ভবিষ্যতে পাহাড়ি এলাকা বাদ দিয়ে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় কাজ করলে সাধারণ মানুষ আরও বেশি উপকৃত হবে।

চট্টগ্রাম ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী বলেন, আজকের উপস্থাপনাটি অত্যন্ত তথ্যবহুল। সমাজে এখনও নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার ক্ষেত্রে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। ব্যক্তি সচেতনতার পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগের বিকল্প নেই।

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সিনিয়র আর্কিটেক্ট বলেন, ওয়াটারএইড বাংলাদেশ ও ডিএসকে গত তিন বছর ধরে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে যাচ্ছে। তাদের কাজের গুণগত মান অত্যন্ত ভালো এবং ভবিষ্যতে নিজেদের কার্যক্রমে তাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর আগ্রহ রয়েছে।

ডিএসকে ঢাকার ওয়াশ বিভাগের পরিচালক এম. এ. হাকিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালাটি সঞ্চালনা করেন দুঃস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্র (ডিএসকে)-এর প্রকল্প ব্যবস্থাপক আরেফাতুল জান্নাত।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, চট্টগ্রাম ওয়াসা, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, সমাজসেবা অধিদপ্তর, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, থানা শিক্ষা অফিস, পুলিশ প্রশাসন, ফার্মেসি প্রতিনিধি, স্কুল ও মাদ্রাসা প্রতিনিধি, এনজিও প্রতিনিধি, ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার, সিবিও প্রতিনিধি, হাইজিন হকার এবং স্বেচ্ছাসেবকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ