আজঃ শুক্রবার ২৭ মার্চ, ২০২৬

এমপি নয়, কর্মী হয়ে মানুষের পাশে থাকব-সাঈদ আল নোমান

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-১০ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাঈদ আল নোমান বলেছেন, তিনি এমপি হয়ে ক্ষমতার অংশ হতে চান না; বরং একজন কর্মী হিসেবে সব সময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকতে চান। জনগণ যদি তাকে সেবা করার সুযোগ দেন, তাহলে মানুষের সুখ-দুঃখ, সমস্যা ও সংগ্রামে নিজেকে নিয়োজিত রাখবেন।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) নিজ নির্বাচনী এলাকায় প্রচারণার শেষ দিনে গণসংযোগ ও পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।এদিন তিনি চট্টগ্রাম নগরীর ৮ নম্বর ওয়ার্ড ও ১২ নম্বর ওয়ার্ডে ব্যাপক গণসংযোগ করেন। গণসংযোগকালে তিনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং ভোটারদের কাছে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন।

সাঈদ আল নোমান বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দোলন, ত্যাগ ও সংগ্রামের ফয়সালা হবে আগামী ১২ তারিখের ভোটের মাধ্যমে। ধানের শীষের বিজয়ের মধ্য দিয়েই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হবে এবং তারেক রহমান আগামীর প্রধানমন্ত্রী হবেন—এই বিশ্বাস নিয়েই বিএনপি জনগণের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, বিগত বছরগুলোতে দেশের মানুষ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। মত প্রকাশের স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্রকে পরিকল্পিতভাবে সংকুচিত করা হয়েছে। আগামী নির্বাচন সেই হারিয়ে যাওয়া অধিকার পুনরুদ্ধারের একটি ঐতিহাসিক সুযোগ।

তিনি আরও বলেন, ইনশাআল্লাহ চট্টগ্রাম-১০ আসনের মানুষ যদি আমাকে সুযোগ দেন, তাহলে আমি একজন এমপি নয়—একজন কর্মীর মতো জনগণের পাশে থাকব। চট্টগ্রামকে একটি প্রকৃত বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করব, যেমনটি আমাদের দলীয় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্দেশনা দিয়েছেন।

বিএনপি ক্ষমতায় এলে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, তরুণদের জন্য কাজের সুযোগ তৈরি এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের অনুকূল পরিবেশ ফিরিয়ে আনা হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে ইনশাআল্লাহ ফ্যামিলি কার্ডসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেন।

গণসংযোগে সাঈদ আল নোমান বলেন, চট্টগ্রাম-১০ আসনের মানুষ পরিবর্তনের অপেক্ষায় আছেন। যেভাবে অতীতে তারা তার বাবা, সাবেক মন্ত্রী আব্দুল্লাহ আল নোমানকে বিপুল ভোটে জয়ী করেছিলেন, সেই ভালোবাসা ও আস্থা এবারও পাবেন বলে তিনি বিশ্বাস করেন। জনগণ যদি তাকে ও তার দলকে সেবা করার সুযোগ দেন, তাহলে সেই আস্থার মর্যাদা রক্ষা করাই হবে তার প্রধান দায়িত্ব।

তিনি ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, আগামী ১২ তারিখ ভয়ভীতি উপেক্ষা করে কেন্দ্রে গিয়ে ধানের শীষে ভোট দিয়ে গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও দেশের ভবিষ্যৎ রক্ষার আহ্বান জানাচ্ছি।গণসংযোগ ও পথসভায় বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার সূর্যোদয়ের পরপরই চবক এর প্রধান দপ্তর, ওয়ার্কশপ, আবাসিক ভবন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ক্লাব, সংঘ ও বন্দরে অবস্থানরত জাহাজ ও জলযানসমূহে জতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এর আগে ২৫ শে মার্চ রাতে গণহত্যায় নিহতদের স্বরনে বন্দর সংরক্ষিত এলাকার বাহিরে ১ মিনিটের জন্য প্রতীকি ব্ল্যাকআউট করা হয় এবং বন্দরের সকল জাহাজে ভেঁপু বাজিয়ে স্বাধীনতা দিবসের কার্যক্রম শুরু হয়।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে আটটায় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (হারবার ও মেরিন) ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কমডোর আহমেদ আমিন আবদুল্লাহ (জি), বিএসপি, পিএসসি, বিএনসহ অন্যান্য বোর্ড সদস্যবৃন্দ বন্দর রিপাবলিক ক্লাব প্রাঙ্গনে শহীদ স্মৃতিসৌধে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, নিরাপত্তা বিভাগের গার্ড কর্তৃক প্রদত্ত গার্ড অব অনার গ্রহণ ও শহীদ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় চবক এর বিভাগীয় প্রধান, উপ-বিভাগীয় প্রধানগণ বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বন্দর থানা কমান্ডের নেতৃবৃন্দ, বন্দরের সর্বস্তরের কর্মকর্তা/কর্মচারী ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও ছাত্রছাত্রীসহ তাদের স্ব স্ব প্রতিষ্ঠান/সংগঠনের পক্ষে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন।

দিবসটি উপলক্ষ্যে বাদ জোহর চবক এর আওতাধীন সকল মসজিদে মহান স্বাধীনতা আন্দোলনের শহীদদের রুহের মাগফেরাত এবং জাতির শান্তি, সম্বৃদ্ধি, উন্নয়ন ও অগ্রগতি কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও চবক এর সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, এবাদতখানা, মন্দির ও বৌদ্ধ বিহারে বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনার আয়োজন করা হয় এবং বন্দর হাসপাতালে অভ্যন্তরীণ রোগীদের বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। বন্দরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মহান স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য আলোকপাত করে ছাত্র ছাত্রীরেদ মধ্যে রচনা, আবৃত্তি এবং চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

উত্তর ভূর্ষি পশ্চিম পাড়া পল্লী মঙ্গল সমিতির উদ্যোগে বাসন্তী পুজোর বোধন কচিকাঁচাদের অংশগ্রহণে উৎসবের শুভ সূচনা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বোয়ালখালী আহলা করলডেঙ্গা ইউনিয়নে উত্তর ভূর্ষি পশ্চিম পাড়া শ্রী শ্রী বাসন্তী পূজো গত মঙ্গলবার বোধনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানে সূচনা হয়। পূজা উদযাপন পরিষদ এর সভাপতি সৌরভ চক্রবর্তী ও সাধারণ সম্পাদক মিটু সেন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম ০৮ আসনের সংসদ সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুল হক চেয়ারম্যান, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য শওকত আলম শওকত, বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক হাজী ইসহাক চৌধুরী, বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপি সদস্য সচিব হামিদুল হক মন্নান চেয়ারম্যান, দক্ষিণ জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মো আজগর ও আবুল বশরসহ অসংখ্য নেতৃবৃন্দ।

মহাষষ্ঠীর পুণ্য তিথিতে উপজেলা জুড়ে শুরু হলো বাসন্তী পুজোর বর্ণাঢ্য আয়োজন। অকাল বোধনের পরিবর্তে বসন্তকালীন এই তিথিতেই দেবী দুর্গার আরাধনার সূচনায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপে দেখা গেছে উৎসবের আমেজ ও ব্যস্ততা।প্রতিবছরের ধারাবাহিকতায় এ বছরও উত্তর ভূর্ষি পশ্চিম পাড়া পল্লী মঙ্গল সমিতির উদ্যোগে সার্বজনীন বাসন্তী পূজা কমিটি নানা আয়োজনের মাধ্যমে উৎসব উদযাপনে এগিয়ে এসেছে। দেবীর আগমনী বার্তা, যা মণ্ডপ প্রাঙ্গণে এক অনন্য আবহ সৃষ্টি করে।ঢাকের তালে তালে এবং শঙ্খধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। সজ্জিত মণ্ডপ ও আলোকসজ্জায় প্রাঙ্গণ যেন পেয়েছে নতুন রূপ।

পূজা কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভক্তি ও নিষ্ঠার সঙ্গে ধর্মীয় আচার পালনের পাশাপাশি উৎসবের দিনগুলোতে থাকবে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং ভক্তের জন্য মহাপ্রসাদ বিতরণের আয়োজন। এছাড়াও সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে একাধিক উদ্যোগ।কমিটির সদস্য সাগর চক্রবতী জানান, পুজোর আনন্দকে আরও প্রাণবন্ত করতে এবং ছোটদের উৎসাহিত করতেই প্রতি বছর এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়।
মহাষষ্ঠীর এই শুভ সূচনাকে কেন্দ্র করে গোটা এলাকায় এখন উৎসবের আবহ, আনন্দ আর উদ্দীপনায় মুখরিত হয়ে উঠেছে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ