আজঃ শনিবার ২৮ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রাম মহানগরের ৫ স্থানে হচ্ছে ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার: চসিক মেয়র

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরীতে মোট ৫টি ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার স্থাপন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। মা ও শিশুবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার স্থাপন করা হবে বলে তিনি জানান। মঙ্গলবার নতুন ব্রিজ পুলিশ বক্স এলাকায় ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।

মেয়র বলেন, একজন কর্মজীবী বা বাইরে অবস্থানরত মায়ের জন্য শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সেই বাস্তবতা বিবেচনায় নগরের গুরুত্বপূর্ণ ও জনসমাগমপূর্ণ স্থানে ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।এর মাধ্যমে মায়েরা স্বাচ্ছন্দ্যে এবং মর্যাদার সঙ্গে তাদের শিশুদের প্রয়োজনীয় যত্ন নিশ্চিত করতে পারবেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি সদস্য আব্দুল করিম ভুট্টো, মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সালাহউদ্দিন শাহেদ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক এন. মোহাম্মদ রিমন, হালিশহর বিএনপি সিনিয়র সহ সভাপতি শেখ মেহেদী, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য নোমান সিকদার সোহাগ। এসময় ডাকবাক্স ফাউন্ডেশন ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার প্রকল্পের প্রধান সমন্বয়কারী সাফরাশ নুরী সিজ্জি প্রকল্পের কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বর্ণনা দেন।

ডাকবাক্স ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান, অভিনেতা জিয়াউল হক পলাশ এর নেতৃত্বে বাস্তবায়নাধীন এই পাইলট প্রকল্পের আওতায় নগরের নতুন ব্রিজ, পতেঙ্গা, কদমতলী কারখানা এলাকা, আগ্রাবাদ এবং রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় মোট ৫টি ব্রেস্ট ফিডিং ফিডিং সেন্টার স্থাপন করা হবে। প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৬ লাখ টাকা, যা যৌথভাবে অর্থায়ন করছে ডাকবাক্স ফাউন্ডেশন ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন।
চসিক মেয়র আরও বলেন, শিশুর সুস্বাস্থ্য ও মায়ের মর্যাদা রক্ষায় ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার একটি যুগোপযোগী উদ্যোগ।এটি শুধু একটি সামাজিক দায়িত্ব নয়, বরং মানবিক নগর গঠনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পাইলট প্রকল্পটি সফল হলে ভবিষ্যতে চট্টগ্রামের আরও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এ ধরনের কেন্দ্র স্থাপন করা হবে।

চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমের প্রসঙ্গ টেনে মেয়র বলেন, চট্টগ্রামকে একটি স্বাস্থ্যবান্ধব, মানবিক ও আধুনিক নগর হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা জলাবদ্ধতা নিরসন, খাল পুনরুদ্ধার, আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, স্কুল হেলথ প্রোগ্রাম, খেলাধুলার মাঠ আধুনিকায়ন এবং নাগরিক স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণসহ একাধিক জনকল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন করছি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

১ লাখ ৯৩ হাজার টন এলএনজি নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়ছে তিনটি জাহাজ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাঁচ দিনের ব্যবধানে প্রায় দুই লাখ টন তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়ছে তিনটি জাহাজ। এর মধ্যে একটি ইতোমধ্যে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় পৌঁছেছে, আর বাকি দুটি আগামী বুধবারের মধ্যে আসার কথা রয়েছে। তিনটি জাহাজ মিলিয়ে মোট এলএনজি আসছে প্রায় ১ লাখ ৯৩ হাজার টন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ অবস্থার মধ্যে অস্ট্রেলিয়া থেকে ৬১ হাজার ৯৯৭ টন এলএনজি বহনকারী ‘এইচএল পাফিন’ ট্যাংকারটি বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) কুতুবদিয়া উপকূলে পৌঁছেছে। পাশাপাশি ইন্দোনেশিয়া থেকে ৬১ হাজার টন এলএনজি নিয়ে ‘নিউ ব্রেভ’ এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রায় ৭০ হাজার টন এলএনজি বহনকারী ‘সেলসিয়াস গ্যালাপাগোস’ নামের আরও দুটি জাহাজ নির্ধারিত সময় অনুযায়ী বুধবারের মধ্যে বন্দরে ভিড়বে।

জাহাজ দুটির স্থানীয় শিপিং এজেন্ট ইউনি গ্লোবাল বিজনেস লিমিটেডের জ্যেষ্ঠ উপমহাব্যবস্থাপক মো. নুরুল আলম জানিয়েছেন, বর্তমান সূচি অনুযায়ী ট্যাংকার দুটি সময়মতো পৌঁছাবে বলেই আশা করা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার সূর্যোদয়ের পরপরই চবক এর প্রধান দপ্তর, ওয়ার্কশপ, আবাসিক ভবন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ক্লাব, সংঘ ও বন্দরে অবস্থানরত জাহাজ ও জলযানসমূহে জতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এর আগে ২৫ শে মার্চ রাতে গণহত্যায় নিহতদের স্বরনে বন্দর সংরক্ষিত এলাকার বাহিরে ১ মিনিটের জন্য প্রতীকি ব্ল্যাকআউট করা হয় এবং বন্দরের সকল জাহাজে ভেঁপু বাজিয়ে স্বাধীনতা দিবসের কার্যক্রম শুরু হয়।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে আটটায় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (হারবার ও মেরিন) ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কমডোর আহমেদ আমিন আবদুল্লাহ (জি), বিএসপি, পিএসসি, বিএনসহ অন্যান্য বোর্ড সদস্যবৃন্দ বন্দর রিপাবলিক ক্লাব প্রাঙ্গনে শহীদ স্মৃতিসৌধে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, নিরাপত্তা বিভাগের গার্ড কর্তৃক প্রদত্ত গার্ড অব অনার গ্রহণ ও শহীদ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় চবক এর বিভাগীয় প্রধান, উপ-বিভাগীয় প্রধানগণ বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বন্দর থানা কমান্ডের নেতৃবৃন্দ, বন্দরের সর্বস্তরের কর্মকর্তা/কর্মচারী ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও ছাত্রছাত্রীসহ তাদের স্ব স্ব প্রতিষ্ঠান/সংগঠনের পক্ষে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন।

দিবসটি উপলক্ষ্যে বাদ জোহর চবক এর আওতাধীন সকল মসজিদে মহান স্বাধীনতা আন্দোলনের শহীদদের রুহের মাগফেরাত এবং জাতির শান্তি, সম্বৃদ্ধি, উন্নয়ন ও অগ্রগতি কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও চবক এর সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, এবাদতখানা, মন্দির ও বৌদ্ধ বিহারে বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনার আয়োজন করা হয় এবং বন্দর হাসপাতালে অভ্যন্তরীণ রোগীদের বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। বন্দরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মহান স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য আলোকপাত করে ছাত্র ছাত্রীরেদ মধ্যে রচনা, আবৃত্তি এবং চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ