আজঃ মঙ্গলবার ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রামে স্টারশিপ ফ্যাক্টরিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ।

চট্টগ্রাম ব্যুরো

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে আবুল খায়ের গ্রুপের স্টারশিপ ফ্যাক্টরিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বায়েজিদ এলাকায় অবস্থিত ওই ফ্যাক্টরিতে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে প্রায় পৌনে একঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিস।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের টেলিফোন অপারেটর বলেন, সকাল ১০টা ৫২ মিনিটে খবর পেয়ে বায়েজিদ থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। সাড়ে ১১টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

তিনি আরো বলেন, অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে তাৎক্ষিণভাবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি। এদিকে কারখানার শ্রমিকরা জানিয়েছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে দেশের অন্যান্য কারখানা বন্ধ থাকলেও স্টারশিপ ফ্যাক্টরিটি খোলা ছিল।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

জাতীয় প্রেসক্লাবের টয়লেট থেকে সংবাদ কর্মীর মরদেহ উদ্ধার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় প্রেসক্লাবের টয়লেট থেকে সংবাদ কর্মীর মরদেহ উদ্ধার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। শাহবাগ থানা পুলিশ উদ্ধার হওয়া মরদেহটি দৈনিক দিনকালে কর্মরত সাংবাদিক আলী মাসুদের বলে জানান।
বাথরুমের দরজা খুলে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।বিষয়টি নিশ্চিত করে শাহবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন- আজ সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফোন দিয়ে বিষয়টি জানান। পরে পুলিশ সেখানে গিয়ে টয়লেটের দরজা খুলে ওই সাংবাদিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি স্ট্রোক করে মারা গেছেন। মরদেহ এখন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।

পদত্যাগ করলেন বিচারপতি নাইমা হায়দার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিচারপতি নাইমা হায়দার পদত্যাগ করেছেন। তার পদত্যাগ পত্রটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়েছে।আজ সোমবার সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।এর আগে গত সপ্তাহে পদত্যাগ করেন বিচারপতি মামনুন রহমান।

Oplus_0

সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিচারপতি নাইমা হায়দার ৫ ফেব্রুয়ারি নিজ স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে স্বীয় পদ থেকে পদত্যাগ করার ইচ্ছা পোষণ করে প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। ইতোমধ্যে সুপ্রিম কোর্ট পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতির কাছে প্রেরণ করেছেন।

১৯৯৩ সালে হাইকোর্ট বিভাগ ও ২০০৪ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন নাইমা হায়দার। পরে ২০০৯ সালে হাইকোর্ট বিভাগে অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। ২০১১ সালের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান তিনি।

আলোচিত খবর

গ্রীন পোর্ট হচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দর, এটা বড় ধরনের মাইলফলক : চেয়ারম্যান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দর গ্রীন পোর্ট হবে, এটা বড় ধরনের মাইলফলক বলে মন্তব্য করেছেন বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এসএম মনিরুজ্জামান। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বন্দর ভবনের বোর্ড রুমে পোর্ট সিঙ্গেল উইন্ডো উদ্বোধনকালে তিনি এমন মন্তব্য করেন। এনবিআর, কাস্টমস ও পোর্ট সংক্রান্ত সব সেবার জন্য পোর্ট সিঙ্গেল উইন্ডো (সিপিএ স্কাই) চালু করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এসএম মনিরুজ্জামান বলেন, বন্দরের অটোমেশনের জন্য দীর্ঘদিন কাজ করছি।

চুয়েট অত্যন্ত সহযোগিতা করেছে।পুরো টিম এ জটিল কাজটি সময়মতো সুচারুরূপে করতে সক্ষম হয়েছে। এ জন্য কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই। তিনি বলেন, বর্তমানে পৃথিবীর সব পোর্ট ডিজিটাল, অটোমেটেড হয়ে যাচ্ছে। ডিজিটাল করিডোরে যে ট্রানজেকশন হচ্ছে লজিস্টিক সেক্টরে সেটি থেকে আমরা অনেক পিছিয়ে ছিলাম।
অনেকে বলে আমাদের তো টার্মিনাল অপারেটিং সিস্টেম আছে, এনবিআরের অ্যাসাইকুডা সিস্টেম আছে। কিন্তু প্র্যাক্টিক্যালি আমাদের পোর্ট সিঙ্গেল উইন্ডো ছিল না।একটা ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো হচ্ছে পুরো দেশের জন্য। সেটি এনবিআর করছে।

বন্দর চেয়ারম্যানবলেন,আরেকটি মেরিটাইম সিঙ্গেল উইন্ডো হচ্ছে। ডিজি শিপিং করছে। আমরা যেটি করেছি সেটি হচ্ছে পোর্ট কমিউনিটি সিস্টেম। এখানে সব সংস্থা সংযুক্ত। এক প্লাটফর্মে এসেছে।আগে যে কাজগুলো ফিজিক্যালি করতে হতো, টেবিলে, ডেস্কে, কাস্টমস, ব্যাংক, ফ্রেইট ফরওয়ার্ডের কাছে যেতে হতো এখন এই কাজগুলো ডিজিটাল প্লাটফর্মে হচ্ছে। যার ফলে আগে যে কাজে পাঁচ দিন লাগত এখন তা আধঘণ্টায় হবে। এতে আমাদের সময় বেঁচে যাবে, ফার্স্ট হবে, কার্গো, ডেলিভারি, জাহাজের টার্ন অ্যারাউন্ড টাইম অনেক কমে আসবে। এতে আমাদের মুভমেন্ট কমে যাবে।

গ্রীন পোর্ট হবে। এটা বড় ধরনের মাইলফলক। সারা পৃথিবী জেনে যাবে আমাদের চট্টগ্রাম পোর্ট ডিজিটাল পোর্ট হয়ে গেল এবং আন্তর্জাতিক মানের প্লাটফর্মে, ডিজিটাল মেরিটাইম লজিস্টিক করিডোরে আমরা ডাইরেক্ট কানেক্টেড হলাম। কাস্টমসের ইজিএম, আইজিএম কাজগুলো এটার মাধ্যমে করা যাবে। প্রিঅ্যারাইভাল প্রসিডিওর হবে।

তিনি বলেন,আগে আমদানি পণ্য দেশে আনার পর ডেলিভারি প্রক্রিয়া শুরু হতো। কাস্টমস ফরমালিটি, গেটপাস করে ডেলিভারি হতো। এখন লোড পোর্ট থেকে অনলাইন প্লাটফর্মে হবে। আর কোনো টেনশন থাকলো না। ২৪ ঘণ্টা ৭ দিন যেখান থেকে ইচ্ছে কাজগুলো করা যাবে। আমাদের অফিশিয়াল ফাংশন হবে ডিজিটাল। আমরা পেপারলেস হয়ে যাব। আমি বলে দিয়েছি, আমি টেবিলে পেপার দেখতে চাই না। আর কিছু দিন সময় লাগবে অভ্যস্ত হতে।

বন্দর চেয়ারম্যান আরো বলেন, নতুন সিস্টেমে অ্যাকাউন্টবিলিটি নিশ্চিত হবে। আগে অ্যাকাউন্টিবিলিটির প্রশ্ন থাকত, অনেক সময় মিস ম্যানেজমেন্ট হতো, ডেলিভারি ডিলে হতো এর কারণে ভোক্তারা অনেক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতো। এখন আমাদের কার্গো, টার্ন অ্যারাউন্ড টাইমসহ টোটাল প্রোডাক্টিভিটি এখন যা আছে সবই বেড়ে যাবে। এ প্লাটফরম ভবিষ্যতের দ্বার খুলে দিল। যার সুফল ৫০-১০০ বছর এদেশের মানুষ পাবেন।

তিনি বলেন, পোর্ট সিঙ্গেল উইন্ডোর হেল্প ডেস্ক রাখব। কয়েকটা ক্যাম্পেইন করেছি। এজেন্ট ডেস্ক করেছি। এ সেবার জন্য ন্যূনতম চার্জ দিতে হবে। ঢাকা চট্টগ্রামে কল সেন্টারের মতো এজেন্ট ডেস্ক হওয়া উচিত। এ সুবিধা না থাকলে যে কাজে পাঁচ সাত দিন লাগত তা আধঘণ্টায় হয়ে যাবে। অনেক খরচ সাশ্রয় হবে। সব মিলে আমি বলবো এটি বাস্তবমুখী, যুগান্তকারী এবং ব্যবহার উপযোগী প্লাটফর্ম।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ