পদত্যাগ করলেন বিচারপতি নাইমা হায়দার

ডেস্ক নিউজ

Oplus_0
সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিচারপতি নাইমা হায়দার পদত্যাগ করেছেন। তার পদত্যাগ পত্রটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়েছে।আজ সোমবার সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।এর আগে গত সপ্তাহে পদত্যাগ করেন বিচারপতি মামনুন রহমান।

Oplus_0

সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিচারপতি নাইমা হায়দার ৫ ফেব্রুয়ারি নিজ স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে স্বীয় পদ থেকে পদত্যাগ করার ইচ্ছা পোষণ করে প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। ইতোমধ্যে সুপ্রিম কোর্ট পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতির কাছে প্রেরণ করেছেন।

১৯৯৩ সালে হাইকোর্ট বিভাগ ও ২০০৪ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন নাইমা হায়দার। পরে ২০০৯ সালে হাইকোর্ট বিভাগে অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। ২০১১ সালের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান তিনি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বোয়ালখালী কধুরখীল স্কুল থেকে জিপিএ-৫ পেল সাংবাদিক নজরুল এন কন্যা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় বোয়ালখালী উপজেলার একমাত্র সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কধুরখীল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ-৫ অর্জন করেছে সাংবাদিক সৈয়দ মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের একমাত্র কন্যা সৈয়দা ফারিহা ইসলাম জুঁই।

কন্যার এই সাফল্যে মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করেছেন তার পিতা সাংবাদিক সৈয়দ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম। তিনি বোয়ালখালী প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ও এছাড়াও তিনি ডেইলি মর্নিং গ্লোরি-এর চট্টগ্রাম প্রতিনিধি, জাতীয় দৈনিক দেশ বার্তা-এর বোয়ালখালী প্রতিনিধি এবং দৈনিক চট্টগ্রাম প্রতিদিন-এর বোয়ালখালী উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

মেয়ের এই সাফল্যের পেছনে কধুরখীল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন সৈয়দ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম। তিনি বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, সন্তানের এই অর্জন তাদের পরিবারের জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের বিষয়। ভবিষ্যতেও যেন তার মেয়ে লেখাপড়ায় আরও ভালো ফলাফল অর্জন করে দেশ ও সমাজের কল্যাণে কাজ করতে পারে, সেজন্য তিনি সকলের কাছে দোয়া কামনা করেন।

সৈয়দা ফারিহা ইসলাম জুঁইয়ের পিতা সৈয়দ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম ও মাতা চেমন আরা তাদের মেয়ের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ, সুস্বাস্থ্য ও জীবনের সর্বাঙ্গীণ সফলতার জন্য সকলের কাছে আন্তরিক দোয়া কামনা করেছেন।

রূপগঞ্জে পরিবেশ উন্নয়নে অভিযান, গাছের চারা রোপন, বিতরণ ও আলোচনা সভা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে গোটা দেশের মতো নারায়ণঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাব মুড়াপাড়া বাজার এলাকায় পরিস্কার পরিচ্ছন্নতায় পরিবেশ উন্নয়নে অভিযান, গাছের চারা রোপন, বিতরণ ও আলোচনা সভা করা হয়েছে। আজ ১০আগষ্ট সোমবার রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাইফুল ইসলাম জয়ের নেতৃত্বে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়। পরে রূপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাব কার্যালয়ে আয়োজিত গাছের চারা রোপন, বিতরণ ও আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন রূপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এম.এ মোমেন।

সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নারায়ণগঞ্জ জেলা সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলাম, রূপগঞ্জ থানার ওসি এএইচএম সালাইউদ্দিন, রূপগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবী ঐক্য পরিষদের সভাপতি মোঃ নজরুল ইসলাম, রূপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এসএম রোবেল মাহমুদ, রূপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক দুলাল, মুড়াপাড়া বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও মুড়াপাড়া ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি আব্দুল মজিদ ভুঁইয়া, মুড়াপাড়া বাজার কমিটির সহ সভাপতি ও মুড়াপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি কামাল হোসেন, সাংবাদিক শফিকুল আলম ভুঁইয়া, মীর শফিকুল ইসলাম, মঞ্জুর এলাহী, নওয়াব ভুঁইয়া, আবু কাউছার মিঠু, এন বি আকাশ, শরীফ ভুঁইয়া, এসএম রনি প্রমুখ।

সভায় বক্তারা বলেন, পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতকরণ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সকলকে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।রূপগঞ্জ থানার ওসি এএইচএম সালাউদ্দিন বলেন, ডেংগু মশা থেকে বাঁচতে হলে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার বিকল্প নেই। সরকারের নির্দেশনার পাশাপাশি ব্যক্তি উদ্যোগে বাড়ির আঙ্গিনাসহ আশপাশের পরিবেশের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে হবে।

রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাইফুল ইসলাম জয় বলেন, পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অঙ্গ। পরিচ্ছন্ন পরিবেশ শুধু সৌন্দর্যের প্রতীক নয়, বরং সুস্থ ও নিরাপদ জীবনের অন্যতম পূর্বশর্ত। তাই পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা, বর্জ্য নির্ধারিত স্থানে ফেলা এবং সবুজায়ণ বৃদ্ধির মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও বাসযোগ্য রূপগঞ্জ গড়ে তুলতে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।
পরে শিক্ষার্র্থীদের মধ্যে গাছের চারা বিতরণ ও ঢাকা-রূপসী-কাঞ্চন সড়কের পাশের ঝোপঝাড় এবং আগাছা পরিষ্কার করে গাছের চারা রোপনের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।

আলোচিত খবর

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রামে আসছেন, যোগ দেবেন ৫ কর্মসূচিতে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার চট্টগ্রাম আসছেন তারেক রহমান। বন্দরনগরীর বিএনপি নেতারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাংগঠনিক মতবিনিময় করারও সুযোগ পাচ্ছেন। এ নিয়ে বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রামের নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস উদ্দিপনা লক্ষ করা যাচ্ছে। আগামীকাল রবিবার প্রধানমন্ত্রী বন্যাদুর্গতদের ত্রাণ ও পুনর্বাসন সহায়তা দিতে চট্টগ্রামে আসবেন। এ সফরে দলের নেতাকর্মীদের বাইরে হেফাজতে ইসলামের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গেও তিনি একটি বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা বললেন, ‘বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নিতে প্রধানমন্ত্রী একদিনের সফরে চট্টগ্রামে আসছেন। সফরসূচি অনুযায়ী জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, রবিবার সকালে কক্সবাজারের মহেশখালীতে এসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি কয়েকটি কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। দুপুর ১২টায় হেলিকপ্টারে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় পৌঁছাবেন। বাহারছড়া সমুদ্র সৈকত এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন সংক্রান্ত এক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

দুপুর ১টায় ফটিকছড়ি উপজেলায় আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় গিয়ে হেফাজতে ইসলামের আমীর শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এরপর হাটহাজারী উপজেলার আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় গিয়ে হেফাজতের প্রতিষ্ঠাতা আমীর শাহ আহমদ শফির কবর জেয়ারত করবেন।
এরপর হাটহাজারী উপজেলায় যাবেন তারেক রহমান।

হাটহাজারী সরকারি কলেজ মাঠে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন সংক্রান্ত অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩০ পরিবারকে স্থানীয় সংসদ সদস্য ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের পক্ষ থেকে ১ লাখ টাকা করে অনুদান দেবেন প্রধানমন্ত্রী। ১৫ জন প্রতিবন্ধীকে দেবেন ১০ হাজার টাকা করে।
হাটহাজারী থেকে নগরীতে ফিরে প্রধানমন্ত্রী উঠবেন পাঁচ তারকা হোটেল রেডিসন ব্লু বে ভিউতে। সন্ধ্যায় হোটেলের হলরুমেই হবে বিএনপির সাংগঠনিক সভা। রাত ৯টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবেন তিনি।


চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান জানালেন, ‘সভায় নগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সবাই থাকবেন। থানা ও ওয়ার্ড বিএনপির প্রতিটি থেকে তিন থেকে পাঁচজন করে নেতা উপস্থিত হবেন। আহ্বায়ক কমিটিতে নেই এমন কয়েকজন সিনিয়র নেতা ও চট্টগ্রামের সকল সংসদ সদস্য যোগ দেবেন এতে।’
প্রত্যেক সহযোগী সংগঠনের নগর কমিটি থেকে দুইজন করে নেতাকে সভায় যোগ দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম উত্তর ও দক্ষিণ জেলা, উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির নেতারা সভায় অংশ নেবেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ