আজঃ মঙ্গলবার ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

পদত্যাগ করলেন বিচারপতি নাইমা হায়দার

ডেস্ক নিউজ

Oplus_0
সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিচারপতি নাইমা হায়দার পদত্যাগ করেছেন। তার পদত্যাগ পত্রটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়েছে।আজ সোমবার সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।এর আগে গত সপ্তাহে পদত্যাগ করেন বিচারপতি মামনুন রহমান।

Oplus_0

সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিচারপতি নাইমা হায়দার ৫ ফেব্রুয়ারি নিজ স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে স্বীয় পদ থেকে পদত্যাগ করার ইচ্ছা পোষণ করে প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। ইতোমধ্যে সুপ্রিম কোর্ট পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতির কাছে প্রেরণ করেছেন।

১৯৯৩ সালে হাইকোর্ট বিভাগ ও ২০০৪ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন নাইমা হায়দার। পরে ২০০৯ সালে হাইকোর্ট বিভাগে অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। ২০১১ সালের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান তিনি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন এখনো শেষ হয়নি : আমীর খসরু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, দেশের মানুষের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন এখনো শেষ হয়নি। বাংলাদেশে গণতন্ত্রের প্রশ্নে আপস না করা একমাত্র দল হলো বিএনপি। দেশের মানুষ চায় না কোনো বিদেশি শক্তি এ দেশ পরিচালনা করুক। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি সরকারি কলেজ মাঠে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরের সমর্থনে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, অনেকে ভাবছেন আন্দোলন শেষ হয়ে গেছে, কিন্তু আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই আন্দোলন এখনো শেষ হয়নি। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একমাত্র বিএনপিই সেই দল, যারা গণতন্ত্রের প্রশ্নে কখনো আপস করেনি এবং ভবিষ্যতেও করবে না। তিনি বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ভোটের মাধ্যমে জনগণকে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের বার্তা দিতে হবে।

দেশের সার্বভৌমত্ব ও বিদেশি হস্তক্ষেপ প্রসঙ্গে বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, কোনো বিদেশি শক্তির বাংলাদেশকে পরিচালনা করার কোনো সুযোগ নেই। এটাই বাংলাদেশের মানুষ চায়। এ দেশের জনগণ তাদের নিজেদের ভাগ্য নিজেরাই গড়তে চায়, বাইরের কোনো ইশারা বা হস্তক্ষেপে নয়।

দেশের ক্রান্তিলগ্নে বিএনপির ভূমিকার কথা উল্লেখ করে আমীর খসরু বলেন, ‘বাংলাদেশ যখনই কোনো ক্রান্তিলগ্ন পার করেছে, তখনই এ দেশের মানুষ একটি দলের ওপরই ভরসা রেখেছে। আর সেই দলটি হচ্ছে শহীদ জিয়ার হাতে গড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল—বিএনপি।

তিনি দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের এই সংগ্রামে ঐক্যবদ্ধ থাকার এবং আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। চট্টগ্রাম-২ আসনের বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান সালাউদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী সরোয়ার আলমগীর ও নির্বাহী কমিটির সদস্য ফয়সাল মাহমুদ ফয়েজী প্রমুখ।

চট্টগ্রাম ত্রিমুখী লড়াইয়ে জমবে আট আসন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হাওয়া বইছে জোরেশোরে। ভোটের দিন যত ঘনিয়ে আসায় চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও পাঁচলাইশ ) আসনের প্রার্থীরা প্রতিদিন মধ্যরাত পর্যন্ত প্রচারণা চালাচ্ছেন।সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে বিভিন্ন দাবি পূরণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তারা ভোটারদের পক্ষে টানার চেষ্টা করছেন।

চট্টগ্রাম শহরের লাগোয়া অতি গুরুত্বপূর্ণ চট্টগ্রাম–৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও পাঁচলাইশ )সংসদীয় আসনটি। এ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ৫৪ হাজার ৭২৯ জন। নগরীর পাঁচটি ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ২৮ হাজার ৭৪২ জন। বোয়ালখালী উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ২০ হাজার ৩৯৪ জন। জয়-পরাজয়ের নির্ধারণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন বোয়ালখালী উপজেলা। তাই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারণায় সবচেয়ে বেশি নজর দিচ্ছেন বোয়ালখালী উপজেলায়।

এবারের নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করছেন এরশাদ উল্লাহ, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ডা. মো: আবু নাছের,১১-দলীয় জোটের জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির প্রার্থী শাপলা কলি প্রতীকে জোবাইরুল হাসান আরিফ,বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট বৃহত্তর সুন্নী জোটের প্রার্থী মোমবাতি প্রতীকে সৈয়দ মুহাম্মদ হাসান, ইনসানিয়াত বিপ্লবের প্রার্থী আপেল প্রতীকে মোহাম্মদ এমদাদুল হক এবং ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী হাতপাখা প্রতীকে মোহাম্মদ নুরুল আলম ৬ জন প্রার্থী নির্বাচনী লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছেন।ভোটার মতে, এই আসনে ৬ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও প্রচারণায় এই ৩ প্রার্থীই দৃশ্যত এগিয়ে।

বোয়ালখালীবাসী মনে করছেন এবারের নির্বাচনে ত্রিমুখী হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। সংখ্যালঘু, নারী ও তরুণ ভোটাররা নির্বাচনের টার্নিং পয়েন্ট। এরাই ভোটের সব হিসাব নিকাশ পাল্টে দিবে। তাই বিএনপি, জামায়াত ও বৃহত্তর সুন্নি জোট প্রার্থী নানা কৌশল নিয়ে ভোট পরিচালনা করছেন।

ত্রিমুখী ভোটের লড়াইয়ে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আবু নাছের মনোনয়ন প্রত্যাহার না করায় ব্যালটে ও ভোটের ময়দানে থাকছে ‘দাঁড়িপাল্লা’। দলীয়ভাবে এনসিপির প্রার্থী শাপলা কলি প্রতীকে জোবাইরুল হাসান আরিফকে সমর্থন দিলেও স্থানীয় জামায়াত নেতাকর্মীদের একটি বড় অংশ আবু নাছেরের পক্ষে মিছিল-সমাবেশ ও মাইকিং অব্যাহত রেখেছে। নির্বাচনী মাঠে ধানের শীষ ও মোমবাতির সঙ্গে ত্রিমুখী লড়াইয়ের আভাস মিলছে জনমতে।

বৃহত্তর সুন্নী জোটের প্রার্থী সৈয়দ মুহাম্মদ হাসান নতুন কালুরঘাট সেতুর নির্মাণ এবং কর্ণফুলী নদীর দুই পাড়ে আইটি ফার্ম করে যুবসমাজকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি তরুণ ভোটারদের মন জয় করছেন।

অন্যদিকে, বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকে এরশাদ উল্লাহ, দীর্ঘদিনের দলীয় ত্যাগ ও সাংগঠনিক শক্তিকে পুঁজি করে এগোচ্ছেন নির্বাচনী মাঠে।তিনি নারীদের ‘ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।তিনি বোয়ালখালী উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ২৫০ শয্যায় উন্নীত করা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটারদের নিজের পক্ষে টানার চেষ্টা করছেন।

১১-দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির মো. জোবাইরুল হাসান আরিফকে শাপলা কলি প্রতীক তুলে দিলেন জামায়াত আমির ডা.শফিকুর রহমান।স্থানীয় জামায়াত নেতাকর্মীদের একটি বড় অংশ দাঁড়িপাল্লা নিয়ে মিছিল-সমাবেশ ও মাইকিং নিয়ে মাঠে আছেন। স্থানীয় ছেলে হিসেবে নাছেরের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তাই এই আসনটিকে ত্রিমুখী সমীকরণে ফেলে দিয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন। সভা-সমাবেশ ও সামাজিক অনুষ্ঠানেও তাদের সরব উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও বৃহত্তর সুন্নী জোট মনোনীত প্রার্থী বিরামহীনভাবে পথসভা, উঠান বৈঠক ও বিভিন্ন প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে ভোটারদের সমর্থন আদায়ের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিন প্রার্থীর কর্মী সমর্থকদের প্রচার–প্রচারণায় বেশ সরগরম হয়ে উঠেছে নির্বাচনী মাঠ। স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর যোগ্যতা, সক্ষমতাসহ সব বিষয় চিন্তা করে সাধারণ ভোটাররা যোগ্য ব্যক্তিকে তাদের জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করবেন।

নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ভোটের মাঠে ততই উত্তাপ বাড়ছে। কৌশলগত কারণে প্রার্থীরা একে অপরের বিরুদ্ধে নানা বক্তব্য দিলেও নির্বাচনী মাঠে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটায় সাধারণ ভোটাররা খুশি। এলাকাবাসী ভোটের পরিবেশ শান্ত রেখে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে প্রার্থীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।

আলোচিত খবর

চট্টগ্রাম বন্দরের অচলাবস্থার অবসান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিদেশি কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারা দেওয়ার চুক্তি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কালে না হওয়ার ঘোষণা আসার পর চলমান লাগাতার ধর্মঘট স্থগিত করা হয়েছে। বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের অন্যতম সমন্বয়ক মো. ইব্রাহীম খোকন ধর্মঘট স্থগিতের সিদ্ধান্তের কথা জানান।বিদেশি কোম্পানির কাছে এনসিটি ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাতিলসহ চার দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট ডেকেছিল চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ