জঙ্গীবাদ ও অপশক্তি নির্মূলে শোককে শক্তিতে পরিণত করতে হবে

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সন্ত্রাস দমন আইনে ও সরকারের নির্বাহী ক্ষমতাবলে স্বাধীনতা ও রাষ্ট্র বিরোধী জামায়াতকে নিষিদ্ধ করার সরকারী প্রজ্ঞাপনকে স্বাগত জানিয়ে মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহতাব উদ্দীন চৌধুরী বলেন, শোকাবহ আগস্ট মাসের প্রথম দিনে স্বাধীনতা বিরোধী জামায়াতকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। তাই আমাদের প্রত্যেককে যারা স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব বাংলাদশেকে বিশ্বাস করি আমাদের প্রতিপক্ষ যে আবরণ ও মুখোশে থাকুক না কেন তাদেরকে নিশ্চিহ্ন করার সময় এসেছে। তিনি আজ বৃহস্পতিবার বাদ আছর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স-পরিবার হত্যা পর্ব শোকাবহ আগস্ট মাসের প্রথম দিনে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আন্দকিল্লাস্থ শাহী জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত দোয়া ও মিলাদ মাহফিল শেষে শোক র‌্যালী পূর্ব এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে একথা বলেন। এতে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন বলেন, এই আগস্ট মাস বঙ্গবন্ধুকে হত্যাসহ শেখ হাসিনার প্রাণনাশ এবং জঙ্গীবাদের উত্থানের অনকে অঘটন ঘটেছে। এই আগস্ট মাসের প্রারম্ভেই ছাত্রদের কোটা বিরোধী আন্দোলন ¯^াধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে নিশ্চিহ্ন করার একটি অশনি সংক্ষেত। আমাদের প্রত্যেক স্তরের নেতা-কর্মীদের একমাত্র দায়িত্ব হলো সরলমতি সন্তানদের বিভ্রত করে জামায়াত-শিবির দেশীয়-আন্তর্জাতিক নীলনকশা অনুযায়ী বাংলাদেশকে ধ্বংস করতে চাই, তাদের বিরুদ্ধে ৭১’র মুক্তিযুদ্ধের চেতনা দিবা-নিশি রাজপথে থাকতে হবে। শোকাবহ আগস্ট মাসের শুরুর প্রথম দিনে শোককে শক্তিতে পরিণত করার দুর্জয় সাহস নিয়ে জামায়াত-শিবির ও তাদের প্রধান আশ্রয়দাতা বিএনপির ¯^াধীনতা বিরোধী নেতাকর্মীদের ঠিকানা অনুসন্ধান করে তাদের কবর রচনা করতে হবে। দোয়া ও মিলাদ মাহফিল শেষে আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদ চত্বর হতে একটি বিশাল শোক র‌্যালী বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে এসে শেষ হয়। মিলাদ মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, আলহাজ্ব খোরশেদ আলম সুজন, আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সিটি মেয়র এম রেজাউল করিম চৌধুরী, উপদেষ্টা আলহাজ্ব সফর আলী, শেখ মাহমুদ ইসহাক, মুক্তিযোদ্ধা এনামুল হক চৌধুরী, কোষাধ্যক্ষ আব্দুচ ছালাম এম.পি, সাংগঠনিক সম্পাদক, সাবেক সংসদ সদস্য নোমান আল মাহমুদ, শফিক আদনান, চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনি, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য আলহাজ্ব শফিকুল ইসলাম ফারুক, সৈয়দ হাসান মাহমুদ শমসের, এডভোকেট শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, মশিউর রহমান চৌধুরী, হাজী মোহাম্মদ হোসেন, দিদারুল আলম চৌধুরী, আবু তাহের, ডা. ফয়সল ইকবার চৌধুরী, শহিদুল আলম, জহর লাল হাজারী, নির্বাহী সদস্য আবুল মনছুর, সৈয়দ আমিনুল হক, আলহাজ্ব পেয়ার মোহাম্মদ, এম.এ লতিফ এম.পি, কামরুল হাসান বুলু, বখতেয়ার উদ্দিন খান, সাইফুদ্দিন খালেদ বাহার, ইঞ্জিনিয়ার বিজয় কিশান চৌধুরী, জাফর আলম চৌধুরী, আবদুল লতিফ টিপু, ড. নেছার উদ্দিন মনজু, মোহাম্মদ জাবেদ, হাজী বেলাল আহমদ, মোরশেদ আকতার চৌধুরী, থানা আওয়ামী লীগের সিদ্দিক আলম, জাহাঙ্গীর চৌধুরী সিইনসি স্পেশাল, কাজী আলতাফ হোসেন, রেজাউল করিম কায়সার, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের শাহাজাহান রশিদ, শাহাজাদা কাজী আব্দুল মালেক, হুমায়ুন কবির মুন্না, নূর মোহাম্মদ নুরু, এডভোকেট আইয়ুব খান, সাইফুদ্দিন খালেদ, কাজী রাশেদ আলী জাহাঙ্গীর, আব্দুর রহিম, আতিকুর রহমান, সরওয়ার মোর্শেদ কচি, অধ্যাপক ইসমাইল, লুৎফুল হক খুশি, কায়সার মালিক, আলহাজ্ব সিদ্দিক আহমদ, দিদারুল আলম মাসুম, আব্দুল আজিম, সাইফুল আলম বাবু, শাহেদুল আলম শাকিল, মোহাম্মদ মুছা, আকবর আলী আকাশ, নুরুল আজিম নুরু, ইফতেখারুল আলম প্রমূখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আগামী ৫ অক্টোবর দিনব্যাপী বন্দর ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারা দিলে দেশের কী লাভ হবে, তা সরকারকে জনগণের কাছে স্পষ্ট করতে হবে। একইভাবে এনসিটি ইজারা দেওয়া হলে দেশের কী ধরনের ক্ষতি হতে পারে, সে বিষয়েও সরকারের সঙ্গে জাতীয় পর্যায়ে সংলাপের প্রয়োজন রয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা কমিটি আহূত আগামী ৫ অক্টোবর দিনব্যাপী বন্দর ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে জাতীয় ফেডারেশন ও বেসিক ইউনিয়নগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। তাঁরা এ বিষয়ে প্রয়োজনে সরকারের পক্ষ থেকে জাতীয় সংলাপ আয়োজনের আহ্বান জানান।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সুলতান আহমদ হলে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বন্দর রক্ষা কমিটি চট্টগ্রামের আহ্বায়ক প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার।সঞ্চালনা করেন কমিটির সদস্যসচিব ফজলুল কবির মিন্টু।সভা থেকে আগামী ৫ অক্টোবর বন্দর ভবনের সামনে দিনব্যাপী অবস্থান কর্মসূচিতে সর্বস্তরের শ্রমিক, জাতীয় ফেডারেশন, বেসিক ইউনিয়ন ও শ্রমিক সংগঠনের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
বক্তারা বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের প্রধান কেন্দ্র। বন্দরের সঙ্গে জাতীয় অর্থনীতি ও বিপুলসংখ্যক শ্রমিকের স্বার্থ জড়িত। তাই বন্দরের ব্যবস্থাপনা ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনায় জাতীয় স্বার্থের পাশাপাশি শ্রমিকদের অধিকার ও স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। বক্তারা ৫ অক্টোবরের অবস্থান কর্মসূচি সফল করতে বিভিন্ন জাতীয় ফেডারেশন, বেসিক ইউনিয়ন ও শ্রমিক সংগঠনের নেতাকর্মীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

বক্তারা বলেন, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে তারা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চান। তবে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি ও আন্দোলনকে সরকার দুর্বলতা হিসেবে বিবেচনা করলে তা ভুল হবে। সে ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে দাবি আদায়ে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে। প্রয়োজনে দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে অবরোধ ও হরতালের মতো কর্মসূচিও ঘোষণার কথা জানান তারা।
সভায় আলোচনায় অংশ নেন টিইউসি চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সভাপতি তপন দত্ত, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও বন্দর সিবিএর সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী শেখ নুরুল্লাহ বাহার, বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি এসকে খোদা তোতন, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক শ ম জামাল উদ্দিন, টিইউসি চট্টগ্রাম জেলা কমিটির যুগ্ম সম্পাদক ইফতেখার কামাল খান, জাতীয়তাবাদী ডক শ্রমিক দলের সভাপতি মো. হারুন ও

সাধারণ সম্পাদক তসলিম হোসেন সেলিম, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল বাতেন, সহ-সম্পাদক ইব্রাহীম ফরাজি, বিএফটিইউসির সভাপতি আনোয়ারুল হক হুনি, বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশন চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবু আহমেদ মিয়া, বন্দর উইঞ্চ ক্রেন অপারেটর সমিতির নেতা ইমাম হোসেন স্বপন, বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুর রহিম, কমিউনিটি সেন্টার শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. পারভেজ, চট্টগ্রাম যুব ট্রেড ইউনিয়ন নেটওয়ার্কের সদস্যসচিব হাসিবুর রহমান বিপ্লব, লুৎফুন্নাহার সোনিয়া, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের নেতা হেলাল উদ্দিন কবির, ইমান আলী জানুসহ বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

ঢাকা-কক্সবাজার রুটে আগামী মাসে যুক্ত হচ্ছে আরও ১টি আন্তঃনগর ট্রেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম: ঢাকা-কক্সবাজার রুটে ট্রেনে যাতায়াতের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। এ কারণে ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারগামী ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই রুটে আগামী মাসে আরও একটি আন্তঃনগর ট্রেন চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। বর্তমানে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলাচল করা মহানগর এক্সপ্রেসকে কক্সবাজার পর্যন্ত সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী মাসের অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ থেকে নতুন রুটে ট্রেনটি চলাচল শুরু করতে পারে। বর্তমানে ঢাকা-কক্সবাজার রুটে দুই জোড়া এবং চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে দুই জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করছে।

এদিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটের ট্রেনগুলোর মান নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। বর্তমানে দুই জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করলেও একটি মাত্র রেক দিয়ে চারটি ট্রেন পরিচালনা করা হচ্ছে। ফলে প্রায়ই সময়সূচিতে বিঘ্ন ঘটছে বলে অভিযোগ যাত্রীদের।
রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের প্রধান বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক সুজিত বিশ্বাস বলেন, কক্সবাজার রুটে বিপুল যাত্রীর চাহিদা রয়েছে। এ কারণে মহানগর এক্সপ্রেসকে কক্সবাজার পর্যন্ত চালানোর প্রস্তুতি চলছে। এতে যাত্রীরা আরও স্বস্তি ও নিরাপদে পর্যটন শহরে যাতায়াত করতে পারবেন। একই সঙ্গে রেলওয়ের আয়ও বাড়বে।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, মহানগর এক্সপ্রেস ঢাকার কমলাপুর থেকে রাত সাড়ে ৮টায় ছেড়ে সকাল ৬টার দিকে কক্সবাজার পৌঁছাতে পারে। ফিরতি ট্রেনটি সকাল ৯টায় কক্সবাজার থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। একদিকে যেতে সময় লাগতে পারে প্রায় সাড়ে ৯ ঘণ্টা। বর্তমানে মহানগর এক্সপ্রেস ঢাকার কমলাপুর থেকে রাত ৯টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রামের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। পথে বিমানবন্দর, নরসিংদী, ভৈরব বাজার, আশুগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, আখাউড়া, কসবা, কুমিল্লা, লাকসাম, নাঙ্গলকোট, ফেনী ও কুমিরাসহ বিভিন্ন স্টেশনে যাত্রাবিরতি রয়েছে। কক্সবাজার পর্যন্ত রুট বাড়ানো হলে এসব এলাকার যাত্রীরাও সরাসরি পর্যটন নগরীতে যাওয়ার সুযোগ পাবেন।তবে রুট সম্প্রসারণের আগে কক্সবাজারে ট্রেনটির পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং নতুন রুটে চলাচলের সম্ভাব্য প্রতিবন্ধকতাগুলো পর্যালোচনা করছে রেলওয়ে।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ