আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

জঙ্গীবাদ ও অপশক্তি নির্মূলে শোককে শক্তিতে পরিণত করতে হবে

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সন্ত্রাস দমন আইনে ও সরকারের নির্বাহী ক্ষমতাবলে স্বাধীনতা ও রাষ্ট্র বিরোধী জামায়াতকে নিষিদ্ধ করার সরকারী প্রজ্ঞাপনকে স্বাগত জানিয়ে মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহতাব উদ্দীন চৌধুরী বলেন, শোকাবহ আগস্ট মাসের প্রথম দিনে স্বাধীনতা বিরোধী জামায়াতকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। তাই আমাদের প্রত্যেককে যারা স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব বাংলাদশেকে বিশ্বাস করি আমাদের প্রতিপক্ষ যে আবরণ ও মুখোশে থাকুক না কেন তাদেরকে নিশ্চিহ্ন করার সময় এসেছে। তিনি আজ বৃহস্পতিবার বাদ আছর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স-পরিবার হত্যা পর্ব শোকাবহ আগস্ট মাসের প্রথম দিনে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আন্দকিল্লাস্থ শাহী জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত দোয়া ও মিলাদ মাহফিল শেষে শোক র‌্যালী পূর্ব এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে একথা বলেন। এতে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন বলেন, এই আগস্ট মাস বঙ্গবন্ধুকে হত্যাসহ শেখ হাসিনার প্রাণনাশ এবং জঙ্গীবাদের উত্থানের অনকে অঘটন ঘটেছে। এই আগস্ট মাসের প্রারম্ভেই ছাত্রদের কোটা বিরোধী আন্দোলন ¯^াধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে নিশ্চিহ্ন করার একটি অশনি সংক্ষেত। আমাদের প্রত্যেক স্তরের নেতা-কর্মীদের একমাত্র দায়িত্ব হলো সরলমতি সন্তানদের বিভ্রত করে জামায়াত-শিবির দেশীয়-আন্তর্জাতিক নীলনকশা অনুযায়ী বাংলাদেশকে ধ্বংস করতে চাই, তাদের বিরুদ্ধে ৭১’র মুক্তিযুদ্ধের চেতনা দিবা-নিশি রাজপথে থাকতে হবে। শোকাবহ আগস্ট মাসের শুরুর প্রথম দিনে শোককে শক্তিতে পরিণত করার দুর্জয় সাহস নিয়ে জামায়াত-শিবির ও তাদের প্রধান আশ্রয়দাতা বিএনপির ¯^াধীনতা বিরোধী নেতাকর্মীদের ঠিকানা অনুসন্ধান করে তাদের কবর রচনা করতে হবে। দোয়া ও মিলাদ মাহফিল শেষে আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদ চত্বর হতে একটি বিশাল শোক র‌্যালী বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে এসে শেষ হয়। মিলাদ মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, আলহাজ্ব খোরশেদ আলম সুজন, আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সিটি মেয়র এম রেজাউল করিম চৌধুরী, উপদেষ্টা আলহাজ্ব সফর আলী, শেখ মাহমুদ ইসহাক, মুক্তিযোদ্ধা এনামুল হক চৌধুরী, কোষাধ্যক্ষ আব্দুচ ছালাম এম.পি, সাংগঠনিক সম্পাদক, সাবেক সংসদ সদস্য নোমান আল মাহমুদ, শফিক আদনান, চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনি, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য আলহাজ্ব শফিকুল ইসলাম ফারুক, সৈয়দ হাসান মাহমুদ শমসের, এডভোকেট শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, মশিউর রহমান চৌধুরী, হাজী মোহাম্মদ হোসেন, দিদারুল আলম চৌধুরী, আবু তাহের, ডা. ফয়সল ইকবার চৌধুরী, শহিদুল আলম, জহর লাল হাজারী, নির্বাহী সদস্য আবুল মনছুর, সৈয়দ আমিনুল হক, আলহাজ্ব পেয়ার মোহাম্মদ, এম.এ লতিফ এম.পি, কামরুল হাসান বুলু, বখতেয়ার উদ্দিন খান, সাইফুদ্দিন খালেদ বাহার, ইঞ্জিনিয়ার বিজয় কিশান চৌধুরী, জাফর আলম চৌধুরী, আবদুল লতিফ টিপু, ড. নেছার উদ্দিন মনজু, মোহাম্মদ জাবেদ, হাজী বেলাল আহমদ, মোরশেদ আকতার চৌধুরী, থানা আওয়ামী লীগের সিদ্দিক আলম, জাহাঙ্গীর চৌধুরী সিইনসি স্পেশাল, কাজী আলতাফ হোসেন, রেজাউল করিম কায়সার, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের শাহাজাহান রশিদ, শাহাজাদা কাজী আব্দুল মালেক, হুমায়ুন কবির মুন্না, নূর মোহাম্মদ নুরু, এডভোকেট আইয়ুব খান, সাইফুদ্দিন খালেদ, কাজী রাশেদ আলী জাহাঙ্গীর, আব্দুর রহিম, আতিকুর রহমান, সরওয়ার মোর্শেদ কচি, অধ্যাপক ইসমাইল, লুৎফুল হক খুশি, কায়সার মালিক, আলহাজ্ব সিদ্দিক আহমদ, দিদারুল আলম মাসুম, আব্দুল আজিম, সাইফুল আলম বাবু, শাহেদুল আলম শাকিল, মোহাম্মদ মুছা, আকবর আলী আকাশ, নুরুল আজিম নুরু, ইফতেখারুল আলম প্রমূখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ