আজঃ শুক্রবার ২৬ জুন, ২০২৬

শহীদ ওমররে জানায়ায মানুষের ঢল

এম মনির চৌধুরী রানা বোয়ালখালী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত হওয়া মো. ওমরের জানাযা নামায অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার আছরের নামাযের পর বোয়ালখালী উপজেলার কধুরখীল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তাঁর জানাযা নামায অনুষ্ঠিত হয়। তাঁর জানাযা নামাযে ছাত্র বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের বোয়ালখালী উপজেলার ছাত্র ও বিএনপির নেতা কর্মি ও জামায়াতের নেতা কর্মিরাসহ হাজারো মানুষ উপস্থিত হয়েছেন। জানাযা নামায শেষে ছাত্র বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ছাত্ররা উপজেলার ফুলতল নামক স্থানকে শহীদ ওমর চত্বর নাম ঘোষণা করার প্রস্তাব করলে উপস্থিত সবার সম্মতিক্রমে সেটি ‘শহীদ ওমর চত্বর’ নামকরণ করা হয়। তার জানাযা নামাযে উপস্থিত ছিলেন,চট্টগ্রাম দক্ষিনজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক আলহাজ্ব আবু সুফিয়ান,মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ,বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন লিপু,বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক হাজী ইছহাক চৌধুরী, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব নুরুন্নবী চৌধুরী,সদস্য সচিব ও আহলা করলডেঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হামিদুল হক মান্নান,পৌরসভা বিএনপি’র আহ্বায়ক শহিদুল্লাহ চৌধুরী,চানদগাঁও থানা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক গিয়াসউদ্দিন ভুইয়া, বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম সেলিম ও মেহেদী হাসান সুজন। এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন,দক্ষিণ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি বদরুল হক, উপজেলা জামায়াতের আমীর ডা. খোরশেদ আলম,নায়েবে আমীর ডা. আবু নাছের পৌরসভার আমীর মো. হারুনসহ শতশত জামায়াতের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের স্যার আশুতোষ সরকারি কলেজ এর সম্বনয়ক মো. সাকিল,নির্বাস বিন আমির,কাজী ইবনুর,সোয়েব রহমান,ওমর ফারুক,নয়ন উদ্দিন ,কলিমুল্লাহ,হেলাল উদ্দিন, আশরাফ,ফয়সাল উদ্দিন মাহি,শাহজাহান জুয়েল,ফাহিম,রাহি,তায়েফ,সাইফসহ শত শত শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন ওমরের জানাযা নামাযে।
এসময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের স্যার আশুতোষ সরকারি কলেজ এর সম্বনয়ক মো. সাকিল বলেন গত ১৬ ই জুলাই আমার ডান চোখে মারাত্মক আহত হয়েছে। তারপরেও দমে যায়নি। বোয়ালখালী উপজেলা ছাত্রসমাজকে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে সর্বদা প্রস্তুত থাকতে হবে। ছাত্রসমাজকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। দলমত নির্বিশেষে সবাই সুন্দর বাংলাদেশ গঠন করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ প্রয়োজন। সবার মতামতের ভিত্তিতে মো. ওমরের নামকরণে ফুলতলকে শহীদ ওমর চত্বর ঘোষণা করা হলো।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিতর্ক প্রতিযোগিতা : দুর্নীতি সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নয়নে প্রধান বাধা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দুর্নীতির বিরুদ্ধে তারুণ্যের একতা, গড়বে আগামীর শুদ্ধতা” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-২ এর সহযোগিতায় ফটিকছড়ি উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি ফটিকছড়ি দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।

পৌরসদরস্থ বীর মুক্তিযোদ্ধা জহুরুল হক মিলনায়তনে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী (ইউএনও)অফিসার সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহীম। দুর্নীতিমুক্ত, ন্যায়ভিত্তিক ও সচেতন সমাজ গঠনে দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে উল্লেখ করে ইউএনও বলেন, দুর্নীতি সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নয়নের প্রধান বাধা। দুর্নীতির অবসান ঘটলে আমাদের দেশেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে এবং বাধাহীনভাবে উন্নতির দিকে এগিয়ে যাবে। সবাই নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে সততা ও স্বচ্ছতার চর্চা করলে দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। তিনি দুর্নীতি প্রতিরোধে পরিবার থেকে শুরু করে নতুন প্রজন্মকে সচেতন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

মুখ্য আলোচক ছিলেন, ফটিকছড়ি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. সেলিম রেজা।উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ কামরুল হায়দারের সভাপতিত্বে সার্বিক পরিচালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক পল্লবী খাস্তগীর। প্রতিযোগিতার বিচারক ছিলেন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ছফি উল্লাহ, প্রকল্প কর্মকর্তা আলী নুর মিয়াজী, একাডেমিক সুপারভাইজারআকরাম হোসেন।

সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এড.আহম্মদ কবির (করিম),আহম্মদ আলী চৌধুরী, সৈয়দা নাসরীন আক্তার কেমি, রুহুল আমিন প্রমূখ। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন, ফটিকছড়ি বালিকা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, ফটিকছড়ি করোনেশন সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়, ধর্মপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, নানুপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।এতে ফটিকছড়ি বালিকা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন ও নানুপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় রানার আপ হয়।

মোবাইল ছাড়া অস্থিরতা: ডিজিটাল যুগের নতুন মানসিক সংকট নোমোফোবিয়া

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বর্তমান বিশ্বে মোবাইল ফোন আর শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়; এটি মানুষের দৈনন্দিন জীবন, কর্মক্ষেত্র, শিক্ষা, ব্যবসা, বিনোদন এবং সামাজিক যোগাযোগের অন্যতম প্রধান অবলম্বন। সকালে ঘুম থেকে ওঠা থেকে শুরু করে রাতের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কোটি কোটি মানুষ স্মার্টফোনের ওপর নির্ভরশীল। প্রযুক্তির এই অভূতপূর্ব অগ্রগতি মানুষের জীবনকে সহজ করেছে, তবে একই সঙ্গে তৈরি করেছে নতুন কিছু মানসিক ও সামাজিক চ্যালেঞ্জ। এর মধ্যে অন্যতম হলো নোমোফোবিয়া (Nomophobia)— মোবাইল ফোন থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার অযৌক্তিক ভয় বা উদ্বেগ।

বিশ্বব্যাপী স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা কয়েকশ কোটি ছাড়িয়েছে। ডিজিটাল ব্যাংকিং, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অনলাইন শিক্ষা, ই-কমার্স এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক বিভিন্ন সেবার কারণে মানুষের জীবন ক্রমেই স্মার্টফোনকেন্দ্রিক হয়ে উঠছে। ফলে মোবাইল ফোন হারিয়ে যাওয়া, চার্জ শেষ হয়ে যাওয়া কিংবা ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার মতো ঘটনা অনেকের জন্য সাধারণ অসুবিধার চেয়ে বড় মানসিক চাপের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, নোমোফোবিয়া এখনো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কোনো পৃথক মানসিক রোগ না হলেও এটি আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মানসিক সমস্যা। মোবাইল ফোন কাছে না থাকলে উদ্বেগ, অস্থিরতা, বিরক্তি, ভয় কিংবা অসহায়ত্বের অনুভূতি তৈরি হওয়াই এর প্রধান বৈশিষ্ট্য। অনেকেই বারবার ফোন চেক করেন, কোনো নোটিফিকেশন না এলেও স্ক্রিন অন করে দেখেন অথবা কয়েক মিনিট ফোন ব্যবহার না করলেই অস্বস্তি অনুভব করেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এর পেছনে অন্যতম কারণ হলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাব এবং মস্তিষ্কে ডোপামিন হরমোনের কার্যক্রম। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টিকটক, ইউটিউব কিংবা বিভিন্ন মেসেজিং অ্যাপের নোটিফিকেশন মানুষের মধ্যে তাৎক্ষণিক আনন্দের অনুভূতি তৈরি করে। ধীরে ধীরে এই অভ্যাস নির্ভরতায় রূপ নেয়। যখন সেই উৎস হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়, তখন মস্তিষ্কে এক ধরনের শূন্যতা ও উদ্বেগ তৈরি হয়।

নোমোফোবিয়ার লক্ষণ সাধারণত দুই ধরনের— মানসিক ও শারীরিক। মানসিক লক্ষণের মধ্যে রয়েছে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা, অস্থিরতা, ভয়, মনোযোগের ঘাটতি, বিরক্তি এবং সামাজিক বিচ্ছিন্নতা। অন্যদিকে শারীরিক লক্ষণের মধ্যে হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া, ঘাম হওয়া, হাত কাঁপা, শ্বাস-প্রশ্বাসে অস্বস্তি কিংবা ঘুমের সমস্যা দেখা দিতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে এসব লক্ষণ অব্যাহত থাকলে তা ব্যক্তির কর্মক্ষমতা, শিক্ষাজীবন এবং পারিবারিক সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পরিচালিত গবেষণায় দেখা গেছে, তরুণ প্রজন্ম নোমোফোবিয়ার সবচেয়ে বড় ঝুঁকিতে রয়েছে। কারণ তারা প্রযুক্তি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি সম্পৃক্ত। বর্তমানে অনেক তরুণের দিনের শুরু এবং শেষ হয় স্মার্টফোনের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে। বাস্তব জীবনের সম্পর্কের চেয়ে ভার্চুয়াল যোগাযোগকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার প্রবণতাও বাড়ছে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি এবং স্মার্ট প্রযুক্তির বিস্তারের এই যুগে নোমোফোবিয়ার বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। প্রযুক্তি যত উন্নত হচ্ছে, মানুষের নির্ভরতাও তত বাড়ছে। ফলে প্রযুক্তির সুবিধা গ্রহণের পাশাপাশি এর স্বাস্থ্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করাও জরুরি হয়ে পড়েছে। উন্নত বিশ্বের অনেক দেশ ইতোমধ্যে ‘ডিজিটাল ওয়েলবিয়িং’ এবং ‘ডিজিটাল ডিটক্স’ কর্মসূচিকে গুরুত্ব দিতে শুরু করেছে।

নোমোফোবিয়া থেকে মুক্ত থাকতে হলে সচেতনতার বিকল্প নেই। প্রতিদিন কিছু সময় মোবাইল ফোন থেকে দূরে থাকা, অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন বন্ধ রাখা, পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সরাসরি সময় কাটানো, বই পড়া, খেলাধুলা কিংবা সৃজনশীল কাজে যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে প্রযুক্তিনির্ভরতা কমানো সম্ভব। বিশেষ করে ঘুমানোর আগে দীর্ঘ সময় মোবাইল ব্যবহার না করা এবং দিনের নির্দিষ্ট সময়কে ‘স্ক্রিনমুক্ত সময়’ হিসেবে নির্ধারণ করা কার্যকর হতে পারে।

প্রযুক্তি মানুষের কল্যাণের জন্য সৃষ্টি হয়েছে, মানুষের মানসিক শান্তি কেড়ে নেওয়ার জন্য নয়। তাই প্রযুক্তিকে প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করতে হবে, কিন্তু তার দাসে পরিণত হওয়া যাবে না। স্মার্টফোন আমাদের জীবনকে সহজ করেছে, তবে বাস্তব জীবন, মানবিক সম্পর্ক এবং মানসিক সুস্থতার চেয়ে কোনো প্রযুক্তিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়। নোমোফোবিয়ার মতো সমস্যাগুলো আমাদের সেই বাস্তবতাই নতুন করে স্মরণ করিয়ে দেয়। ডিজিটাল যুগে সুস্থ ও ভারসাম্যপূর্ণ জীবন গড়তে প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে সঠিক ভারসাম্য প্রতিষ্ঠাই হতে পারে সবচেয়ে কার্যকর সমাধান।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ