কালুরঘাট সেতু নির্মাণসহ ১৪ দফা দাবি

এম মনির চৌধুরী রানা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বৃহত্তর চট্টগ্রাম উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটির সভা গতকাল নগরের একটি রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত হয়। নতুন কমিটি ঘোষণা উপলক্ষে অনুষ্ঠানে নেতৃবৃন্দ বৃহত্তর চট্টগ্রামের উন্নয়নে চৌদ্দ দফা প্রস্তাব উত্থাপন করে। যার মধ্যে রয়েছে কালুরঘাটে নতুন সেতু অগ্রাধিকার দিয়ে নির্মাণ, নগরের বন্দর, পতেঙ্গা,অক্সিজেন, মোহরা চান্দগাঁও, উত্তর ও দক্ষিণ জেলায় আলাদা সরকারি হাসপাতাল নির্মাণ, আবাসিক এলাকায় গ্যাস সংযোগ প্রদান, জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, চট্টগ্রামকে যানজট ও আবর্জনামুক্ত শহরে পরিণত করার উদ্যোগ গ্রহণ। সভায় লিখিত বক্তব্যে এসব দাবি উত্থাপন করেন উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটির স্থায়ী পরিষদের সভাপতি জসিম উদ্দিন চৌধুরী। এর আগে নবগঠিত পূর্ণাঙ্গ কমিটির সদস্যদের নাম ঘোষণা করেন কার্যনির্বাহী কমিটির মহাসচিব এইচ এম মুজিবুল হক শাকুর। স্বাগত বক্তব্য দেন, নব–নির্বাচিত চেয়ারম্যান এস এম নুরুল হক। সভার শুরুতের জুলাই বিপ্লবে নিহত শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয় এবং প্রধান উপদেষ্টাসহ বৃহত্তর চট্টগ্রাম থেকে মনোনীত উপদেষ্টামণ্ডলীকে অভিবাদন জানানো হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন, স্থায়ী পরিষদের সদস্য মেজর জেনারেল (অব.) আবদুল মতিন, প্রফেসর ড. নূ ক ম আকবর হোসেন, লাইলা ইব্রাহিম বানু, আবু হায়দার চৌধুরী আমজাদ, মুহাম্মদ রাশেদ, ডা. আকবর হোসেন ভুঁইয়া, মনজুরুল আলম, মাহফুজুল হক শাহ, উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার সুভাষ বড়ুয়া, অ্যাড. মাহফুজুর রহমান খান, প্রফেসর মনজুরুল কিবরিয়া, উপদেষ্টা ডা. আহমেদ সাইদ, ভাইস চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মদ ইব্রাহিম, কমান্ডার ইফতেখার হাসান, ডা. নাহিদা খানম শিমু, গোলাম হোসেন, আবদুল হালিম দোভাষ, ইঞ্জিনিয়ার আবদুল মুবিন, হাসানুজ্জামান চৌধুরী, অধ্যক্ষ এম ইব্রাহিম আকতারী, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল, যুগ্ম মহাসচিব অ্যাড. ফয়েজুর রহমান চৌধুরী, মুহাম্মদ মঈন উদ্দিন, এস এম সিরাজদৌল্লা, হাফেজ সালামতুল্লাহ, এম ওয়াহেদ মুরাদ, সাজেদুল হক হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক যিকরু হাবিবীল ওয়াহেদ, রকিবুল আমিন, সালাউদ্দিন আহমদ, ফরহাদ আলী, লায়ন মুহাম্মদ নুরুল আলম, সৈয়দ নাসির, ইঞ্জিনিয়ার হারুনুর রশিদ, নোমান উল্লাহ বাহার, কাশেম শাহ, অধ্যাপক বাহার উদ্দিন জুবাইর, শহিদুল ইসলাম, নুরুল আবছার, নুরুল ইসলাম রিপন, মুহাম্মদ আজম উদ্দিন, এম গোফরান চৌধুরী, নিশাত বিনতে ইব্রাহিম, ইঞ্জিনিয়ার মোখতার আহমদ, মুহাম্মদ আনোয়ার মিয়া, ডা. মাহবুবুল আলম, ডা. হানিফ খান জিলানি, আবু সাদেক ছিটু, হাসান সিকদার, মুহাম্মদ আব্দুর রহিম, মুহাম্মদ রাসেল, রেজাউল করিম বেলাল, রিমন মুহুরী, মুহাম্মদ শাহজাহান, জাহিদা সুলতানা মঈন উদ্দিন হাসান সানজারী, অধ্যাপিকা নাসিমা আকতার রিনা, ইলিয়াস খান ইমু, হাফেজ আনিসুর রহমান, মাওলানা আব্দুন নবী হাক্কানী, আব্দুর রহিম তৈয়্যবী, লোবনা বিনতে আহমদ, বিপ্লব দাশ প্রমুখ। পরে জসিম উদ্দিন চৌধুরীকে স্থায়ী পরিষদের সভাপতি, এস এম নুরুল হককে কার্যনির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান ও এইচ এম মুজিবুল হক শাকুরকে মহাসচিব এবং যিকরু হাবিবীল ওয়াহেদকে সাংগঠনিক সম্পাদককরে ১০১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজধানী ঢাকার শেরেবাংলা নগর এলাকার ন্যাম ভবন থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি জিএম নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ন্যাম ভবনের ৫নং ভবনের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা তা এখনও জানা যায়নি।

তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. ইবনে মিজান মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জানা যায়, রুমের জানালা দিয়ে মরদেহ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়। তবে কখন, কীভাবে কেন এ ঘটনা ঘটেছে সে বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

পুলিশের দেয়া তথ্যে জানা যায়, মরদেহ উদ্ধারের পর ফরেনসিকের জন্য প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। এরপর মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি এবং ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে গণমাধ্যমকে জানান, নজরুল ইসলাম তার দুই স্ত্রীকে নিয়ে দুপুরের খাবার খেয়েছেন। এরপর তারা বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আলাদা আলাদা রুমে যান। পরে ৫টার পরে ছোট স্ত্রী মরিয়মকে ডাকতে গেলে দরজা বন্ধ পান। পরে জানালা দিয়ে দেখেন আলোচিত দ্বিতীয় স্ত্রী ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলছেন। পরে তিনি থানা পুলিশকে জানান। প্রাথমিকভাবে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা সে বিষয় বিস্তারিত কিছু জানাতে পারেনি পুলিশ।

অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগ, চিকিৎসাধীন অবস্থায় তরুণীর মৃত্যু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার মোকারিমপুর ইউনিয়ন ফকিরাবাদে বকশিপাড়ায় স্বামীর পরিকল্পনায় ঠান্ডা মাথায় খুন করে তমা খাতুনকে। তমা খাতুনের স্বামী বক্কর হোসেন এখন ভেড়ামারা থানা পুলিশ হেফাজতে। তমা খাতুন (১৮) রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চার দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটে মারা যান। নিহত তমা খাতুন ভেড়ামারা উপজেলার মোকারিমপুর ইউনিয়নের ফকিরাবাদ বকশীপাড়া এলাকার তোফাজ্জল হোসেনের মেয়ে।

নিহতের পরিবারের দাবি, গত ১৫ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে রক্তাক্ত অবস্থায় বাড়ির পাশে ফেলে রেখে যায়। স্বজন ও প্রতিবেশীরা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

নিহতের মামাতো ভাই হাবিবুর রহমান জানান, এ ঘটনায় ৪-৫ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে ভেড়ামারা থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তমার মৃত্যুর পর এলাকায় শোক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে অভিযুক্তদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তার এবং আইনানুগ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। স্বামীর পরিকল্পনায় ঠান্ডা মাথায় খুন করে তমা খাতুনকে।

ভেড়ামারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মাদ জাহেদুর রহমান বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ওই তরুণী মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত হয়েছিলেন বলে জানা গেছে। ধর্ষণের কোনো আলামত বা প্রমাণ পুলিশ পায়নি। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মিজানুর রহমান বলেন, ১৫ সেপ্টেম্বর রাতে ওই তরুণীকে হাসপাতালে আনা হয়। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। তবে হাসপাতালে ভর্তির সময় পরিবারের পক্ষ থেকে ধর্ষণের বিষয়ে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ