আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

কালুরঘাট সেতু নির্মাণসহ ১৪ দফা দাবি

এম মনির চৌধুরী রানা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বৃহত্তর চট্টগ্রাম উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটির সভা গতকাল নগরের একটি রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত হয়। নতুন কমিটি ঘোষণা উপলক্ষে অনুষ্ঠানে নেতৃবৃন্দ বৃহত্তর চট্টগ্রামের উন্নয়নে চৌদ্দ দফা প্রস্তাব উত্থাপন করে। যার মধ্যে রয়েছে কালুরঘাটে নতুন সেতু অগ্রাধিকার দিয়ে নির্মাণ, নগরের বন্দর, পতেঙ্গা,অক্সিজেন, মোহরা চান্দগাঁও, উত্তর ও দক্ষিণ জেলায় আলাদা সরকারি হাসপাতাল নির্মাণ, আবাসিক এলাকায় গ্যাস সংযোগ প্রদান, জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, চট্টগ্রামকে যানজট ও আবর্জনামুক্ত শহরে পরিণত করার উদ্যোগ গ্রহণ। সভায় লিখিত বক্তব্যে এসব দাবি উত্থাপন করেন উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটির স্থায়ী পরিষদের সভাপতি জসিম উদ্দিন চৌধুরী। এর আগে নবগঠিত পূর্ণাঙ্গ কমিটির সদস্যদের নাম ঘোষণা করেন কার্যনির্বাহী কমিটির মহাসচিব এইচ এম মুজিবুল হক শাকুর। স্বাগত বক্তব্য দেন, নব–নির্বাচিত চেয়ারম্যান এস এম নুরুল হক। সভার শুরুতের জুলাই বিপ্লবে নিহত শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয় এবং প্রধান উপদেষ্টাসহ বৃহত্তর চট্টগ্রাম থেকে মনোনীত উপদেষ্টামণ্ডলীকে অভিবাদন জানানো হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন, স্থায়ী পরিষদের সদস্য মেজর জেনারেল (অব.) আবদুল মতিন, প্রফেসর ড. নূ ক ম আকবর হোসেন, লাইলা ইব্রাহিম বানু, আবু হায়দার চৌধুরী আমজাদ, মুহাম্মদ রাশেদ, ডা. আকবর হোসেন ভুঁইয়া, মনজুরুল আলম, মাহফুজুল হক শাহ, উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার সুভাষ বড়ুয়া, অ্যাড. মাহফুজুর রহমান খান, প্রফেসর মনজুরুল কিবরিয়া, উপদেষ্টা ডা. আহমেদ সাইদ, ভাইস চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মদ ইব্রাহিম, কমান্ডার ইফতেখার হাসান, ডা. নাহিদা খানম শিমু, গোলাম হোসেন, আবদুল হালিম দোভাষ, ইঞ্জিনিয়ার আবদুল মুবিন, হাসানুজ্জামান চৌধুরী, অধ্যক্ষ এম ইব্রাহিম আকতারী, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল, যুগ্ম মহাসচিব অ্যাড. ফয়েজুর রহমান চৌধুরী, মুহাম্মদ মঈন উদ্দিন, এস এম সিরাজদৌল্লা, হাফেজ সালামতুল্লাহ, এম ওয়াহেদ মুরাদ, সাজেদুল হক হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক যিকরু হাবিবীল ওয়াহেদ, রকিবুল আমিন, সালাউদ্দিন আহমদ, ফরহাদ আলী, লায়ন মুহাম্মদ নুরুল আলম, সৈয়দ নাসির, ইঞ্জিনিয়ার হারুনুর রশিদ, নোমান উল্লাহ বাহার, কাশেম শাহ, অধ্যাপক বাহার উদ্দিন জুবাইর, শহিদুল ইসলাম, নুরুল আবছার, নুরুল ইসলাম রিপন, মুহাম্মদ আজম উদ্দিন, এম গোফরান চৌধুরী, নিশাত বিনতে ইব্রাহিম, ইঞ্জিনিয়ার মোখতার আহমদ, মুহাম্মদ আনোয়ার মিয়া, ডা. মাহবুবুল আলম, ডা. হানিফ খান জিলানি, আবু সাদেক ছিটু, হাসান সিকদার, মুহাম্মদ আব্দুর রহিম, মুহাম্মদ রাসেল, রেজাউল করিম বেলাল, রিমন মুহুরী, মুহাম্মদ শাহজাহান, জাহিদা সুলতানা মঈন উদ্দিন হাসান সানজারী, অধ্যাপিকা নাসিমা আকতার রিনা, ইলিয়াস খান ইমু, হাফেজ আনিসুর রহমান, মাওলানা আব্দুন নবী হাক্কানী, আব্দুর রহিম তৈয়্যবী, লোবনা বিনতে আহমদ, বিপ্লব দাশ প্রমুখ। পরে জসিম উদ্দিন চৌধুরীকে স্থায়ী পরিষদের সভাপতি, এস এম নুরুল হককে কার্যনির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান ও এইচ এম মুজিবুল হক শাকুরকে মহাসচিব এবং যিকরু হাবিবীল ওয়াহেদকে সাংগঠনিক সম্পাদককরে ১০১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে জামায়াত প্রার্থীর গণসংযোগে আতর্কিত হামলা ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-১০ আসনের জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালীর নির্বাচনী গণসংযোগে হামলার ঘটনা ঘটেছে। মহানগরের খুলশী থানাধীন আমবাগান রেলগেট এলাকায় মঙ্গলবার রাতে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, গণসংযোগ চলাকালে হঠাৎ করে একদল দুর্বৃত্ত হামলা চালায়। এতে জামায়াতের অন্তত ৮ জন নেতাকর্মী আহত হন।
আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে শামসুজ্জামান হেলালী অভিযোগ করে বলেন, অতর্কিতভাবে স্থানীয় বিএনপির লোকজন আমাদের শান্তিপূর্ণ গণসংযোগে হামলা চালিয়েছে।

এতে আমাদের নেতাকর্মীরা আহত হয়েছেন।এদিকে হামলার পর এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা বা আটকের তথ্য পাওয়া যায়নি।

শ্রীবরদীর জামায়াতের সেক্রেটারি নিহতের ঘটনায় ঢাবি ছাত্রদের প্রতিবাদ মিছিল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিম নিহত হয়েছেন। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দিবাগত রাত পৌনে ১০টায় তিনি মারা যান। এই প্রাণহানির ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়ে রাতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ