আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

ঈদগাঁওতে পাহাড় গিলে খাচ্ছে বন কর্মকর্তার সি’ন্ডি’কে’ট

কক্সবাজার প্রতিনিধি :

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পৃথিবীর মেরুদণ্ড বলা হয় পাহাড়কে। প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় যার অসংখ্য অবদান । এর ওপর ভর করেই প্রকৃতি তার ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। অথচ এক শ্রেণির ভূমিদস্যুরা দিনের পর দিন নিজেদের স্বার্থ হাসিলে সেই পাহাড়গুলোকে সাবাড় করছে।কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামাবাদ ইউনিয়নের ছোট-বড় মিলিয়ে রয়েছে অসংখ্য পাহাড়। তবে সেসব পাহাড় গুলোতেও পড়েছে পাহাড় খোকোদের থাবা।স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, স্থানীয় নুরুল হক সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি পাহাড়ে বসবাসরতর সাধারণ মানুষজন।
তারা বলছেন, শুধু পাহাড় নিধন নয়, স্থাপনা নির্মাণ করতে হলেও নুরুল হক গং দের দিতে হয় মোটা অংকের টাকা। অন্যথায় বন বিভাগের হুমকি দেখিয়ে মামলায় জড়ানো হয় অসহায় এসব মানুষকে।

স্থানীয়রা জানান, নুরুল হকের সাথে যোগসাজশ আছে ঈদগাঁও ফুলছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা হুমায়ুন আহমেদের। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে রেঞ্জ কর্মকর্তা বলেন, নুরুল হল নামে কারো সাথে পরিচয় নেই তার। যে বা যারা আমার নাম ভাঙিয়ে টাকা আদায় করতেছে তাদের বিরুদ্ধে আমি ব্যবস্থা নিবো।
তিনি আরো জানান, অনেকেই অভিযোগ করবে সুবিধা নেওয়ার জন্য। তবে পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে সবসময় জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছি।

এদিকে অভিযুক্ত নুরুল হক পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। তবে ভিলেজার হিসেবে ফুলছড়ির রেঞ্জ কর্মকর্তা হুমায়ুন আহমেদ সাথে গভীর সম্পর্ক রয়েছে তার।
রেঞ্জ কর্মকর্তার কাছে দিনে রাতে তার বিভিন্ন কাজে যাওয়া আসা রয়েছে বলে তিনি বলেন, আমার একটি গাড়ী আছে। গরীব মানুষ আমি দীর্ঘদিন বিদেশ ছিলাম। এখন দেশে এসে এইসব করে খাচ্ছি। আমার বিরুদ্ধে কিছু লোক ষড়যন্ত্র করতেছে। আপনারা খুঁজে দেখেন পারলে। আমি কাউকে হুমকি দিয়ে টাকা আদায় করি না। আমি কি দালাল?

এইনিয়ে উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন সরকার বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবেন তারা। যারা এইসব কাজে জড়িত তাদের ছাড় দেওয়া হবে না বলে হুশিয়ার করেন তিনি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় বাল্কহেড থেকে সাড়ে ৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ গ্রেফদার-৫।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানার ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা মূল্যের ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৭। বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ১০টা ২০ মিনিটে কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকার মো. ইমরান (২১), আনোয়ারার পূর্ব গহিরা এলাকার মো. আনিস (২৯), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ভাঙ্গারা এলাকার মো. মনির হোসেন (৪৫), আনোয়ারার করুশকুল এলাকার মো. আলী (৪৭) এবং লক্ষীপুরের রামগতি উপজেলার চর কলাকুপা এলাকার মো. রুবেল (২৭)।
র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, গোপন খবরের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে যে কয়েকজন মাদক কারবারি মিয়ানমার থেকে সমুদ্রপথে একটি বাল্কহেডে করে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা চট্টগ্রাম মহানগরীতে নিয়ে আসছে। খবর পেয়ে র‌্যাব-৭ এর একটি আভিযানিক দল বাল্কহেডটির পিছু নেয়।

এক পর্যায়ে বাল্কহেডটি ১৫ নম্বর ঘাটে নোঙর করে কয়েকজন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে র‌্যাব সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে আটক করেন। পরে বাল্কহেডে তল্লাশি চালিয়ে ইঞ্জিন রুমে রাখা দুটি প্লাস্টিকের ড্রাম থেকে ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের লাশ মিলল ডোবায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের
লাশ মিলল ডোবায়
ছবি-৭
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম মহানগরের বন্দর থানা এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম (৪৬) নামে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত মঞ্জুর আলম ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের কলসিদিঘির পাড় আলী মিয়া চেরাগের বাড়ির বাদশা মিয়ার ছেলে। তিন গাড়িচালক ছিলেন। বুধবার সকাল ১১টায় কলসিদিঘির পাড় থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহতের শ্যালক মো. হাসান বলেন, গত ৬ মার্চ থেকে আমার দুলাভাই নিখোঁজ ছিলেন। এ ঘটনায় আমরা থানায় জিডিও করেছিলাম। আমার দুলাভাইকে কেউ পরিকল্পিতভাবে কেউ মেরে ফেলে চলে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তোফাজ্জল হোসাইন বলেন, কলসিদিঘির পাড় এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, গত শুক্রবারে তার মৃত্যু হয়েছে। তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন বলে জানতে পেরেছি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে কাজ চলছে বলে তিনি জানান।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ