বোয়ালখালীতে এরশাদ উল্লাহ, জনগণের টাকা লোপাটকারীদের আইনের আওতায় আনতে হবে’

এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে বোয়ালখালীতে মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ বলেছেন, জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ৩১ দফা সংস্কারের দাবি জানিয়েছে। যা বাস্তবায়ন করা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষে সম্ভব নয়। তাই নির্বাচন কমিশন সংস্কারের মাধ্যমে সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে। জনগণ যাদের নির্বাচিত করবে সেই দলীয় সরকার সবকিছু সংস্কার করবে। চট্টগ্রামের বোয়ালখালী পৌর সদরের বোয়ালখালী সিরাজুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজ মাঠে আয়োজিত জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে গায়েবী মামলা দেওয়া হয়েছে। আমরা গায়েবী মামলা দিতে চাই না। তবে ব্যাংকের জনগণের টাকা লোপাটকারীদের চিহ্নিত করতে হবে, আওয়ামী লীগের গুন্ডাপান্ডাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, আমরা এ অঞ্চলের দুঃখ লাগবের জন্য নতুন কালুরঘাট সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু করার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে বলবো। রেলওয়ের সাথে যোগাযোগ করবো। আওয়ামী লীগ দীর্ঘ ১৬ বছর এই এলাকার মানুষের সাথে ধোঁকাবাজি করেছে। তারা সেতুটি আজ করছি, কাল করছি বলে সময় ক্ষেপণ করেছে। যদি অন্তর্বর্তী সরকার সেতুটি না করে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে অবশ্যই বাস্তবায়ন করবে।
উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক শওকত আলমের সভাপতিত্বে ও সাবেক সদস্য সচিব নুরুল করিম নুরুর পরিচালনায় এতে প্রধানবক্তা ছিলেন, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী বেলাল উদ্দিন ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সদস্য আজিজুল হক।

অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হাশেম, জাগের হোসেন, সরোয়ার আলমগীর, বিএনপি নেতা জয়নাল আবেদীন সিকদার, এডভোকেট শামসুদ্দীন, জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম শাহীন, সহসাধারণ সম্পাদক আবু আকতার, জসিম উদ্দীন, সহ দপ্তর সম্পাদক এমএন করিম, মো.খালেদ, লোকমান, নাছির উদ্দীন, সোহেল মিয়াজী, ইরফান, রোকন, রফিক, কপিল উদ্দিন, মজিবুল্লা মজু, দুলাল ও মিজানুর রহমান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বাসযোগ্য নগরী গড়তে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই : সিডিএ চেয়ারম্যান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আরও সবুজ, নান্দনিক ও বাসযোগ্য নগর হিসেবে গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন সিডিএ চেয়ারম্যান সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন। মঙ্গলবার সিডিএ প্রকল্প এলাকায় একটি নারিকেল ও একটি তালগাছের চারা রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধনকালে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, শুধু গাছ লাগালেই দায়িত্ব শেষ হয় না; প্রতিটি চারাকে পূর্ণাঙ্গ বৃক্ষে পরিণত করতে নিয়মিত পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ১৮০ দিনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজ নগর গড়ে তোলার লক্ষ্যে ২৮ হাজার বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নিয়েছে সিডিএ। এর অংশ হিসেবে কর্ণফুলী নদীর তীর বরাবর কালুরঘাট সেতু থেকে চাক্তাই খাল পর্যন্ত সড়ক নির্মাণ প্রকল্প এলাকায় ১৪ হাজার বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, এলাকায় ইতোমধ্যে প্রায় আড়াই হাজার বৃক্ষ রোপণ করা হয়েছে। বন বিভাগের সহযোগিতায় এখানে আরও ১৪ হাজার বৃক্ষ রোপণ করা হবে। এছাড়া ২৮ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অবশিষ্ট গাছগুলো সিডিএর বিভিন্ন প্রকল্প ও এলাকায় পর্যায়ক্রমে রোপণ করা হবে।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে সিডিএর সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) মোহাম্মদ নূরুল্লাহ নুরী (অতিরিক্ত সচিব), সদস্য ও প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মো. জামিলুর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী আহমেদ আনোয়ারুল নজরুল, প্রকল্প পরিচালক রাজীব দাশসহ সিডিএর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন বলেন, উন্নয়নের পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণ নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। পরিকল্পিত বৃক্ষরোপণ ও কার্যকর পরিচর্যার মাধ্যমে নগরের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রতিটি গাছের যথাযথ পরিচর্যার মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই নগর গড়ে তোলার লক্ষ্যে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার নির্দেশনা দেন।

চট্টগ্রামে হালিশহরে বসতঘরে আগুন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে একটি বসতঘরে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। গত সোমবার রাতে নগরীর হালিশহরের চৌধুরীপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিস।

ফায়ার সার্ভিস জানায়, আগ্রাবাদ ও বন্দর ফায়ার স্টেশনের দুটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে।আগ্রাবাদ ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জানানো হয়, চৌধুরীপাড়া এলাকায় একটি বাসায় আগুন লাগে।

বাসাটি ৩৭৫ বর্গফুটের। সিগারেট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।এ ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ