চবিতে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সাইকোথেরাপি সেন্টার স্থাপনের গুরুত্বারোপ

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এর সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের মিলনায়তনে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তাগণ গুরুত্বারোপ করেন ক্যাম্পাসকেন্দ্রিক একটি এক্সপ্রেসিভ সাইকোথেরাপি সেন্টার স্থাপন করে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের।
মানসিক স্বাস্থ্য ইস্যুতে কর্মরত নেটওয়ার্ক মেন্টাল হেলথ অ্যাডভোকেসি অ্যাসোসিয়েশন (মা), উন্নয়ন সংস্থা ইউনাইট থিয়েটার ফর সোশাল অ্যাকশন (উৎস) ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এর যৌথ উদ্যোগে ডিয়াকোনিয়া’র সহযোগিতায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা), বিশেষ অতিথি ছিলেন ড. মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন), অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডা. মোহাম্মদ আবু তৈয়ব, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত), চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।
সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. মোহাম্মদ আলাউদ্দিন মজুমদার এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উৎস’র নির্বাহী পরিচালক মোস্তফা কামাল যাত্রা। দিবসের প্রতিপাদ্য নিয়ে ধারণা পত্র উপস্থাপন করেন উৎস’র প্রোগ্রাম অফিসার রীপা পালিত ও স্বাগত বক্তব্য রাখেন উৎস’র কর্মসূচি সমন্বয়কারী মুহাম্মদ শাহ্ আলম।
প্রধান অতিথি জনাব ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান বলেন: ‘কর্মস্থল হিসাবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় যতবেশি মানসিক স্বাস্থ্য বান্ধব হবে ততবেশি গুনগতমানের শিক্ষা নিশ্চিত হবে। কারণ মানসিক স্বাস্থ্য বান্ধব পরিবেশ না থাকলে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় একটি মানসিক স্বাস্থ্য বান্ধব প্রতিষ্ঠান হিসাবে পরিচিত হতে পারবে না’।
বিশেষ অতিথি ছিলেন ড. মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন বলেন:‘করোনাকালীন সময়ে কেন্দ্রিয় চিকিৎসা কেন্দ্রে যেই মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সেবা শুরু করা হয়েছিল তাকে আরো সুসংগঠিত করার মাধ্যমে আমরা একটি স্বতন্ত্র মনোস্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করবো। এক্ষত্রে দাতা সংস্থাদের সহায়তা প্রত্যাশা করছি’। বিশেষ অতিথি ডা. মোহাম্মদ আবু তৈয়ব, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) বলেন: ‘মানসিক সমস্যার ঔষধী চিকিৎসার পাশাপাশি ঔষধবিহীন পদ্ধতিতে চিকিৎসা পদ্ধতি বিশ্বব্যাপী গুরুত্ব দিয়ে পরিচালনা করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে যদি বিকল্প ধারার সৃজনশীল কলা পদ্ধতিভিত্তিক একটি এক্সপ্রেসিভ সাইকোথেরাপি সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হয় তবে তা মনোস্বাস্থ্যসেবার সুযোগকে আরো প্রসারিত করবে। ওয়ান টু ওয়ান পদ্ধতিতে ২৮০০০ শিক্ষার্থী, ২০০০ শিক্ষক এবং ৩০০০ কর্মি, কর্মকর্তা মানসিক স্বাস্থ্যসেবা গুনগত মান রক্ষা করে প্রদান করা কঠিন। সেক্ষেত্রে গ্রুপ সাইকোথেরাপি পদ্ধতিতে মনোস্বাস্থ্য সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে এক্সপ্রেসিভ সাইকোথেরাপির বিকল্প নেই’।
মুক্ত আলোচনায় নাট্যকলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আরাফাতুল আলম বলেন: ‘এই বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষাকর্মি হিসাবে আমার উপলব্ধি হলো; শরীরের পাশাপাশি মনের স্বাস্থ্যের গুরুত্বও অপরিসীম। বিগত ১২ বছরে আমাদের এই প্রাণের বিশ্ববিদ্যালয়ের মানসিক ভাবে বিপর্যস্থ হয়ে ১৮জন শিক্ষার্থী তাদের নিজেদের প্রাণ বিষর্জন দিয়েছে। যদি আমাদের এই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য মানসিক স্বাস্থ্য বান্ধব অনুকুল পরিবেশ থাকতো তাহলে হয়তো এত প্রাণহানী হতো না। আমাদের প্রতিটা ফ্যাকাল্টিতেই একটি করে মানসিক স্বাস্থ্য বান্ধব কর্ণার থাকা প্রয়োজন যেখানে থিয়েটার থেরাপি, কাউন্সেলিং, সাইকোথেরাপি, এক্সপ্রেসিভ সাইকোথেরাপির প্রয়োগের মাধ্যমে মানসিকভাবে আক্রান্ত শিক্ষার্থীদের সেবা প্রদান করা যেতে পারে’।
ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী হাবিবুর রহমান বলেন: ‘ভর্তির শুরুতেই ক্যাম্পাসে নতুন স্বপ্ন নিয়ে আমাদের যাত্রা শুরু হয়। কিছুদিন যাওয়ার পরই হলে সিট পাওয়া নিয়ে চাপ, র‌্যাগিং, রাজনীতি, ক্যারিয়ার ভাবনার মারপ্যাচে আমাদের ভিতর হতাশা ভর করে। এই হতাশার ফলে আমাদের ভিতর যে চাপ তৈরী হয় তা প্রশমনের জন্য আমাদের এই বিশ্ববিদ্যালয়ে নেই কোন মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সহায়তা কেন্দ্র। ফলে অকালে অনেক মেধাবী চাপে শিক্ষা কার্যক্রম থেকে ঝড়ে যায়। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে যদি মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সহায়তা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত থাকতো তবে আমাদের ক্যাম্পাসকেন্দ্রিক জীবন অনেক সুন্দর ও আনন্দঘন হতো বলে আমি বিশ্বাস করি’।
উক্ত আলোচনা সভার সভাপ্রধান সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. মোহাম্মদ আলাউদ্দিন মজুমদার তার সমাপনী বক্তব্যে বলেন: ‘আজকের সেমিনার পত্রে যে সুপারিশগুলো করা হয়েছে তা বাস্তবায়নে বর্তমান প্রশাসন কার্যকরীভাবে উদ্যোগ নিলে শুধু শিক্ষার্থী নয়; শিক্ষক, কর্মচারী ও কর্মকর্তারাও একটি মানসিক স্বাস্থ্য বান্ধব কর্ম পরিবেশ পাবে। যা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গুনগত শিক্ষার মানকে আরো উন্নত করবে’।
উল্লেখ্য যে আলোচনার শুরুতে যে সেমিনার পত্রটি উপস্থাপন করা হয় তাতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি মানসিক স্বাস্থ্য বান্ধব শিক্ষালয় হিসাবে প্রতিষ্ঠা করার জন্য নিম্নের শুপারিশগুলো উপস্থাপন করা হয়েছিল: ক) আবাসিক হলগুলোতে মানসিক স্বাস্থ্যবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার কার্যকর উদ্যোগ নেয়া ও মেন্টাল হেলথ সুপারভাইজার নিয়োগ করা;খ) অনুষদভিত্তিক ছাত্র পরামর্শক নিযুক্ত আছেন। একজন সম্মানিত অধ্যাপক অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করে থাকেন। এই পদায়নগুলো পূর্ণকালীন করে একজন সাইকোথেরাপিস্ট/ক্লিনিক্যাল সাইকোথেরাপিস্ট ও একজন এক্সপ্রেসিভ সাইকোথেরাপিস্ট নিয়োগ দেয়া হলে শিক্ষার্থীগণ সাবক্ষণিকভাবে পেশাদার কাউন্সিলিং সেবা পাবে।
গ) প্রাথমিকভাবে চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ে একটি এক্সপ্রেসিভ সাইকোথেরাপি সেন্টার স্থাপন করা, যাতে করে কেন্দ্রীয়ভাবে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের গ্রুপভিত্তিক মানসিক স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা যায়। ঘ) পর্যায়ক্রমে অনুষদভিত্তিক মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সেবা চালু করে মানসিক স্বাস্থ্য সেবা সহজলভ্য করা। ঙ) বিভাগভিত্তিক মানসিক স্বাস্থ্যসেবার গুরুত্ব, প্রয়োজনীয়ত ও সেবা গ্রহণ বিষয়ক অরিয়েন্টেশন। চ) মানসিক স্বাস্থ্য সেবায় প্রফেশনাল গড়ে তুলতে এক্সপ্রেসিভ সাইকোথরাপি বিষয়ক উচ্চতর ডিগ্রি চালু করা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নিধারিত ভাড়া না মানলে ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ব্যবস্থা: ইউএনও

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে সিএনজি অটোরিকশায় নির্ধারিত ভাড়ার চার্ট না থাকলে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর থেকে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর আগে ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে উপজেলার সব সিএনজি অটোরিকশায় দৃশ্যমান স্থানে ভাড়ার চার্ট টাঙানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় বোয়ালখালী উপজেলা অডিটোরিয়ামে সিএনজির ভাড়া, যাত্রীসেবা ও পরিবহন ব্যবস্থাপনা নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান ফারুক।

সভায় যাত্রীদের স্বার্থ, চালক ও মালিকদের ন্যায্যতা এবং সিএনজি পরিবহনে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে সিএনজিতে যাত্রী উঠানামার ভাড়া ৫ টাকা এবং ইউএনও কার্যালয় থেকে ফুলতল পর্যন্ত ভাড়া ৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এ ছাড়া স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা চলাকালীন সময়ে ইউনিফর্ম পরিহিত কিংবা বৈধ পরিচয়পত্রধারী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্ধেক ভাড়া নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, প্রতিটি সিএনজি অটোরিকশায় নির্ধারিত ভাড়ার চার্ট দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করতে হবে। ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব গাড়িতে ভাড়ার চার্ট লাগানো নিশ্চিত করতে হবে। ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ভাড়ার চার্ট না থাকা গাড়ির বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ছাড়া নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত আদায় না করা এবং যাত্রীদের সঙ্গে শালীন, ভদ্র ও দায়িত্বশীল আচরণ করতে চালকদের নির্দেশ দেওয়া হয়। যাত্রী হয়রানি, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় কিংবা সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অমান্যের অভিযোগ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, বোয়ালখালীর পাঁচটি স্টেশনে পূর্বের নির্ধারিত ভাড়ার সঙ্গে ৫ টাকা করে বৃদ্ধি করা হবে। অন্য স্টেশনগুলোর ভাড়া আগের মতোই বহাল থাকবে।

সভায় বোয়ালখালী সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কানিজ ফাতেমা, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুল হক চেয়ারম্যান, পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ইসহাক চৌধুরী, বিএনপি নেতা শহিদুল্লাহ চৌধুরী, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতা মুজাহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির বোয়ালখালী উপজেলা শাখার সভাপতি অধীর বড়ুয়া ও সাধারণ সম্পাদক আকরাম হোসেন দুলালসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া বোয়ালখালী প্রেস ক্লাবের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, এস এম মোদাচ্ছের, বোয়ালখালী সিএনজি অটোরিকশা টেম্পু শ্রমিক ও মালিক সমন্বয় পরিষদের সভাপতি মো. ইদ্রিস, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হাবিবুর রহমান, শ্রমিকনেতা আবদুল সাত্তার এবং কালুরঘাট-ফুলতল, শাকপুরা, সিও অফিস, জোটপুকুর, কানুনগোপাড়া, দাশেরদীঘি, বেংগুরাসহ বিভিন্ন এলাকার সিএনজি চালক ও সমিতির প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন।সভায় উপস্থিত বিভিন্ন পক্ষ পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে যাত্রীবান্ধব, সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ সিএনজি পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার বিষয়ে একমত পোষণ করেন।

ইঞ্জিন দ্রুত মেরামতে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপকের নির্দেশ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে রেলওয়ে ট্রেনিং একাডেমি (আরটিএ), লোকোসেড, সিজিপিওয়াই, কনটেইনার কোম্পানি অব বাংলাদেশ (সিসিবিএল) ও পদ্মা অয়েল সাইডিং লাইন পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মামুনুল ইসলাম। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) এসব স্থাপনা পরিদর্শন করেন তিনি। পরিদর্শনকালে রেলওয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

পরিদর্শনকালে রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী (সিই), চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট (সিওপিএস), চিফ কমার্শিয়াল ম্যানেজার (সিসিএম), চট্টগ্রামের বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজার (ডিআরএম) এবং পাহাড়তলীর ডিএসডব্লিউসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রথমে রেলওয়ে ট্রেনিং একাডেমি (আরটিএ) পরিদর্শন করেন মহাব্যবস্থাপক। এ সময় তিনি একাডেমির একাডেমিক ভবন, প্রশিক্ষণার্থীদের প্রশিক্ষণ কক্ষ, ডরমেটরি ও আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখেন। পরিদর্শনকালে বিভাগীয় প্রধানদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।এরপর তিনি সিজিপিওয়াই, টার্ন টেবিল, ট্রায়াঙ্গেল লাইন, ইয়ার্ড লাইন ও লোকোসেড পরিদর্শন করেন। লোকোসেড পরিদর্শনকালে ইঞ্জিন দ্রুত মেরামত ও সচল রাখার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্টদের বিভিন্ন পরামর্শ ও নির্দেশনা দেন।

পরে সিজিপিওয়াই এলাকায় কনটেইনার কোম্পানি অব বাংলাদেশ (সিসিবিএল) পরিদর্শন করেন মহাব্যবস্থাপক। এ সময় সিসিবিএলের সঙ্গে রেলওয়ের বিভিন্ন চুক্তি, নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং সীমানা নির্ধারণসংক্রান্ত বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হয়। এছাড়া দ্মা অয়েল সাইডিং লাইন পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় প্রধানদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন তিনি।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ