চট্টগ্রামের ৭টি পাটকলসহ সরকারের নয় মিল বন্ধ সীমিত আকারে পাটকল চালু হলেই পলিথিন পুরোপুরি বন্ধ হবে

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সীমিত আকারে পাটকল চালু করা হলেই সরকার ঘোষিত পলিথিন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে। একইসঙ্গে চাল, গম ও ধানে প্লাস্টিক ব্যাগের ব্যবহারও রোধ করা যাবে। পাটকল মিলের একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও শ্রমিক নেতারা এমনটি বলেছেন। তাদের দাবি, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের তুঘলকি সিদ্ধান্তে দেশের সবকটি পাটকল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। দলের একটি গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষায় সোনালি ঐতিহ্য পাটকল ধ্বংস করা হয়েছে।
শ্রমিক ও কর্মকর্তারা বলেন, পাকিস্তান আমলে স্থাপিত বেশিরভাগ মেশিনই পুরনো। দীর্ঘদিন উৎপাদন বন্ধ থাকার পর অনেক মেশিন ও যন্ত্রণাংশ মরিচা ধরে নষ্ট হয়ে গেছে। তারপরও জোড়াতালি দিয়ে কিছু মেশিন চালু করা যাবে। এতে সরকার ও শ্রমিক উভয়ই লাভবান হবে। জুট মিলে উৎপাদিত কার্পেট, জায়নামাজ, চটের বস্তা বিখ্যাত ছিল। বড় ক্রেতা ছিল ইরান। ইরাক-ইরান যুদ্ধের পর সেই বাজার হারিয়ে যায়। নতুন কোন বাজার আর সৃষ্টি করা যায়নি। কম্বল, কাপড়ও বিদেশে রপ্তানি করা হতো।
জানা গেছে, ২০২০ সালের ১ জুলাই সরকার দেশের পাটকলগুলো বন্ধ ঘোষণা করে। গোল্ডেন হ্যান্ডশেকের মাধ্যমে শ্রমিকদের অবসরে পাঠানো হয়। দেশের ২৬টি পাটকলের উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়। এর মধ্যে চট্টগ্রামের ৭টি পাটকলসহ সরকারের নয় মিল বন্ধ হয়ে যায়। এতে শত শত শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েন।
এ বিষয়ে আমিন জুট মিল শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি আরিফুর রহমান বলেন, সরকার পলিথিন ব্যাগ বন্ধের ঘোষণা দিলেও পুরোপুরি বন্ধ করা যায়নি। আরও কয়েক দফায় এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পলিথিনের বিকল্প চট বা কাপড়ের ব্যাগ বাজারজাত না করায় পুরোপুরি সফল হচ্ছে না। পলিথিনমুক্ত দেশ গড়ার জন্য সীমিত আকারে পাটকল চালু করা খুবই প্রয়োজন।
শ্রমিক নেতা আরিফুর রহমান দাবি করেন, দেশের খাদ্য ও কৃষি মন্ত্রণালয়ে বিপুল পরিমাণ চটের বস্তার প্রয়োজন হয়। বেসরকারি মিল থেকে উচ্চমূল্যে কিনে চাহিদা মেটাতে হয়। দেশের পাটকলগুলো সীমিত আকারে চালু করা হলে সরকারি ছাড়াও দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা অনেকটা পূরণ হতো। এতে সরকারের অনেক টাকা সাশ্রয় হতো। ১০-১৫ বছর আগেও দেশীয় পাটকলে উৎপাদিত চটের থলে দেশীয় চাহিদার পাশাপাশি বিদেশেও রপ্তানি হতো। লিবিয়া, সুদান ও সিরিয়াসহ কয়েকটি দেশে দেশীয় চটের বস্তা রপ্তানি হতো। এতে প্রচুর পরিমাণ রপ্তানি আয় আসতো; এমনটা মন্তব্য করেন শ্রমিকেরা। পাটকল শ্রমিক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দাবি করেন, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার দলীয় গুটিকয়েক শিল্পপতি ও প্রতিবেশী দেশ ভারতের স্বার্থ রক্ষায় পাটশিল্প পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছে।
শিল্প দেশের মেরুদণ্ড উল্লেখ করে শ্রমিক নেতা আরিফুর রহমান বলেন, একসময় ভারত বাংলাদেশ থেকে চটের বস্তা আমদানি করতো। এখন পাটের কাঁচামাল আমদানি করে ভারত। এতে দেশীয় শিল্প ক্রমান্বয়ে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। একই কথা বললেন সীতাকুণ্ডের হাফিজ জুটমিলের শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম। তিনি বলেন, গত সরকারের পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী পাটশিল্প ধ্বংসে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন। দেশীয় শিল্প ধ্বংস করে পাটের কাঁচামাল ভারতে রপ্তানি করেন। সর্বশেষ সরকারি সব পাটকলের উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে দেন।তিনি আরও বলেন, সরকার সীমিত আকারে চালু রাখার আশ্বাস দিয়ে মিল বন্ধ করেছিল। কিন্তু সেই আশ্বাস বাস্তবায়ন করেনি। পলিথিন নিরুৎসাহিত করতে হলে পাটশিল্প উজ্জীবিত করতে হবে।
এ বিষয়ে পাটকল মিলের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা হয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, বাজার নিয়ন্ত্রণ ও সরকারকে সহায়তা করার জন্য বিকল্প সহায়ক রাখতে হয়। সরকারের বিকল্প না থাকায় বেসরকারি পাটকলগুলো ইচ্ছেমতো দামে বস্তা সরবরাহ করছে। এছাড়া কাঁচা পাটের বাজার ভারত ও ফড়িয়া-মাফিয়া চক্রের হাতে চলে গেছে। ভরা মৌসুমে কম দামে পাটের কাঁচাপণ্য কিনে মজুত করে। পরবর্তীতে ইচ্ছেমতো দামে বিক্রি করে।
সূত্র জানায়, ২০১৮ সালে পাটের বস্তায় প্লাস্টিকের আবরণ (লেমিনেশন) করা শুরু হয়। বাজারে এই ধরনের বস্তার ভালো চাহিদা রয়েছে। রাষ্ট্রায়ত্ত জুটমিলগুলোর উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত ও রপ্তানিতে যুগোপযোগী উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এতে অটোমেশিনের বেসরকারি পাটকলের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে টিকে থাকতে পারেনি সরকারি পাটকলগুলো।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজধানী ঢাকার শেরেবাংলা নগর এলাকার ন্যাম ভবন থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি জিএম নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ন্যাম ভবনের ৫নং ভবনের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা তা এখনও জানা যায়নি।

তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. ইবনে মিজান মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জানা যায়, রুমের জানালা দিয়ে মরদেহ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়। তবে কখন, কীভাবে কেন এ ঘটনা ঘটেছে সে বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

পুলিশের দেয়া তথ্যে জানা যায়, মরদেহ উদ্ধারের পর ফরেনসিকের জন্য প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। এরপর মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি এবং ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে গণমাধ্যমকে জানান, নজরুল ইসলাম তার দুই স্ত্রীকে নিয়ে দুপুরের খাবার খেয়েছেন। এরপর তারা বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আলাদা আলাদা রুমে যান। পরে ৫টার পরে ছোট স্ত্রী মরিয়মকে ডাকতে গেলে দরজা বন্ধ পান। পরে জানালা দিয়ে দেখেন আলোচিত দ্বিতীয় স্ত্রী ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলছেন। পরে তিনি থানা পুলিশকে জানান। প্রাথমিকভাবে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা সে বিষয় বিস্তারিত কিছু জানাতে পারেনি পুলিশ।

রোগীর চাপ সামাল দিতে আরও হাজার শয্যার হাসপাতাল নির্মাণের ঘোষণা সিআইএমসি’র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রোগীর চাপ সামাল দিতে আরও এক হাজার শয্যার নতুন হাসপাতাল নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছে চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ (সিআইএমসি)। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) কলেজ কনফারেন্স হলে আয়োজিত ‘ইন্টারন্যাশনাল অ্যাক্রেডিটেশন সেলিব্রেশন’ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়,

রোগীর চাপ সামাল দিতে আরও এক হাজার শয্যার হাসপাতাল নির্মাণ অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। এরই মধ্যে ৩০০ কোটি টাকার এই প্রকল্পের পেপারওয়ার্ক শুরু হয়েছে। নিজস্ব অর্থায়নে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন কষ্টসাধ্য হওয়ায় সরকার, দাতা সংস্থা ও সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। এছাড়া একই ক্যাম্পাসে গত ২২ বছর ধরে দেশের সর্ববৃহৎ বেসরকারি ডেন্টাল কলেজ ও ৬৫ ইউনিটের ডেন্টাল হাসপাতাল পরিচালিত হচ্ছে, যেখানে দৈনিক গড়ে ১৫০ জন রোগী চিকিৎসা নেন। সেই সঙ্গে গত আট বছর ধরে সুনামের সঙ্গে নার্সিং কলেজও পরিচালিত হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি সোসাইটির প্রেসিডেন্ট এবং সিআইএমসির প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. এ কিউ এম মোহসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান ও গভর্নিং বডির সভাপতি ডা. এ কে এম ফজলুল হক, চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ডা. খুরশিদ জামিল চৌধুরী, ইসি সেক্রেটারি অধ্যাপক মো. নুরুন্নবী, প্রাক্তন অধ্যক্ষ ও একাডেমিক অ্যাডভাইজার অধ্যাপক ডা. মো. টিপু সুলতান এবং উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মুসলিনা আক্তার।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০২২ সালে জাতীয় সংসদে অ্যাক্রেডিটেশন আইন পাসের মাধ্যমে বাংলাদেশ মেডিকেল এডুকেশন অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল (বিএমইএসি) গঠন করা হয়। এর মূল লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশি মেডিকেল গ্র্যাজুয়েটদের বিশ্বমঞ্চে অবস্থান সুদৃঢ় করা। কারণ অ্যাক্রেডিটেশন ছাড়া বাংলাদেশের কোনো মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ডসহ বহির্বিশ্বে উচ্চতর প্রশিক্ষণ ও পেশাগত সুযোগ পাবেন না। এরই মধ্যে শ্রীলঙ্কা, ভারত, নেপাল, পাকিস্তানসহ প্রায় সব প্রতিবেশী দেশ এই স্বীকৃতি অর্জন করেছে।

২০২৬ সালের মধ্যে যেসব প্রতিষ্ঠান বিএমইএসি স্বীকৃতি পাবে না, তাদের কোনো শিক্ষার্থী দেশের বাইরে উচ্চ শিক্ষা ও প্র্যাকটিস করতে পারবেন না। এজন্য দেশের ১২৪টি সরকারি-বেসরকারি ও আর্মি মেডিকেল কলেজের মধ্যে ২১টি কলেজ আবেদন করে। যাচাই-বাছাই শেষে প্রথম দফায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ এবং দ্বিতীয় দফায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ, আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজ ও নর্থ-ইস্ট মেডিকেল কলেজ স্বীকৃতি পায়।

তৃতীয় দফায় স্বীকৃতি পাওয়া তিনটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ, সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ ও চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ। এর মাধ্যমে দেশে মোট বৈশ্বিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত মেডিকেল কলেজের সংখ্যা দাঁড়ালো আটটিতে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সিআইএমসি প্রতিষ্ঠার ১৩তম বর্ষ অতিক্রম করছে। এরই মধ্যে কলেজের উদ্যোগে চারটি আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে ১৫টি দেশের চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেছেন। মালয়েশিয়া, তুরস্ক, চীন ও থাইল্যান্ডের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে তাদের সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) রয়েছে। বর্তমানে কলেজের সঙ্গে সংযুক্ত রয়েছে ৫০০ শয্যার হাসপাতাল। যেখানে ২১টি বিভাগে প্রতিদিন ৫০০ থেকে ৭০০ রোগী বহির্বিভাগে চিকিৎসা নেন। প্রায় সময়ই শয্যা পরিপূর্ণ থাকায় এর অভাবে রোগী ফেরত দিতে হয়। এই হাসপাতালে ১০ শতাংশ রোগীকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ