মাসিক উন্নয়ন সমন্বয় সভায় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে যারা প্রকৃত আহত তাদরে নাম তালিকায় থাকবে

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম জলো প্রশাসক (ডসি)ি ও জলো ম্যাজস্ট্রিটে ফরদিা খানম বলছেনে, বষৈম্যবরিোধী ছাত্র আন্দোলনে চট্টগ্রামে প্রকৃতভাবে যারা আহত হয়ছেে তারা যনে প্রকৃত নামরে তালকিায় র্অন্তভূক্ত হয় সে বষিয়টি নশ্চিতি করা হব।ে প্রকৃত আহত ছাড়া তালকিায় কারও নাম কোনভাবে যাতে এলোমলেোভাবে তালকিায় আসতে না পারে সে বষিয়টি নরিপক্ষেভাবে দখেতে হব।ে আন্দোলনে যারা নহিত হয়ছেনে তাদরে স্মরণ সভা করার ব্যাপারে সদ্ধিান্ত রয়ছে।ে
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় চট্টগ্রাম র্সাকটি হাউজরে সম্মলেন কক্ষে অনুষ্ঠতি জলো উন্নয়ন সমন্বয় কমটিরি মাসকি উন্নয়ন সমন্বয় সভায় সভাপতরি বক্তব্যে তনিি এসব কথা বলনে। তনিি বলনে, চট্টগ্রামরে মত গুরুত্বর্পূণ জলোয় জন্ম-মৃত্যুর হার মাত্র ৫১-৫৩ শতাংশ। এ ব্যাপারে মন্ত্রী পরষিদ বভিাগ থকেে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়ছে।ে পারফরমন্সে খারাপ হলে র্উধ্বতন র্কমর্কতাদরে কাছে জবাবদহিি করতে হয়। সভিলি র্সাজন ও স্থানীয় সরকাররে উপ-পরচিালকরে নতেৃত্বে স্বাস্থ্য বভিাগরে র্কমর্কতা-র্কমচারীরা সংশ্লষ্টি উপজলো নর্বিাহী অফসিারগণরে সাথে সমন্বয়রে মাধ্যমে গুরুত্বরে সাথে কাজ করলে প্রকৃত জন্ম-মৃত্যুর হার নর্ধিারণ করা যাব।ে আমরা মৃত্যুহারে কছিুটা এগয়িে থাকলওে জন্মহারে পছিয়িে আছ।ি এলাকায় সন্তানরে জন্মগ্রহণ ও লোক মারা যাওয়ার সাথে সাথে তা রজেস্ট্রিশেন করে রাখলে প্রকৃত জন্ম-মৃত্যুর হার বৃদ্ধি পাব।ে
জলো প্রশাসক বলনে, কন্দ্রেীয় সরকাররে সরাসরি প্রতনিধিি জলো প্রশাসন। সমম্বয় সভার সদ্ধিান্তগুলো মন্ত্রী পরষিদে পাঠানোর পর সখোন থকেে সন্ধিান্তরে পর বাস্তবায়ন হয়। আমরা অনুরোধ করবো-সরকাররে সে সকল উন্নয়নমূলক র্কাযক্রমগুলো আছে সগেুলো সঠকিভাবে বাস্তবায়নে তদারকি বৃদ্ধি করতে হব।ে সকল কাজে যনে সংস্কার থাকে সটো র্অন্তর্বতীকালীন সরকাররে নর্দিশেনা। র্বতমান র্অন্তর্বতীকালীন সরকাররে নর্দিশেনা অনুযায়ী আমরা সকলে মলিে জলোর র্সাবকি উন্নয়নে সমন্বতিভাবে কাজ করবো। সরকারী প্রত্যকে দপ্তরকে সংস্কাররে আওতায় এনে মধো, দক্ষতা ও সততা দয়িে আমাদরে র্কাযক্রমগুলো সুনশ্চিতি করবো। এ জন্য আপনাদরে সকলরে সহযোগতিা চাই।
সভায় জলো সভিলি র্সাজন ডা. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলনে, র্বতমান সময়ে ডঙ্গেু পরস্থিতিি উদ্বগেজনক হারে বৃদ্ধি পয়েছে।ে গত অক্টোবর মাসে ডঙ্গেু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৪৩০ জন ও মৃত্যুবরণ করছেে ৯ জন এবং চলতি ১৮ নভম্বের র্পযন্ত ডঙ্গেু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৭০৯ জন ও মৃত্যুবরণ করছেে ১৪ জন এবং হাসপাতালে চকিৎিসাধীন রয়ছেে ১২২ জন। ডঙ্গেু প্রতরিোধে সচতেনতায় র্সবত্র প্রচার-প্রচারণা অব্যাহত রয়ছে।ে
সভায় অতরিক্তি জলো প্রশাসক (র্সাবকি) মোঃ কামরুজ্জামান বলনে, টাস্কর্ফোস কমটিি গঠনরে পর নত্যিপণ্যরে বাজার মনটিরংি জোরদার করা হয়ছে।ে মোবাইল র্কোটরে অভযিানে অসাধু ব্যবসায়ীদরেকে রর্কেডসংখ্যক জরমিানা করা হয়ছে।ে এর পরওে সয়াবনি তলে, পয়িাঁজ ও আলুর দামে র্উধ্বগত।ি আসন্ন রমজানকে কন্দ্রে করে নত্যিপণ্য যাতে ক্রয়-ক্ষমতার মধ্যে থাকে সে লক্ষ্যে বাজার মনটিরংি আরও জোরদার করতে হব।ে নকল ও ভজোল ওষুধ রোধে সমন্বতি উদ্যোগ নতিে হব।ে
চট্টগ্রাম জলো প্রশাসক ফরদিা খানমরে সভাপতত্বিে ও অতরিক্তি জলো প্রশাসক (র্সাবকি) মোঃ কামরুজ্জামানরে সঞ্চালনায় অনুষ্ঠতি সভায় অন্যান্যরে মধ্যে বক্তব্য রাখনে জলো পরষিদরে নর্বিাহী র্কমর্কতা মোঃ দদিারুল আলম, জলো প্রশাসক র্কাযালয়রে উপ-পরচিালক (স্থানীয় সরকার) মোহাম্মদ নোমান হোসনে, অতরিক্তি পুলশি সুপারমোঃ রাসলে, জলো সভিলি র্সাজন ডা. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, পরবিার পরকিল্পনা চট্টগ্রাম জলোর উপপরচিালক মোহাম্মদ আবুল কালাম, উপজলো নর্বিাহী র্কমর্কতা মোজাম্মলে হক চৌধুরী (ফটকিছড়)ি, মোঃ রাজীব হোসনে (চন্দনাইশ), ইনামুল হাছান (লোহাগাড়া), মাসুমা জান্নাত (র্কণফুল)ি, ইশতয়িাক ইমন (আনোয়ারা), জসেমনি আক্তার (বাঁশখালী), অংগ্যজাই মারমা (রাউজান), রগ্যিান চাকমা (সন্ধীপ), এবএিম মশউিজ্জামান (হাটহাজারী), হমিাদ্রী খীসা (বোয়ালখালী), বোয়ালখালী পৌর প্রশাসক কানজি ফাতমো, মহানগর র্কোট ইন্সপক্টের মোঃ রফকি উল্লাহ, গণর্পূত বভিাগরে নর্বিাহী প্রকৌশলী জহরি রায়হান, জলো সমাজসবো র্কাযালয়রে উপ-পরচিালক মোঃ ফরদিুল আলম, বসিকি’র ডজিএিম মোঃ নজিাম উদ্দনি, বএিডসি’ির উপ-পরচিালক (বীজ বপিনন) মোহাম্মদ নাঈমুল আরফি, বএিডসি’ির যুগ্মপরচিালক (সার) মোঃ কামরুজ্জামান সরকার, সনিয়ির কৃষি বপিনন র্কমর্কতা মোঃ শাহরয়িার, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধদিপ্তররে নর্বিাহী প্রকৌশলী পলাশ চন্দ্র দাস, কৃষি সম্প্রসারণ অধদিপ্তররে প্রতনিধিি নাসরি উদ্দনি চৌধুরী, জলো র্কমসংস্থান ও জনশক্তি অফসিরে সহকারী পরচিালক মহন্দ্রে কুমার চাকমা, ওষুধ প্রশাসনরে সহকারী পরচিালকএস.এম সুলতান আরফেনি, হন্দিু র্ধমীয় কল্যাণ ট্রাস্টরে সহকারী পরচিালক রংিকু কুমার র্শমা, স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধদিপ্তররে প্রতনিধিি মনি কুমার র্শমা ও ইসলামকি ফাউন্ডশেনরে সহকারী পরচিালক ইউসুফ ময়িা প্রমূখ। বভিন্নি উপজলো নর্বিাহী র্কমর্কতা, পৌর প্রশাসক ও জলোর সরকারী বভিন্নি দপ্তররে র্কমর্কতাবৃন্দ সভায় উপস্থতি ছলিনে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আমরা সব জনগোষ্ঠীকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যারা গণহত্যা চালিয়েছে, দীর্ঘ ১৬ বছর আলেম-ওলামাদের রক্ত নিয়েছে এবং মসজিদকে রক্তাক্ত করেছে, এ দেশের মানুষ তাদের আর কখনো রাজনীতি করতে দেবে না বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির ঐতিহ্যবাহী আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসার ১০৪তম বার্ষিক দ্বীনি মহাসম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। জুমার নামাজ আদায়ের আগে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।দুদিনব্যাপী এ দ্বীনি মহাসম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে সভাপতিত্ব করেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার লিংকন, স্থানীয় সংসদ সদস্য সরওয়ার আলমগীর, রাউজানের সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, রাঙ্গুনিয়ার সংসদ সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম প্রমুখ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা ইসলামবিদ্বেষী শক্তির হাত থেকে মুক্ত হয়েছি। বিগত ১৬-১৭ বছরে প্রায় তিন হাজার মানুষ গুম ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। আমিও তাদের একজন ছিলাম। মানুষ বিভিন্নভাবে অত্যাচার ও নির্যাতনের শিকার হয়েছে। আমরা সেই হারানো সম্মান পুনরুদ্ধার করতে চাই।

তিনি বলেন, ধর্মের নাম বিক্রি করে যারা রাজনীতি করছে, তাদের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে ইসলামের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা শুধু দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে। ইসলামের মূলনীতি অনুসরণ করেই রাষ্ট্র পরিচালনা ও রাজনীতি প্রতিষ্ঠার কথা বলেন তিনি।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আমরা এ দেশের সব জনগোষ্ঠীকে নিয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। এখানে আমাদের সবার দায়িত্ব রয়েছে। দেশের মানুষের মুক্তি ও গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে কখনো ম্লান হতে দিতে চাই না।জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও জুলাই সনদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচনের মধ্য দিয়ে প্রণীত জুলাই সনদ বাস্তবায়নে তাদের প্রতিশ্রুতি রয়েছে। এর পাশাপাশি সংবিধানে ইসলামী মূল্যবোধের প্রতিফলন ঘটানো হবে। সংবিধানের প্রস্তাবনা ও রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে মহান আল্লাহর ওপর দৃঢ় আস্থা ও বিশ্বাসের বিষয়টি পুনঃস্থাপন করা হবে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার রাষ্ট্র পরিচালনার নীতি থেকে দেশকে বের করে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও রাষ্ট্রের পূর্ববর্তী নীতিগুলোর পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে চাই। সংবিধানের প্রস্তাবনায় এবং রাষ্ট্র পরিচালনার নীতিতে মহান আল্লাহর ওপর দৃঢ় আস্থা ও বিশ্বাসের বিষয়টি পুনরায় ধারণ করব।
বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার প্রসঙ্গ টেনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অন্যায়, অবিচার, দুঃশাসন ও দুর্নীতির কারণে দেশের মানুষ দীর্ঘদিন ভোগান্তির শিকার হয়েছে। এমনকি খালেদা জিয়ার মতো একজন মানুষকেও বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুবরণ করতে হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যারা গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে এবং গণঅভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে, তাদের আর এ দেশে রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণ থাকতে হবে। একেকজনের একেক রকম আদর্শিক রাজনীতি থাকতে পারে। কিন্তু একটি বিষয়ে আমরা একমত যারা এ দেশের মানুষকে হত্যা করেছে, গণহত্যা চালিয়েছে, দীর্ঘ ১৬ বছর আলেম-ওলামাদের রক্ত নিয়েছে এবং মসজিদকে রক্তাক্ত করেছে, এ দেশের মানুষ তাদের আর কখনো রাজনীতি করতে দেবে না।

জনবান্ধব পুলিশ বাহিনী গঠনে সদস্যদের কল্যাণ নিশ্চিত করা জরুরি : পুলিশ সুপার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জনবান্ধব পুলিশ বাহিনী গঠনে সদস্যদের কল্যাণ নিশ্চিত করা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের উদ্যোগে সিভিক সেন্টারে আয়োজিত মাসিক কল্যাণ সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এমন মন্তব্য করেন। সভায় পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ, উন্নত কর্মপরিবেশ, শারীরিক সক্ষমতা ও মানসিক প্রশান্তি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। সভায় পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ, কর্মপরিবেশের উন্নয়ন ও বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়।

পুলিশ সুপার পুলিশ লাইন্সের অব্যবহৃত ও পরিত্যক্ত স্থান সংস্কার করে ব্যবহার উপযোগী করার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি এসব জায়গায় শাকসবজি ও ফলমূল চাষের উদ্যোগ নিতে পুলিশ সদস্যদের উদ্বুদ্ধ করেন।এতে অব্যবহৃত জমির সঠিক ব্যবহার, পুষ্টির চাহিদা পূরণ ও স্বনির্ভরতা বাড়বে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
পুলিশ সদস্যদের শারীরিক সক্ষমতা, মনোবল ও কর্মস্পৃহা বাড়াতে নিয়মিত খেলাধুলা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজনের নির্দেশ দেন পুলিশ সুপার।
এ ছাড়া প্রতিটি থানায় প্রয়োজনীয় ক্রীড়া সরঞ্জাম ও উপকরণ সরবরাহের বিষয়েও নির্দেশনা দেন।

সভায় পেশাগত দক্ষতা ও বিশেষ সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের পুরস্কার, সম্মাননা সনদ ও ক্রেস্ট দেওয়া হয়। ওয়ারেন্ট তামিল, মাদকদ্রব্য উদ্ধার, গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদ্ঘাটন এবং অপরাধী ও পলাতক আসামি গ্রেপ্তারে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখায় তাঁদের এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

এ সময় পুলিশ সদস্যদের উত্থাপিত বিভিন্ন সমস্যা ও অভিযোগ মনোযোগ দিয়ে শোনেন পুলিশ সুপার। সেগুলো সমাধানে তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেন তিনি। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রচলিত নীতিমালা অনুসরণ এবং পেশাগত শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশনা দেন।

সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সার্কেল অফিসার, কোর্ট ইন্সপেক্টর, টিআই (অ্যাডমিন), ডিআইও-১, আরআই, বিভিন্ন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), বিভিন্ন ইউনিটের ইনচার্জসহ বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচিত খবর

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের দাঁতভাঙ্গা জবাব দেওয়া হবে – জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে প্রধানমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন-দেশের ভেতরে ও বাইরে থেকে যারা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যারা ষড়যন্ত্র করছে, তাদের প্রত্যেককে একে একে জবাব দেওয়া হবে। আজ ৭ নভেম্বর শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির আয়োজিত শোভাযাত্রার আগে এক সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বহু বছর পর দেশের মানুষ মুক্তভাবে বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালনের সুযোগ পেয়েছে। তবে দেশের বিরুদ্ধে আবারও একটি মহল ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। অতীতের মতো এবারও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ও স্বাধীনতাকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা চলছে। কিন্তু এ দেশের মানুষকে কোনো ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দমিয়ে রাখা যাবেনা।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের মানুষের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশকে স্বাধীন করেছিল। স্বাধীনতার পেছনে মানুষের প্রত্যাশা ছিল একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। কিন্তু স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের ভেতরে ও বাইরে বিভিন্ন মহল বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব মেনে নিতে পারেনি। তারা সাধারণ মানুষকে দাবিয়ে রাখা এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছে।

১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার ঐক্যবদ্ধ ভূমিকার মধ্য দিয়ে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী অপশক্তিকে পরাজিত করা হয়েছিল। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে আবারও গণতন্ত্রের সূচনা হয়। তবে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার মেনে নিতে না পারা একটি মহল বিভিন্ন সময়ে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করেছে। বারবার জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

১৯৯০ সালের গণ-আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের মানুষ আবারও তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়েও জনগণের সেই অধিকার বিভিন্নভাবে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। সর্বশেষ ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার ও সার্বভৌমত্ব পুনরুদ্ধার করেছে। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের মতো ২০২৪ সালের ৫ আগস্টও জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে অপশক্তিকে পরাজিত করেছে।তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আন্দোলন শুধু দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, একই সঙ্গে ছাত্র-জনতা স্বৈরাচারী শক্তিকেও দেশ থেকে বিতাড়িত করেছে। বাংলাদেশের মানুষ অতীতেও অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে। তাই কোনো ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জনগণের আন্দোলন ও অর্জন থামিয়ে রাখা যাবে না।

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতের মতো আবারও একটি মহল দেশ নিয়ে ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বাধাগ্রস্ত করতে চায়। একই সঙ্গে জনগণের ভোটের রাজনীতি ও গণতান্ত্রিক নির্বাচনব্যবস্থা বন্ধ করার চেষ্টা করছে। তবে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর, ১৯৯০ সালের গণ-আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ঘটনা প্রমাণ করে, এ দেশের মানুষ অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে জানে।

দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি জাতীয় ঐক্যের ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো বিভেদ থাকা উচিত নয়। জাতীয় স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
অতীতের বিভিন্ন আন্দোলন ও গণ-অভ্যুত্থানের মতো এবারও ষড়যন্ত্রকারীদের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে। দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিটি ষড়যন্ত্রের জবাব একে একে দেওয়া হবে। কোনো শক্তিই বাংলাদেশের মানুষকে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে পারবে না।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ