আজঃ শুক্রবার ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬

মাসিক উন্নয়ন সমন্বয় সভায় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে যারা প্রকৃত আহত তাদরে নাম তালিকায় থাকবে

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম জলো প্রশাসক (ডসি)ি ও জলো ম্যাজস্ট্রিটে ফরদিা খানম বলছেনে, বষৈম্যবরিোধী ছাত্র আন্দোলনে চট্টগ্রামে প্রকৃতভাবে যারা আহত হয়ছেে তারা যনে প্রকৃত নামরে তালকিায় র্অন্তভূক্ত হয় সে বষিয়টি নশ্চিতি করা হব।ে প্রকৃত আহত ছাড়া তালকিায় কারও নাম কোনভাবে যাতে এলোমলেোভাবে তালকিায় আসতে না পারে সে বষিয়টি নরিপক্ষেভাবে দখেতে হব।ে আন্দোলনে যারা নহিত হয়ছেনে তাদরে স্মরণ সভা করার ব্যাপারে সদ্ধিান্ত রয়ছে।ে
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় চট্টগ্রাম র্সাকটি হাউজরে সম্মলেন কক্ষে অনুষ্ঠতি জলো উন্নয়ন সমন্বয় কমটিরি মাসকি উন্নয়ন সমন্বয় সভায় সভাপতরি বক্তব্যে তনিি এসব কথা বলনে। তনিি বলনে, চট্টগ্রামরে মত গুরুত্বর্পূণ জলোয় জন্ম-মৃত্যুর হার মাত্র ৫১-৫৩ শতাংশ। এ ব্যাপারে মন্ত্রী পরষিদ বভিাগ থকেে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়ছে।ে পারফরমন্সে খারাপ হলে র্উধ্বতন র্কমর্কতাদরে কাছে জবাবদহিি করতে হয়। সভিলি র্সাজন ও স্থানীয় সরকাররে উপ-পরচিালকরে নতেৃত্বে স্বাস্থ্য বভিাগরে র্কমর্কতা-র্কমচারীরা সংশ্লষ্টি উপজলো নর্বিাহী অফসিারগণরে সাথে সমন্বয়রে মাধ্যমে গুরুত্বরে সাথে কাজ করলে প্রকৃত জন্ম-মৃত্যুর হার নর্ধিারণ করা যাব।ে আমরা মৃত্যুহারে কছিুটা এগয়িে থাকলওে জন্মহারে পছিয়িে আছ।ি এলাকায় সন্তানরে জন্মগ্রহণ ও লোক মারা যাওয়ার সাথে সাথে তা রজেস্ট্রিশেন করে রাখলে প্রকৃত জন্ম-মৃত্যুর হার বৃদ্ধি পাব।ে
জলো প্রশাসক বলনে, কন্দ্রেীয় সরকাররে সরাসরি প্রতনিধিি জলো প্রশাসন। সমম্বয় সভার সদ্ধিান্তগুলো মন্ত্রী পরষিদে পাঠানোর পর সখোন থকেে সন্ধিান্তরে পর বাস্তবায়ন হয়। আমরা অনুরোধ করবো-সরকাররে সে সকল উন্নয়নমূলক র্কাযক্রমগুলো আছে সগেুলো সঠকিভাবে বাস্তবায়নে তদারকি বৃদ্ধি করতে হব।ে সকল কাজে যনে সংস্কার থাকে সটো র্অন্তর্বতীকালীন সরকাররে নর্দিশেনা। র্বতমান র্অন্তর্বতীকালীন সরকাররে নর্দিশেনা অনুযায়ী আমরা সকলে মলিে জলোর র্সাবকি উন্নয়নে সমন্বতিভাবে কাজ করবো। সরকারী প্রত্যকে দপ্তরকে সংস্কাররে আওতায় এনে মধো, দক্ষতা ও সততা দয়িে আমাদরে র্কাযক্রমগুলো সুনশ্চিতি করবো। এ জন্য আপনাদরে সকলরে সহযোগতিা চাই।
সভায় জলো সভিলি র্সাজন ডা. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলনে, র্বতমান সময়ে ডঙ্গেু পরস্থিতিি উদ্বগেজনক হারে বৃদ্ধি পয়েছে।ে গত অক্টোবর মাসে ডঙ্গেু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৪৩০ জন ও মৃত্যুবরণ করছেে ৯ জন এবং চলতি ১৮ নভম্বের র্পযন্ত ডঙ্গেু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৭০৯ জন ও মৃত্যুবরণ করছেে ১৪ জন এবং হাসপাতালে চকিৎিসাধীন রয়ছেে ১২২ জন। ডঙ্গেু প্রতরিোধে সচতেনতায় র্সবত্র প্রচার-প্রচারণা অব্যাহত রয়ছে।ে
সভায় অতরিক্তি জলো প্রশাসক (র্সাবকি) মোঃ কামরুজ্জামান বলনে, টাস্কর্ফোস কমটিি গঠনরে পর নত্যিপণ্যরে বাজার মনটিরংি জোরদার করা হয়ছে।ে মোবাইল র্কোটরে অভযিানে অসাধু ব্যবসায়ীদরেকে রর্কেডসংখ্যক জরমিানা করা হয়ছে।ে এর পরওে সয়াবনি তলে, পয়িাঁজ ও আলুর দামে র্উধ্বগত।ি আসন্ন রমজানকে কন্দ্রে করে নত্যিপণ্য যাতে ক্রয়-ক্ষমতার মধ্যে থাকে সে লক্ষ্যে বাজার মনটিরংি আরও জোরদার করতে হব।ে নকল ও ভজোল ওষুধ রোধে সমন্বতি উদ্যোগ নতিে হব।ে
চট্টগ্রাম জলো প্রশাসক ফরদিা খানমরে সভাপতত্বিে ও অতরিক্তি জলো প্রশাসক (র্সাবকি) মোঃ কামরুজ্জামানরে সঞ্চালনায় অনুষ্ঠতি সভায় অন্যান্যরে মধ্যে বক্তব্য রাখনে জলো পরষিদরে নর্বিাহী র্কমর্কতা মোঃ দদিারুল আলম, জলো প্রশাসক র্কাযালয়রে উপ-পরচিালক (স্থানীয় সরকার) মোহাম্মদ নোমান হোসনে, অতরিক্তি পুলশি সুপারমোঃ রাসলে, জলো সভিলি র্সাজন ডা. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, পরবিার পরকিল্পনা চট্টগ্রাম জলোর উপপরচিালক মোহাম্মদ আবুল কালাম, উপজলো নর্বিাহী র্কমর্কতা মোজাম্মলে হক চৌধুরী (ফটকিছড়)ি, মোঃ রাজীব হোসনে (চন্দনাইশ), ইনামুল হাছান (লোহাগাড়া), মাসুমা জান্নাত (র্কণফুল)ি, ইশতয়িাক ইমন (আনোয়ারা), জসেমনি আক্তার (বাঁশখালী), অংগ্যজাই মারমা (রাউজান), রগ্যিান চাকমা (সন্ধীপ), এবএিম মশউিজ্জামান (হাটহাজারী), হমিাদ্রী খীসা (বোয়ালখালী), বোয়ালখালী পৌর প্রশাসক কানজি ফাতমো, মহানগর র্কোট ইন্সপক্টের মোঃ রফকি উল্লাহ, গণর্পূত বভিাগরে নর্বিাহী প্রকৌশলী জহরি রায়হান, জলো সমাজসবো র্কাযালয়রে উপ-পরচিালক মোঃ ফরদিুল আলম, বসিকি’র ডজিএিম মোঃ নজিাম উদ্দনি, বএিডসি’ির উপ-পরচিালক (বীজ বপিনন) মোহাম্মদ নাঈমুল আরফি, বএিডসি’ির যুগ্মপরচিালক (সার) মোঃ কামরুজ্জামান সরকার, সনিয়ির কৃষি বপিনন র্কমর্কতা মোঃ শাহরয়িার, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধদিপ্তররে নর্বিাহী প্রকৌশলী পলাশ চন্দ্র দাস, কৃষি সম্প্রসারণ অধদিপ্তররে প্রতনিধিি নাসরি উদ্দনি চৌধুরী, জলো র্কমসংস্থান ও জনশক্তি অফসিরে সহকারী পরচিালক মহন্দ্রে কুমার চাকমা, ওষুধ প্রশাসনরে সহকারী পরচিালকএস.এম সুলতান আরফেনি, হন্দিু র্ধমীয় কল্যাণ ট্রাস্টরে সহকারী পরচিালক রংিকু কুমার র্শমা, স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধদিপ্তররে প্রতনিধিি মনি কুমার র্শমা ও ইসলামকি ফাউন্ডশেনরে সহকারী পরচিালক ইউসুফ ময়িা প্রমূখ। বভিন্নি উপজলো নর্বিাহী র্কমর্কতা, পৌর প্রশাসক ও জলোর সরকারী বভিন্নি দপ্তররে র্কমর্কতাবৃন্দ সভায় উপস্থতি ছলিনে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম-১২ আসনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন এলডিপির প্রার্থী।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) সংসদীয় আসনে আসন্ন গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন ১১ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক দল লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) মনোনীত প্রার্থী এম এয়াকুব আলী।বৃহস্পতিবার বিকেলে চট্টগ্রামের নাসিরাবাদস্থ এয়াকুব ট্রেড সেন্টারে এক সাংবাদ সম্মেলনে ‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’ জোটের মনোনীত এলডিপির সংসদ সদস্য প্রার্থী এম এয়াকুব আলী।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা এলডিপির সভাপতি শিল্পপতি এম এয়াকুব আলী জানান, ২৮৯ চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) থেকে ‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’ জোট সমর্থিত ও এলডিপি মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী। আমার নির্বাচনী প্রতীক ছাতা।মনোনয়ন সংক্রান্ত জটিলতার কারণে আমাকে দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। প্রতীক চূড়ান্তভাবে প্রাপ্তিতে বিলম্ব হওয়ায় নির্ধারিত সময় অনুযায়ী নির্বাচনী মাঠে প্রচার-প্রচারণা শুরু করা সম্ভব হয়নি। এর ফলে আমার গুরুত্বপূর্ণ সময় অপচয় হয়েছে।বর্তমানে যে অল্প সময় অবশিষ্ট রয়েছে, তাতে সকল নির্বাচনী কর্মকাণ্ড যথাযথভাবে সম্পন্ন করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। উপরন্তু আমার ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণ বিবেচনায় আমি এ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি।

একই সঙ্গে ‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’ জোটের অন্যতম প্রধান শরিক দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ডা. মোহাম্মদ ফরিদুল আলমকে আমার পূর্ণ সমর্থন প্রদান করছি।
এদিকে পটিয়ার স্থানীয় জামায়াত নেতাকর্মীরা বলছেন, রাজনীতিবিদ ও শিল্পপতি এম এয়াকুব আলী দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ঠা, সততা ও ত্যাগের সাথে তার দলের রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছেন। জনগণের প্রতি তার দায়বদ্ধতা ও নেতৃত্বের গুণাবলীর প্রতি সম্মান জানিয়ে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে এ জন্য তাকে আন্তরিক মোবারকবাদ জানাচ্ছি।
অপরদিকে, এলডিপির নেতাকর্মীরা বলছেন রাজনীতিতে ব্যক্তিগত প্রার্থিতার চেয়ে জোটের বৃহত্তর স্বার্থ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ১১ দলীয় জোটের ঐক্য অটুট রাখতে এলডিপি প্রার্থী এম এয়াকুব আলী ভাইয়ের এই সিদ্ধান্ত সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয়। এই সিদ্ধান্ত জোটের রাজনীতিকে আরো শক্তিশালী করবে এবং চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে নির্বাচনী সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করবে।

লড়াই হবে অভিজ্ঞ শামসুজ্জামান হেলালীর সাথে অনভিজ্ঞ সাঈদ আল নোমানের।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনে নির্বাচনী প্রচারণা চলছে জমজমাটভাবে। আসন্ন নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং, হালিশহর ও খুলশী) আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করা সাবেক শিক্ষক ব্যাবসায়ী শামসুজ্জামান হেলালী সাথে লড়ছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ‘অক্সফোর্ড গ্র্যাজুয়েট’ সাঈদ আল নোমান। তার আছে এমফিল ডিগ্রিও। বনেদি রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান উচ্চশিক্ষিত সাঈদ আল নোমান ভোটের মাঠে প্রথমবার। অন্যদিকে সংসদ সদস্য পদে হেলালীও প্রথমবার, তবে ভোটের মাঠে নতুন নন। তিনি আগে একবার চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের শুলকবর ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছিলেন। আবার প্রথমবার হলেও নির্বাচন নিয়ে একেবারে অনভিজ্ঞ নন সাঈদ আল নোমান। চট্টগ্রামে একসময়ের বিএনপির কাণ্ডারি প্রয়াত আবদুল্লাহ আল নোমান তাঁর বাবা। সন্তান হিসেবে বাবার রাজনীতি ও ভোটের মাঠে ছায়াসঙ্গী হওয়ার অভিজ্ঞতা আছে তার ঝুলিতে।


বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী ছাড়াও চট্টগ্রাম-১০ আসনে প্রার্থী আছেন আরও ৭ জন। এরা হলেন- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুহাম্মদ জান্নাতুল ইসলাম, বাংলাদেশ লেবার পার্টির মো. ওসমান গণি, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের সাবিনা খাতুন, জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ এমদাদ হোসাইন চৌধুরী, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মো. লিয়াকত আলী, বাসদ (মাকসবাদী) আসমা আক্তার এবং স্বতন্ত্র মোহাম্মদ আরমান আলী।তবে সমানতালে নির্বাচনি প্রচার চোখে পড়ছে চার প্রার্থীর। এরা হলেন- ধানের শীষ প্রতীকের সাঈদ আল নোমান, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের শামসুজ্জামান হেলালী, হাতপাখা প্রতীকের মুহাম্মদ জান্নাতুল ইসলাম এবং কাঁচি প্রতীকের আসমা আক্তার। ভোটারদের মতে, মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার মধ্যে। তবে চরমোনাই পীরের ইসলামী আন্দোলনের জান্নাতুল জামায়াতের ভোটে ভাগ বসাতে পারেন, এমনটাই মনে করছেন স্থানীয়রা।

জানা গেছে, নগরীর ৮টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত চট্টগ্রাম-১০ আসনটি ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সীমানা নির্ধারণের মাধ্যমে নতুন করে সৃষ্টি করা হয়েছিল। সেই নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন আবদুল্লাহ আল নোমান। ২০১৮ সালের একাদশ সংসদ নির্বাচনেও একই আসন থেকে তিনি বিএনপির প্রার্থী হয়েছিলেন। নোমানের মৃত্যুর পর এবার ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে সেই আসনে ধানের শীষ নিয়ে এসেছেন সাঈদ আল নোমান।
এদিকে গণসংযোগে, পথসভায়, বক্তব্য-বিবৃতিতে সাঈদ আল নোমানের ভাষা, শব্দচয়ন গতানুগতিক নয়।

প্রতিদ্বন্দ্বীকে আক্রমণ করে কিছু বলতে শোনা যাচ্ছে না। চট্টগ্রামকে আধুনিক, পরিকল্পিত ও বিশ্বমানের নগরীতে রূপান্তরের অঙ্গীকার করছেন। পূর্ণাঙ্গভাবে বাণিজ্যিক রাজধানী বাস্তবায়নে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। সঠিক পরিকল্পনা ও টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে চট্টগ্রামকে দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করার স্বপ্নের কথাও বলছেন।আবার বিভিন্ন সভা বাবা আবদুল্লাহ আল নোমানের চট্টগ্রামের উন্নয়নে বিভিন্ন অবদানের কথা তুলে ধরে বাবার পথে হাঁটার কথাও বলছেন। পাশাপাশি চট্টগ্রামে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা থেকে শিক্ষা ও সংস্কৃতির বিকাশে নিজের কাজগুলোও তুলে ধরছেন ভোটারদের কাছে।

এ বিষয়ে সাঈদ আল নোমান বলেন, ২০০৩ সালে আমার বাবা আবদুল্লাহ আল নোমান যখন মন্ত্রী ছিলেন, তিনি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কাছে কেবিনেট মিটিংয়ে বাণিজ্যিক রাজধানীর ১৬ দফা পেশ করেছিলেন। দেশনেত্রী চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু গত ২২ বছরে আমরা চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলতে পারিনি। চট্টগ্রামকে সত্যিকার অর্থে বাণিজ্যিক রাজধানীতে রূপ দেয়ার জন্য আমি কাজ করব। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে আমার সুনির্দিষ্ট কিছু পরিকল্পনা আছে। আমি ভোটারদের কাছে আমার পরিকল্পনাগুলো তুলে ধরছি। আশা করছি, তারা আমার পক্ষে রায় দেবেন।
এদিকে জামায়াতের শামসুজ্জামান হেলালী জোর দিচ্ছেন এলাকার স্থানীয় বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের দিকে। বেকারত্ব দূর করা, তরুণদের জন্য আয়ের সুযোগ সৃষ্টি, এলাকায় হাসপাতাল করা, মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি থেকে এলাকাকে মুক্ত রাখা, এসব বিষয় প্রাধান্য পাচ্ছে তার বক্তব্যে।শামসুজ্জামান হেলালী বলেন,মানুষ পরিবর্তন চায়। পরিবর্তনের জন্য মানুষ অঙ্গীকারাবদ্ধ হয়ে একজোট হয়েছে। ইনশল্লাহ এবার চট্টগ্রাম-১০ আসনে দাঁড়িপাল্লার বিজয় সুনিশ্চিত।

জানা গেছে, সাঈদ আল নোমান চট্টগ্রামের বেসরকারি ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা। তিনি পড়ালেখা করেছেন আমেরিকার সেন্ট্রাল মিশিগান ইউনিভার্সিটি, লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকস ও অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে। নিয়েছেন এমফিল ডিগ্রিও।আর শামসুজ্জামান হেলালী নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামায় পড়ালেখা স্নাতকোত্তর উল্লেখ করেছেন। হলফনামায় পেশা হিসেবে ব্যবসায়ী এবং তিনি আগে শিক্ষকতা করতেন বলেও উল্লেখ করেছেন। অবশ্য হেলালী নামের আগে ‘অধ্যক্ষ’ ব্যবহার করেন। অক্সফোর্ড গ্র্যাজুয়েট সাঈদ আল নোমান না কি সাবেক শিক্ষক শামসুজ্জামান হেলালী চট্টগ্রাম-১০ আসনের ভোটারেরা কাকে সংসদে পাঠাবেন, তা নিয়ে কৌতুহল আছে এই আসনের জনসাধারণের মধ্যে।

আলোচিত খবর

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার রায় পেয়েছে বাংলাদেশ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার রায় পেয়েছে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক সালিশি আদালত কানাডাভিত্তিক জ্বালানি প্রতিষ্ঠান নাইকোকে বাংলাদেশ সরকারকে ৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউটস (আইসিডি/ICSID)-এর ট্রাইব্যুনাল এই রায় ঘোষণা করে। জ্বালানি মন্ত্রণালয় সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।


জ্বালানি সচিব বলেন, বাংলাদেশ এই মামলায় প্রায় ১০০ কোটি মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছিল। প্রাপ্ত অর্থ সেই দাবির তুলনায় অনেক কম। রায়ের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে এবং পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে।প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালের ১৬ অক্টোবর টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে খনন ও উন্নয়ন কাজের দায়িত্ব পায় কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান নাইকো।

পরবর্তীতে নাইকোর পরিচালনাধীন অবস্থায় টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটে। ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি এবং একই বছরের ২৪ জুন গ্যাসক্ষেত্রে পরপর দুটি মারাত্মক বিস্ফোরণ হয়। এসব বিস্ফোরণের ফলে বিপুল পরিমাণ মজুদ গ্যাস পুড়ে যায় এবং আশপাশের অবকাঠামো, পরিবেশ ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয়। টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র কার্যত অচল হয়ে পড়ে, যা দেশের জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ