আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

আইনজীবি সাইফুল হত্যা : আসামীদের দ্রুত বিচারের দাবী বিএনপি নেতা লায়ন আসলাম চৌধুরীর

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম আদালত এলাকায় সংঘর্ষে নিহত আইনজীবী সাইফুল ইসলামের হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়েছেন জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সাবেক যুগ্ম মহাসচিব লায়ন মোঃ আসলাম চৌধুরী এসফিএ। একই সঙ্গে তিনি সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে দেশবাসীকে শান্ত ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান বিএনপি নেতা মোঃ আসলাম চৌধুরী।
তিনি বলেন, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে লাখো শহীদের মহান আত্মত্যাগ ও সহযোদ্ধা বীরঙ্গনাদের সম্মানের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের প্রিয় দেশ মাতৃকা প্রিয় বাংলাদেশ। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে শত্রুর বুলেট খুঁজেনি কে মুসলিম, কে হিন্দু, কে খ্রিস্টান বা কে বৌদ্ধ। সে দিনের সেই রক্তের বন্যাতেও কেউ খুঁজে পায়নি কোন সাম্প্রদায়িকতার চিহ্ন।তাই চার মূল নীতির অন্যতম অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মান ছিল মহান স্বাধীনতা যুদ্ধেরে অন্যতম উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য। অথচ, স্বাধীনতা যুদ্ধের ৫৩ বছর পরেও আমাদের দেশ মাতৃকাকে সাম্প্রদায়িকতার বিষবাস্পে জ্বলতে দেখে সত্যিই অত্যন্ত মর্মাহত হচ্ছি। অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মান প্রচেষ্টায় আমাদের এই দীর্ঘ পথচলায় হঠাৎ করেই দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের কালো থাবায় প্রিয় বাংলাদেশ আজ অগ্নিগর্ভে নিমজ্জিত।
বিশ্ব মিডিয়ায় আজ বাংলাদেশ তাঁর অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে মূছে দিয়ে উগ্র ধর্মান্ধ জঙ্গিবাদী মতাদর্শের দিকে পরিবর্তীত হচ্ছে।
আজ সারা বাংলাদেশ উত্তাল। ইসকন নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী গ্রেপ্তার। চট্টগ্রামে তরুন আইনজীবি সাইফুল ইসলাম আলিফ কে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমি তরুন আইনজীবি হত্যা ও ঘটে যাওয়া অন্যান্য হত্যাকান্ডের সুষ্ঠ তদন্ত পূর্বক প্রকৃত দোষীদের দ্রুত বিচারের দাবি জানাই।বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে আমাদের প্রতিবেশি রাষ্ট্র ভারতেও বিক্ষোভ কর্মসূচি চলছে। দিনদিন পরিস্থিতি ক্রমশঃ ঘোলাটে হচ্ছে। কিন্তু আমরাতো এমন বাংলাদেশ চাইনি। গত স্বৈরাচারী সরকারের সময় আমার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ৯ টি বছর জেলে কাটিয়েছি তো এমন বাংলাদেশ দেখার জন্য নয়।
প্রিয় দেশবাসী আপনাদের অত্যন্ত বিনয়ের সহিত বলতে চাই, প্রতিটি পরিবারে বাবা মায়ের নিকট তাদের প্রতিটি সন্তান যেমন সমান অধিকার ভোগ করে থাকে একটি রাষ্ট্রের কাছেও প্রত্যেকটি ধর্মের লোক সমান অধিকার ভোগ করবে এটাই স্বাভাবিক ব্যাপার। কোন ধর্মীয় জাতীয়তাবাদে নয়, বাংলাদেশরে প্রতিটি নাগরিক পরিচিত হবেন বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদে। এটিই অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মানের মূলমন্ত্র। বাংলাদেশের প্রিয় মুসলিম ভাইদের উদ্দেশ্যে বলছিঃ পবিত্র কুরআনের সূরা আল মায়িদাহ ইরশাদ হচ্ছে, হে মুমিনগণ! নিজেদের ধর্ম নিয়ে অযথা বাড়াবাড়ি করো না। আর (ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করে) তোমাদের আগে যারা নিজেরা পথভ্রষ্ট হয়ে ও অন্যদের পথভ্রষ্ট করে সহজ-সরল পথচূত্য হয়েছে, তাদের পথ অবলম্বন করো না, (আয়াত-৭৭)।
এছাড়াও সূরা বাকারার ২২৯ নাম্বার আয়াতে বলা হয়েছে, এটি আল্লাহর নির্ধারিত সীমারেখা। সুতরাং সেটি অতিক্রম করো না। যারা অতিক্রম করে, তারাই প্রকৃত জালেম (সীমা লঙ্গনকারী)।
ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি প্রসঙ্গে বোখারী শরীফে আবু হুবায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিত হাদিসে উল্লেখ আছে, নবীজি বলেছেন,- আল্লাহর দ্বীন (ধর্ম) খুব সহজ। কেউ এই দ্বীনকে কঠিন করে তুললে সেটা তার উপরেই চেপে বসবে। তাই সবসময় সঠিক পন্থা অবলম্বন করো।
মুসলিম শরীফে আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিত হাদিসে বলা হয়েছে, নবীজি হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন, (তোমরা ধর্ম নিয়ে বাড়াবড়ি করো না)। অতীতে ধর্মচর্চা নিয়ে যারা বাড়াবাড়ি করেছে. তারা নিহত ও ধ্বংস হয়েছে। নবীজি হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) (সাঃ) তিনবার এই কথা পুনরাবৃত্তি করেন।
সুতরাং প্রিয় মুসলমান ভাইয়েরা, আমরা যদি সত্যিকার অর্থে মুসলিম হিসাবে নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই তাহলে আমাদেরকে অবশ্যই পবিত্র কুরআন ও হাদিসের বিধিবিধান মেনে চলতে হবে। উগ্র সাম্প্রদায়িকাতাকে পূজি করে একটি পক্ষ ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে। দিন শেষে মনে রাখবেন, এই বাংলাদেশ আপনার, আমার ও সকলের। সকল ধর্মের, সকল বর্নের ও সকল জাতির, হোক সে পাহাড়ি কিংবা বাঙালি। নিজের ঘর অশান্ত করে কেউ সুখে থাকতে পারে না। অন্যের প্ররোচনায় নিজের ঘর অশান্ত করার চেষ্টা কারো থেকেই কাম্য নয়। এতে কেউ ভাল থাকতে পারবেন না ৷
তাই দেশের প্রতিটি নাগরিক তার একান্তই নিজের দায়িত্ববোধ, কর্তব্যবোধ ও বিবেককে জাগ্রত করে প্রিয় দেশ মাতৃকাকে অসাম্প্রদায়িক চেতনার উন্নত বাংলাদশে বিনির্মান প্রচেষ্টায় এগিয়ে নিয়ে যাবার যুদ্ধে আমাদের হাতকে শক্তিশালী করার জন্য এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি। গভীর দেশপ্রেম ব্রত নিয়ে সকলকে ধৈর্য্য ধারন করার আহ্বান করছি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বাংলাদেশ প্রতিবছর প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার গুঁড়া দুধ আমদানি করে : প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রেড চিটাগাং ক্যাটল (আরসিসি)-এর গুরুত্ব তুলে ধরে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, লাল গরুর দেশ চট্টগ্রাম। দুধ হয়তো কিছুটা কম দেয়, কিন্তু মাংসের দিক থেকে এবং জাতগত বৈশিষ্ট্যে রেড চিটাগাং ক্যাটলের তুলনা পৃথিবীর কোথাও নেই। তাই এই জাত সংরক্ষণ করা আমাদের জন্য অত্যন্ত জরুরি। উপদেষ্টা বুধবার সকালে কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা এ কে এগ্রো এন্ড ডেইরি হাব সংলগ্ন মাঠে “চট্টগ্রাম অঞ্চলে ডেইরি খাতের উন্নয়ন: সম্ভাবনা ও করণীয়” -শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপষ্টো বলেন, বাংলাদেশ প্রতিবছর প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে গুঁড়া দুধ আমদানি করে। এই টাকা যদি দেশীয় দুধ উৎপাদন বাড়াতে ব্যয় করা হয়, তাহলে আমদানির প্রয়োজন কমবে। গুঁড়া দুধ তরল দুধে ভেজালের ঝুঁকিও বাড়াচ্ছে। তাই আমাদের শপথ নিতে আমদানি কমিয়ে দেশীয় তরল দুধের উৎপাদন বাড়াতে হবে।

বিদ্যুৎ বিল ও ভর্তুকি প্রসঙ্গে উপষ্টো বলেন, ব্যাপক আলোচনা ও প্রচেষ্টার পর মৎস্য ও প্রাণিসম্প খাতে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ বিল রেয়াত এবং ১০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দেয়া সম্ভব হয়েছে। এটি প্রাথমিক উদ্যোগ হলেও ভবিষ্যতে প্রয়োজন অনুযায়ী আরও বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে। তিনি খামারি নিবন্ধনের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, নিবন্ধন ছাড়া প্রকৃত চিত্র জানা সম্ভব নয়। অনলাইনে নিবন্ধন হলে সব তথ্য এক জায়গায় পাওয়া যাবে এবং নীতিনির্ধারণ সহজ হবে।

উপদেষ্টা বলেন, প্রাণিসম্প ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প (এলডিডিপি)-এর মাধ্যমে খামারিরা প্রশিক্ষণ পেয়েছেন, পিজি গ্রুপ গড়ে উঠেছে এবং অনেকের জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে ডেইরি কার্যক্রম। তিনি বলেন, অনেকে বলছেন, লাভ-ক্ষতির হিসাব না করেও এটি এখন তাদের জীবনের অংশ। এর মানে ভবিষ্যতে এখান থেকেই তারা টেকসইভাবে জীবিকা নির্বাহ করতে পারবেন।
নারীরে উদ্দেশে তিনি বলেন, দুধ শুধু উৎপানের পরিসংখ্যান নয়-মানুষ কতটা দুধ গ্রহণ করছে সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্কদের জন্য দুধ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়, যা হাড়ের রোগ ও অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে সহায়ক।

এলডিডিপি’র মাধ্যমে স্কুল ফিডিং প্রোগ্রামের সাফল্যের কথা উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, স্কুলে দুধ সরবরাহ শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের মেধা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। দরিদ্র ও শহুরে শিশুদের জন্য যা কার্যকর উদ্যোগ। তিনি বলেন, বাংলাশে তরুণদের দেশ। ডেইরি ইন্ডাস্ট্রিতে তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে। সরকার প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে। আমরা সংগ্রামী জাতি-দেশের উন্নয়নের জন্য এই সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে হবে।

সেমিনারে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মোঃ আবু সুফিয়ানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বাংলাশে ডেইরি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক মিজ শাহীনা ফেরদৌসী, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (কৃত্রিম প্রজনন) মোঃ শাহজামান খান তুহিন, পরিচালক (সম্প্রসারণ) ডা. বেগম শামছুননাহার, চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (পরিচালক) ডা. মোঃ আতিয়ার রহমান এবং এ কে এগ্রো এন্ড ডেইরি ফার্মের পরিচালক মোহাম্মদ ইকবাল হোসেইন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোঃ বয়জার রহমান। এছাড়া এলডিডিপিথর আওতায় ডেইরি হাব কার্যক্রম: বাস্তবায়ন, অগ্রগতি ও সম্ভাবনা শীর্ষক উপস্থাপনা ও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করেন প্রকল্প পরিচালক ডা. মোঃ মোস্তফা কামাল।

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমী ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমীতে উৎসব মূখর পরিবেশে ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া, নবীন বরণ, কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণ-২০২৬ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দিনব্যাপী এ আয়োজনে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আতিকুজ্জামান।

উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং এমন আয়োজন নিয়মিতভাবে অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টে শিক্ষার্থীরা উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে অংশগ্রহণ করে এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্য রাখেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব আলহাজ্ব মোঃ হেদায়েতুল তিনি অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান।আরো উপস্থিত ছিলেন অত্র প্রতিষ্ঠানের সকল ছাত্র-ছাত্রী,অভিভাবক এবং শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ