আজঃ মঙ্গলবার ৫ মে, ২০২৬

পাইকগাছায় খুশি নার্সারীতে শোভা ছড়াচ্ছে ফুল!

এম জালাল উদ্দীন:পাইকগাছা 

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

খুলনার পাইকগাছায় বাণিজ্যিক ভাবে ফুল চাষ শুরু হয়েছে। আর ফুল চাষে লাভবান হচ্ছেন চাষীরা। স্থানীয় ফুল ব্যবসায়ীরা খুশি নার্সারী থেকে ফুলসহ তাজা গাছ পাইকারি ক্রয় করে পাইকগাছার বিভিন্ন হাট বাজারে ফেরি করে বিক্রি করছে। শীতের সময় পাইকগাছায় খুশি নার্সারীতে নানা জাতের রঙ বেরঙ এর ফুলের সমারোহ। ফুলের হাসিতে ভরে উঠেছে ক্ষেত।
ফুল কেবল সৌন্দর্যের জন্য নয়, বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যেও চাষ হচ্ছে ফুলের। ভালবাসার প্রতিক ফুল। শ্রদ্ধা নিবেদন, অভ্যর্থনা আর একে অন্যের প্রতি ভালবাসার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে ফুল অন্যন্য। শীত মৌসুমে ফুল চাষের উপযুক্ত সময়। আর সারা বছরে ফেব্রুয়ারী মাসকে ঘিরে ফুলের ব্যবহার সবচেয়ে বেশী দেখা যায়। এ মাসেই ফুলের দিবস আর ভালবাসা দিবসসহ একুশে ফেব্রুয়ারি দিন রয়েছে। আর শীতের এ মাস ঘিরে ফুল চাষ করে লাভবান হওয়ার স্বপ্ন বুনে ফুল চাষীরা।
খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার গদাইপুর নার্সারী জন্য দেশ খ্যাত। গদাইপুর এলাকা থেকে ফলদ, বনজ ও ঔষধী গাছের চারা ট্রাক, পরিবহন ও অনালাইনে দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় সরবরাহ করা হয়। উপজেলায় প্রায় চার শতাধিক নার্সারী রয়েছে। গদাইপুর খুশি নার্সারীতে ফুল, ফলদ, বনজ ও ঔষধী গাছের চারা উৎপাদন ও বিক্রিয় করা হচ্ছে। এখানে ইস্টেবেরি, ড্রাগন, থাইকুল, আপেলকুল, বলসুন্দরি কুল, থাইআপেল কুলসহ বিভিন্ন জাত। কালো মরিচ, কালার ফুজি মরিচ, ব্যানানা মরিচ, ক্যাপসিক্যাম, আঙ্গুর, আপেল, বেদানা, মিস্টি জলপাই, আমলকি, বিভিন্ন জাতের পেয়ারা, বারি মালটা, আম, জামসহ শতাধিক প্রজাতির গাছের কলম পাওয়া যায়। এখন শীতের সময় রং-বেরং এর নানা ফুল।
গদাইপুর ইউনিয়নের হিতামপুর খুশি নার্সারীতে গেলে দেখা মিলবে নয়নতাঁরা, ডালিয়া, জিনিয়া, কসমস, চন্দ্রমল্লিকা, ইকরা গাদা, সেলসোলিয়া, পুতলিকা, সূর্যমুখি ইন্ডিয়ান গোলাপ, কালার গোলাপ, জারবেরা, রজনীগন্ধা গাঁদা ফুলসহ দৃষ্টিনন্দন ফুলে সমারোহ। প্রতিবছর ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারী-মার্চ পযর্ন্ত কর্মব্যস্ততা বেড়ে যায় ফুল চাষিদের। ক্ষেতে চারাসহ জারবেরা ফুল ২০ টাকা, গ্লাডিওলাস, গোলাপ, নয়নতাঁরা, সেলসোলিয়া, পুর্তলিকা, সূর্যমুখি ১৫ টাকা, চন্দ্রমল্লিকা ৩০, ইন্ডিয়ান গোলাপ, কালার গোলাপ ৪০ টাকা, ডালিয়া ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতিদিন ক্ষেত থেকে ফুলসহ চারা বিক্রি হচ্ছে। শিক্ষার্থী ও ফুল প্রেমিরা বাড়িতে ও ছাদে ফুলের গাছ লাগাতে চারা ক্রয় করছে। তাছাড়া বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, সরকারি-বেসরকারি অফিসে ফুলের বাগান করতে এসব নার্সারী থেকে ফুলসহ চারা সরবরাহ করা হয়।
খুশি নার্সারীর মালিক মো: মিজানুর রহমান জানান, প্রায় ১৫ বছর নার্সারীতে চারা উৎপাদন ও বিক্রি করছেন। ৫ বিঘা জমিতে তার নার্সারীর ক্ষেত ও প্রায় ৫ শতক জমিতে ফুলের চারা তৈরি করেন। ছোট রেনু চারা এনে প্যাকেট বা টবে লাগিয়ে ফুলের গাছ তৈরি করা হয়। গাছে ফুল ধরলে বা ফুটলে চারা বিক্রি করা হয়। শীতের সময় ফুলের চাষের জন্য জায়গার পরিমাণটা বাড়ে। এবার ফুলে দাম ভালো হওয়ায় অধিক লাভের আশা করছেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ একরামুল ইসলাম বলেন, শীত মৌসুমে কিছু কিছু নার্সারীতে ফুলের চাষ হচ্ছে। ফুল চাষ লাভজনক হওয়ায় চাষিদের ফুল চাষে উদ্বুদ্ব করা হয়েছে। আমাদের পক্ষ থেকে চাষিদের সাথে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে এবং ফুল চাষের বিভিন্ন পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বৃষ্টিতে ৮০০ চাষির মাথায় হাত, উৎপাদিত লবন মিশে গেছে মাটিতে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

উৎপাদন খরচের তুলনায় দাম মিলছে কম। এর ওপর হঠাৎ অসময়ের কালবৈশাখী ও ভারী বর্ষণে ক্ষতি হয়েছে লবণমাঠের। এমন অবস্থায় বিপাকে পড়েছেন প্রায় ৮০০ লবণচাষি। চট্টগ্রামের উপকূলীয় উপজেলা বাঁশখালীর লবণ শিল্পে এমন বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।

কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ায় মাঠেই গলে গেছে হাজার হাজার মণ লবণ। লবণের এই আকস্মিক উৎপাদন ঘাটতি আসন্ন ঈদুল আজহায় কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়া সংরক্ষণ নিয়ে নতুন শঙ্কা তৈরি করেছে। লবণের সরবরাহ কমলে চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণে বড় ধরনের সংকট দেখা দিতে পারে।
লবণ মিল মালিকদের মতে, নভেম্বর থেকে মে পর্যন্ত লবণের মৌসুম হলেও শেষ সময়ে কালবৈশাখীর আঘাতে এই খাতটি মুখ থুবড়ে পড়েছে। গত বছরের তুলনায় এ বছর চাষাবাদ কম হওয়ায় উৎপাদন ঘাটতির ঝুঁকি আগে থেকেই ছিল, যা এখন আরও ঘনীভূত হয়েছে।

চট্টগ্রাম বৃহত্তর কাঁচা চামড়া আড়তদার সমিতির সভাপতি মুসলিম উদ্দীন জানান, কোরবানির সময় সারা দেশে কাঁচা চামড়া সংরক্ষণে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ মেট্রিক টন লবণ প্রয়োজন হয়। উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে ৭৪ কেজির লবণের বস্তার দাম ৬০০ টাকা থেকে বেড়ে ৭০০ টাকায় ঠেকেছে। লবণের দাম বাড়লে চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণের খরচও বেড়ে যাবে বলে তিনি জানান।

লবন চাষিরা জানিয়েছেন, গত এক সপ্তাহের টানা বৃষ্টিতে মাঠে প্রস্তুত করা লবণ পানিতে মিশে গেছে। মৌসুমের শেষ সময়ে এমন ক্ষতিতে তারা দিশেহারা। বাঁশখালীর গন্ডামারা, পুইছড়ী, শেখেরখীল, সরল, ছনুয়া ও কাতারিয়াসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রায় ১০ থেকে ১২ হাজার একর জমিতে লবণ চাষ হলেও বর্তমানে অধিকাংশ মাঠই বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে আছে।

বিসিকের লবণ উৎপাদন মনিটরিং সেলের তথ্যমতে, দেশে চলতি বছর লবণের চাহিদা প্রায় ২৭ লাখ ৩৫ হাজার মেট্রিক টন। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার অঞ্চলে প্রতিদিন গড়ে ৩০ হাজার টন লবণ উৎপাদন হলেও সাম্প্রতিক বৈরী আবহাওয়ায় প্রতিদিন প্রায় ১০ হাজার টন উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। গত ৬ থেকে ৯ এপ্রিল পর্যন্ত মাত্র চার দিনেই উৎপাদন কমেছে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টন।
বাঁশাখলীর ছনুয়া এলাকার লবণ চাষি আবুল কালাম বলেন, সমুদ্রের লোনা পানি শুকিয়ে আমরা লবণ তৈরি করি। কিন্তু বৃষ্টির কারণে মাঠের সব লবণ নষ্ট হয়ে গেছে। এভাবে বৃষ্টি চলতে থাকলে আমরা লাখ লাখ টাকার ক্ষতির মুখে পড়ব।

বাঁশখালীর গন্ডামারা সমিতির সভাপতি আবু আহমদ জানান, বাঁশখালীতে প্রায় ১০ হাজার চাষি ও ৩০ হাজার শ্রমিক এই পেশায় জড়িত। সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে শুধু তাদের সমিতির ৮০০ চাষিরই প্রায় ৪০ লাখ টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
চট্টগ্রাম আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, রোববার দুপুর পর্যন্ত দেশের ১৩টি জেলার ওপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। ময়মনসিংহ, ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের কিছু জায়গায় বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে ভারী বর্ষণের শঙ্কা রয়েছে।

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় যমুনা ইলেকট্রনিক্স এর এক্সক্লুসিভ শো-রুম এর শুভ উদ্বোধন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


পাবনার ভাঙ্গুড়ায় যমুনা ইলেকট্রনিক্স এর এক্সক্লুসিভ শো-রুম এর শুভ উদ্বোধন হয়েছে।
আজ ২৭ এপ্রিল সোমবার দুপুরে সঞ্চিতা ইলেকট্রনিক্স এর স্বত্বাধিকারী সংগীত কুমার পালের সভাপতিত্বে যমুনা ইলেকট্রনিকস এর হেড অব সেলস মাকসুদুর রহমান প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে এই শো-রুম এর শুভ উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন ভাঙ্গুড়া বণিক সমিতির সভাপতি সাবেক অধ্যক্ষ মোঃ শহিদুজ্জামান তরুন, ভাঙ্গুড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র আজাদ খান প্রমূখ।
যমুনা ইলেকট্রনিকস এর প্রতিটি পন্য কোয়ালিটিতে ওয়ান নম্বার এবং বিশ্ব মানের বলে দিন দিন মার্কেটে ভোক্তাদের কাছে যমুনা ইলেকট্রনিকস এর সকল পন্য সামগ্রিই ব্যাপক চাহিদা বাড়ছে।

এছাড়াও দেশব্যাপি যমুনা ইলেকট্রনিকস এর সকল পার্টনারসবৃন্দ যমুনার পন্য বিক্রি করে অনেক বেশি মুনাফা হচ্ছে বলে তারা অনেক খুশি। শো-রুম এর শুভ উদ্বোধন শেষে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ভাঙ্গুড়া বাজারের বিভিন্ন প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শো-রুম এর অফিসে এসে শেষ হয়। অনুষ্ঠানে এলাকার বিভিন্ন রকমের সাধারণ জনগণ,সাধারণ ব্যবসায়ী,রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও পাবনা জেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

আলোচিত খবর

ক্রুড অয়েলের সরবরাহ স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরবে একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ এক মাস বন্ধ থাকার পর আবার চালু হতে যাচ্ছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি।মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ সময় ধরে ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) আমদানি ব্যাহত হওয়ায় গত ১৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানটির ক্রুড অয়েল প্রসেসিং ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে পুরো রিফাইনারিতে। ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) সংকট কেটে যাওয়ায় উৎপাদনে ফিরছে রিফাইনারিটি।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৭ মে থেকে প্রতিষ্ঠানটির অপারেশন কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে। এদিকে, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন জানিয়েছে, চলতি মাসের শেষদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকেও আরও এক লাখ টন ক্রুড অয়েল আসার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, রিফাইনারিতে সাধারণত সৌদি আরবের এরাবিয়ান লাইট এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মারবান ক্রুড অয়েল পরিশোধন করা হয়। প্রতিবছর চাহিদা অনুযায়ী প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল আমদানি করা হয়ে থাকে। কিন্তু সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় গত ১৮ ফেব্রুয়ারির পর আর কোনো ক্রুড অয়েল দেশে আসেনি।

এতে করে প্রথমবারের মতো উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি, যা ১৯৬৮ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পর নজিরবিহীন ঘটনা।পরবর্তীতে বিকল্প রুট ব্যবহার করে তেল আমদানির উদ্যোগ নেয় বিপিসি। এর অংশ হিসেবে লোহিত সাগর হয়ে সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজে এক লাখ টন ক্রুড অয়েল দেশে আনা হচ্ছে। জাহাজটি ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে এবং ৬ মে থেকে তেল খালাস শুরু হবে। ইস্টার্ন রিফাইনারির উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্ল্যানিং অ্যান্ড শিপিং) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সৌদি আরব থেকে আমদানি করা এক লাখ টন ক্রুড অয়েলবাহী একটি জাহাজ ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। জাহাজ থেকে তেল খালাস শেষে ৭ মে থেকে পরিশোধন কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, আপাতত ক্রুড অয়েলের বড় ধরনের কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। চলতি মাসেই আরও একটি জাহাজ তেল নিয়ে দেশে আসার কথা রয়েছে, ফলে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ