আবাসন খাত সংস্কারে অঙ্গীকার

রিহ্যাব নির্বাচনে পরিচালক নির্বাচিত আবদুল গাফফার মিয়াজী।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দেশের আবাসন খাতের শীর্ষ সংগঠন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)-এর বহুল প্রতীক্ষিত নির্বাচনে পরিচালক পদে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন এ এস এম আবদুল গাফফার মিয়াজী। শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনি এ সাফল্য অর্জন করেন।

এ এস এম আবদুল গাফফার মিয়াজী চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী ও সামাজিক অঙ্গনে সুপরিচিত মুখ। তিনি জাতীয় ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সমিতি, বাংলাদেশ (নাসিব) চট্টগ্রাম মহানগর শাখার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ মানবাধিকার ফোরাম চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি, নাগরিক উন্নয়ন ফোরাম চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক এবং রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের যুগ্ম মহাসচিব হিসেবেও যুক্ত রয়েছেন। বিভিন্ন সামাজিক ও ব্যবসায়িক সংগঠনে সক্রিয় ভূমিকার কারণে তিনি ইতোমধ্যে একটি গ্রহণযোগ্য নেতৃত্ব হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

ব্যবসা পরিচালনায় দেড় যুগেরও বেশি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আবদুল গাফফার মিয়াজী বলেন, আবাসন খাত বর্তমানে বহুমাত্রিক সংকটের মুখে রয়েছে। নির্মাণসামগ্রীর অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি, ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদহার, নতুন ড্যাপ নীতিমালা এবং গ্রাহকের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস—সব মিলিয়ে খাতে স্থবিরতা তৈরি হয়েছে।

তিনি বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে আবাসন খাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত। একজন সৎ, দক্ষ ও দূরদর্শী সংগঠক হিসেবে খাতের সমস্যাগুলো কাছ থেকে দেখেছি। নির্বাচিত হওয়ার পর এসব সমস্যা সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে। স্বচ্ছতা, দক্ষতা ও উদ্ভাবনী চিন্তার সমন্বয় একটি শিল্পখাতকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তিনি রিহ্যাবের সদস্যদের অধিকার রক্ষা এবং ব্যবসা পরিচালনায় আইনি ও নীতিগত বাধা দূর করতে তিনি কাজ করবেন। আবাসন খাতকে আরও গতিশীল, বিনিয়োগবান্ধব ও গ্রাহকবান্ধব করতে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের কথাও জানান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলালের পক্ষ থেকে নাঙ্গলমোড়ায় বন্যাদুর্গত মানুষের মাঝে ৪র্থ দফায় ত্রাণ বিতরণ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার নাঙ্গলমোড়া ইউনিয়নে সাম্প্রতিক টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থেকে ধারাবাহিক মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে নাঙ্গলমোড়া ইউনিয়ন বিএনপি। এরই ধারাবাহিকতায় ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, এমপি-এর পক্ষ থেকে বন্যাকবলিত নিম্নআয়ের ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ৪র্থ দফায় খাদ্যসামগ্রী ও উপহার বিতরণ করা হয়েছে।

ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে নাঙ্গলমোড়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক সালাউদ্দীন আলী বলেন, সাম্প্রতিক বন্যায় ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার এক হাজারেরও বেশি পরিবার পানিবন্দি হয়ে চরম দুর্ভোগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। অনেক পরিবারের বসতঘর, আসবাবপত্র, কৃষিজমি, গবাদিপশু এবং জীবিকার প্রধান উৎস মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, এমপি-এর নির্দেশনায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দোরগোড়ায় ধারাবাহিকভাবে ত্রাণ ও মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, “মানুষ মানুষের জন্য”—এই মানবিক দর্শনকে ধারণ করেই ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল অসহায় ও বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। দুর্যোগের এই সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব করা এবং তাদের মুখে সামান্য হাসি ফোটানোই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সবসময় জনগণের সুখে-দুঃখে পাশে থেকেছে এবং ভবিষ্যতেও যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে মানবিক দায়িত্ব পালনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো শুধু একটি রাজনৈতিক দায়িত্ব নয়, এটি একটি সামাজিক ও মানবিক কর্তব্য। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, এমপি-এর পক্ষ থেকে ধারাবাহিকভাবে খাদ্যসামগ্রী ও প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা পুনরুদ্ধারে ভবিষ্যতেও প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে নাঙ্গলমোড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মামুনুর রশিদের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন মহিলা প্যানেল চেয়ারম্যান ফাতেমা বেগম, ইউপি সদস্যা নিলুফার ইয়াসমিন, নাঙ্গলমোড়া ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. আজম ও জাহাঙ্গীর আলম মুন্সী, উত্তর জেলা মৎস্যজীবী দলের সদস্য সেলিম হাসান, বিএনপি নেতা মন্নান, বাচ্চা, মোরশেদ আলম, রবিউল আলম বুলবুল, তাজুল ইসলাম, বখতিয়ার ইসলাম বাচ্চু, যুবদলের সদস্য সচিব নজরুল ইসলাম, মোহাম্মদ রাসেল, আহমেদ আরমান, গাজী রাসেলসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ এবং বিপুল সংখ্যক সুবিধাভোগী।

অনুষ্ঠান শেষে সুবিধাভোগীদের হাতে খাদ্যসামগ্রী ও প্রয়োজনীয় উপহারসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা দুর্যোগের এই সময়ে তাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, এমপি এবং ত্রাণ কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

জনপদে আতঙ্ক, কেড়ে নিচ্ছে নতুন নতুন এলাকা চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় ২৬৯ স্থানে বেশি ভাঙন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে বিভিন্ন উপজেলায় তীব্র ভাঙনে চরম বিপর্যয় নেমে এসেছে। কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ী ঢলের পানি নামতে শুরু করার সাথে এলাকাগুলোতে ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। হঠাৎ শুরু হওয়া এই নদীভাঙনে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন নদীপাড়ের শত শত মানুষ। স্থানীয়দের দাবি, আকস্মিক এই দুর্যোগে ওই এলাকায় কয়েক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পানি নামার সঙ্গে ভাঙনে কেড়ে নিচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও নদী-খালের তীরবর্তী জনপদ। প্রথমদফায় বন্যার ভাঙনের পর এবার দ্বিতীয়ধাপে সৃষ্ট ভাঙনে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। ‎

পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রাথমিক হিসাব বলছে, চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় ২৬৯ স্থানে বেশি ভাঙন ধরেছে। প্রায় সবমিলে ২২ দশমিক ১০৭ কিলোমিটার এলাকা ভেঙেছে। জরুরিভিত্তিতে এসব ভাঙন সংস্কার ও মেরামতের জন্য ১৫১ কোটি ৭৮ লাখ টাকা প্রয়োজন বলে জানায় পানি উন্নয়ন বোর্ড।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র জানায়, কর্ণফুলী, হালদা, ইছামতি, সাঙ্গু, শিলক ও বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী এলাকায় ভাঙন সৃষ্টি হয়। সরেজমিন দেখা যায়, বাঁশখালীতে ভাঙন বেশি হয়েছে। উপজেলার সরল, বাহারছড়া, কাথারিয়া, শেখেরখীল, চাম্বল, সাধনপুর, শীলকূপ, ছনুয়া ও গণ্ডামারা-এসব উপকূলীয় এলাকা বন্যায় তীব্র ভাঙন ধরেছে। সাঙ্গু, জলকদর খাল, সোনাইছড়ি খাল, সরকার খাল, রাজাখালসহ বিভিন্ন খালের ভাঙন তীব্র হয়েছে। সাতকানিয়ার সাঙ্গু, ডলু নদী ও কাটাখালী খালের ভাঙনে বাজালিয়া ইউনিয়নের চৌধুরীপাড়া, বাংলাবাজার, আধুনগর পূর্বপাড়া, আমিলাইশ ইউনিয়ন এবং লোহাগাড়া উপজেলার সরদানীপাড়া, আধুনগরের পূর্বপাড়া, কলাউজানের আঁধারচর আবদুস ছালাম বাড়ি, আমিরাবাদ ইউনিয়ন, উত্তর পদুয়ার সওদাগর পাড়া, চরম্বা ইউনিয়নের তেলিবিলা গ্রামের বিভিন্ন স্থানে নদী ও খালের ভাঙন সৃষ্টি হয়েছে। হালদা নদী ও ধুরং খালের নাজিরহাট পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে ভাঙন সৃষ্টি হয়েছে। পটিয়া উপজেলার চান্দখালী, হারগাজী ও খরণা খালের ভাঙন ধরেছে। ধলঘাট, আশিয়া, শোভনদন্ডী, কচুয়াই, কোলাগাঁও ইউনিয়নের বিভিন্ন পয়েন্টে নদী-খালের ভাঙন দেখা দেয়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামে বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়। বিশেষ করে বাঁশখালী, সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ উপজেলাসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামে বন্যায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। অতিরিক্ত পানির তোড়ে এসব এলাকার জনপদের বেড়িবাঁধ ও তীরবর্তী এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, বন্যার পানি নামার সঙ্গে সঙ্গে ভাঙন বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল। সেই বিষয়ে পাউবো প্রাথমিক প্রস্তুতি আগ থেকে ছিল। ভাঙন প্রতিরোধে জরুরিভিত্তিতে কাজ করা হবে বলে জানান প্রধান প্রকৌশলী।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী (অতিরিক্ত দায়িত্ব) খ ম জুলফিকার তারেক বলেন, অতিরিক্ত বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় বিভিন্ন স্থানে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও নদী-খালের তীর ভেঙে গেছে। পানি নামার সঙ্গে নতুন করে ফের ভাঙন ধরেছে। ভাঙনের বিষয়টি মাথায় রেখে আগ থেকে পরিকল্পনা ছিল। তীব্র ভাঙন এলাকায় জরুরিভিত্তিতে ভাঙনরোধের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এবারের বন্যায় কর্ণফুলী, সাঙ্গু, হালদা নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ভয়াবহ বন্যা সৃষ্টি হয়। সরকারি হিসাবে প্রায় সাড়ে ৭ লাখ মানুষ পানিবন্দী ছিল।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পওর-১) নির্বাহী প্রকৌশলী শওকত ইবনে সাহিদ বলেন, বিভিন্ন স্থানে বাঁধ ভেঙে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এগুলোর কাজ করে সংযোগ স্থাপন করতে হবে। এছাড়া ভাঙনের পয়েন্টও বেশি। তাই বেশি ভাঙনপ্রবণ এলাকা চিহ্নিত করে অগ্রাধিকারভিত্তিতে জরুরিভাবে কাজ শুরু করা হবে।

প্রকৌশলী শওকত ইবনে সাহীদ বলেন, কিছু এলাকায় বেশি ভেঙেছে। স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করতে হবে। অত্যাধিক ভাঙন এলাকার জন্য নতুন করে প্রকল্প নেওয়া হবে। এবারের বন্যা ভয়াবহ রূপ নেয় বাঁশখালী ও সাতকানিয়া উপজেলায়। চন্দনাইশ, লোহাগাড়া এলাকায় বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া জেলার সবকটি উপজেলায় নদী ও খালের ভাঙনে বিভিন্ন জনপদে ভাঙন সৃষ্টি হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড রাঙামাটি বিভাগের অধীনে কর্ণফুলী, ইছামতি, শিলক, কাপ্তাই হৃদ, সত্তাখাল, ডাবুয়া খাল, বোয়ালখালী খাল-রায়খালী খালসহ বিভিন্ন খালের ভাঙন সৃষ্টি হয়েছে। ১০২টি স্থানে ভাঙনের প্রাথমিক তালিকা তৈরি করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের এই বিভাগ। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এসব স্থানের ৮ দশমিক ৫৩০ কিলোমিটার এলাকা ভেঙেছে। তা মেরামতের জন্য ৪২ কোটি টাকার প্রয়োজন হবে বলে জানান নির্বাহী প্রকৌশলী।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পওর-১) এর আওতায় বিভিন্ন উপজেলায় ৭৪ পয়েন্টে ভাঙন সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এসব স্থানের ৬ দশমিক ৬৩ কিলোমিটার এলাকা ভেঙেছে। তা মেরামতের জন্য ২৩ কোটি টাকার প্রয়োজন বলে জানান নির্বাহী প্রকৌশলী।একইভাবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পওর-২) এর আওতায় বিভিন্ন উপজেলায় ৯৩ পয়েন্টে ভাঙন সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এসব স্থানের ৬ দশমিক ৯৬ কিলোমিটার এলাকা ভেঙেছে। তা মেরামতের জন্য ৮৭ কোটি টাকার প্রয়োজন বলে জানান নির্বাহী প্রকৌশলী।

আলোচিত খবর

নতুন ভোটার হওয়ার আবেদন ৩১ জুলাই পর্যন্ত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির সুযোগ পাচ্ছেন নিবন্ধিত না হওয়া নাগরিকরা। আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত নতুন ভোটার হওয়ার আবেদন গ্রহণ করা হবে। ইসি জানিয়েছে, ২০০৮ সালের ৩১ জুলাই বা তার আগে জন্মগ্রহণকারী যেকোনো ব্যক্তি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করলে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন। স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখেই এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে নির্বাচন কমিশন।

এদিকে নির্বাচন কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৯ আগস্ট খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা এবং উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসে তালিকাটি প্রদর্শন করা হবে। তালিকায় নাম বাদ পড়া বা তথ্যগত ভুল থাকলে সংশ্লিষ্টরা ২৪ আগস্ট পর্যন্ত নতুন অন্তর্ভুক্তি বা তথ্য সংশোধনের আবেদন করতে পারবেন। সব আপত্তি নিষ্পত্তি শেষে ৩১ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ১০ আগস্ট খসড়া ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর আপত্তি গ্রহণ ও যাচাই-বাছাই শেষে ২৭ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন। এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা সিনিয়র সহকারী সচিব মো. রশিদ মিয়া স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে জানানো হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, আগামী অক্টোবর থেকে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ লক্ষ্যে আগস্টের মাঝামাঝি বা শেষ সপ্তাহে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে।

বর্তমানে দেশে মোট ভোটারের সংখ্যা ১২ কোটি ৮৩ লাখ ২৩ হাজার ২৪০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৫২ লাখ ১২ হাজার ৭৩১ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ৩১ লাখ ৯ হাজার ২৬৬ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২৪৩ জন

আরও পড়ুন

সর্বশেষ