চউক’র অনুমোদন বাণিজ্যিক ভবন

নিজস্ব প্রতিবেদক

তৈরি হচ্ছে হাসপাতাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের মেহেদীবাগে একটি ভবন নির্মাণে নিয়ম না মানার বিষয়টি চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (চউক) এর তদন্তে ওঠে এসেছে। মূলত চউক আবাসিক কাম বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণের অনুমোদন দিলেও সেখানে তৈরি হচ্ছে হাসপাতাল। তবে এ বিষয়ে বারবার অভিযোগ দিলেও কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছেনা চউক। বৃহস্পতিবার সকালে নগরের মেহেদীবাগ এলাকার নিজ বাড়ির সামনে এক

সংবাদ সম্মেলন করে এমন অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগী মো. শহীদ উল্লাহ। নিয়মবহির্ভূত নির্মাণাধীন বহুতল ওই ভবনের পাশেই ‘আনোয়ারা ম্যানসন’ নামে একটি চারতলা ভবনের মালিক তিনি।অভিযুক্তরা হলেন, নগরের চকবাজার থানার মেহেদীবাগ এলাকার মৃত মো. নুরুল ইসলামের ছেলে মো. মনজুরুল ইসলাম, মো. মফিজুল ইসলাম, মো. নজরুল ইসলাম, নুর আক্তার বানু বেগম, হোসনে আরা বেগম প্রমুখ।

স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলছেন, হাসপাতাল হলে এই সড়কে যানজট বাড়বে। তাছাড়া এমন এলাকায় হাসপাতাল করলে বাসিন্দাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার মান ব্যাহত হবে। শুধু তাই নয়, নকশা এবং ইমারত বিধিমালা না মেনে ভবন নির্মাণের ফলে যেকোনো বড় দুর্ঘটনায় প্রাণহানির শঙ্কাও তৈরি হবে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত ভবন মালিক মো. মনজুরুল ইসলামের মুঠোফোনে কল করা হলে তিনি দীর্ঘদিন শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছেন দাবি করে বলেন, আমি ঠিকভাবে হাঁটাচলাও করতে পারি না। চউক’র কারণ দর্শানোর নোটিশ পেয়েছিলাম। এসব আমার মেয়ের স্বামী সরোয়ার দেখে। অভিযোগ সম্পর্কে আমি কিছু বলতে পারছি না এখন। আমি আমার মেয়ের স্বামীর সাথে আলোচনা করব এ বিষয়ে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শহীদ উল্লাহ অভিযোগ করে বলেন, মূলত আমার চারতলা ভবনটি মেহেদীবাগ ৭০৯/বি সড়কে। যেটি আমার বাবা ১৯৭৫ সালে নির্মাণ করেছিলেন। আমাদের সামনে দুটো প্লট রয়েছে। যারমধ্য দিয়ে ৮ ফুট একটি রাস্তা আমাদের মালিকানাধীন। এই রাস্তার বাম পাশেই ১৪ তলা র‌্যাঙ্কন ভবন আছে। আর ডান পাশে একটি ১০তলা আবাসিক কাম বাণিজ্যিক ভবন সিডিএ’র অনুমোদিত নকশায় নির্মিত হচ্ছে। কিন্তু ভবনের নির্মাণকাজ নকশার অনুমোদনের বাইরে গিয়ে করা হচ্ছে, যা ইমারত বিধিমালা লঙ্ঘন।
ওই ভবন নির্মাণকাজের জন্য তার ভবন মারাত্মক হুমকির মুখে উল্লেখ করে বলেন, তারা এমনভাবে ভবন নির্মাণ করছে যাতে আমাদের যাতায়াতের রাস্তার সীমানা বরাবর ওদের স্থাপনা চলে আসে। নাগরিক বিবেচনায় আলো-বাতাস চলাচল,

ভূমিকম্প বা অগ্নিকাণ্ডসহ অন্যান্য দুর্ঘটনার জন্য যা মারাত্মক হুমকি। এ বিষয়ে গতবছরের ২৫ জুলাই আমি সিডিএ’তে অভিযোগ দিই। এছাড়া আমি পরিবেশ অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস এবং স্থানীয় কাউন্সিলরকেও একই অভিযোগ দিয়েছি। সবশেষ একইবছরের ২৫ নভেম্বর চউকে আমি আরও একটি অভিযোগ দিই। এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে সিডিএ নির্মাণাধীন ভবনের মালিকদের একটি কারণ দর্শানোর নোটিশও দেয়।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, এখন পর্যন্ত চউক এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের কোনো আলামত দেখছি না। চউক চেয়ারম্যানের সাথে দেখা করেও আমি এ বিষয়ে অবগত করেছি। কিন্তু আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তারা নির্মাণ কাজ অব্যাহত রেখেছে। নির্মাণাধীন ভবনের মালিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে তিনি সিডিএকে আবেদন জানান এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান কিংবা মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এদিকে নির্মাণাধীন ওই দশ তলা ভবন মালিকদের দেওয়া চউক’র ওই নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, চউক কর্তৃক যে ১তলা আবাসিক-কাম-বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণের নকশা অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল তার শর্ত অমান্য করেই নির্মাণ কাজ চলছে। যেটি সরেজমিন তদন্তে সংস্থাটি প্রমাণ পেয়েছে। ভবনের নিচতলায় তিন পাশে যে পরিমাণ জায়গা খালি রেখে স্থাপনা করার কথা তা রাখা হয়নি। এছাড়া দ্বিতীয় থেকে ১০তলা পর্যন্তও একই কাজ করা

হয়েছে। তাছাড়া আবাসিক-কাম-বাণিজ্যিক ভবনের অনুমতি নিয়ে হাসপাতাল হিসেবে ব্যবহার এবং এরজন্য ভবন লাগোয়া একটি সিঁড়িও নির্মাণ করছে বলে প্রতীয়মান হয়েছে। এ বিষয়ে ৭ দিনের মধ্যে তাদের কারণ দর্শাতে বলা হয়। এছাড়া কাজ বন্ধ না রাখলে আইনানুগ গ্রহণের কথাও বলা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আমরা সব জনগোষ্ঠীকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যারা গণহত্যা চালিয়েছে, দীর্ঘ ১৬ বছর আলেম-ওলামাদের রক্ত নিয়েছে এবং মসজিদকে রক্তাক্ত করেছে, এ দেশের মানুষ তাদের আর কখনো রাজনীতি করতে দেবে না বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির ঐতিহ্যবাহী আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসার ১০৪তম বার্ষিক দ্বীনি মহাসম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। জুমার নামাজ আদায়ের আগে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।দুদিনব্যাপী এ দ্বীনি মহাসম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে সভাপতিত্ব করেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার লিংকন, স্থানীয় সংসদ সদস্য সরওয়ার আলমগীর, রাউজানের সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, রাঙ্গুনিয়ার সংসদ সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম প্রমুখ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা ইসলামবিদ্বেষী শক্তির হাত থেকে মুক্ত হয়েছি। বিগত ১৬-১৭ বছরে প্রায় তিন হাজার মানুষ গুম ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। আমিও তাদের একজন ছিলাম। মানুষ বিভিন্নভাবে অত্যাচার ও নির্যাতনের শিকার হয়েছে। আমরা সেই হারানো সম্মান পুনরুদ্ধার করতে চাই।

তিনি বলেন, ধর্মের নাম বিক্রি করে যারা রাজনীতি করছে, তাদের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে ইসলামের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা শুধু দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে। ইসলামের মূলনীতি অনুসরণ করেই রাষ্ট্র পরিচালনা ও রাজনীতি প্রতিষ্ঠার কথা বলেন তিনি।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আমরা এ দেশের সব জনগোষ্ঠীকে নিয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। এখানে আমাদের সবার দায়িত্ব রয়েছে। দেশের মানুষের মুক্তি ও গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে কখনো ম্লান হতে দিতে চাই না।জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও জুলাই সনদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচনের মধ্য দিয়ে প্রণীত জুলাই সনদ বাস্তবায়নে তাদের প্রতিশ্রুতি রয়েছে। এর পাশাপাশি সংবিধানে ইসলামী মূল্যবোধের প্রতিফলন ঘটানো হবে। সংবিধানের প্রস্তাবনা ও রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে মহান আল্লাহর ওপর দৃঢ় আস্থা ও বিশ্বাসের বিষয়টি পুনঃস্থাপন করা হবে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার রাষ্ট্র পরিচালনার নীতি থেকে দেশকে বের করে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও রাষ্ট্রের পূর্ববর্তী নীতিগুলোর পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে চাই। সংবিধানের প্রস্তাবনায় এবং রাষ্ট্র পরিচালনার নীতিতে মহান আল্লাহর ওপর দৃঢ় আস্থা ও বিশ্বাসের বিষয়টি পুনরায় ধারণ করব।
বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার প্রসঙ্গ টেনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অন্যায়, অবিচার, দুঃশাসন ও দুর্নীতির কারণে দেশের মানুষ দীর্ঘদিন ভোগান্তির শিকার হয়েছে। এমনকি খালেদা জিয়ার মতো একজন মানুষকেও বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুবরণ করতে হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যারা গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে এবং গণঅভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে, তাদের আর এ দেশে রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণ থাকতে হবে। একেকজনের একেক রকম আদর্শিক রাজনীতি থাকতে পারে। কিন্তু একটি বিষয়ে আমরা একমত যারা এ দেশের মানুষকে হত্যা করেছে, গণহত্যা চালিয়েছে, দীর্ঘ ১৬ বছর আলেম-ওলামাদের রক্ত নিয়েছে এবং মসজিদকে রক্তাক্ত করেছে, এ দেশের মানুষ তাদের আর কখনো রাজনীতি করতে দেবে না।

জনবান্ধব পুলিশ বাহিনী গঠনে সদস্যদের কল্যাণ নিশ্চিত করা জরুরি : পুলিশ সুপার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জনবান্ধব পুলিশ বাহিনী গঠনে সদস্যদের কল্যাণ নিশ্চিত করা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের উদ্যোগে সিভিক সেন্টারে আয়োজিত মাসিক কল্যাণ সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এমন মন্তব্য করেন। সভায় পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ, উন্নত কর্মপরিবেশ, শারীরিক সক্ষমতা ও মানসিক প্রশান্তি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। সভায় পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ, কর্মপরিবেশের উন্নয়ন ও বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়।

পুলিশ সুপার পুলিশ লাইন্সের অব্যবহৃত ও পরিত্যক্ত স্থান সংস্কার করে ব্যবহার উপযোগী করার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি এসব জায়গায় শাকসবজি ও ফলমূল চাষের উদ্যোগ নিতে পুলিশ সদস্যদের উদ্বুদ্ধ করেন।এতে অব্যবহৃত জমির সঠিক ব্যবহার, পুষ্টির চাহিদা পূরণ ও স্বনির্ভরতা বাড়বে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
পুলিশ সদস্যদের শারীরিক সক্ষমতা, মনোবল ও কর্মস্পৃহা বাড়াতে নিয়মিত খেলাধুলা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজনের নির্দেশ দেন পুলিশ সুপার।
এ ছাড়া প্রতিটি থানায় প্রয়োজনীয় ক্রীড়া সরঞ্জাম ও উপকরণ সরবরাহের বিষয়েও নির্দেশনা দেন।

সভায় পেশাগত দক্ষতা ও বিশেষ সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের পুরস্কার, সম্মাননা সনদ ও ক্রেস্ট দেওয়া হয়। ওয়ারেন্ট তামিল, মাদকদ্রব্য উদ্ধার, গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদ্ঘাটন এবং অপরাধী ও পলাতক আসামি গ্রেপ্তারে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখায় তাঁদের এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

এ সময় পুলিশ সদস্যদের উত্থাপিত বিভিন্ন সমস্যা ও অভিযোগ মনোযোগ দিয়ে শোনেন পুলিশ সুপার। সেগুলো সমাধানে তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেন তিনি। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রচলিত নীতিমালা অনুসরণ এবং পেশাগত শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশনা দেন।

সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সার্কেল অফিসার, কোর্ট ইন্সপেক্টর, টিআই (অ্যাডমিন), ডিআইও-১, আরআই, বিভিন্ন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), বিভিন্ন ইউনিটের ইনচার্জসহ বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ