আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

কক্সবাজার এক্সপ্রেস’ প্রথম বছরে আয় ৪২ কোটি ৯৫ হাজার টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক

ননস্টপ ট্রেন ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস’ থেকে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জুলাই আন্দোলনের সময় বেশ কিছু দিন ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় বিদায়ী বছরে যাত্রী পরিবহন কমেছে বটে। তবে আন্তঃনগর ট্রেনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আয় হয়েছে ননস্টপ ট্রেন ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস’ থেকে।
এদিকে গত বছর যাত্রী পরিবহন কমলেও টিকিট বিক্রি করে রেলওয়ের আয় বেড়েছে বলে জানিয়েছেন রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এছাড়া নতুন নতুন রুটে ট্রেন চালুর উদ্যোগ আয় বাড়ার ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছে বলে তারা মন্তব্য করেন।
রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, জুলাই আন্দোলনের সময় বেশ কিছু দিন ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় যাত্রী পরিবহন কিছুটা কমলেও ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটসহ বিপুল চাহিদা সম্পন্ন কয়েকটি নতুন রুটে আন্তঃনগর ট্রেন চালু করায় বিদায়ী বছরে রেলওয়ের আয় বেড়েছে। যার ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট বিক্রির সামগ্রিক আয়ে।
কর্মকর্তারা আরো জানান, রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলে চলাচল করা আন্তঃনগর ট্রেনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আয় হয়েছে ননস্টপ ট্রেন ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস’ থেকে। ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে নতুন চালু করা এই ট্রেন প্রথম বছরেই ৪২ কোটি ৯৫ হাজার টাকা আয় করেছে। যা আন্তঃনগর ট্রেনগুলোর মধ্যে টিকিট বিক্রি করে পাওয়া সর্বোচ্চ আয়।
জানতে চাইলে রেলওয়ের চট্টগ্রাম বিভাগীয় ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) এ বি এম কামরুজ্জামান বলেন, গত বছরের জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের সময় ট্রেন চলাচল সাময়িক সময়ের জন্য বন্ধ ছিল। ট্রেন বন্ধ থাকার কারণে যাত্রী পরিবহনও করা সম্ভব হয়নি। এ কারণে যাত্রী পরিবহন কিছুটা কমেছে। তবে নতুন রুটে ট্রেন চালু করায় এ সময়ে রেলওয়ের আয় বেড়েছে।
রেলওয়ে সূত্র জানায়, বিদায়ী বছর ২০২৪ সালের প্রথম ১১ মাসে আন্তঃনগর ট্রেনগুলোতে ১ কোটি ৭৯ লাখ ১৬ হাজার ১৬০ জন যাত্রী পরিবহন করেছে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল। ২০২৩ সালের একই সময়ে যাত্রী পরিবহনের এই সংখ্যা ছিলো ১ কোটি ৯৩ লাখ ৩৬ হাজার ৮০৪ জন। সে হিসাবে ২০২৩ এর চেয়ে ২০২৪ সালে যাত্রী পরিবহন কমেছে ১৪ লাখ ২০ হাজার ২৪৮ জন।
অন্যদিকে বিদায়ী বছর ২০২৪ সালের প্রথম ১১ মাসে আন্তঃনগর ট্রেনগুলোতে যাত্রীদের কাছে টিকিট বিক্রি করে রেলওয়ে আয় করেছে ৬৪২ কোটি ১৭ লাখ ৯১ হাজার ৪৬৭ টাকা। ২০২৩ সালের এই সময়ে টিকিট বিক্রি করে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের আয়ের পরিমাণ ছিল ৬১১ কোটি ৬১ লাখ ১৭ হাজার ৮৭০ টাকা। সে হিসাবে আয় বেড়েছে ১১ মাসে ৩০ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কালিয়াকৈরে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে যুবক নিহত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার হাটুরিয়াচালা–লস্করচালা এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে আবারও একটি তাজা প্রাণ ঝরে গেছে। শনিবার (১৫ মার্চ) রাতে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মাসুম নামে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটা ও পরিবহন কার্যক্রম চলছিল। শনিবার রাতে মাটি পরিবহনের সময় একটি ড্রাম ট্রাক চলাচলের সময় মাসুম নামে ওই যুবক ট্রাকের নিচে পড়ে যান। এতে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধ মাটি কাটার সঙ্গে জড়িতদের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডের কারণেই এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এলাকাবাসীর দাবি, প্রশাসনের নজরদারির অভাবে দীর্ঘদিন ধরে এসব অবৈধ কার্যক্রম চললেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

দুর্ঘটনার পর এলাকাজুড়ে শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বিষয়টি তদন্ত করছে।এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার নাছির উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় নগরীর ডিসি হিলে এই কার্যক্রমে অংশ নেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং জেলার সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এ সময় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সামনে বর্ষাকাল আসছে। তার আগেই যদি আমাদের শহরকে পরিচ্ছন্ন করতে পারি তাহলে ডেঙ্গু মশার বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসী উপকৃত হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধটাই সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ। সরকার এ কাজে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম মাসব্যাপী চলছে। এ কাজে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে মানুষকে সচেতন করা ও পরিষ্কার করা। চট্টগ্রামে যেসব জায়গা বেশি অরক্ষিত, যেখানে ডেঙ্গু বেশি বিস্তার ঘটতে পারে সেগুলো আমরা পরিষ্কার করব এবং নিরাপদ ও সুস্থ চট্টগ্রাম আমরা গড়ে তুলব।
বেলুন উড়িয়ে মাসব্যাপী এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এরপর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে প্রশাসনের কর্মকর্তারা, স্কাউটের সদস্য এবং পরিচ্ছন্ন কর্মীরা অংশ নেন। এরপর চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে ‘ডেঙ্গু রোগের ভয়াবহতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে’ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ