আজঃ শনিবার ২১ মার্চ, ২০২৬

বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাষ্টের উদ্যোগে

বোয়ালখালী উপজেলায় চেক বিতরণ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বৌদ্ধ কল্যাণ ট্রাষ্টের উদ্যোগে ৩ মার্চ বোয়ালখালী উপজেলায় কধুরখীল মারজিন বিহার মিলনায়তনে চেক বিতরণ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। বৌদ্ধ কল্যাণ ট্রাষ্টের ট্রাষ্টি রূবেল বড়ুয়ার সভাপতিত্বে উক্ত সভায় আশির্বাদক ছিলেন কধুরখীল মারজিন বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ভদন্ত দীপানন্দ ভিক্ষু। মঙ্গলাচরণ পাঠ করেন ভদন্ত পরমানন্দ মহাস্থবির। প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মোঃ এরশাদ উল্লাহ। বিশেষ অতিথি ছিলেন বোয়ালখালী থানার

অফিসার ইনচার্জ গোলাম সরোয়ার, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি’র দপ্তর সম্পাদক শওকত আজম খাজা, কারা পরিদর্শক মো: জাফর, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক শওকত আলম, ৮নং শ্রীপুর—খরনদ্বীপ ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান চৌধুরী, বিএনপির নেতা নুরুল করিম নুরু, বিএনপি নেতা আবুল হাসেম, বোয়ালখালী প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি অধীর বড়ুয়া, সাংবাদিক বিপ্লব বড়ুয়া বিজয়, বোয়ালখালী সম্মিলিত বৌদ্ধ পরিষদের আহ্বায়ক সমীরন বড়ুয়া টিটু, নবনির্বাচিত কার্যকরী সভাপতি মিলু বড়ুয়া। আরো উপস্থিত ছিলেন অধ্যক্ষ শীলপ্রিয় থের, অধ্যক্ষ মৈত্রী প্রিয় ভিক্ষু, অধ্যক্ষ প্রজ্ঞারশ্মি ভিক্ষু। প্যাগোডা ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্য্যক্রম চট্টগ্রামের ফিল্ড সুপারভাইজার মোঃ গোলাম মোস্তফা’র সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন এনটন বড়ুয়াসহ

বিভিন্ন বৌদ্ধ বিহারের প্রতিনিধিবৃন্দ। পরে প্রধান অতিথি বোয়ালখালীর ২৩ টি বৌদ্ধ বিহারে চেক বিতরণ করেন। এসময় এরশাদ উল্লাহ বলেন, সমাজ—রাষ্ট্রে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে হলে সবাইকে সঠিকভাবে ধর্মীয় অনুশীলন মেনে চলতে হবে। নশ্চেৎ কখনো শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

ঈদের আনন্দ অসহায় মানুষের মাঝেও ছড়িয়ে দিতে হবে: মেয়র শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে চট্টগ্রামের নগরবাসী, বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মী, পেশাজীবী এবং দেশ-বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসীসহ সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, পবিত্র রমজান মাস ধৈর্য, সংযম, ত্যাগ এবং সহমর্মিতার এক অনন্য শিক্ষা দেয়। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদুল ফিতর মুসলিম উম্মাহর মাঝে বয়ে আনে আনন্দ ও প্রশান্তি। ঈদের মূল শিক্ষা হলো সব ভেদাভেদ ভুলে সাম্য, ভ্রাতৃত্ব ও মানবিকতার বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া।তিনি আরও বলেন, ঈদের আনন্দ শুধু ব্যক্তিগতভাবে উদযাপন না করে সমাজের অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া উচিত।শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি সাম্প্রতিক ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জনগণের বিপুল সমর্থনের কথা উল্লেখ করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, জনগণের দেওয়া এই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, গণতন্ত্র ও অধিকার আদায়ের আন্দোলনে অতীতের মতো ভবিষ্যতেও জনগণ পাশে থাকবে—এটাই প্রত্যাশা।

তিনি হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করে পারস্পরিক সম্প্রীতি জোরদারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ঈদের আনন্দ উদযাপনের পাশাপাশি চট্টগ্রাম শহরকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য রাখতে সচেতন নাগরিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দেশ ও জাতির কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ