ফ্যাসিস্টের প্রেতাত্মারা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

ইফতার সামগ্রী বিতরণকালে মুহাম্মদ শাহেদ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ-সভাপতি মুহাম্মদ শাহেদ বলেছেন, খুনি হাসিনা পালিয়ে গেছে, কিন্তু তার প্রেতাত্মারা রয়ে গেছে। ফ্যাসিবাদের সহযোগী এই প্রেতাত্মারা দেশ ও গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে হবে। এটি শুধু বিএনপির একার দায়িত্ব নয়, বরং দেশপ্রেমিক সকল রাজনৈতিক দল ও সাধারণ জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রবিরোধী সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।

তিনি আজ মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) পাঁচলাইশ থানা যুবদলের উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী বিতরণকালে মুরাদপুরস্থ আপন গার্ডেন কমিউনিটি সেন্টারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। অসহায় ও নিম্ন আয়ের লোকজনের মধ্যে মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে এসব ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
মুহাম্মদ শাহেদ বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া বিএনপি সবসময় দেশ ও জনগণের জন্য রাজনীতি করে এসেছে। এ দেশের দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য তিনি আমৃত্যু কষ্ট করে গেছেন।

তিনি আরও বলেন, জনগণের হারানো ভোটের অধিকার ও গণতন্ত্র ফিরিয়ে দিতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে, যাতে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হয় এবং দেশের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধার করা যায়।

পাঁচলাইশ থানা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক মোহাম্মদ আলী সাকির সভাপতিত্বে আয়োজিত উক্ত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক সেলিম উদ্দিন রাসেল, রাজন খান, ওমর ফারুক, প্রচার সম্পাদক জিল্লুর রহমান জুয়েল, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মহিউদ্দিন মুকুল, সহ-দপ্তর সম্পাদক মো. সাহেদ, জহিরুল ইসলাম জহির, সহ-সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক হামিদুল হক চৌধুরী, সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হাফেজ কামাল উদ্দিন, দক্ষিণ জেলা যুবদলের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আলমগীর হোসেন, সদস্য প্রফেসর সাইদুল হক সিকদার, পাঁচলাইশ থানা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক রিদোয়ান হোসেন জনি, শাহিদুল ইসলাম মাসুম, এনামুল হক চৌধুরী কামাল, শহিদুল ইসলাম কুট্টি, মিল্লাত হোসেন, হুমায়ূন আহমেদ, ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক মো. জাবেদ হোসেন, মোহাম্মদ নাসির, আরিফুল ইসলাম ইলু, মো. হাসান তোফা, কোরবান আলী রহিম, মাইনুদ্দিন মামুন, মোহাম্মদ রফিক, মোহাম্মদ ইউনুস, মো. মোরশেদ, সোলায়মান হোসেন মনা, জাবেদ হোসেন, মোহাম্মদ হানিফ, তোফাজ্জল হোসেন, খোকন মোল্লা, আবুল বাশার, জসিম উদ্দিন তালুকদার, মো. ফারুক, নুরুল হক, মো. সুমন, হানিফ রানা, রাসেল আহমেদ, মাসুদ রানা, জীবন মিয়া, মোহাম্মদ জাহিদ, সানি আহমেদ, মোহাম্মদ হোসাইন, মো. মাসুদ, মোহাম্মদ জসিম, মাইনুদ্দিন, রাজু রায়হানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী ফয়সাল আমিন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে শেষপর্যন্ত মির্জা পরিবারের মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছোট ভাই জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র মির্জা ফয়সাল আমিনই বিএনপি দলীয় প্রার্থী।

বিএনপির মহাসচিব থেকে এলজিআরডি মন্ত্রী এবং পরবর্তীতে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল দায়িত্ব নিয়েছেন। শূন্য হওয়া এই আসনটিতে জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ফয়সাল আমিনকেই চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে বেছে নিচ্ছে দল।

ডিপি ওয়ার্ল্ডকে এনসিটি ইজারা চুক্তি বন্ধসহ চার দাবিতে আলটিমেটাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চার দাবিতে দুই দিনের আলটিমেটাম দিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল ও বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল ও বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ আলটিমেটাম দেওয়া হয়েছে। এসব দাবির মধ্যে ডিপি ওয়ার্ল্ডকে এনসিটি ইজারা দেওয়ার চুক্তির সব কার্যক্রম বন্ধের দাবি রয়েছে।

দাবি না মানলে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেল তিনটায় নিমতলা বিশ্বরোড থেকে ওয়ানস্টপ পর্যন্ত মানববন্ধন এবং রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল তিনটায় ফকির হাট ৩ নম্বর গেট থেকে ওয়ানস্টপ পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল বের করা হবে বলে জানানো হয়।
চট্টগ্রাম বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল ও বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের যুগ্ম সমন্বয়ক হুমায়ুন কবীর ঘোষিত অন্য দাবিগুলো হচ্ছে- বিগত আন্দোলনে চট্টগ্রাম বন্দরের নেতৃবৃন্দসহ ১৫ কর্মচারীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা

প্রত্যাহার, ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় থেকে এখনো পর্যন্ত বন্দরে কর্মরত যে সব কর্মকর্তা এনসিটিকে বহুজাতিক কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডের চুক্তি প্রক্রিয়ার জড়িতদের অপসারণ এবং পরিকল্পিতভাকে দীর্ঘদিন ধরে জনবল নিয়োগ বন্ধ রেখে বন্দরের চলমান অপারেশনাল কার্যক্রম স্থবির করে বে-সরকারিকরণ প্রক্রিয়া থেকে বেরিয়ে সব শূন্যপদে জনবল নিযোগ করে অপারেশন কার্যক্রম গতিশীল করে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে চট্টগ্রাম কন্দরকে আধুনিক বন্দরে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্কপের নেতা ইফতেখার কামাল, হুমায়ুন কবির (নিমতলা), মোজাহের হোসেন শওকত, মার্চেন্ট শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি হারুনুর রশীদ, ডক জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক তসলিম হোসেন সেলিম, স্টাফ ইউনিয়নের মোহাম্মদ ফয়েজ উল্লাহ, উইন্সম্যান অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ইমাম হোসেন খোকন প্রমুখ।

লিখিত বক্তব্যে যুগ্ম সমন্বয়ক ইব্রাহিম খোকন বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার ২০১৭ সাল থেকে দেশের স্বার্থ বিবেচনা না করে বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডের হাতে তুলে দেয়ার পাঁয়তারা করে আসছিল। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশের ছাত্র জনতার তীব্র আন্দোলনের মুখে ফ্যাসিজমের পতন হলে ড. ইউনূসের অন্তবর্তীকালীন সরকার এই কার্যক্রমকে দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকে।দেশের মানুষ মনে করেছিল শত শত ছাত্র জনতার রক্তের সিঁড়ি বেয়ে গঠিত ড. ইউনূসের অন্তবর্তীকালীন সরকার দেশ এবং দেশের মানুষের স্বার্থের কথা চিন্তা করে এই চুক্তি না করে উক্ত কার্যক্রমের যবনিকা টানবেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে

তৎকালীন অন্তবর্তীকালীন সরকারের ২/১ জন উপদেষ্টা নিজেদের স্বার্থ বিবেচনায় দেশ এবং দেশের সার্বভৌমত্বের বিষয়টি চিন্তা না করে বিদেশি এজেন্ডা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে চুক্তির প্রক্রিয়া প্রায় সম্পন্ন করেই ফেলেছিল।
ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার ও অন্তবর্তীকালীন সরকারের দেশের স্বার্থ বিরোধী এই সিদ্ধান্তের বিপক্ষে তৎকালীন সময়ে আমরা চট্টগ্রাম বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের নেতৃত্বাধীন চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ, সর্বদলীয় শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ) সহ সারা বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবী, ছাত্র সংগঠন, পেশাজীবী ও শ্রমজীবি মানুষের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ফলে তৎকালীন আন্তবর্তী কালীন সরকার উল্লেখিত চুক্তি থেকে সরে আসতে বাধ্য হয়।

অতি সম্প্রতি চেয়ারম্যান সাংবাদিকদের দেওয়া একটি আনুষ্ঠানিক বক্তব্যে বলেছেন, যে চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটিকে বিদেশি বহুজাতিক কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে পরিচালনার সুযোগ না দিলে অবুধাবিতে কর্মরত ২৩ লাখ শ্রমিককে দেশে ফেরত পাঠিয়ে দেবে, তার এই বক্তব্য একদিকে যেমন বিদেশিদের এ কাজে উৎসাহিত করবে অন্যদিকে তার বক্তব্য রাষ্ট্রবিরোধী কাজ মনে করি। আমরা তার এই বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানাই।

তিনি আরও বলেছেন, এনসিটির যন্ত্রপাতি অকেজো। ইকুইপমেন্ট এভেইলেবেলিটি আন্তর্জাতিক মান দন্ডের নিচে অর্থাৎ ৭০ শতাংশে নেমে এসেছে। চট্টগ্রাম বন্দরের আভ্যন্তরীণ নথিপত্র, ক্রেন ক্রয়ের বিবরণী এবং সামুদ্রিক লজিস্টিক বিশেষজ্ঞদের নিখুঁত তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এই দাবি সম্পূর্ণ কাল্পনিক, উদ্দেশ্য প্রণোদিত, এবং বহুজাতিক কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ড এর হাতে এনসিটিকে তুলে দেওয়ার অতি উৎসাহী আচরণ।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, বহুজাতিক কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে এনসিটি পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হলে পাশ্ববর্তী দেশ ভারতের আধিপত্য আমাদের ওপর প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশে কখনো রাজনৈতিক আস্থিরতা সৃষ্টি হলে সে সময় দেশের একমাত্র আন্তর্জাতিক সমুদ্র বন্দর চট্টগ্রাম বন্দরকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করে অর্থনীতিসহ সাপ্লাই চেইন বাধাগ্রস্ত করে দেশে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।

আমরা বন্দরের শ্রমিক কর্মচারীরা মনে করি বহুজাতিক কোম্পানী ডিপি ওয়ার্ল্ড এর সঙ্গে কনসেশন চুক্তি করা হলে দেশ দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়বে। দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এনসিটি হতে অর্জিত টাকা বিদেশে চলে যাবে, দেশ অর্থনৈতিক মুদ্রার সংকটের মুখে পড়বে। চট্টগ্রাম বন্দরের কর্মচারীরা কর্ম হারাবে এবং কর্মসংস্থান সংকুচিত হবে। দেশি বিদেশি ষড়যন্ত্রের কবলে পড়ে দেশের একমাত্র সমুদ্র বন্দর রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহৃত হবে। বিগত ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি এর মাধ্যমে অর্জিত আয় ৪৫০০ কোটি টাকা এবং নিট আয় ২৫০০ কোটি টাকা। এই আয় থেকে সরকার ২৫ শতাংশ কর্পোরেট ট্যাক্স বাবদ পেয়েছে ৬৫০ কোটি টাকা এবং ভ্যাট পেয়েছে ৬৫০ কোটি টাকা প্রায়। বহুজাতিক

কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দিলে সরকার উক্ত আয় থেকে বঞ্চিত হবে, দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা পাচার হয়ে যাবে এবং কনসেশন চুক্তির কারণে এনসিটিতে বিপজ্জনক পণ্য খালাসেরও আশংকা রয়েছে।নাগরিক ঐক্যের চট্টগ্রাম জেলা সমন্বয়ক স্বপন মজুমদার বলেন, এনসিটি বন্দরের লাভজনক স্থাপনা। এটি ইজারা দেওয়ার দরকার নেই। বিগত সরকারের আমলের একটি আন্তর্জাতিক চক্র কাজ করছে ইজারা দিতে। শুধু মুনাফা উন্নয়ন নয়।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ