আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

বাংলাদেশ গীতা শিক্ষা কমিটি (বাগীশিক)শিকারপুর ইউনিয়ন সংসদের ৩য় কার্যকরী পরিষদের শুভ অভিষেক।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শিকারপুরস্থ বাথুয়া শ্রীশ্রী রক্ষাকালী বাড়ি প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়। দুই পর্বে বিভক্ত ১ম পর্বে সভাপতিত্ব করেন বাগীশিক হাটহাজারী উপজেলা সংসদের সভাপতি শ্রী চন্দন নাথ। উক্ত আয়োজনে শুভ উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাথুয়া শ্রীশ্রী রক্ষাকালী বাড়ি পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি শ্রী বাসু মালাকার,প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগীশিক কেন্দ্রীয় সংসদের উপদেষ্টা শ্রীমতি কৃষ্ণা দাশ,মহান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগীশিক চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সংসদের সাবেক সহ সভাপতি শ্রী বিপ্লব পাল চৌধুরী, সাবেক সাধারণ

সম্পাদক শ্রী শিবু দাশ,প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগীশিক চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সংসদের সাধারণ সম্পাদক শ্রী বাসু চৌধুরী, আলোকিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগীশিক হাটহাজারী উপজেলা সংসদের পৃষ্ঠপোষক শ্রী শিবলু দাশ, শ্রীমতি রীণা দাশ,বাগীশিক হাটহাজারী উপজেলা সংসদের পৃষ্ঠপোষক শ্রী টিটু তালুকদার, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগীশিক হাটহাজারী উপজেলা সংসদের সাধারণ সম্পাদক শ্রী শ্যাম সুন্দর বৈষ্ণব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্রী রাজিব মজুমদার, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট কৃষ্ণ প্রসাদ নাথ,সমাজ কল্যাণ সম্পাদক শ্রী দেবব্রত দাশ দেবু। ২য় পর্বের সভাপতিত্ব করেন বাগীশিক শিকারপুর ইউনিয়ন সংসদের সভাপতি শ্রী দীপক

মজুমদার। উক্ত অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বাগীশিক শিকারপুর ইউনিয়ন সংসদের সাধারণ সম্পাদক শ্রী রাজিব সরকার। অনুষ্ঠানের শুরুতে সমবেত গীতা পাঠ করেন বাগীশিক শিকারপুর ইউনিয়ন সংসদের গীতা শিক্ষা কেন্দ্রের শিক্ষার্থীবৃন্দ।স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাগীশিক শিকারপুর ইউনিয়ন সংসদের সহ সভাপতি শ্রী উত্তম বিশ্বাস।বাগীশিক হাটহাজারী উপজেলা সংসদের আওতাধীন সংসদ সমূহের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাগীশিক ফরহাদাবাদ ইউনিয়ন সংসদের সাধারণ সম্পাদক শ্রী মানিক নাথ, হাটহাজারী পৌরসভা সংসদের সাধারণ

সম্পাদক শ্রী জুয়েল ধর, মেখল ইউনিয়ন সংসদের সাধারণ সম্পাদক শ্রী রনজিত কুমার নাথ, ফতেপুর ইউনিয়ন সংসদের সভাপতি শ্রী রিকেল দে,সাধারণ সম্পাদক শ্রী যীশু শীল, চিকনদন্ডী ইউনিয়ন সংসদের সভাপতি শ্রী স্মৃতি রঞ্জন নাথ বাবু, উত্তর মার্দাশা ইউনিয়ন সংসদের সভাপতি শ্রী প্রবীর দাশ,সাধারণ সম্পাদক শ্রী লিটন দাশ প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম-১৫ আসনে জামায়াতের ঘাঁটিতে ‘পুরোনোর’ সাথে ‘নতুন’র লড়াই।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে চট্টগ্রাম-১৫ আসনটি জামায়াতে ইসলামীর ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। আসন্ন নির্বাচনে আসনটিতে জামায়াত-বিএনপি প্রার্থী বিরামহীন প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।এই আসনে জামায়াত এবার প্রার্থী করেছে দুইবারের সাবেক সংসদ সদস্য পোড়খাওয়া রাজনীতিক শাহজাহান চৌধুরীকে। অন্যদিকে বিএনপির প্রার্থী হয়েছেন প্রথমবারের মতো নির্বাচনি লড়াইয়ে আসা নাজমুল মোস্তফা আমিন।
ভোটের মাঠের ‘পুরনো খেলোয়াড়’ শাহাজাহান চৌধুরীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীক আর নবাগত নাজমুল মোস্তফা আমিনের ধানের শীষের প্রচার চলছে সমানতালে।

প্রথমবার খেলতে নেমে তরুণ নাজমুল বাজিমাত করবেন না-কি বয়সে প্রবীণ শাহজাহানের শিরোপা অক্ষুন্ন থাকবে- লড়াইয়ের চূড়ান্ত ফলাফল দেখার অপেক্ষায় আছেন সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার আপামর জনসাধারণ।
এদিকে প্রচারে সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার মানুষের কাছে সেই নির্যাতনের কাহিনি তুলে কাতর কণ্ঠে ভোট প্রার্থনা করছেন শাহজাহান চৌধুরী। বিভিন্ন গণসংযোগে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, আমি শাহজাহান চৌধুরী, আমি বড় মজলুম, নির্যাতিত। সময়ে সময়ে নয়টি বছর আমি কারাগারে কাটিয়েছি। আমি জেলে থাকা অবস্থায় আমার মা আমাকে ছেড়ে পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন। আমি বড় ছেলে হিসেবে নিজের মাকে কবরে দেওয়ার সুযোগ পাইনি। আমাদের নেতারা ফাঁসির কাষ্ঠে গিয়েছেন।

আল্লামা সাঈদীকে বিষ প্রয়োগ করে হত্যা করা হয়েছে। আমি রাজপথে রক্ত দিয়েছি। আমি আপনাদের দুয়ারে এসেছি। আপনারা আমাকে ফেরত দেবেন না। অতীতে যেভাবে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে আপনারা ভোট দিয়ে আমাকে জয়ী করেছিলেন, আমি আবারও আপনাদের কাছে একটি ভোট ভিক্ষা চাই। আগামীদিনে আমি নিরাপদ, শান্তির সাতকানিয়া-লোহাগাড়া গড়ে তুলব। ব্রিজ, কালভার্ট, রাস্তাঘাট- আপনাদের যা যা প্রয়োজন, আমি আপনাদের পাশে থাকব।

অন্যদিকে নাজমুল মোস্তফা আমিনও বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রামের কথা তুলে ধরে ভোটারদের নিজের দিকে টানার চেষ্টা করছেন। পাশাপাশি সন্ত্রাসমুক্ত সাতকানিয়া-লোহাগাড়া গড়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। তবে ব্যক্তিগত আক্রমণ থেকে উভয় প্রার্থীই বিরত আছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগে গিয়ে নাজমুল মোস্তফা আমিন বলেন, ১৬ বছর আমি রাজপথে ছিলাম।

আওয়ামী লীগ আমার ওপর অনেক জুলুম করেছে। আমি ঘরে থাকতে পারিনি। রাজনীতিতে আমার ত্যাগের জন্য দেশনায়ক তারেক রহমান আমাকে এ আসনে প্রার্থী করেছেন। সাতকানিয়া ও লোহাগাড়াবাসীর কাছে আমার আকুল আবেদন, আপনারা গত ৩৬ বছরে এখানে বিভিন্ন প্রতীকের অনেক প্রার্থীকে দেখেছেন। এবার ধানের শীষে আপনাদের ভোট চাই। সাতকানিয়া-লোহাগাড়ায় আমি সন্ত্রাসের কবর রচনা করব। মানুষ শান্তিতে ঘুমাতে পারবে, কথা দিচ্ছি। উন্নত, সমৃদ্ধ, আধুনিক এলাকা গড়ার জন্য আপনারা ধানের শীষে ভোট দিন।

ভোটের মাঠের কী অবস্থা— জানতে চাইলে তিনি বলেন, ধানের শীষ জনগণের প্রতীক। ধানের শীষ মানেই জোয়ার, ধানের শীষ মানেই ঘূর্ণিঝড়। ইনশাল্লাহ, আমি সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার সর্বস্তরের জনগণের বিপুল সাড়া পাচ্ছি। ধানের শীষ বিপুল ভোটে জয়ী হবে বলে আমি আশাবাদী। তবে এখানে সন্ত্রাসীদের দাপট দেখতে পাচ্ছি। তারা কিছু একটা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। আমি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অনুরোধ করেছি, তারা যেন ভোটের দিনের আগেই অবৈধ অস্ত্র, লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার করে এবং সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে।

জানা গেছে, পুরো লোহাগাড়া উপজেলা ও সাতকানিয়া উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা নিয়ে গঠিত চট্টগ্রাম-১৫। এই আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ৬ হাজার ৫৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৭০ হাজার ৯১৫ জন এবং নারী ভোটার ২ লাখ ৩৫ হাজার ১৪৪ জন। নির্বাচনে প্রার্থী মাত্র তিনজন। জামায়াতে ইসলামীর শাহজাহান চৌধুরী ও বিএনপির নাজমুল মোস্তফা আমিনের সঙ্গে প্রার্থী হিসেবে আরও আছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শরীফুল আলম চৌধুরী।

তিনবার নির্বাচন করে দুইবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও গেল ২৫ বছরে চারটি সংসদ নির্বাচনে ভোটের মাঠের বাইরে থাকতে হয়েছিল জামায়াতে ইসলামীর চট্টগ্রামের আলোচিত নেতা শাহজাহান চৌধুরীকে। ওয়ান-ইলেভেন পরবর্তী সময়ে জরুরি অবস্থায় এবং আওয়ামী লীগের টানা ১৬ বছরের অধিকাংশ সময়ই তাকে জেলখানায় কাটাতে হয়েছে। অর্ধশতাধিক মামলার আসামি হয়েছিলেন। কারাগারের বাইরে থাকলেও দিন কাটাতে হয়েছে লোকচক্ষুর অন্তরালে থেকে।

এছাড়া শাহজাহান চৌধুরী ১৯৯১ সালে তরুণ বয়সে প্রথমবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) হেভিওয়েট নেতা আক্তারুজ্জামান চৌধুরী বাবুকে হারিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯৯৬ সালের সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হলেও বিএনপির প্রার্থী অলি আহমদের কাছে পরাজিত হন। ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াতের নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট থেকে এ আসনে প্রার্থী করা হয়েছিল শাহজাহান চৌধুরীকে। কিন্তু অলি আহমদ ওই আসনে নির্বাচন করতে অনড় অবস্থান নেন। ফলে জোট থেকে আসনটি উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।

অলি আহমদ ধানের শীষে এবং শাহজাহান চৌধুরী দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে প্রার্থী হন। নির্বাচনে তিনি অলি আহমদকে হারিয়ে জয় ছিনিয়ে আনেন।কিন্তু ২০০৭ সালে এক-এগারো প্রেক্ষাপট পরবর্তী জরুরি অবস্থায় শাহজাহান চৌধুরী গ্রেফতার হয়ে কারাগারে যান। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এনে মামলা করা হয়। সেই মামলায় সাজা হলে ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত নবম সংসদ নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হতে পারেননি। পরে অবশ্য ওই মামলায় উচ্চ আদালত থেকে সাজা বাতিল হয়। ওই নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে আরেক জামায়াত নেতা আ ন ম শামসুল ইসলাম প্রার্থী হয়ে বিজয়ী হয়েছিলেন।

২০১৪ সালে ‘একতরফাভাবে’ অনুষ্ঠিত দশম সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী অংশ নেয়নি। ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত একাদশ সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী অংশ নিয়ে প্রার্থী করে আ ন ম শামসুল ইসলামকে। বিতর্কিত ওই নির্বাচনে তাকে পরাজিত ঘোষণা করা হয়। ২০২৪ সালের দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী অংশ নেয়নি। এর ফলে ২৫ বছর পর জামায়াতে ইসলামীর মনোনয়ন নিয়ে আবারও ভোটের মাঠে এসেছেন শাহজাহান চৌধুরী।

অন্যদিকে নাজমুল মোস্তফা আমিন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য। এর আগে তিনি দক্ষিণের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং লোহাগাড়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের টানা ১৬ বছরে দলের কঠিন দুঃসময়ে সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার তৃণমূলের নেতাকর্মীদের আশ্রয় দিয়ে ও মামলা মোকাবিলায় সহযোগিতা করে তিনি দলের ভেতর গ্রহণযোগ্যতা পান বলে বিএনপি নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে।
নাজমুল মোস্তফা আমিন ছাড়া চট্টগ্রাম-১৫ আসনে আরও তিনজন বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন।

এরা হলেন- চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ মো. মহিউদ্দিন, বর্তমান যুগ্ম আহ্বায়ক জামাল হোসেন ও মুজিবুর রহমান। নাজমুলকে প্রার্থী করা হলে তিনজন ও তাদের অনুসারীরা বিদ্রোহ করেছিলেন। কিন্তু হাইকমান্ডের নির্দেশে পরবর্তী সময়ে তিনজনই নাজমুলের পক্ষে কাজ করতে সম্মত হন। বর্তমানে আসনটিতে ধানের শীষের জয়ের জন্য নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে নেমেছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

তরুণ উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে জেসিআইয়ের বিকাশে গঠিত হবে আগামী ভবিষ্যৎ : চসিক মেয়র।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

তরুণ উদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক সংগঠন জুনিয়র চেম্বার ইন্টারন্যাশনাল (জেসিআই) চট্টগ্রাম-এর নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জুনায়েদ আহমেদ রাহাতকে চেইন হ্যান্ডওভারের মাধ্যমে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার রাতে চট্টগ্রাম মহানগরের পাঁচ তারকা হোটেল রেডিসন ব্লু মোহনা হলে এ অনুষ্ঠানে বিদায়ী পরিষদ তাদের দায়িত্ব পালনকালে অর্জিত সফলতা ও চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরেন এবং নতুন পরিষদ ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেন।

প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। বাংলাদেশ সিমেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিসিএমএ) সভাপতি মো. আমিরুল হক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ কমিটির সদস্য উদ্যোক্তা ইসরাফিল খসরু, চট্টগ্রাম সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এসএম সাইফুল আলম এবং পিএইচপি ফ্যমিলির পরিচালক ও মালয়েশিয়ার অনারারী কনসাল মোহম্মদ আকতার পারভেজ বিশেষ অতিথি ছিলেন।

প্রধান অতিথি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, তরুণ উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে জেসিআই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তাদের বিকাশে গঠিত হবে আমাদের আগামী ভবিষ্যৎ।
পিএইচপি ফ্যমিলির পরিচালক মোহম্মদ আকতার পারভেজ বলেন, আমি চাই, জেসিআই চট্টগ্রামে একটি বড় অফিসের ব্যবস্থা করুক। উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে তারা বরাবরের মতো উল্লেখযোগ্য অবদান রাখুক।
নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জুনায়েদ আহমেদ রাহাত বলেন, জেসিআই তরুণদের সংগঠন। এর ১৪ বছরের ঐতিহ্য ধরে রেখে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার আশা রাখি।

প্রসঙ্গত, ২০১২ সালে জেসিআই চট্টগ্রাম চ্যাপ্টারের কার্যক্রম শুরু হয়। ১৮ থেকে ৪০ বছর বয়সী তরুণদের নিয়ে গঠিত এই আন্তর্জাতিক সংগঠন বিভিন্ন উদ্যোক্তা, সামাজিক এবং নৈতিক নেতৃত্ব গঠনের ক্ষেত্রে কাজ করে।
নবগঠিত কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন- আইপিএলপি: গোলাম সরোয়ার চৌধুরী। প্রেসিডেন্ট জুনায়েদ আহমেদ রাহাত, সেক্রেটারি জেনারেল মঈন উদ্দিন নাহিদ, নির্বাহী সহ সভাপতি ডা. জুয়েল রহমান, আল আমিন মেহেরাজ বাপ্পি। সহ-সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন সাদ বিন মুস্তাফিজ অনিন্দো, মো. সাদেক উর রহমান সাদাফ, অনিক চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার তাইমুর আহমেদ এবং মোহাম্মদ আনাছ। কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছেন মুন্তাসির আল মাহমুদ।

এছাড়া অ্যাক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট টু প্রেসিডেন্ট সায়হান হাসনাত, জিএলসি শাহেদ আলী সাকি এবং লোকাল ট্রেনিং কমিশনার হিসেবে তৈয়্যবুর রহমান জাওয়াদ যুক্ত হয়েছেন।কমিটির অন্যান্য পদের মধ্যে জেসিআই ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার চেয়ারপারসন শাহাব উদ্দিন চৌধুরী, মিডিয়া ও পিআর চেয়ারপারসন ডা. নুরুল কবির মাসুম, জেসিআই ইন বিজনেস চেয়ারপারসন কাইসার হামিদ ফরহাদ এবং স্ট্রাটেজিক প্লানিং চেয়ারপারসন হিসেবে সাকিব চৌধুরীর নাম ঘোষণা করা হয়।

পরিচালক পদে আবিদ হোসেন, ফয়সাল মাহমুদ, সারিশত বিনতে নূর, মো. জিয়া উদ্দিন, মো. রবিউল ইসলাম, শেখ মোহাম্মদ উজাইর, আবদুল্লাহ আল ফরহাদ এবং কাজি আমির খসরু নিযুক্ত হয়েছেন। কমিটিতে ডিজিটাল কমিটি চেয়ার মো. নিয়াজুর রহমান চৌধুরী এবং ইভেন্ট কমিটি চেয়ার হিসেবে আশিক আমান ইতাজও স্থান পেয়েছেন।

নির্বাচনে কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জেসিআই বাংলাদেশের সহসভাপতি এবং জেসিআই চিটাগং-এর ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট ইসমাইল মুন্না।
অনুষ্ঠানে জেসিআই বাংলাদেশের ন্যাশনাল গভর্নিং বডির পক্ষ থেকে ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট (ইলেক্ট) আরফিন রাফি আহমেদ, ডেপুটি ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট (ইলেক্ট) শান সাহেদসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া জেসিআই চিটাগংয়ের ২০১৭ সালের প্রেসিডেন্ট গিয়াস উদ্দিন, ২০২১ সালের প্রেসিডেন্ট টিপু সুলতান শিকদার এবং ২০২৩ সালের প্রেসিডেন্ট ও জেসিআই বাংলাদেশ ক্লাব চেয়ারপারসন রাজু আহমেদ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ