যে সওগাত আমার হাতে তুলে দিলেন, আমি মাথায় তুলে নিলুম।

সফিকুল ইসলাম শিল্পী, রাণীশংকৈল(ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি:

রাণীশংকৈলে গণসংবর্ধনায় - সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল' মুকুল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনারা যে সওগাত আমার হাতে তুলে দিলেন, আমি মাথায় তুলে নিলুম, আমার সমস্ত ধনুমনু প্রাণ আজ বীনার মতো বেজে উঠেছে, তাতে শুধু একটি সুরই ধ্বনিত হয়ে উঠেছে। আমি ধন্য হলুম আমি ধন্য হলুম।রাণীশংকৈলে গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে -সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মুকুল একথা বলেন।

এছাড়াও তিনি আরো বলেন, “আমার বড় কিছু পাওয়া আ কখনো মনে করি নাই। আমি মনে করি যে আমার আরো অনেক দূর যেতে হবে। আপনাদের দোয়ায় আমি যেতেও চাই। কিন্তু এই অর্জনে আপনারা আমাকে যেভাবে অভিনন্দিত করেছেন এটা সত্যিই আমার মাথায় তুলে রাখার মত স্মরণীয়।

তিনি একাত্তরের রক্তে রঞ্জিত খুনীয়া দীঘির কথা উল্লেখ করে বলেন, “আমরা সেই উত্তরবঙ্গের মানুষ আমরা স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের রক্ষার জন্য বুক চিতিয়ে লড়াই করেছি। “২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন,” হাজার হাজার প্রাণ গেল। হাজার হাজার মানুষ আহত হল। এখনো কাতরাচ্ছে বিছানায়। এই বাংলাদেশকে নতুন করে স্বাধীনতা দিয়েছে কে? শুরুটা কে করেছিল? আবু সাঈদ। সে আমাদের উত্তরবঙ্গের ছেলে।

তিনি এলাকার মানুষের উদ্দেশ্যে বলেন, “আপনারা আমাকে যেভাবে অভিনন্দিত করেছেন এটা আমার দায়িত্ববোধ অনেকবারই দিয়েছে। “ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার কৃতি সন্তান মোস্তাফিজুর রহমান মুকুলকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হিসাবে নিয়োগপ্রাপ্ত করায় বুধবার (২এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯ টায় পৌর শহরের শিবদিঘি কাঁচা বাজার মার্কেটে গণসংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।রাণীশংকৈল উপজেলাবাসির আয়োজনে অনুষ্ঠানে সভাপতি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন।

অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা রফিকুল ইসলাম,
নায়েবি আমির মিজানুর রহমান মাস্টার,সেক্রেটারি রজব আলী, ঠাকুরগাঁও জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট এন্তাজুল হক, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট শেখ ফরিদ, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী কামরুজ্জামান, আরো বক্তব্য রাখেন,পৌর জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুল মতিন বিশ্বাস,সাবেক পৌর মেয়র মোকলেসুর রহমান,প্রেসক্লাব সভাপতি আশরাফুল

ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির,ছাত্র প্রতিনিধি তারেক মাহমুদ, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আজিজার রহমান প্রমুখ।এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিভন্ন সামাজিক,রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। পরে কৃতি সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মোস্তাফিজুর রহমানকে ক্রেস্ট ও ফুলেল শুভেচছা দিয়ে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বর্ধিত বেতন মিলেনি চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের কর্মীদের

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী বর্ধিত বেতন ১ নভেম্বর পরিশোধের নির্দেশনা থাকলেও এখনো পাননি। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালকের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

একই সঙ্গে প্রশাসনিক কর্মকর্তার অবহেলাকে বেতন না পাওয়ার জন্য দায়ী করে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) ১৭টি স্টেশনের মধ্যে ১৬টিতে বর্ধিত বেতন পরিশোধ করা হলেও শাহ আমানত বিমানবন্দরের কর্মীরা এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। সোমবার (২ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ নুর হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রায় ৬০ থেকে ৭০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী।

শাহ আমানত বিমানবন্দর কর্মচারী সংঘের সাধারণ সম্পাদক মো. হাকিম সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দেশের অন্যান্য স্টেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন পে-স্কেলের বর্ধিত বেতন পেলেও শাহ আমানত বিমানবন্দরের কর্মীরা তা পাননি। এ নিয়ে কর্মচারীদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

কর্মচারীরা অভিযোগ করেন, বিমানবন্দরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কায়সার মোহাইমেনের অবহেলার কারণে সময়মতো প্রয়োজনীয় নথিপত্র বেবিচকের সদর দপ্তরে পাঠানো হয়নি। ফলে নির্ধারিত সময়ে বর্ধিত বেতন পাননি তারা। পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ জমা না দেওয়ার বিষয়টিও নথি পাঠাতে বিলম্বের কারণ বলে অভিযোগ করেছেন কয়েকজন কর্মচারী।

অভিযোগের বিষয়ে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কায়সার মোহাইমেন বলেন, কমচারীদের ৩১৯ ফাইল সদরদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। তার মধ্যে ৩০০টি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, বাকি ১৯টি নথি দুয়েকদিনের মধ্যে অনুমোদন দেওয়া হবে এবং সবাই একসঙ্গে বেতন পাবেন। বাকি বিমানবন্দরে লোকবল কম। একারণে তারা দ্রুত অনুমোদন নিতে পেরেছেন এবং বেতন পেয়েছেন। কিন্তু আমাদের এখানে লোকবল বেশি। সবারটা অনুমোদন হয়নি। এ কারণে পরিচালক বলেছেন সবারটা অনুমোদন হলে একসঙ্গে ছাড় করার জন্য।

বর্ধিত বেতন মিলেনি চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের কর্মীদের

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী বর্ধিত বেতন ১ নভেম্বর পরিশোধের নির্দেশনা থাকলেও এখনো পাননি। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালকের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। একই সঙ্গে প্রশাসনিক কর্মকর্তার অবহেলাকে বেতন না পাওয়ার জন্য দায়ী করে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) ১৭টি স্টেশনের মধ্যে ১৬টিতে বর্ধিত বেতন পরিশোধ করা হলেও শাহ আমানত বিমানবন্দরের কর্মীরা এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

সোমবার (২ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ নুর হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রায় ৬০ থেকে ৭০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী।

শাহ আমানত বিমানবন্দর কর্মচারী সংঘের সাধারণ সম্পাদক মো. হাকিম সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দেশের অন্যান্য স্টেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন পে-স্কেলের বর্ধিত বেতন পেলেও শাহ আমানত বিমানবন্দরের কর্মীরা তা পাননি। এ নিয়ে কর্মচারীদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
কর্মচারীরা অভিযোগ করেন, বিমানবন্দরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কায়সার মোহাইমেনের অবহেলার কারণে সময়মতো প্রয়োজনীয় নথিপত্র বেবিচকের সদর দপ্তরে পাঠানো হয়নি। ফলে নির্ধারিত সময়ে বর্ধিত বেতন পাননি তারা। পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ জমা না দেওয়ার বিষয়টিও নথি পাঠাতে বিলম্বের কারণ বলে অভিযোগ করেছেন কয়েকজন কর্মচারী।

অভিযোগের বিষয়ে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কায়সার মোহাইমেন বলেন, কমচারীদের ৩১৯ ফাইল সদরদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। তার মধ্যে ৩০০টি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, বাকি ১৯টি নথি দুয়েকদিনের মধ্যে অনুমোদন দেওয়া হবে এবং সবাই একসঙ্গে বেতন পাবেন। বাকি বিমানবন্দরে লোকবল কম। একারণে তারা দ্রুত অনুমোদন নিতে পেরেছেন এবং বেতন পেয়েছেন। কিন্তু আমাদের এখানে লোকবল বেশি। সবারটা অনুমোদন হয়নি। এ কারণে পরিচালক বলেছেন সবারটা অনুমোদন হলে একসঙ্গে ছাড় করার জন্য।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ