আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

চবির সঙ্গে বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট ও বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের সমঝোতা স্মারক।

চবি রিপোর্টার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস -এর সঙ্গে বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) ও বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফআইডিসি)–এর মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে ।

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্‌ইয়া আখতার, উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো. কামাল উদ্দিন এবং ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

উপাচার্য অতিথিদের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ ক্যাম্পাসে স্বাগত জানান এবং আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এ সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে বাঁশ ও অন্যান্য বনজ পণ্যের উন্নয়ন, উৎপাদন, বাণিজ্যিকীকরণ ও ব্যবস্থাপনায় নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি ত্রিপক্ষীয় গবেষণা, পরিবেশ সংরক্ষণ ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পথ উন্মোচিত হবে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএফআইডিসি চেয়ারম্যান মো. নাসির উদ্দিন আহমেদ, বিএফআরআই-এর মুখ্য গবেষণা কর্মকর্তা ড. মো. মাহবুবুর রহমান, চবি ইনস্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস-এর পরিচালক প্রফেসর ড. মো. আকতার হোসেন, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের পরিচালক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, প্রফেসর ড. মো. দানেশ মিয়া, বিএফআইডিসি চট্টগ্রাম (সিএমপি) এর ব্যবস্থাপক উজ্জ্বল কুমার হাওলাদার, বিএফআইডিসি এসএমপি অ্যান্ড এফইউ কালুরঘাট-এর ব্যবস্থাপক মো. আতিকুর রহমান,

বিএফআইডিসি চেয়ারম্যানের পিএস মো. নজমুল হক, হিসাব ব্যবস্থাপক মো. আবদুল ওয়াজিদ, ইউনিট প্রধান (ডব্লিউটিপি) সন্দীপ কুমার সরকার, বিএফআরআই-এর বিভাগীয় কর্মকর্তা আনিসুর রহমান ও মো. আনিসুর রহমান, বিএফআইডিসি রাবার বিভাগ চট্টগ্রামের মহাব্যবস্থাপক এ.এ.এম. শাহাজাহান সরকার, বিএফআইডিসি ফিডকো ফার্নিচার কমপ্লেক্স কালুরঘাট-এর উপ-ব্যবস্থাপক মো. আরিফ হোসেন ও এলপিসি কাপ্তাই-এর সহকারী মহাব্যবস্থাপক তীর্থ জিৎ রায়সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ।

সমঝোতা স্মারকে চবির পক্ষে রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, বিএফআইডিসি-এর পক্ষে চেয়ারম্যান মো. নাসির উদ্দিন আহমেদ এবং বিএফআরআই চট্টগ্রাম-এর পক্ষে মুখ্য গবেষণা কর্মকর্তা ড. মো. মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষর করেন।

উল্লেখ্য, এ ত্রিপক্ষীয় চুক্তির মাধ্যমে গবেষণালব্ধ ফলাফল ব্যবহার করে বাঁশ, বেত ও অন্যান্য বনজ সম্পদজাত পণ্যের টেকসই ব্যবস্থাপনা ও বাণিজ্যিকীকরণ নিশ্চিত করা হবে। বিএফআইডিসি ও বিএফআরআই-এর প্রক্রিয়াজাতকরণ ইউনিট/কারখানার মেশিনারিজ ব্যবহার করে বাঁশজাত নমুনা পণ্য উন্নয়ন ও উৎপাদন করা হবে। প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই (ফিজিবিলিটি স্টাডি) সম্পন্ন হওয়ার পর প্রয়োজনীয় মেশিনারিজ সংগ্রহ করবে বিএফআইডিসি। এছাড়াও কার্যকর লে-আউট ডিজাইন করে কাঁচামাল স্থানান্তরের সময় কমিয়ে উৎপাদন দক্ষতা বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি হ্রাস করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে।

বাঁশজাত পণ্য উৎপাদনের সময় সৃষ্ট বর্জ্য দিয়ে অর্থকরী পণ্য তৈরির সম্ভাবনা যাচাই, গবেষণা ও উন্নয়নে বিএফআরআই ও চবির ইনস্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস কাজ করবে এবং বিএফআইডিসি তা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেবে। যৌথ গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও কর্মশালার আয়োজনের মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমে বাজারে কার্যকর সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ওয়ার সেমেট্রি পরিদর্শন করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন চট্টগ্রাম মহানগরের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ওয়ার সেমেট্রি পরিদর্শন করেছেন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত এ পরিদর্শন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শনকালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদ সেনাদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ সময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময়কালে ওয়ার সেমেট্রির ঐতিহাসিক গুরুত্ব, সংরক্ষণ ব্যবস্থা, নান্দনিক পরিবেশ এবং পরিবেশগত দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন চট্টগ্রাম নগরের উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ, স্বাস্থ্যসেবা ও নাগরিক সেবাখাতে ভবিষ্যতে সহযোগিতার সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন বলে জানা যায়।

বোয়ালখালীতে অবৈধ ব্রিজ নির্মাণ বন্ধ করলেন ইউএনও।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কসকবাজার আরকান সড়কের বোয়ালখালীর গোমদণ্ডী ফুলতলার দক্ষিণ পাশে রায়খালী খালের ওপর অবৈধভাবে একটি পাকা ব্রিজ নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খালের ওপর অনুমোদনহীনভাবে ব্রিজটি নির্মাণ করা হলে বর্ষা মৌসুমে খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহে মারাত্মক প্রতিবন্ধকতার ও ভয়াবহ বন্যা সহ জলাবদ্ধতার ঝুঁকি দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে একই সাথে চাষবাদ ব্যাপক ক্ষতির ঝুঁকি মধ্যে রয়েছে ।

বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) অবৈধ ব্রিজ নির্মাণের কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করা হলে বিষয়টি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং উপজেলা প্রশাসনের নজরে আসে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে রবিবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে বোয়ালখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান ফারুক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) কানিজ ফাতেমা ঘটনাস্থলে সরেজমিনে পরিদর্শনে করেন ।

পরিদর্শনকালে তারা খালের ওপর অবৈধভাবে ব্রিজ নির্মাণের সত্যতা পান। এ সময় খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে নির্মাণকাজের অপচেষ্টা পরিলক্ষিত হওয়ায় সংশ্লিষ্টদের নিজ দায়িত্বে সোমবারের মধ্যে নির্মাণাধীন ব্রিজটি অপসারণ বা ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেন প্রশাসন ।


এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান ফারুক জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দেশনা প্রতিপালন না করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি আরও বলেন, জনস্বার্থ রক্ষা ও জলাবদ্ধতা নিরসনে উপজেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ